Asik Drug House

Directions Contact the business

Asik Drug House এখানে সকল প্রকার দেশি বিদেশী ঔষুধ খুচরা ও পাইকারী পাওয়া যায়।ইনসুলিন ও বিভিন্ন ভ্যাকসিনও পাওয়া যায়

এখানে যাবতীয় ঔষধ,ইনসুলিন এবং ভ্যাক্সিন খুচরা এবং পাইকারী দামে বিক্রয় করা হয়

আপনি জানলে অবাক হবেন এমন একটা ঔষধের দোকানে বছরে ৪০-৫০ হাজার টাকার ঔষধ মেয়াদোত্তীর্ণ বা নষ্ট হয় যার ৬০% এর কোন বিনিময় পাও...
18/07/2026

আপনি জানলে অবাক হবেন এমন একটা ঔষধের দোকানে বছরে ৪০-৫০ হাজার টাকার ঔষধ মেয়াদোত্তীর্ণ বা নষ্ট হয় যার ৬০% এর কোন বিনিময় পাওয়া যায় না।
একটা হালাল বিজনেস হলেও এরকম দৃশ্যমান লস আর কোন বিজনেসে নাই।

আপনার গায়ে একটি লাল দাগ। সেটা কীসের কামড় তা নাজানলে সঠিক চিকিৎসা সম্ভব নয়। আর ভুল চিকিৎসামাঝে মাঝে সমস্যা আরও বাড়িয়...
08/06/2026

আপনার গায়ে একটি লাল দাগ। সেটা কীসের কামড় তা না
জানলে সঠিক চিকিৎসা সম্ভব নয়। আর ভুল চিকিৎসা
মাঝে মাঝে সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়।
মশার কামড়ে histamine নিঃসরণে গোলাকার, চুলকানিযুক্ত ফোলা
তৈরি হয় যার কেন্দ্রে ছোট ফুসকুড়ি থাকে। টিকের কামড়
বিপজ্জনক কারণ এটি Lyme disease-এর জীবাণু বহন করতে
পারে এবং কামড়ের জায়গায় কয়েক দিন পরে bull's-eye pattern
তৈরি হলে অবিলম্বে চিকিৎসক দেখানো জরুরি। খাটপোকার
কামড় সাধারণত রেখা বরাবর তিনটি দাগে হয় কারণ এরা
একবারে তিন জায়গায় কামড়ায়, যাকে বলে "breakfast, lunch
and dinner" pattern। বিছার হুলে তীব্র ব্যথা হয় এবং
neurotoxin-এর কারণে অসাড়তা ছড়াতে পারে, এক্ষেত্রে
শিশু বা বয়স্কদের জন্য জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। মাকড়সার
কামড়ে কেন্দ্রে কালো বিন্দু থাকে এবং চারপাশ নীলাভ হলে
তা বিষাক্ত প্রজাতির সংকেত হতে পারে। যেকোনো কামড়ে
জ্বর, শ্বাসকষ্ট বা দ্রুত ফোলা দেখা দিলে দেরি না করে
জরুরি বিভাগে যান। পোস্টটি সেভ করুন। একদিন কাজে
আসতে পারে।

08/06/2026

এই ভুলটা অনেকে করছেন!
Naproxen + Esomeprazole এই কম্বিনেশন ওষুধটা চেনেন তো?
বাংলাদেশে পরিচিত - Neso, Naprosyn Plus, Dinovo, Naprox Plus নামে পাওয়া যায়।

কিছু প্রেসক্রিপশনে দেখলাম লেখা আছে ওষুধটি "খাবার খাওয়ার পরে খাবেন।" এটা ভুল!!
সঠিক নিয়ম হলো খাবারের অন্তত ৩০ মিনিট আগে খাওয়া।

কেন?
আগে বুঝি ওষুধটা কীভাবে বানানো:
এই Combination ট্যাবলেট দুই স্তরে তৈরি -
▪️বাইরের স্তর: Esomeprazole (Immediate Release)
▪️ভেতরের core: Naproxen (Enteric Coated, Delayed Release)

মানে ওষুধ খেলে আগে Esomeprazole বের হয়, পাকস্থলীর acid কমায়। তারপর Naproxen ধীরে ধীরে বের হয়ে ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে।

এই sequence-টাই ওষুধের design।

তাহলে খাবার পরে খেলে কী হয়?
খাবারের পরে খেলে Esomeprazole-এর absorption ও acid suppression কমে যেতে পারে। ওষুধটি যেভাবে কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে, সেই সুবিধা পুরোপুরি পাওয়া যায় না।

📒 তাই মনে রাখুন একটাই নিয়ম:
▪️ Naproxen + Esomeprazole: কম্বিনেশনটা খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে খাবেন।
ট্যাবলেটটা ভাঙা, চিবানো বা গুঁড়া করা যাবে না। পুরো গিলতে হবে না হলে combination design নষ্ট হয়।

▪️শুধু Naproxen: সবসময় ভরা পেটে খাবেন

আপনি কি আগে এই পার্থক্যটা জানতেন? আপনার প্রেসক্রিপশনে ওষুধটি কখন লেখা ছিলো?

