Dietitian Mom

Dietitian Mom Sharing my journey from a dietitian to a mumma.

Your love keeps me inspired to create more on child nutrition and parenting. 😌🌻Please stay connected..  ❤️
26/08/2026

Your love keeps me inspired to create more on child nutrition and parenting. 😌🌻

Please stay connected.. ❤️

না, ১ বছরের আগে বাচ্চাকে আলাদা করে নুন, চিনি, গুড়, মধু কোনোটাই দেওয়া উচিত নয়। এটা WHO, NHS, AAP, Indian Academy of Pe...
25/08/2026

না, ১ বছরের আগে বাচ্চাকে আলাদা করে নুন, চিনি, গুড়, মধু কোনোটাই দেওয়া উচিত নয়। এটা WHO, NHS, AAP, Indian Academy of Pediatrics সবাই বলছে।
অনেক বাড়িতে মনে করেন বাচ্চার রান্নায় "একটু নুন বা চিনি না দিলে স্বাদ হবে না" বা "একটু চিনি/গুড় দিলে শক্তি হবে"।
কিছুক্ষেত্রে বাচ্চার মায়েরা এ ব্যাপারে স্ট্রিক্ট থাকলেও তাকে প্রায় জোর করে দেওয়া করানো হয়, বিভিন্ন ভয় বা বাচ্চার অজুহাত দেখিয়ে। মায়েরা খুব স্বাভাবিক ভাবেই বাচ্চার যে কোনো ব্যাপারে দুর্বল হন। তাই অনেকেই অনিচ্ছা সত্ত্বেও মেনে নেন।
কিছু বাড়ির বয়োঃজেষ্ঠ্যরা এতটাই প্রাচীনপন্থী হন যে তাদের সময়কার রীতিনীতি আগলে বসে থাকেন। জেনারেশন পালটালেও এনারা নিজেদের পালটান না। উলটে সিমপ্যাথি গেম খেলেন, প্রেশার দেন।
তাই নতুন মা বাবা দের বলছি। প্লিজ আপনারা কারোর কথায় কান দেবেন না হেলথ প্রফেশনাল ছাড়া। অন্যদেরকে জাস্ট ইগনোর করবেন। বাচ্চা আপনাদের তাই সিদ্ধান্ত হবে আপনাদের। কে কি ভাবছে, বলছে শোনার দরকার নেই। এখন কার চিকিৎসা ব্যবস্থা, বিজ্ঞান, গবেষণা আগের থেকে অনেক উন্নত। এতেই বিশ্বাস রাখুন, কারোর কথায় নয়।
বাচ্চা কখনো নুন-চিনির স্বাদ পায়নি, তাই ওর কাছে নুন ছাড়া খাবারই স্বাভাবিক। ও মিস করে না, আমরা ভাবি ও মিস করছে।

🔴 কেন দেওয়া উচিত নয়?
অথেন্টিক কারণ জেনে নিন।

১. নুনের জন্য কিডনি অপরিণত
বাচ্চার কিডনি জন্মের পর ১ বছর পর্যন্ত সোডিয়াম ঠিকভাবে বের করতে পারে না। মায়ের দুধ বা ফর্মুলা থেকেই ওর দৈনিক সোডিয়ামের চাহিদা পুরো মিটে যায়।
এক চিমটি নুনও ওর কিডনিতে বাড়তি চাপ ফেলে, ওয়াটার রিটেনশন বাড়ায়, আর পরবর্তীতে বড় বয়সে হাই ব্লাড প্রেসারের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই বাড়তি সলিউট লোড কিডনীর জন্য ক্ষতিকর।
NHS ও পরিষ্কার বলছে — "Babies' kidneys are not fully developed and cannot process much salt".

২. চিনির জন্য টেস্ট বাড নষ্ট ও ওবেসিটি
WHO ও CDC বলছে, ১ বছরের নিচে added sugar এর কোনো জায়গা নেই ডায়েটে। কারণ:
- দাঁতের ক্ষয় (tooth decay)
- মিষ্টির প্রতি আসক্তি তৈরি হলে মিষ্টি খেলে সাধারণ খাবার আর ভালো লাগবে না। ফলে পিকি ইটার হবার চান্স বাড়ে।
- চিনি হল এম্পটি ক্যালোরি, তাই সার্বিক পুষ্টি কমে যায়।
- ওবেসিটি ও মেটাবলিক রোগের ঝুঁকি বাড়ে।
- ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি বাড়ায় এবং ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস এর ঝুঁকি বাড়ায়।

Early exposure to sweet/salty taste preference প্রাপ্তবয়স্ক পর্যন্ত থেকে যায় মানে এখন মিষ্টি খেলে সারাজীবন মিষ্টির প্রতি আকর্ষন বেশি তৈরী হবে।

🔴 তাহলে কী করবেন?

