Patient Point

Call Website Contact the business

Patient Point POINT OF CARE
AT EVERY SECTOR
DIRECTLY WITH SMART DISCOUNT
HEALTH CARE SUPPORT
FOR BETTER LIFE

আজকে না, কালকেও হয়তো না, কিন্তু একদিন হঠাৎ বুকের ভেতর একটা অদ্ভুত ধড়ফড়ানি টের পাবেন - আর তখনই প্রশ্ন জাগবে, "এটা কী হ...
23/09/2026

আজকে না, কালকেও হয়তো না, কিন্তু একদিন হঠাৎ বুকের ভেতর একটা অদ্ভুত ধড়ফড়ানি টের পাবেন - আর তখনই প্রশ্ন জাগবে, "এটা কী হলো?"

আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি। মাস ছয়েক আগে হঠাৎ রাতে ঘুমের মধ্যে বুকের ভেতর একটা অস্বাভাবিক অনুভূতি হলো - যেন হৃদপিণ্ড ঠিকমতো তাল মিলিয়ে চলছে না, কখনো দ্রুত, কখনো এলোমেলো। প্রথমে ভেবেছিলাম, হয়তো বেশি চা খাওয়ার কারণে হচ্ছে, বা রাত জাগার প্রভাব।

পরদিন সকালেও একই অনুভূতি হলো, সঙ্গে সামান্য মাথা ঘোরা। তখনই সিদ্ধান্ত নিলাম ডাক্তার দেখাবো। ইসিজি করার পর ডাক্তার যা বললেন, তা শুনে আমি নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।

আমার হৃদস্পন্দনের ছন্দটাই ঠিক ছিল না - একে বলে অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন।

অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন (Atrial Fibrillation বা AFib) হলো হৃৎপিণ্ডের একটি অনিয়মিত ও দ্রুত ছন্দজনিত সমস্যা বা অ্যারিথমিয়া।

এই রোগে হৃৎপিণ্ডের উপরের কক্ষগুলো (অ্যাট্রিয়া) নিয়মিতভাবে সংকুচিত না হয়ে বিশৃঙ্খলভাবে কাঁপতে থাকে। ফলে শরীরের ঠিকমতো রক্ত পাম্প করতে সমস্যা হয়।

লক্ষণ :
হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত বা অনিয়মিত হওয়া,
বুক ধড়ফড় করা
অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা,
শ্বাসকষ্ট হওয়া,
মাথা ঘোরানো বা হালকা মাথা অনুভূত হওয়া,
বুকে অস্বস্তি বা ব্যথা

কারণ :
উচ্চ রক্ত চাপ, বয়স বৃদ্ধি, আগের হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগ, ভাল্বের সমস্যা, থাইরয়েডের সমস্যা (অতিরিক্ত সক্রিয় থাইরয়েড), অতিরিক্ত মদ্যপান, বংশগত কারণ বা স্থূলতা

জটিলতা : রক্ত জমাট বাঁধা, স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়া, হার্ট ফেইলিউর বা হৃদ্‌বৈকল্য

চলুন সহজ ভাষায় বুঝি, এটা আসলে কী।

স্বাভাবিকভাবে আমাদের হৃদপিণ্ড একটা নির্দিষ্ট বৈদ্যুতিক সংকেত অনুসরণ করে নিয়মিত ছন্দে স্পন্দিত হয়। অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশনে হৃদপিণ্ডের ওপরের অংশের (এট্রিয়া) বৈদ্যুতিক সংকেত এলোমেলো হয়ে যায়, ফলে হৃদপিণ্ড অনিয়মিত ও অনেক সময় দ্রুত গতিতে স্পন্দিত হতে থাকে। এতে রক্ত সঠিকভাবে পাম্প না হয়ে হৃদপিণ্ডের ভেতরে কিছুটা জমে থাকার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

এই সমস্যা হওয়ার পেছনে কয়েকটা বড় কারণ থাকতে পারে -

১. দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপ, যা হৃদপিণ্ডের গঠনে পরিবর্তন আনতে পারে।

২. বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সিস্টেমে স্বাভাবিক পরিবর্তন - যদিও তরুণদের মধ্যেও এটা দেখা যেতে পারে, বিশেষত অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা ঘুমের সমস্যা থাকলে।

৩. থাইরয়েডের সমস্যা, বিশেষত অতিরিক্ত সক্রিয় থাইরয়েড, যা হৃদস্পন্দনে প্রভাব ফেলতে পারে।

৪. অতিরিক্ত ক্যাফেইন, অ্যালকোহল বা দীর্ঘদিনের অনিদ্রা - আমার ক্ষেত্রে যেমন কাজের চাপে ঘুম কম হচ্ছিল, সঙ্গে চা-কফির পরিমাণও বেড়ে গিয়েছিল।

মানুষ সাধারণত যে লক্ষণগুলো অবহেলা করে - মাঝেমধ্যে বুকে ধড়ফড়ানি, হালকা মাথা ঘোরা, সহজে ক্লান্ত হয়ে পড়া, বা হঠাৎ শ্বাস নিতে একটু কষ্ট হওয়া। এগুলোকে অনেকেই "গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা" বা "দুশ্চিন্তা" বলে এড়িয়ে যান, যেমনটা আমিও প্রথমে ভেবেছিলাম।

এখনো সময় আছে বলার কারণ - সময়মতো ধরা পড়লে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে, এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হতে পারে।

WHO ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গাইডলাইন অনুযায়ী কিছু বাস্তবসম্মত করণীয় -

১. বুকে ধড়ফড়ানি বা অনিয়মিত স্পন্দন বারবার অনুভব করলে, ইসিজি করিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া - কারণ এই ধরনের ছন্দের সমস্যা নিজে থেকে বোঝা যায় না।

২. ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল গ্রহণ কমানো এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা, যা হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করতে পারে।

৩. উচ্চ রক্তচাপ বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে, তা নিয়মিত পরীক্ষা করিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখা - কারণ এই সমস্যাগুলো হৃদস্পন্দনের ছন্দের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হতে পারে।

একটা জরুরি কথা - হঠাৎ তীব্র বুকে ব্যথা, প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট, শরীরের একপাশ অবশ হয়ে যাওয়া বা কথা জড়িয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত জরুরি বিভাগে যাওয়া উচিত।

নিজেকে একবার প্রশ্ন করেন তো - বুকের ভেতর হঠাৎ অদ্ভুত ধড়ফড়ানি হলে, আপনি কি সেটাকে গুরুত্ব দেন, নাকি এড়িয়ে যান?

আপনার কি কখনো এমন অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের অভিজ্ঞতা হয়েছে?

রোগ নির্ণয় :
অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন (আফিব) নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসা ইতিহাস, শারীরিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন পরীক্ষার সমন্বয় জড়িত।
হতে পারে:
১. ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ইসিজি বা ইকেজি):
অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন ইসিজি হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ পরিমাপ করে, তাল দেখায় এবং কত দ্রুত হৃদস্পন্দন করছে।

২. রক্ত পরীক্ষা: তারা এমন অবস্থার জন্য পরীক্ষা করে যা হৃদয়কে প্রভাবিত করতে পারে বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের কারণ হতে পারে, যেমন থাইরয়েড রোগ (Hormone panel test : T3, FT3, FT4, TSH) এবং লিভার ফাংশন টেষ্ট (LFT) এবং কিডনি ফাংশন টেষ্ট (KFT) করে দেখা যে কতটা ভালো আছে।

৩. ইকোকার্ডিওগ্রাম: তারা হৃৎপিণ্ডের স্পন্দনের চিত্র তৈরি করতে শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে, দেখায় যে কীভাবে রক্ত ​​​​হৃদপিণ্ড এবং ভালভের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।

অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশনের জন্য চিকিত্সা :

অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশনের চিকিৎসায় হৃৎপিণ্ডের ছন্দ নিয়ন্ত্রণ, রক্ত ​​জমাট বাঁধা প্রতিরোধ এবং অন্তর্নিহিত অবস্থার ব্যবস্থাপনার পদ্ধতির সংমিশ্রণ জড়িত। এই অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:

