Dia Health

Website

Dia Health Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dia Health, Medical and health, Rail gate, Feni Sadar, Chittagong.

ব্রেইনের কার্যক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করুন, স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার (যেমন চর্বিযুক্ত মাছ, ফল, সবজি, বাদ...
03/09/2025

ব্রেইনের কার্যক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করুন, স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার (যেমন চর্বিযুক্ত মাছ, ফল, সবজি, বাদাম, এবং গোটা শস্য) গ্রহণ করুন, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন, মানসিক চাপ কমান, এবং নতুন কিছু শেখার মাধ্যমে বা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখুন।

দৈনন্দিন অভ্যাস:

শারীরিক ব্যায়াম:

নিয়মিত অ্যারোবিক ব্যায়াম (যেমন দৌড়ানো, বাইক চালানো, সাঁতার কাটা) মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বাড়ায়, যা জ্ঞানীয় কর্মক্ষমতা উন্নত করে এবং মস্তিষ্কের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

সুস্থ খাদ্য গ্রহণ:

ব্রেইন-বুস্টিং খাবার যেমন চর্বিযুক্ত মাছ (স্যামন), জলপাই তেল, বাদাম, বীজ, পাতাযুক্ত শাকসবজি, বেরি এবং গোটা শস্য গ্রহণ করুন।

পর্যাপ্ত ঘুম:

মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অপরিহার্য।

মানসিক চাপ কমান:

মানসিক চাপ মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে, তাই চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।

মস্তিষ্কের জন্য কার্যকলাপ:

নতুন কিছু শিখুন:

নতুন ভাষা শেখা, একটি নতুন বাদ্যযন্ত্র বাজানো, বা নতুন দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে মস্তিষ্ককে চ্যালেঞ্জ করুন।

জ্ঞানীয় চ্যালেঞ্জ:

ধাঁধা, শব্দ খেলা বা অন্যান্য বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যকলাপের মাধ্যমে মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখুন।

বিরতি নিন:

একটানা কাজ না করে মাঝে মাঝে বিরতি নিলে মস্তিষ্ক সতেজ থাকে এবং কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে।

মননশীলতা অনুশীলন:

ধ্যান বা মননশীলতার অনুশীলন মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে।

🔰 ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা ইনসুলিন ও ওষুধ ছাড়া চলতে পারে না। তাই, ওষুধ ইনসুলিন ছাড়াতে আমরা নিয়ে এসেছি "ডায়া কেয়ার"...
26/08/2025

🔰 ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা ইনসুলিন ও ওষুধ ছাড়া চলতে পারে না। তাই, ওষুধ ইনসুলিন ছাড়াতে আমরা নিয়ে এসেছি "ডায়া কেয়ার"। এটি সেবনে আপনার যে সকল সমস্যার সমাধান পাবেন তা নিচে দেওয়া হল :

▶️ ডায়া কেয়ার এর উপকারীতা :

* রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণ করে।
* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
* ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে।
*কোলন পরিস্কার করে।
* রক্ত দূষণ রোধ করে।
* অতিরিক্ত মেদ জমাতে বাধাগ্রস্থ করে।
* শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়।
* পাকস্থলীর কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটায়। প্রাকৃতিক ভিটামিন ও মিনারেল ঘাটতি কমায়।

▶️ প্রোডাক্টটির প্রাইস ও বিস্তারিত জানতে এখনই যোগাযোগ করুন আমাদের হেলথ স্পেশালিষ্ট এর সাথে।

আপনি কি আপনার চিকন স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত! আপনার ওজন ১০-১৫ কেজি পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন আমাদের এই প্রডাক্টটির ২মাসের ফুল ক...
26/08/2025

আপনি কি আপনার চিকন স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত! আপনার ওজন ১০-১৫ কেজি পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন আমাদের এই প্রডাক্টটির ২মাসের ফুল কোর্স কমপ্লিট করার মাধ্যমে। বিস্তারিত জানতে, এখনই যোগাযোগ করুন আমাদের হেলথ স্পেশালিষ্ট এর সাথে!