🌻৬-১২ মাস নুন-চিনি ছাড়াই খিচুড়ি, ডাল-ভাত চটকে, সেদ্ধ সবজি, ফলের প্রাকৃতিক স্বাদ দিন। এটা ফুড এক্সপ্লোরেশনের সময়। নুন, চিনির বাড়তি স্বাদ, ফ্লেভার দিলে নতুন স্বাদ পাবার বা ফুড এক্সপ্লোরেশনের ইচ্ছে চলে যায়।
স্বাদের জন্য হোল ফুড যা প্রাকৃতিক তার উপর নির্ভরশীল হন। লেবুর রস, ধনে পাতা, সামান্য ঘি, দারচিনি দিতে পারেন।
🌻১ বছরের পর খুব সামান্য আয়োডিনযুক্ত নুন শুরু করতে পারেন, তবে ১-৩ বছরে দৈনিক ২ গ্রামের বেশি নুন নয়।
🌻২ বছর পর্যন্ত Added sugar এড়িয়ে চলাই সবচেয়ে ভালো। AAP বলে ২ বছরের আগে added sugar একদম নয়।
🌻 বিস্কুট, চিপস, কেক, প্যাকেট জুস, নুডলস, আচার, পাঁপড়, এগুলোতে হিডেন সুগার এবং সল্ট অনেক বেশি থাকে। তাই এগুলো একদম নয়।

🌸 এছাড়াও ন্যাচারাল ফ্লেভার বা টেস্ট বাড়াতে ঘরে রান্না করা খাবারে কি কি মডিফাই করতে পারেন

- জিরে, দারচিনি, রসুনের গুঁড়ো, কারিপাতা, তুলসী-র মতো ভেষজ মশলা
- হেলদী ফ্যাট হিসেবে অল্প পরিমাণে ঘি
- মিস্টি ফল যেমন চটকানো কলা, খেঁজুর, নাসপাতি, আপেল, জাম, ড্রাগন ফ্রুট ইত্যাদি দিতে পারেন।

🌿 সহজ নিয়ম: মায়ের দুধ/ফর্মুলা + ঘরের নুন-চিনি ছাড়া রান্না করা খাবার = ১ বছরের জন্য যথেষ্ট। স্বাদ বাড়াতে নুন-চিনি নয়, খাবারের বৈচিত্র্য বাড়ান।

Diaclaimer - Always consult your pediatrician for personalized advice

Written by - Dietician Labani Das
Page - Dietitian Mom
Diet Consultation page - Foodies Diet

🔴 Free diet counselling and nutrition education for childrenআচ্ছা অনেক মা আছেন, বাচ্ছার জন্য ডায়েট প্ল্যান চাননা কিন্তু ...
23/08/2026

🔴 Free diet counselling and nutrition education for children

আচ্ছা অনেক মা আছেন, বাচ্ছার জন্য ডায়েট প্ল্যান চাননা কিন্তু প্রচুর প্রশ্ন মাথায় ঘোরে। ঠিক ভুল বুঝতে পারেন না কি করবেন, কি খাওয়াবেন... সেইসব মায়েদের যদি বাচ্ছার হেলথ হিস্ট্রি এবং রুটিন অনুযায়ী এক্সপার্ট সাজেশন এবং বেসিক নিউট্রিশন এডুকেশন দিই এটা কেমন হবে?
ফীজ যদি ভীষণ ভীষন নমিনাল রাখি??
আপনারা কি ইন্টারেস্টেড?