মেডিকেশন: ব্লাড থিনার হৃদপিণ্ডে রক্ত ​​জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করতে ডাক্তাররা ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার বা বিটা-ব্লকার লিখে দিতে পারেন।

কার্ডিওভারসন: এটি এমন একটি পদ্ধতি যা হৃৎপিণ্ডের ছন্দ পুনরায় সেট করতে বৈদ্যুতিক শক বা ওষুধ ব্যবহার করে।

ক্যাথেটার অ্যাবলেশন: যারা ওষুধের প্রতি ভালোভাবে সাড়া দেয় না তাদের জন্য চিকিৎসকরা ক্যাথেটার অ্যাবলেশনের সুপারিশ করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে হৃদয়ের টিস্যুতে ছোট ছোট দাগ তৈরি করা জড়িত। এই দাগগুলি অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক সংকেতগুলিকে ব্যাহত করে, যার ফলে অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন হয়।

উন্নত অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন চিকিত্সা:

এর মধ্যে রয়েছে গোলকধাঁধা পদ্ধতি, যা অনিয়মিত ছন্দ নিয়ন্ত্রণের জন্য হৃদপিণ্ডে দাগের একটি কাঠামো তৈরি করে, অথবা হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণের জন্য পেসমেকার বসানো।

কখন ডাক্তার দেখাবেন?
আপনি নীচের উল্লিখিত পরিবর্তনগুলির মধ্যে কোনটি লক্ষ্য করলে অবিলম্বে চিকিৎসা নির্দেশিকা সন্ধান করুন:

আপনি যদি আপনার হার্টের ছন্দে হঠাৎ পরিবর্তন অনুভব করেন
আপনি যদি অভিজ্ঞতা হয় মাথা ঘোরা বা শ্বাসকষ্ট
আপনার যদি বুকে ব্যথা থাকে যা আসে এবং যায়, এমনকি যদি এটি দ্রুত অদৃশ্য হয়ে যায়
আপনি যদি হঠাৎ বুকের টান বা ব্যথা অনুভব করেন যা আপনার কাঁধ, বাহু, ঘাড়, চোয়াল বা পিছনে ছড়িয়ে পড়ে

শিশুর ইউরিন ইনফেকশন প্রতিরোধ করবেন কিভাবে?  কিছু নিয়ম মেনে চললে ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে আনা যায়। যেমনঃ মেয়ে বাচ্চাদে...
23/09/2026

শিশুর ইউরিন ইনফেকশন প্রতিরোধ করবেন কিভাবে?

কিছু নিয়ম মেনে চললে ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে আনা যায়। যেমনঃ মেয়ে বাচ্চাদের টয়লেটে টিস্যু ব্যবহারের সময়ে সামনে থেকে পেছনে পরিষ্কার করুন। শিশুর যৌনাঙ্গ শুকনো ও পরিষ্কার রাখুন। তাকে প্রচুর পানি পান করান। বাথটাব বা পুকুরে গোসল করার পরিবর্তে শাওয়ার কিংবা বালতির সাহায্যে গোসল করান।প্রস্রাব করার সময় শিশু যেন তাড়াহুড়া না করে সেদিকে খেয়াল করুন।

প্রস্রাবের বেগ আসলে তা ধরে রাখবে না এটা বাচ্চাদের শিখাতে হবে। টাইট প্যান্ট পরাবেন না। ইউরিন ইনফেকশন উপেক্ষা করলে সেটি খুব সহজেই গুরুতর রূপ ধারণ করতে পারে। তাই লক্ষণগুলোর ব্যাপারে সচেতন থাকা উচিত ও ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত।

শিশুর ইউরিন ইনফেকশন নিয়ে চিন্তিত? জেনে নিন করণীয় কী?  ইউরিন ইনফেকশন যে শুধু বড়দের হয় ব্যাপারটা কিন্তু তা না। বড়দের মতোই ...
23/09/2026

শিশুর ইউরিন ইনফেকশন নিয়ে চিন্তিত? জেনে নিন করণীয় কী?