ডায়াবেটিস এক মহামারীর নাম! যা এখন সবার ঘরে ঘরে! ৮০ বছরের বৃদ্ধ থেকে শুরু করে ১৭-১৮ বছরের তরুণ সবাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হ...
26/08/2025

ডায়াবেটিস এক মহামারীর নাম! যা এখন সবার ঘরে ঘরে! ৮০ বছরের বৃদ্ধ থেকে শুরু করে ১৭-১৮ বছরের তরুণ সবাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে!

আর সুগার লেবেল দীর্ঘ দিন যাবত অনিয়ন্ত্রিত থাকার কারণে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতার দেখা দিচ্ছে। তাছাড়া, অনেকে কিন্তু ডায়াবেটিস এর কারণে একটা পর্যায়ে কিডনি সমস্যায় এবং হার্টের সমস্যায়ও আক্রান্ত হচ্ছে! তাই, ডায়াবেটিসকে কিন্তু অবহেলা করা একেবারেই সমীচীন নয়!

বিস্তারিত জানতে, এখনই যোগাযোগ করুন আমাদের হেলথ স্পেশালিষ্ট এর সাথে!

প্রি-ডায়াবেটিস বা Prediabetes কি ? প্রি-ডায়াবেটিসের লক্ষণসমূহ এবং মুক্তির উপায়Prediabetes কি? প্রি-ডায়াবেটিস হলো এমন একট...
06/08/2025

প্রি-ডায়াবেটিস বা Prediabetes কি ? প্রি-ডায়াবেটিসের লক্ষণসমূহ এবং মুক্তির উপায়

Prediabetes কি?
প্রি-ডায়াবেটিস হলো এমন একটি শারীরিক অবস্থা যখন আমাদের শরীরের রক্তে গ্লুকোজ এর পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রা থেকে বেশি থাকে, কিন্তু সেটা এতটাও বেশি না যে একে ডায়াবেটিস রোগ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার একটি বড় লক্ষণ হলো এই Prediabetes অবস্থা। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রি-ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের পরবর্তী পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে ডায়াবেটিস রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ৫০% হয়ে থাকে।
পেশাদার চিকিৎসকরা প্রি ডায়াবেটিস অবস্থাকে বিভিন্ন নামে উল্লেখ করে থাকে। যেমন:

Impaired Fasting Glucose (IFG) - যার মানে সকাল বেলা খাওয়ার আগে রক্তে সুগারের পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রা থেকে বেশি থাকে।

Impaired Glucose Tolarence (IGT) - মানে খাওয়ার পরে রক্তে সুগারের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থা থেকে বেশি থাকে।

মোটামুটি প্রায় সকল ডায়াবেটিস রোগীরাই Prediabetes এ আগে আক্রান্ত হয়। কিন্তু সমস্যার কথা হলো এর নির্দিষ্ট কোনো লক্ষণ নেই যার মাধ্যমে একজন সতর্ক হতে পারবে যে সে প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।

প্রি-ডায়াবেটিসের লক্ষণসমূহ:

প্রি-ডায়াবেটিসের এমন কোনো লক্ষণ নেই যার মাধ্যমে নিশ্চিত করেই আমরা বলতে পারি যে একজন ব্যক্তি এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন।
তবে সাধারণ যে লক্ষণগুলো আমাদের শরীর দিয়ে থাকে তার ভিতরে রয়েছে:
শরীরের বিভিন্ন স্থানের রঙ পরিবর্তন হতে দেখা। যেমন: কালচে ভাব বা ফ্যাকাসে ভাব চলে আসা। এর ভিতরে রয়েছে কনুই, হাঁটু, ঘাড়, বগল ইত্যাদি স্থানের বিবর্ণতা।
আবার কোনো ব্যক্তির শরীরে যদি নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো দেখা দেয় তাহলে তার অবশ্যই ডাক্তারের সাথে কথা বলা উচিত এবং Prediabetes পরীক্ষা করা উচিত:

তৃষ্ণা বেড়ে যাওয়া।

ঘন ঘন প্রসাব হওয়া।

ক্লান্তি।

চোখে ঝাপসা দেখা।

ঘা শুকাতে সময় নেওয়া ।

এগুলো মূলত ডায়াবেটিস এর লক্ষণ। এগুলো দেখা দিলে আমাদের সতর্ক হয়ে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