আসলে আমি মেসেঞ্জার, পেজের ইনবক্স এবং হোয়াটসঅ্যাপে মায়েদের এমন অনেক প্রশ্ন পাচ্ছি যেগুলোর সব সময় লিখে বা ভয়েসেও বলে বোঝানো যায় না। একটু উদাহরণ সমেত সায়েন্টিফিক এক্সপ্ল্যানেশন দিলে মায়েদের বুঝতে সুবিধা হয় এবং সেই মত ইমপ্লিমেন্ট করতে পারেন ডেইলি লাইফে।

আপনারা যদি ইন্টারেস্টেড হন তাহলে আমি "মাদার এবং বেবি কাউন্সেলিং" এই সেগমেন্ট টা স্টার্ট করতে চাই। আমার মনে হয় এতে মা এবং বাচ্ছার জীবন অনেক সহজ হবে। বাচ্ছার বেসিক নিউট্রিশন নিডস পূরণ হবে, বাচ্ছা হেলদি হবে।

আপনারা কি বলেন?
প্লিজ কমেন্টে জানান ইন্টারেস্টেড।
🔴 প্রথম পাঁচজন মা লাকি ড্র এর মাধ্যমে তাদের বাচ্ছার জন্য এই সার্ভিস পাবেন সম্পুর্ন ফ্রি তে।

আপনারা ইন্টারেস্টেড হলে পরবর্তী প্রসেস আমি তাহলে জানাবো।

Dietician Labani Das
ডায়েট কনসাল্টেশন পেজ - Foodies Diet
পেরেন্টিং পেজ - Dietitian Mom
7278427152

🔴 বাচ্ছার ভ্যাকসিন ঠিক ঠাক দিচ্ছেন তো??ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন শিডিউল চেক করুন অথবা কাছাকাছি সরকারি হসপিটালে যোগাযোগ করুন। ...
21/08/2026

🔴 বাচ্ছার ভ্যাকসিন ঠিক ঠাক দিচ্ছেন তো??

ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন শিডিউল চেক করুন অথবা কাছাকাছি সরকারি হসপিটালে যোগাযোগ করুন। সরকারি সমস্ত ভ্যাকসিন দিন অতি অবশ্যই।
তবে সরকারি ভ্যাকসিন ছাড়াও আরো ৬ টি গুরুত্বপূর্ণ বেসরকারি ভাবে প্রাপ্ত ভ্যাকসিন বাচ্ছাকে দিতে চেস্টা করুন।
1️⃣ TCV - টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন
2️⃣ IIV - ইনঅ্যাক্টিভেটেড ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন বা ফ্লু ভ্যাকসিন
3️⃣ Hep A - হেপাটাইটিস এ ভ্যাকসিন
4️⃣ VV - ভ্যারিসেলা বা চিকেন পক্স ভ্যাকসিন
5️⃣ HPV - হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস ভ্যাকসিন
6️⃣ MCV - মেনিনগোকক্কাল কনজুগেট ভ্যাকসিন

**MMR - মিজলস মাম্পস রুবেলা ভ্যাকসিন টাও দিতে পারেন। তবে এটা বেসরকারি তে পাবেন। সরকারিতে এটা MR (মিজলস অ্যান্ড রুবেলা) ফর্মে দেওয়া হয়।

প্রতিটি ভ্যাকসিন দেবার আগে অতি অবশ্যই পেডিয়াট্রিশিয়ান এর মতামত নেবেন।

Written by - Dietitian Mom
Dietician Labani Das
Foodies Diet

কেউ একজন নতুন মা হওয়া মানেই চারপাশের সবাই হঠাৎ করে "গুগল + পাড়ার কাকিমা + ইউটিউব ডাক্তার" হয়ে যায়।আজকে এই "সাজেশন ওভারলো...
19/08/2026

কেউ একজন নতুন মা হওয়া মানেই চারপাশের সবাই হঠাৎ করে "গুগল + পাড়ার কাকিমা + ইউটিউব ডাক্তার" হয়ে যায়।
আজকে এই "সাজেশন ওভারলোড" নিয়ে কিছু কথা বলব।

সকাল থেকে রাত অবধি বাচ্চাকে সামলানোর পর যদি শুনতে হয়,
"বাচ্ছার পেট ভরছে না, বেশি করে দুধ খাওয়াও।"
"দুধ কম হচ্ছে, ফর্মুলা দাও"
"এভাবে কোলে নিও না, অভ্যাস খারাপ হবে"
"আমার সময়ে তো আমরা এটা করতাম"
ভাই, একটা নতুন মা অলরেডি নিজের মাথার মধ্যে কোটি খানেক প্রশ্ন নিয়ে ঘোরে। তার ওপর একশো জনের একশো রকম সাজেশন + মাথার মধ্যে noise মিলিয়ে সে ভীষন কনফিউজড হয়ে যায়। যেখান থেকে সে সেল্ফ কনফিডেন্স হারায় আর গিল্ট ফিলিং এ ভোগে।