ইউরিন ইনফেকশন যে শুধু বড়দের হয় ব্যাপারটা কিন্তু তা না। বড়দের মতোই বিভিন্ন কারণে শিশুর ইউরিন ইনফেকশন দেখা দিতে পারে মূত্রতন্ত্রের কোনো অংশে জীবাণুর সংক্ৰমণ হলে সেটিকে ইউরিন ইনফেকশন বা প্রস্রাবের সংক্ৰমণ বা UTI বলে। মেয়ে শিশুদের এটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি কিন্তু ছেলে শিশুদেরও এই সমস্যা হতে পারে।

মেয়ে শিশুদের মধ্যে এই রোগের সংক্ৰমণ হওয়ার প্রবণতা বেশি কারণ মেয়েদের মূত্রনালী ছেলেদের মূত্রনালীর তুলনায় দৈর্ঘ্যে অনেক ছোট। এছাড়া মেয়েদের মূত্রনালী পায়ুপথের খুব কাছাকাছি অবস্থিত, ফলে ব্যাকটেরিয়া পায়ুপথ থেকে মূত্রনালীতে খুব সহজে প্রবেশ করে প্রস্রাবের সংক্ৰমণ ঘটায়।

শিশুর ইউরিন ইনফেকশনের লক্ষণ :

১ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের ইউরিন ইনফেকশন হলে সাধারণত শিশু অকারণে বিরক্তি প্রকাশ করে, খেতে চায় না। শিশুর জ্বর থাকতে পারে, কখনো কখনো ডায়রিয়া দেখা দেয়। প্রস্রাবে দুর্গন্ধ, গাঢ় প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া বা একেবারেই না হওয়া এ ধরনের লক্ষণও দেখা যায়।

১ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের ইউরিন ইনফেকশন হলে যে লক্ষণ গুলো দেখা দেয় তা হলঃ

♦️জ্বর
♦️ঘন ঘন প্রস্রাব
♦️প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া
♦️বিছানায় প্রস্রাব করা
♦️তলপেটে ব্যথা
♦️কখনো কখনো প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া
কিডনির স্থানে ব্যথা
♦️প্রস্রাব গাঢ় হলুদ বা লালচে হওয়া,
♦️প্রস্রাবে দুর্গন্ধ, ঠিকমতো প্রস্রাব না হওয়া,
♦️কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা- এই উপসর্গ গুলোও থাকতে পারে।

শিশুদের ঘন ঘন ইউরিন ইনফেকশন কেন হয়?
১. মলত্যাগের পর ধৌত করার সময় এসব ব্যাকটেরিয়া প্রস্রাবের দ্বার দিয়ে মূত্রনালি পথে ভেতরে প্রবেশ করলে।
২. এছাড়া মূত্রপথে কোনো আবদ্ধতা(obstruction)থাকলে।
৩.কোষ্ঠকাঠিন্য।

SHAJGOJ
SHAJGOJ
নীড় পাতা
বিউটি টিপস

মেকআপ

স্টাইল

রিভিউ

রেসিপি

স্বাস্থ্য

ফ্যাশন

লাইফ স্টাইল

ভিডিও

SHOP NOW

Advertisement
Home / স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্য
লিখেছেন
●
ডা: তাজরিনা রহমান
, এপ্রিল ২৩, ২০২৫
●
৮০৩০
৫
৩
শিশুর ইউরিন ইনফেকশন নিয়ে চিন্তিত? জেনে নিন করণীয় কী
শিশুর ইউরিন ইনফেকশন নিয়ে চিন্তিত? জেনে নিন করণীয় কী
0
SHARES
Share
Tweet
ইউরিন ইনফেকশন যে শুধু বড়দের হয় ব্যাপারটা কিন্তু তা না। বড়দের মতোই বিভিন্ন কারণে শিশুর ইউরিন ইনফেকশন দেখা দিতে পারে মূত্রতন্ত্রের কোনো অংশে জীবাণুর সংক্ৰমণ হলে সেটিকে ইউরিন ইনফেকশন বা প্রস্রাবের সংক্ৰমণ বা UTI বলে। মেয়ে শিশুদের এটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি কিন্তু ছেলে শিশুদেরও এই সমস্যা হতে পারে।