প্রি-ডায়াবেটিস এর কারণ:

বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার মতো প্রি-ডায়াবেটিসেরও নানা রকম কারণ রয়েছে। নিম্নে এ অবস্থার দুটি গুরুত্বপূর্ন কারণ ইনসুলিন রেজিস্টেন্স এবং মেটাবলিক ডিস্টার্বেন্স নিয়ে আলোচনা করা হলো:
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স:
অগ্ন্যাশয় অগ্ন্যাশয় আমাদের শরীরে ইনসুলিন ক্ষরণ করে যা রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং গ্লুকোজকে রক্ত থেকে আমাদের শরীরের কোষের ভিতরে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। যার ফলশ্রুতিতে আমরা শক্তি পেয়ে থাকি। কোষের এই গ্লুকোজ গ্রহণের ক্ষমতা নির্ভর করে ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি এর উপরে। ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি কমে গেলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বেড়ে যায়, যার ফলে শরীর ইনসুলিন হরমোনকে ঠিক মতো ব্যবহার করতে পারে না। এ পরিস্থিতি আমাদেরকে Prediabetes এর দিকে নিয়ে যেতে পারে যা পরবর্তীতে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে পরিবর্তিত হয়।
মেটাবলিক ডিস্টার্বেন্স:
আমাদের শরীরে মেটাবলিজমে সমস্যা দেখা দিলে কার্বোহাইড্রেট সহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটে। যার ফলে রক্তে সুগার লেভেল বেড়ে যায়। একে হাইপারগ্লাইসেমিয়া বলে। এ থেকে ইনসুলিন রেসিসটেন্সও হতে পারে।
এছাড়াও আরো কিছু বিষয় বা নিয়ামক আছে যা প্রি-ডায়াবেটিস এর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। যেমন:

বয়স: ৪৫ বছর কিংবা তার বেশি বয়সের মানুষদের Prediabetes এর ঝুঁকি বেশি।

ওজন: যাদের BMI ২৫ এর বেশি তারা ঝুঁকিতে রয়েছেন।

কোমরের পরিধি: গবেষণায়দেখা যায়, যাদের কোমরে নিতম্বের তুলনায় বেশি চর্বি রয়েছে তাদের প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি।

জাতিগত কারণ: অনেক সময় অনেকের জাতিগত-ভাবেই ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যেমন: আফ্রিকান আমেরিকান, এশিয়ান আমেরিকানদের।

খাদ্যাভ্যাস: আমাদের খাদ্যাভ্যাসের সাথে এই রোগ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অধিক কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট এর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

পারিবারিক ইতিহাস: পরিবারের বড় কেও আক্রান্ত হলে ছোটদের কিংবা বংশধরদের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।

ধূমপান: ধূমপান শারীরিক সক্ষমতা কমায়, Prediabetes এর ঝুঁকি বাড়ায়।

মেডিক্যাল হিস্ট্রি: কোলেস্টেরল বৃদ্ধি, হাই ব্লাড প্রেশার ইত্যাদি সমস্যায় থাকা মানুষদের প্রি-ডায়াবেটিক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

প্রি-ডায়াবেটিস থেকে মুক্তির উপায়:

আমরা চাইলেই কিছু নিয়ম মেনে চলে এই শারীরিক সমস্যা থেকে বাঁচতে পারি। এই সকল নিয়মের মধ্যে রয়েছে:

নিয়মিত ব্যায়াম করা।

অতিরিক্ত পরিমাণে না ঘুমিয়ে নিয়মিত একটা সময়ে পরিমিত পরিমাণে ঘুমিয়ে নেওয়া।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করা।

খাদ্যতালিকায় প্রচুর ফাইবারযুক্ত খাবার রাখা। লো কার্ব ডায়েট মেনে চলা।

ডাক্তার যদি ঔষধ দেয় তবে তা নিয়ম মাফিক সেবন করা।

প্রি-ডায়াবেটিসের ঝুঁকিসমূহ:

সময়ের সাথে সাথে Prediabetes এ আক্রান্ত ব্যক্তিরা নিচের সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে পারে:

টাইপ-২ ডায়াবেটিস

হার্টের সমস্যা

স্ট্রোক

কিডনি রোগ

চোখের সমস্যা

ত্বকের সমস্যা

হ্রসশ্রবণ

এলজাইমার’স ডিজিস ইত্যাদি

প্রি ডায়েবেটিস এর ব্লাড সুগারের মাত্রা:

নিচের তালিকা থেকে আমরা জানতে পারি আমাদের রক্তে সুগারের পরিমাণ কেমন হতে হবে। আর কেমন হলে তা প্রি ডায়াবেটিস হিসেবে গণ্য হবে।

ব্লাড সুগার মনিটোরিং করতে নিচের চার্টটি ব্যবহার করা যেতে পারে:

প্রি-ডায়াবেটিস রোগের চাইতে সামনে বড় অসুখের সতর্কবার্তাই বলা চলে। এককভাবে এই অসুখ হয়ত আমাদের তেমন কোনো শারীরিক সমস্যা দেয় না কিন্তু যদি আমরা একে অবহেলা করি তবে আমাদের বড় স্বাস্থ্যঝুকির মাধ্যমে এর খেসারত দিতে হতে পারে।

ডায়াবেটিসের প্রধান লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে ঘন ঘন প্রস্রাব, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ওজন হ্রাস, শুষ্ক মুখ, অতিরিক্ত ক্লান্তি, ক্ষ...
06/08/2025

ডায়াবেটিসের প্রধান লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে ঘন ঘন প্রস্রাব, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ওজন হ্রাস, শুষ্ক মুখ, অতিরিক্ত ক্লান্তি, ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া, এবং দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া। এছাড়াও, কিছু ক্ষেত্রে সংক্রমণ এবং মনোযোগ দিতে অসুবিধা হতে পারে।

ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো হলো:

ঘন ঘন প্রস্রাব:

শরীরে অতিরিক্ত চিনি থাকলে, কিডনি এটি শরীর থেকে বের করে দেওয়ার জন্য বেশি পরিমাণে প্রস্রাব তৈরি করে।

অতিরিক্ত তৃষ্ণা:

ঘন ঘন প্রস্রাবের কারণে শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়, তাই তৃষ্ণা বেড়ে যায়।

অব্যক্ত ওজন হ্রাস:

ডায়াবেটিসে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে, শরীরের কোষগুলি শক্তি উত্পাদনের জন্য চিনি ব্যবহার করতে পারে না, যার ফলে ওজন কমে যায়।

শুষ্ক মুখ:

শরীরে জলের অভাব এবং উচ্চ রক্তে শর্করার কারণে মুখ শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

অতিরিক্ত ক্লান্তি:

শরীরে পর্যাপ্ত শক্তি না থাকলে ক্লান্তি বোধ হতে পারে।

ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া:

উচ্চ রক্তে শর্করার কারণে শরীরের ক্ষতস্থান শুকাতে বেশি সময় লাগে।

দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া:

উচ্চ রক্তে শর্করার কারণে চোখের লেন্স ফুলে যেতে পারে এবং দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে।

বারবার সংক্রমণ:

ডায়াবেটিস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, তাই সংক্রমণ হওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

মনোযোগ দিতে অসুবিধা:

ডায়াবেটিস মস্তিষ্কের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে, ফলে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হতে পারে।

ত্বকের সমস্যা:

ডায়াবেটিস ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, যেমন - চুলকানি, শুষ্কতা, সংক্রমণ ইত্যাদি।

মাড়ি থেকে রক্ত পড়া:

ডায়াবেটিস মাড়ির প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, যার ফলে মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে পারে।

ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো লক্ষণ নাও দেখা যেতে পারে। তাই, উপরে উল্লেখিত যেকোনো লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

DiaHealth এর হেলথ স্পেশালিষ্ট এর পরামর্শ পেতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন!

Address

Rail Gate, Feni Sadar
Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dia Health posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share