দেখে ঘেন্না লাগলেও বেশিরভাগ নতুন মায়েদের খাবারের বাটির ছবি এটা, যারা একা বেবিকে বড় করছে কোনো হেল্পিং হ্যান্ড বা আত্মীয় পরিজনের সাহায্য ছাড়া। সবাই প্রিভিলেজড হয়না, কিছু মায়েদের পরিস্থিতি থাকে এমন।

একজন এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিড করানো মায়ের হাই প্রোটিন খাবার খুব দরকার কিন্তু নতুন মায়েদের কাছে সময়ের এতই অভাব থাকে যে ঘুম তো হয়ই না, কোনোক্রমে পেটের জ্বালা মেটাতে যাহোক করে খেতে হয়। ভালো করে আগের মতন কোনো কাজটাই হয়না। আগে যে মেয়েটি অন্যদের সাথে নিজের জন্যও যত্ন করে প্লেট সাজাতো এখন সে কোনোক্রমে একটা বড় বাটিতে সব একসাথে ঢেলে খেয়ে নেয় দ্রুত।
যতদিন বেবির সলিড শুরু না হয় সে একরকম চলে আর যখন সলিড স্টার্ট হয় সে আরেক যুদ্ধ শুরু হয়। রান্না করা থাকলে তবু এরকম খাবার খেতে পায় নয়ত মোটামুটি সেদ্ধ খাবারেই তার দিন চলে যায়।
যেসব মায়েরা সারাদিন একা হাতে বেবির টেক কেয়ার করে তাদের সত্যিই আর নিজের যত্ন করার সময় বা এনার্জি থাকে না। একটা ভ্রুনকে নিজের শরীরের সব টুকু দিয়ে তারপর তাকে জন্ম দেওয়া, লালন পালন করা খুব সহজ নয়। সবাই ক্ষেত্রে বিশেষে প্রিভিলেজ ও হয়না।
তাই আপনার পরিবারের নতুন মায়ের যত্ন নিন। মা ভালো থাকলে বেবিও ভালো থাকবে। একটু ভালো কথা, ভালো ব্যবহার, সামান্য যত্ন আর ডেইলি লাইফে কিছু সহযোগিতা পেলে সে সারাজীবন আপনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে।

নতুন মা-দের সবচেয়ে বেশি যেটা দরকার সেটা সাজেশন না। দরকার, ঘুম, সঠিক পুস্টিকর খাবার, আর "তুমি ঠিকই করছো" এই একটা লাইন। ব্যাস।

আপনি যদি কোনো নতুন মায়ের ফ্যামিলি মেম্বার হন তাহলে এই কথা গুলো আপনার জন্য।
১. নতুন একজন মা কে সারাক্ষণ জ্ঞান না দিয়ে, তার ভুল ত্রুটি না ধরে বরং বলুন আমি তোমার বেবির কাছে বসছি তুমি সময় নিয়ে খেয়ে এসো বা তুমি স্নান টা সেরে এসো।
২. রোজ না পারেন অন্তত কোনো একদিন থালায় খাবার টুকু যত্ন করে বেড়ে তাকে এগিয়ে দিন।
৩. একদিন তার পছন্দের খাবার রান্না করুন।
৪. বলুন আমি বেবির খেয়াল রাখছি, তুমি একটু ঘুমিয়ে নাও।
৫. কিছুক্ষনের জন্য তাকে তার মত সময় কাটাতে দিন।
৬. একদিন একটু হেড ম্যাসাজ ও দিতে পারেন দশমিনিটের জন্য হলেও কিংবা তার চুল টা যত্ন করে আঁচড়ে বেঁধে দিন।
বিশ্বাস করুন এগুলোর একটা পেলেও সে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে আপনার প্রতি।