Advertisement
মেয়ে শিশুদের মধ্যে এই রোগের সংক্ৰমণ হওয়ার প্রবণতা বেশি কারণ মেয়েদের মূত্রনালী ছেলেদের মূত্রনালীর তুলনায় দৈর্ঘ্যে অনেক ছোট। এছাড়া মেয়েদের মূত্রনালী পায়ুপথের খুব কাছাকাছি অবস্থিত, ফলে ব্যাকটেরিয়া পায়ুপথ থেকে মূত্রনালীতে খুব সহজে প্রবেশ করে প্রস্রাবের সংক্ৰমণ ঘটায়।

শিশুর ইউরিন ইনফেকশনের লক্ষণ
১ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের ইউরিন ইনফেকশন হলে সাধারণত শিশু অকারণে বিরক্তি প্রকাশ করে, খেতে চায় না। শিশুর জ্বর থাকতে পারে, কখনো কখনো ডায়রিয়া দেখা দেয়। প্রস্রাবে দুর্গন্ধ, গাঢ় প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া বা একেবারেই না হওয়া এ ধরনের লক্ষণও দেখা যায়।

১ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের ইউরিন ইনফেকশন হলে যে লক্ষণ গুলো দেখা দেয় তা হলঃ

জ্বর
ঘন ঘন প্রস্রাব
প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া
বিছানায় প্রস্রাব করা
তলপেটে ব্যথা
কখনো কখনো প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া
কিডনির স্থানে ব্যথা
প্রস্রাব গাঢ় হলুদ বা লালচে হওয়া, প্রস্রাবে দুর্গন্ধ, ঠিকমতো প্রস্রাব না হওয়া, কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা- এই উপসর্গ গুলোও থাকতে পারে।

শিশুদের ঘন ঘন ইউরিন ইনফেকশন কেন হয়?
১. মলত্যাগের পর ধৌত করার সময় এসব ব্যাকটেরিয়া প্রস্রাবের দ্বার দিয়ে মূত্রনালি পথে ভেতরে প্রবেশ করলে।

২. এছাড়া মূত্রপথে কোনো আবদ্ধতা(obstruction)থাকলে।
৩.কোষ্ঠকাঠিন্য।
৪. কিছু বাচ্চার মধ্যে জন্ম থেকেই ভেসিকোইউরেটেরাল রিফ্লাক্স বলে এক ধরনের সমস্যা দেখা যায়। তাদের বেশি হয়।
৫. নার্ভাস সিস্টেমের অসুখ থাকলে ব্লাডার পুরোপুরি খালি হতে পারে না।
৬. বাচ্চার যদি টয়লেটে যেতে অনীহা থাকে।

ইউরিন ইনফেকশনের চিকিৎসা :
শিশুর ইউরিন ইনফেকশনের লক্ষণ দেখা দিলে সেগুলো উপেক্ষা না করে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজনবোধে উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিকের সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষণগুলো কমে আসতে শুরু করলেও প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ঔষধের কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। সাধারণত ঔষধ খাওয়া শুরু করার দুই-তিন দিনের মধ্যে লক্ষণগুলো কমতে শুরু করে। যদি ঔষধের কোর্স সম্পন্ন করার পরেও লক্ষণের উন্নতি না হয় তাহলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

✨ কষ্টদায়ক প্রস্রাব বা ডিসইউরিয়া একটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর স্বাস্থ্য সমস্যা। তবে কিছু ছোট্ট জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের পরি...
23/09/2026

