Adi food

Adi food বিশ্বস্ততা ও সততা আমাদের মূলধন।

04/10/2026
খাটি মহিষের গরুর দুধের দধি
04/10/2026

খাটি মহিষের গরুর দুধের দধি

26/09/2026

ইবলিশ পাগল ছিল না, সে আলেম ছিল।
ইবলিশ কাফের ছিল না, সে আল্লাহকে চিনতো।
তাহলে সে ধ্বংস হলো কেন?
এই একটা প্রশ্ন বুঝলে
তুমি তোমার পুরো জীবন বুঝে যাবে।
ইবলিশ জানতো আল্লাহ এক।
সে আল্লাহর সাথে কথা বলেছে।
সে জান্নাত দেখেছে, জাহান্নাম দেখেছে।
ফেরেশতাদের ওস্তাদ ছিল সে।
তার ইবাদতের কোনো কমতি ছিল না।
তাহলে তার অভাব কিসের ছিল?
তার অভাব ছিল একটা জিনিসের - সে নিজেকে চিনতে পারেনি।
আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করেননি - "তুই সিজদা করলি না কেন?"
আল্লাহ জিজ্ঞেস করেছেন - *"মা মানা'আকা?"
তোকে কিসে বাধা দিল?*
মানে তোর ভিতরে এমন কি ঢুকলো যে - তুই আমাকে মানতে পারলি না?
সেই বাধাটা ছিল - "আনা খাইরুম মিনহু - আমি তার চেয়ে উত্তম।"
ইবলিশ আগুনের তৈরি, আদম (আ) মাটির তৈরি - এটা ছিল তার যুক্তি।
কিন্তু তার ভিতরের রোগ ছিল -
সে নিজের একটা ইমেজ বানিয়ে ফেলেছিল।
"আমি অনেক ইবাদত করেছি,
আমি ফেরেশতাদের সাথে থাকি,
আমি ভিআইপি।
আমি কেন মাটির আদমের (আ) সামনে মাথা নত করবো?"
আল্লাহর দরবারে ভিআইপি বলে কিছু নাই।
আল্লাহর দরবারে যে নিজেকে ছোট মনে করে, আল্লাহ তাকে বড় করেন।
যে নিজেকে বড় মনে করে, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দেন।
আর তারপর ইবলিশ কি করলো জানো?
সে তওবা করলো না।
সে বললো না - "আল্লাহ ভুল হয়ে গেছে।"
সে উল্টা দোষ দিল।
প্রথমে আদমকে (আ) দোষ দিল,
তারপর আল্লাহকে বললো - "আপনি আমাকে গোমরাহ করেছেন।"
নাউযুবিল্লাহ।
এইখানেই আদম (আ) আর ইবলিশের পার্থক্য।

আদম (আঃ) ভুল করে বলেছিলেন - "রব্বানা জলামনা আনফুসানা -
হে আল্লাহ আমরা নিজের উপর জুলুম করেছি।"

আর ইবলিশ ভুল করে বলেছিল - "আপনি আমাকে দিয়ে ভুল করিয়েছেন।"
একজন নিজের দিকে আঙুল তুললো, সে নবী হয়ে গেল।
আরেকজন অন্যের দিকে আঙুল তুললো, সে শয়তান হয়ে গেল।
"ইবলিশ মরেনি, ইবলিশ তোমার ভিতরেই থাকে।"*
যখন তুমি বলো -
"আমি ঠিক, ও ভুল।"
"আমি এটা করেছি ওর জন্য।"
"আমার কোনো দোষ নাই, পরিস্থিতি খারাপ ছিল।"
"আমি ওর চেয়ে ভালো।"
তখন বুঝবে তোমার ভিতরে ইবলিশ কথা বলছে।
শয়তান চায় তুমি কখনো নিজের ভুলটা স্বীকার না করো।
কারণ যে নিজের ভুল স্বীকার করে না, সে কখনো তওবা করে না। আর যে তওবা করে না, সে কখনো আল্লাহর কাছে ফিরতে পারে না।

তাই আজই নিজেকে জিজ্ঞেস করো - আমার ভিতরে "আনা খাইরুম মিনহু" টা কোথায় লুকিয়ে আছে?
ওইটাকে মারতে পারলেই তুমি মানুষ।
ওইটাকে পুষে রাখলেই তুমি ইবলিশ।

লেখাটা কালেক্টেড অবস্থায় পেয়েছি আরেকজনের কাছে, তাই প্রকৃত লেখকের নামটা মেনশন করতে পারলাম না, আল্লাহ উনাকে উত্তম প্রতিদান দিক যিনি লিখেছেন ❤️

উন্নত দেশগুলোতে (যেমন: উত্তর আমেরিকা, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এবং জাপান) পারিবারিক নিয়ম ও প্রবীণদের (বৃদ্ধ বয়সের) জীবনযাত্র...
25/09/2026