আর এগুলোর একটাও না পারলে দয়া করে কোনো সাজেশন দেবেন না একজন নতুন মাকে, যতক্ষণ না সে নিজে থেকে কিছু জানতে চাইছে। একেই তার শরীর, মন বিদ্ধস্ত তার উপরে সারাক্ষন গিল্ট ফিলিং নিয়ে বসে আছে। সে নতুন, প্রথম মা হয়েছে। আদি অনন্তকাল থেকে প্রতিটা মা ঠিক যেভাবে বাচ্ছার যত্ন শিখে যায়, সেও শিখে যাবে। একটু সময় দিন তাকে, একটু ধৈর্য্য ধরুন। বিশ্বাস করুন আপনার এই অকারণ সাজেশনে একজন নতুন মা সবচেয়ে বেশি বিরক্ত হয়। আর কিছু না পারেন এটুকু মেইনটেইন করলেই সে খুশি হবে।

আর নতুন মা দের উদ্দেশ্যে একটাই কথা বলব কারোর কথা শোনার দরকার নেই, একমাত্র পেডিয়াট্রিশিয়ান ছাড়া।
আর অবশ্যই বাউন্ডারি সেট করুন নিজের এবং বাচ্ছার ভালোর জন্য। বাচ্ছার ভালোর জন্য কিছু সময় কঠোর হতে হয়। যারা বার বার বললেও উপদেশ দেওয়া বন্ধ করে না, ভয় না পেয়ে তাদের জোর গলায় চুপ করান, বাউন্ডারি বা লিমিট বুঝিয়ে দিন and stop explaining yourself. কনফিডেন্স হারাবেন না। আপনাকে কথা শোনানোই সমাজের কাজ। ভুল ধরাতে পারলে আর কিছুই চায়না এই সমাজ। Kuchh to log kahenge...Logon ka kaam hai kehna
মনে রাখবেন, আপনার intuition, আশেপাশের ১০০০ টা সাজেশনের সমান। You are the best mom for your baby. কারণ আপনার চাইতে আপনার বাচ্ছার বেশি ভালো আর কেউ চায়না। নিজেকে বোঝান, "I am learning. My baby is learning. We are learning together."
তাই এবার থেকে নিজের গিল্ট ফিলিংস কে সরিয়ে কানে তুলো আর পিঠে কুলো বাঁধা শুরু করুন। সবে তো শুরু, সারাজীবন বাচ্ছার জন্য এই জার্নি বজায় রাখতে হবে যে।

আর হ্যাঁ, নেক্সট টাইম কেউ আননেসেসারি সাজেশন দিলে, মুচকি হেসে বলবেন, "Thanks, but I've got this." কিংবা বলে দেবেন..."My baby, my rules, my journey. Thank you."
দিনরাত মনে মনে বলবেন, "Protecting my peace and my baby’s, advice not requested...will be ignored."
You are the best mumma...Because you are trying to give your best every day.

"New moms, comment ❤️ if you relate"
"Tag a new mom who needs to hear this"

Written by - Dietitian Mom
Dietician Labani Das
Foodies Diet

18/08/2026

The gentle parenting left my body after handling my baby single-handedly from morning till night.

Is anyone there??

Page - Dietitian Mom

 #মায়েদের_প্রশ্ন_উত্তর #পর্ব_২সলিড স্টার্টের পর অনেক বেবির পটির সমস্যা হয়, কন্সটিপেশন হয়। আজকে এক মায়ের প্রশ্ন ছিল, সেটা...
16/08/2026

#মায়েদের_প্রশ্ন_উত্তর
#পর্ব_২
সলিড স্টার্টের পর অনেক বেবির পটির সমস্যা হয়, কন্সটিপেশন হয়। আজকে এক মায়ের প্রশ্ন ছিল, সেটা নিয়েই ডিটেলে লিখলাম।

৬+ মাসের বাচ্চার সেমি-সলিড শুরু করার পর পটির সমস্যা কিন্তু খুব স্বাভাবিক। তাই খুব চিন্তা করবেন না। খুব ভালো করে বেবিকে অবসার্ভ করতে থাকুন যাতে সমস্যা বাড়লে ইমিডিয়েট অ্যাকশন নিতে পারেন।

খেয়াল করে দেখুন ফাইবার রিচ ফুড, জল কতটা খাচ্ছে। সলিড শুরু করলে শরীরে একটু এক্সট্রা জল লাগবেই ব্রেস্টফিডিং এর পাশাপাশি।
আর একটা ব্যাপার হল পেটে নতুন খাবার adjust হচ্ছে তাই- আগে শুধু দুধ খাচ্ছিল, যেটা লিক্যুইড, আর এখন gut-কে নতুন মেকানিজমে কাজ করতে হচ্ছে।
ডিমান্ড ব্রেস্টফিডিং কন্টিনিউ করবেন। ফর্মুলা ফিড করলে ডাক্তারের পরামর্শ মতন দেবেন।