✨ কষ্টদায়ক প্রস্রাব বা ডিসইউরিয়া একটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর স্বাস্থ্য সমস্যা। তবে কিছু ছোট্ট জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এই কষ্ট অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারে।
আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে সহজ উপায়ে আপনার ব্লাডারকে শান্ত রাখবেন এ বিষয়ে কিছু স্বাস্থ্য সুরক্ষা টিপস।
১. পেটের ভেতরের 'শান্তি চুক্তি': কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন?
একদিন সকালের শান্ত মিষ্টি রোদে এক বাটি গরম ওটসের সাথে কিছু ফলের টুকরো কিংবা নরম চটকে নেওয়া আলু দিয়ে দিনটা শুরু করা যায়। দুপুর বা রাতের খাবারে যদি থাকে অল্প তেলে রান্না করা টাটকা সবজি, পাতলা ঝোলের মাছ আর চর্বি ছাড়া কম মসলাযুক্ত মাংস—তবে আপনার পেট ও মুত্রাশয় দুটোই থাকবে একবারে শান্ত।
তবে সতর্ক থাকুন মুখরোচক সেই ঝাল-মসলাদার বিরিয়ানি কিংবা কড়া তেলে ভাজা স্ন্যাক্স থেকে! এগুলো আপাতদৃষ্টিতে আকর্ষণীয় মনে হলেও ব্লাডারে গিয়ে রীতিমতো ‘আগুন’ জ্বালিয়ে দেয়। লেবু বা আঙুরের টক রস, টমেটোর তরকারি কিংবা বিকেলের এক কাপ কড়া চা-কফি অথবা এক টুকরো চকলেট পানীয় আপনার ব্লাডারকে আরও বেশি উত্তেজিত করে তুলতে পারে। তাই এই সময়ে এগুলোকে কিছুদিনের জন্য 'ছুটি' দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
নরম ও মৃদু খাবার বা Bland Diet (যেমন: দুধ, দই, সয়া, আপেল, গাজর) গ্রহণ করলে তা সহজে হজম হয় এবং মুত্রাশয়কে তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে সাহায্য করে।
২. কেনাকাটা ও প্রাত্যহিক ব্যবহারে যত্নবান হোন
টয়লেট্রিজ ও লন্ড্রি ডিটারজেন্ট কেনার সময় একটু সতর্ক থাকুন। অতিরিক্ত সুগন্ধি বা রাসায়নিকযুক্ত সাবান এবং লন্ড্রি ডিটারজেন্ট অনেক সময় সংবেদনশীল ত্বকে ও মূত্রনালীতে তীব্র জ্বালাপোড়া তৈরি করে।
৩. জীবনযাত্রায় ছোট্ট একটি সতর্কতা
যৌনবাহিত সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে এবং মূত্রনালীকে নিরাপদ রাখতে নিরাপত্তা মূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন। এতে আপনি ও আপনার সঙ্গী দুজনেই থাকবেন ঝুঁকিমুক্ত।
শেষ কথা
খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রায় এই পরিবর্তনগুলো সাময়িকভাবে আপনাকে স্বস্তি দেবে। তবে আপনার শরীরের ধরন ও নির্দিষ্ট শারীরিক জটিলতা বুঝে সঠিক খাদ্যতালিকা তৈরি করতে সবসময় একজন পেশাদার ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ মেনে চলাই সবচেয়ে উত্তম।

23/09/2026
মুরগির গায়ে এন্টিবায়োটিক কি রান্নার সময় কার্যকর থাকে?রান্নার উচ্চ তাপে মুরগির মাংসে থাকা অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রা অন...
23/09/2026

মুরগির গায়ে এন্টিবায়োটিক কি রান্নার সময় কার্যকর থাকে?

রান্নার উচ্চ তাপে মুরগির মাংসে থাকা অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রা অনেকাংশে কমে যায়, কিন্তু এটি পুরোপুরি ধ্বংস বা নিষ্ক্রিয় হয় না।

রান্নার পর মাংসে কিছু পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ বা এর ভাঙা রূপ থেকেই যেতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে মানবদেহের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।রান্নার প্রভাব ও কার্যকারিতাসম্পূর্ণ ধ্বংস হয় না: সাধারণ ফুটানো, ভাজা বা রোস্ট করার মতো তাপমাত্রায় সব ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক সম্পূর্ণ নষ্ট হয় না।কিছুটা হ্রাস পায়: দীর্ঘক্ষণ সিদ্ধ বা রান্না করলে ৩০% থেকে ৯০% পর্যন্ত অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ কমতে পারে, যার বড় অংশ ঝোল বা তেলের মধ্যে মিশে যায়।ওষুধের স্থায়িত্ব: টেট্রাসাইক্লিন বা সিপ্রোফ্লক্সাসিনের মতো কিছু অ্যান্টিবায়োটিক তাপসহনশীল হওয়ায় তা উচ্চ তাপেও স্থিতিশীল থাকে।