উন্নত দেশগুলোতে (যেমন: উত্তর আমেরিকা, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এবং জাপান) পারিবারিক নিয়ম ও প্রবীণদের (বৃদ্ধ বয়সের) জীবনযাত্রা আমাদের দেশের তুলনায় বেশ আলাদা হয়ে থাকে। সেখানে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, রাষ্ট্রীয় সামাজিক নিরাপত্তা এবং স্বনির্ভরতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
নিচে তাদের পারিবারিক নিয়ম ও বৃদ্ধ বয়সের জীবনযাত্রার একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হলো:
১. উন্নত দেশের পারিবারিক নিয়ম ও জীবনধারা
• একক পরিবার (Nuclear Family): উন্নত দেশগুলোতে যৌথ পরিবারের চল নেই বললেই চলে। পরিবার বলতে সাধারণত বাবা, মা এবং তাদের সন্তানকে বোঝায়।
• ১৮ বছর বয়সে স্বনির্ভরতা: সন্তান ১৮ বছরে পদার্পণ করলে তাকে আইনিভাবে প্রাপ্তবয়স্ক ধরা হয়। এরপর অধিকাংশ সন্তান পড়াশোনা বা কাজের উদ্দেশ্যে বাবা-মায়ের বাড়ি ছেড়ে আলাদা থাকতে শুরু করে এবং নিজের খরচ নিজে চালানো শেখে।
• ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা (Privacy): পরিবারে একে অপরের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নিয়ম কড়াভাবে মানা হয়। বাবা-মা বা সন্তান—কেউই কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় বাধা দেয় না।
• কাজের সমান ভাগাভাগি: পারিবারিক জীবনে লিঙ্গভিত্তিক কাজের বৈষম্য খুব কম। ঘরের রান্না, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বা সন্তান লালন-পালনের কাজ স্বামী-স্ত্রী দুজনেই সমানভাবে ভাগ করে নেন।
২. বৃদ্ধ বয়সের জীবনযাপন (Old Age Life)
আমাদের দেশে বৃদ্ধ বয়সে সন্তানরা বাবা-মায়ের দেখভাল করবে—এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু উন্নত দেশে প্রবীণদের জীবন কাটে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে:
• স্বনির্ভর জীবন (Independent Living): উন্নত দেশের বৃদ্ধরা সাধারণত সন্তানের ওপর নির্ভরশীল হতে চান না এবং সন্তানরাও প্রথাগতভাবে বাবা-মাকে নিজেদের কাছে রাখার দায়িত্ব নেয় না। বৃদ্ধ বয়সে তারা আলাদা বাড়িতে বা নিজস্ব ফ্ল্যাটে একা একাই বসবাস করেন।
• রাষ্ট্রীয় সামাজিক নিরাপত্তা ও পেনশন: অবসর নেওয়ার পর প্রবীণদের চিকিৎসার খরচ ও জীবনধারণের বড় একটি অংশ রাষ্ট্রীয় সামাজিক নিরাপত্তা (Social Security), পেনশন ও ওল্ড-এজ অ্যালাউন্স থেকে আসে। ফলে তাদের আর্থিক সংকটে পড়তে হয় না।
• প্রবীণ নিবাস ও নার্সিং হোম (Nursing Homes): বয়স যখন অনেক বেড়ে যায় এবং একা থাকা সম্ভব হয় না, তখন তারা স্বেচ্ছায় বা পারিবারিক সিদ্ধান্তে উন্নত সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত 'অ্যাসিস্টেড লিভিং' বা নার্সিং হোমে চলে যান। সেখানে সার্বক্ষণিক নার্স ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তাদের দেখাশোনা করা হয়।
• অবসর জীবন উপভোগ ও ভ্রমণ: অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল হওয়ায় অনেক প্রবীণ মানুষ অবসরের পর তাদের শখ পূরণ করেন। তারা বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়ানো (Travel), ক্লাবে যোগ দেওয়া, বই পড়া বা বাগান করার মাধ্যমে নিজেদের ব্যস্ত ও আনন্দিত রাখেন।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, উন্নত দেশের পারিবারিক নিয়ম ও প্রবীণ জীবন অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত সুরক্ষিত ও স্বাধীন, কিন্তু আমাদের দেশের মতো পারিবারিক ও আবেগীয় বন্ধন সেখানে কিছুটা কম থাকে।

Science Alert is a leading international scientific publisher dedicated to publish peer-reviewed significant research work

Conference
16/08/2026

Conference

07/03/2026

এরকম পুশুদের চরম শান্তি দিয়ে মৃত্যু নিচ্চিত করতে হবে #ভাইরালভিডিওシ odhikar

Address

Feni

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adi food posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share