ডেইলি পটি না করলেও ভয় নেই। ৬ মাস+ বাচ্চা ১ দিন ছেড়ে ১ দিন বা ২ দিনে ১ বার পটি করলেও ঠিক আছে। কিন্তু যদি খুব প্রেশার দিয়ে কষ্ট করে, পটি শক্ত হয় বা রক্ত পরে তারমানে বুঝতে হবে constipation হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আগে রুটিন এবং খাওয়াদাওয়া মডিফাই করে দেখুন যেভাবে বলছি। আশা করছি হেল্প হবে।

🔴 কি খাওয়ালে পটি নরম হবে আর সমস্যা কমবে?
১. P ফলগুলো দিন যা Natural laxative, যেমন papaya, (Raw cooked or ripe smashed both), pear, plum, prune, peach এগুলো।
২. Fiber + Fat add করুন
৬মাস + বয়সে সাধারণত একবার সলিড দিলেই ঠিক আছে। তাই ফল অথবা সবজি সেদ্ধ টা দিয়েই স্টার্ট করুন। অ্যাভোকাডো দিতে পারেন যাতে ন্যাচারাল গুড ফ্যাট থাকে। বাড়িতে বানানো ঘি + সেদ্ধ ডিমের কুসুম আলু সেদ্ধর সাথে মেখে খুব অল্প দিতে পারেন।
সেদ্ধ ভাত আলু অল্প ঘি দিয়ে দিতে পারেন।
রাগী পরিজ অল্প ঘি দিতে পারেন।
এছাড়া পাকা কলা খুব ভালো কন্সটিপেশন এর ক্ষেত্রে।
৩. জল অফার করুন, জোর নয়।
সেমি-সলিডের সাথে দিনে ৬০-১২০ml ফোটানো ঠান্ডা জল দিন। কাপ বা চামচে অল্প অল্প করে।
৪. লিক্যুইড বা ফ্লুইড যেভাবেই হোক দিন।
যদি জল খেতে না চায় তাহলে যেকোনো ফর্মে লিক্যুইড দিন। যেমন পাতলা ডাল, চিকেন স্ট্যু এর জল টা, ডাবের জল, সবজির স্যুপ এগুলো। তাই বলে চিনি, মিছরি এসবের জল দেবেন না।
পি কাউন্ট খেয়াল করবেন। যদি সারাদিনে ছবারের বেশি পি করে তাহলে চিন্তা করবেন না। ডিমান্ড ব্রেস্টফিড কন্টিনিউ করবেন।

🔴 যা কম দেবেন
কোনো কিছুই অত্যধিক নয়। প্রতিটা বেবির ডাইজেশন, অ্যাবসর্বশন পাওয়ার আলাদা। তাই খেয়াল করে দেখিন কোনো বিশেষ খাবার থেকে কন্সটিপেশন হচ্ছে কিনা। সেটা ইমিডিয়েট বন্ধ করবেন। যেমন আমার বেবির আপেল খেলে কন্সটিপেশন হত। এক দুই টেবিলস্পুনে প্রবলেম হয়না, এর বেশি খেলেই হয় তাই আমি লিমিটে দিই।
প্রসেস ফুড লাইক বিস্কিট, ময়দার জিনিস একদম নয়। এগুলো পটি আরও শক্ত করে।

🔴 আর কি করবেন?
১. Tummy time + সাইকেল এক্সারসাইজ খুব হেল্পফুল। প্রতিদিন অয়েল ম্যাসাজ করার সময় পেটে ম্যাসাজ প্লাস কিছু এক্সারসাইজ করান।
২. ফ্লোর টাইম বাড়ান। যখন ঘুমোচ্ছেনা তখন পরিস্কার ফ্লোরে ম্যাট পেতে ওকে ছেড়ে দিন। ওকে নিজের এক্সপ্লোর করতে দিন। কোলে নয়, কোল থেকে নামিয়ে খেলুন ওর সাথে।