স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিঅ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স: নিয়মিত সামান্য পরিমাণে অ্যান্টিবায়োটিক শরীরে প্রবেশ করলে শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলো ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করে।

ওষুধের কার্যকারিতা হ্রাস: ভবিষ্যতে মানবদেহে সাধারণ কোনো রোগ হলে অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করতে চায় না।অন্যান্য সমস্যা: এর ফলে অ্যালার্জি বা পেটের উপকারি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের অধিকাংশ ব্রয়লার খামারে সুস্থ মুরগিকে অপ্রয়োজনীয় "প্রতিরোধমূলক"অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। খামার পরিচালনায় কোনো প্রশিক্ষণ না থাকায় চিকিৎসাজ্ঞানহীন এক শ্রেণীর ডিলারদের পরামর্শে খামারিরা ওই সব ওষুধ প্রয়োগ করেন। ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বাড়াতেই ডিলাররা খামারিদের অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে প্ররোচিত করে থাকেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রয়লার মুরগির খামারে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার খামারে থাকা সব ধরণের ব্যাকটেরিয়াকে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী করে তুলতে পারে। এই ব্যাকটেরিয়াগুলির মধ্যে অনেকগুলি, যেমন সালমোনেলা এবং ই-কোলাই, মানুষকে সংক্রামিত করতে পারে। যেহেতু এই ব্যাকটেরিয়াগুলি অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে, তাই এই সংক্রমণে আক্রান্ত মানুষের চিকিৎসা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

সিরাম ছাড়াই ত্বকের টানটান ভাব ধরে রাখার উপায় জেনে নিন আজকের পোস্টে : বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের স্বাভাবিক টানটান ভাব ক...
23/09/2026

সিরাম ছাড়াই ত্বকের টানটান ভাব ধরে রাখার উপায় জেনে নিন আজকের পোস্টে :

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের স্বাভাবিক টানটান ভাব কমতে শুরু করে। মুখে ও চোখের নিচে ভাঁজ পড়া, ত্বক কুঁচকে যাওয়া এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যাওয়াসহ নানা ধরনের পরিবর্তন দেখা দেয়। এসব সমস্যা কমাতে বর্তমানে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের সিরাম ব্যবহার করেন। তবে ত্বকের যত্নে দামি সিরামের পাশাপাশি জীবনযাপন ও নিয়মিত পরিচর্যারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে শুরু থেকেই সচেতন হওয়া জরুরি। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে এবং নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিয়ে বয়সজনিত নানা সমস্যা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, গ্রিন টি, গাজর, টমেটো, ডালিম, লেবু, বাদাম, পাকা পেঁপে ও টক দইয়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন। নিয়মিত এসব খাবার খাদ্যতালিকায় রাখলে ত্বকের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।

তবে শুধু খাবারের দিকে নজর দিলেই হবে না। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বক রক্ষা করতে প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। পাশাপাশি ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। রেটিনয়েড ও হায়ালুরনিক অ্যাসিডযুক্ত পণ্যও ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত হয়।

সর্বশেষ
EN
জাতীয়রাজনীতিরাজধানীদেশজুড়েঅর্থনীতিআন্তর্জাতিকবিনোদনখেলালাইফস্টাইলআইন-বিচারচাকরিবিজ্ঞান
রূপচর্চা
সিরাম ছাড়াই ত্বকের টানটান ভাব ধরে রাখার উপায়
লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২০ পিএম
386
Shares
facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttontwitter sharing buttonlinkedin sharing buttoncopy sharing button