🔴 কখন অ্যালার্মিং? ডাক্তার কনসাল্ট করবেন অবশ্যই।
- পটি খুব শক্ত
- পটির সাথে রক্ত
- পেট খুব ফোলা, তার সাথে বমি
- ব্রেস্টফিড, খাবার, জল কিছুই খেতে না চাইলে
- পি কাউন্ট দিনে ছয়বারের কম
- ঠোঁট ফ্যাকাশে বা সাদা হয়ে গেলে
- একদম ইনঅ্যাক্টিভ হয়ে নেতিয়ে পরলে

আশা করছি উপরে বলা পরামর্শ মতন বেবির রুটিন মডিফাই করলে হেল্প হবে।
ভালো থাকবেন। 😊

Written by - Dietitian Mom
Dietician Labani Das
Foodies Diet

14/08/2026

14/08/2026

স্ট্রেস কমান খাবার দিয়ে... ❤️

10/08/2026

বাচ্ছা রাগ, জেদ করছে? খাচ্ছেনা ঠিক করে? জিনিস ছুঁড়ে ফেলছে?
তাহলে সময় নিয়ে এটা পড়ুন।
মোটামুটি ১ বছরের পর থেকেই এগুলো দেখা যায়।
একজন প্রশ্ন করেছিলেন, আমি তার উত্তরেই লিখলাম আশা করি এটা সবার কাজে লাগবে।

"আমার ছেলের বয়স ১৬ মাস। কয়েকদিন ধরে খুব রাগ, জেদ বেড়ে গেছে। জল, খাবার কিছুই খেতে চাইছেনা ভালো করে। সারাক্ষণ ঘ্যান গ্যান করছে আর জিনিস ছুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলছে। ডক্টর বললেন এগুলো স্বাভাবিক। এগুলোকে বেশি গুরুত্ব না দিতে। আমার ওয়াইফ একা সামলায়। খুব স্ট্রেসড এই নিয়ে। আমার খুব অসহায় লাগছে। কি করা যায় একটু যদি সাজেস্ট করেন।"

১৬ মাস বয়সটা একটা "terrible twos এর আগের" phase. এই সময় বাচ্চারা কথা দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না এবং ইমোশন কন্ট্রোল করতে পারেনা তাই রাগ, জেদ, জিনিস ছুঁড়ে ফেলা, খাওয়া না খাওয়া, এগুলো দিয়েই ওরা ওদের ইমোশন বোঝায়।

আর আপনার ওয়াইফ একা সামলাচ্ছেন, আপনি যতক্ষণ বাইরে থাকেন। এতে অসহায় লাগা টা একদম স্বাভাবিক। আপনি একটা ভালো বাবা তাই চিন্তা করছেন এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

Dr. ঠিকই বলেছেন, ১৬ মাসে এটা অনেকটা স্বাভাবিক।কারণ, ভাষা বা কথা বলার ক্ষমতা তৈরি হচ্ছে কিন্তু সব কথা বলতে পারছে না। তাই frustration থেকে "ঘ্যান ঘ্যান" করে আর রাগ বেড়ে যায় ।
বাচ্ছারা এই সময় থেকে independencey বুঝতে শেখে... "আমি নিজে করব" ভাব আসছে। তাই না বললে, কোনো কাজে বাধা দিলে জেদ বেড়ে যায়।
Teething / growth spurt এর জন্য খাওয়ায় অনীহা, জিনিস ছুঁড়ে ফেলা দেখতে পাওয়া যায়।
Attention test এর জন্য ওরা দেখে "এইটা করলে মা-বাবা response দেয় কি না"

এখন কি করতে পারেন, আপনি আর আপনার ওয়াইফ মিলে
১. রাগ/জেদ এর সময়
গুরুত্ব কম দিন, Dr. যা বলেছেন সেটাই আরকি। যদি বিপদজনক না হয়, চুপচাপ অন্য দিকে ডাইভার্ট করুন বা মন ঘুরিয়ে দিন। বাচ্ছা চিৎকার করলে বোঝানোর চেষ্টা করলে সেটা আরও বাড়ে কারণ এই বয়সে ওরা যুক্তি দিয়ে বুঝতে শেখে না প্লাস ইমোশন ও কন্ট্রোলে থাকেনা।
Choice দিন যেমন "জল খাবে নাকি দুধ?" "লাল জামা নাকি নীল জামা?" Choice থাকলে জেদ কমে
কথা বলুন - যেমন "তুমি রেগে গেছো কারণ এই পেন টা চাও, তাই না? কিন্তু এটা সূচালো। তাই এটা তোমার জন্য নয়। এইভাবে ওর feeling টার নাম দিলে, ওরা একটু শান্ত হয়।

২. খাওয়া-জল না খেতে চাইলে
১৬ মাস এ খাওয়া কম-বেশি হয়। জোর করবেন না, তাহলে আরও খাবে না ।
খেলার মতো করে খেতে দিন যেমন কালারফুল প্লেট, নিজের হাতে খেতে দিন, একসাথে বসে ফ্যামিলি ইটিং হ্যাবিট তৈরী করুন।
খাবার Routine ঠিক রাখুন। একবারে না খেলে ২-৩ ঘন্টা পর অল্প অল্প করে খাবার দিন। জল সব সময় হাতের কাছে রাখুন।
২৪ ঘন্টায় ৬ বার বা তার বেশি p*e করলে বুঝবেন dehydration হচ্ছে না।

৩. জিনিস ছুঁড়ে ফেললে
ওর মনোযোগ ডাইভার্ট করুন। "ছুঁড়বে না" না বলে "alternative অপশন দিন। খুব জেদ করলে, Soft ball, plastic এর বাটি, কাগজ পাকিয়ে বল করে দেওয়ালে একটা টার্গেট স্টিকার লাগিয়ে দিন ছোঁড়ার জন্য।
যখন শান্ত থাকবে তখন মাঝেমধ্যে প্রশংসা করুন "তুমি কত সুন্দর করে খেলছো" বা "কি সুন্দর করে খাচ্ছ"।

৪. আপনার জন্য
আপনার ওয়াইফ সারাদিন যেহেতু একা সামলান তাই আপনি বাড়ি এসে ১৫-২০ মিনিট শুধু ছেলের সাথে "special time" কাটান অবশ্যই ফোন বা কোনো স্ক্রীন টাইম ছাড়া, শুধু খেলা। এতে বাচ্ছারও মন ভরে, আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠে, বন্ডিং ভালো হয়, সেফ ফিলিং পায় আর আপনার ওয়াইফ ও একটু নিজের সময় পায়। এমনিতেই মায়েদের মাথায় সারাক্ষন বাচ্ছার চিন্তা চলে তাই মাকে একটু ফ্রি টাইম দিলে মায়েরা আরো ১০০ গুন বেশি বাচ্ছার যত্ন নিতে পারে। কারণ মায়ের ও মেন্টাল স্পেস এর প্রয়োজন আছে।

৫. আপনার ওয়াইফের জন্য
আপনিও ব্রেক নিন। বাচ্চা ঘুমালে ১০ মিনিট নিজে চুপচাপ বসুন বা রেস্ট নিন। একটু রুটিন বেঁধে কাজ করলে অনেক ছোটো খাটো ফ্রি টাইম বেরিয়ে যায়।

কবে আবার Dr. কে জানাবেন
- জ্বর সহ খাওয়া বন্ধ ২৪ ঘন্টার বেশি হলে।
- একদম চোখের contact করছে না, নাম ধরে ডাকলে সাড়া দিচ্ছে না ।
- মাথা ঠুকছে বা নিজেকে আঘাত দিচ্ছে
- একদম জল না খেলে
- পটি বা পি এর অস্বাভাবিকত্ব কিছু দেখলে।

আপাতত এটা phase. ২-৩ মাস এর মধ্যে কথা বাড়লে নিজে থেকেই অনেকটা কমে যাবে। ওর সাথে টাইম কাটান, ওর রাগ বা জেদের সময় শান্ত ভাবে কথা বলুন। সব ঠিক হয়ে যাবে।
আপনি অনেক ভালো কাজ করছেন যে খেয়াল রাখছেন। ওয়াইফ কে বলুন উনি একা নন, আপনিও পাশে আছেন।

খুব ভালো থাকুন সব বাবা মা এবং তাদের সন্তান।

পুনশ্চঃ ভিডিওটি আমার মেয়ের। ও আরো ছোটো। এখনো এরকম ফেজ আসেনি ওর। এটা ওর ঘুমের আগের স্বাভাবিক cues...আমি জাস্ট পোস্টের প্রাসঙ্গিকতার কিছুটা বোঝাতে ভিডিওটা দিয়েছি।

Written by - Dietician Labani Das
Page - Dietitian Mom
Foodies Diet


Address

Hyderabad
Kolkata
712407

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dietitian Mom posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share