ছবি: এআই দ্বারা তৈরিকৃত ছবি

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের স্বাভাবিক টানটান ভাব কমতে শুরু করে। মুখে ও চোখের নিচে ভাঁজ পড়া, ত্বক কুঁচকে যাওয়া এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যাওয়াসহ নানা ধরনের পরিবর্তন দেখা দেয়। এসব সমস্যা কমাতে বর্তমানে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের সিরাম ব্যবহার করেন। তবে ত্বকের যত্নে দামি সিরামের পাশাপাশি জীবনযাপন ও নিয়মিত পরিচর্যারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে শুরু থেকেই সচেতন হওয়া জরুরি। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে এবং নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিয়ে বয়সজনিত নানা সমস্যা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, গ্রিন টি, গাজর, টমেটো, ডালিম, লেবু, বাদাম, পাকা পেঁপে ও টক দইয়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন। নিয়মিত এসব খাবার খাদ্যতালিকায় রাখলে ত্বকের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।

তবে শুধু খাবারের দিকে নজর দিলেই হবে না। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বক রক্ষা করতে প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। পাশাপাশি ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। রেটিনয়েড ও হায়ালুরনিক অ্যাসিডযুক্ত পণ্যও ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত হয়।

মেথি না কাঁচা ডিম, চুলের জন্য কোন হেয়ার মাস্ক বেশি কার্যকর?

ঘরোয়া পরিচর্যায় ব্যবহৃত কয়েকটি উপাদানও রয়েছে। তবে সংবেদনশীল ত্বকে এগুলো ব্যবহারের আগে সতর্কতা প্রয়োজন।

১. নারকেল তেল

ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে নারকেল তেল ব্যবহার করা হয়। রাতে ঘুমানোর আগে ত্বকের শুষ্ক অংশে অল্প পরিমাণ নারকেল তেল লাগানো যেতে পারে। তবে যাদের ত্বক তৈলাক্ত বা ব্রণপ্রবণ, তাদের ক্ষেত্রে মুখে নারকেল তেল ব্যবহারে সতর্ক থাকা ভালো।

২. মধু

মধু ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে। অল্প পরিমাণ মধু মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা যায়। তবে ত্বকে জ্বালা বা অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে আগে ছোট জায়গায় পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত।

৩. শসা

শসায় প্রচুর পানি রয়েছে। ত্বক সতেজ রাখতে শসা ব্যবহার করা হয়। শসার রস পরিষ্কার ত্বকে লাগিয়ে কয়েক মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে পারেন।

৪. লেবুর রস

লেবুতে ভিটামিন সি রয়েছে। তবে সরাসরি লেবুর রস মুখে ব্যবহার করলে অনেকের ত্বকে জ্বালা, শুষ্কতা বা সূর্যের আলোতে সংবেদনশীলতা তৈরি হতে পারে। তাই ত্বকে সরাসরি লেবুর রস ব্যবহারের পরিবর্তে নিরাপদ ও পরীক্ষিত ভিটামিন সি-যুক্ত স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহার করাই তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।

৫. আপেল সিডার ভিনেগার

আপেল সিডার ভিনেগার ত্বকে সরাসরি ব্যবহার করলে জ্বালা বা ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। তাই মুখে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার না করাই ভালো।

৬. অ্যালোভেরা জেল

অ্যালোভেরা জেল ত্বকে আর্দ্রতা দিতে এবং শুষ্কতা কমাতে সহায়তা করতে পারে। পরিষ্কার ত্বকে অল্প পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা যায়। তবে ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো।

৭. পেঁপে ও কলা

পাকা পেঁপে ও কলা ত্বকের পরিচর্যায় ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাকা পেঁপে ও কলা মিশিয়ে তৈরি প্যাক কিছুক্ষণ মুখে রেখে ধুয়ে ফেলা যায়। তবে এ ধরনের ঘরোয়া প্যাক ত্বকের বলিরেখা দূর করে—এমন দাবির পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সীমিত।

ত্বকের বয়সজনিত পরিবর্তন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার, ত্বকের উপযোগী ময়শ্চারাইজার এবং নিরাপদ স্কিনকেয়ার রুটিন ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। নতুন কোনো উপাদান ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট অংশে পরীক্ষা করে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।বহার না করাই ভালো।

Address

Faridpur
FARIDPURSADAR-7800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Patient Point posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Patient Point:

Shortcuts

Share