Clear Concept

কুরবানির মাংস কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত হাত/হাতের আঙ্গুল অথবা অন্য কোনো অঙ্গ/ অঙ্গবিশেষ বিচ্ছিন্ন হতে পারে। কাজেই অধিকতর সত...
28/05/2026

কুরবানির মাংস কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত হাত/হাতের আঙ্গুল অথবা অন্য কোনো অঙ্গ/ অঙ্গবিশেষ বিচ্ছিন্ন হতে পারে। কাজেই অধিকতর সতর্কতার বিকল্প নেই।

বিচ্ছিন্ন অঙ্গটি আধুনিক মাইক্রো/ সুপারমাইক্রো সার্জিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে পুনস্থাপন করা সম্ভব যাকে আমরা 'রিপ্লান্টেশন' সার্জারী বলি। এর পুর্ব শর্ত হচ্ছে বিছিন্ন হওয়া অঙ্গটি চিকিৎসার পুর্বে যথাযথ সংরক্ষন করা।

বিচ্ছিন্ন হওয়া অঙ্গটি কিভাবে সংরক্ষন করবেন?

১। প্রথমে বিছিন্ন হওয়া অঙ্গটি পানিতে বা সম্ভব হলে স্যালাইন দিয়ে ভাল ভাবে পরিস্কার করতে হবে।

২। এরপর স্যালাইন দিয়ে ভেজানো একটি পরিস্কার গজ বা কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে অঙ্গটি ভাল ভাবে মুড়িয়ে নিতে হবে।

৩। মোড়ানো অঙ্গটি এরপর একটি এয়ার টাইট ব্যাগে স্থানান্তর করতে হবে। এক্ষেত্রে পলিব্যাগ ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪। এরপর আরেকটি ব্যাগে কিছু বরফ নিতে হবে এবং পলিব্যাগে রাখা অঙ্গটি সবশেষে বরফের ব্যাগের ভেতর রাখতে হবে এবং ভালভাবে এয়ারটাইট করে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবেই অঙ্গটি সরাসরি বরফের সংস্পর্শে না আসে।

এভাবে সংরক্ষন করে দ্রুত মাইক্রো/সুপারমাইক্রো সার্জারী সেটআপ সমৃদ্ধ (মাইক্রোস্কোপ) হাস্পাতালে যোগাযোগ করতে হবে।
নিম্নের সরকারি হাসপাতালে এই সুবিধা পাবেন

১. জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউট
২. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
২. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৩. সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৪. চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৫. খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৬. রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৭. রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৮. ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৯.কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

এছাড়াও বিভিন্ন হাসপাতালে সার্জারী বিভাগে এক্সপার্ট থাকা সাপেক্ষে রিকন্সট্রাক্টিভ প্লাস্টিক সার্জারি হবে

ছবিতে বিচ্ছিন্ন আঙ্গুল সংরক্ষনের পদ্ধতি দেখানো হয়েছে।

ডা: এম এ বি ছিদ্দিক মজুমদার (জাবের)
ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিষ্ট ও
মেডিসিন স্পেশালিষ্ট
#কুরবান

ইদানিং হাসপাতালেও হেপাটাইটিস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে । অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে অনেকেই জন্ডিসসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্...
15/05/2026

ইদানিং হাসপাতালেও হেপাটাইটিস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে । অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে অনেকেই জন্ডিসসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। মূলত পাঁচ ধরনের হেপাটাইটিস রয়েছে- হেপাটাইটিস A,B,C,D,E. ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ থেকে শুরু করে সূচ, ইঞ্জেকশন, টুথব্রাশ এবং দাড়ি কাটার সরঞ্জাম থেকে হেপাটাইটিস B ও C ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করার শঙ্কা থাকে। হেপাটাইটিস A ও E ছড়িয়ে যায়পানি ও খাবারের মাধ্যমে। বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করুন। সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন রাস্তার খাবার। বিশেষ করে রাস্তার পাশের অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস পরিহার করুন। সেলুনে অন্যের ব্যবহৃত ব্লেড লিপস্টিক, আইলাইনার, টুথব্রাশ, কানের দুল ব্যবহার করাই উচিত নয়। ছেলেদের ক্ষেত্রে চুল দাড়ি কাটার সরঞ্জাম একান্তই ব্যক্তিগত রাখুন। শিশুদের হেপাটাইটিসের প্রতিষেধক টিকা দিন। ©

Dr.Ashraful Amin Chowdhury
নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ
এবং শিশু বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ

অনেকেই মনে করেন, হাম (Measles) শুধু বাচ্চাদের রোগ। কিন্তু বাস্তবে তা একদম সত্যি নয়।আমার চেম্বারে অনেক রোগী জিজ্ঞাসা করেন...
11/05/2026

অনেকেই মনে করেন, হাম (Measles) শুধু বাচ্চাদের রোগ। কিন্তু বাস্তবে তা একদম সত্যি নয়।আমার চেম্বারে অনেক রোগী জিজ্ঞাসা করেন, “স্যার , এ পর্যন্ত কোনো Adult Measles রোগী দেখেছেন?”
—হ্যাঁ, দেখেছি। অনেক।

নিচের ছবিটি ২০২৪ সালে, রোগীর অনুমতি নিয়ে তোলা—হামে আক্রান্ত আমার কাছে চিকিৎসাধীন একজন রোগীর ছবি।

কিছু রোগী এসেছিলেন প্রচণ্ড ফ্লু-জাতীয় জ্বর, কাশি, সর্দি নিয়ে। তারপর হেয়ারলাইন থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত গোটা শরীর লাল র‍্যাশে ঢেকে গিয়েছিল। চোখ ফুলে গিয়েছিল, কপলিক স্পট (মুখের ভিতর সাদা দাগ) স্পষ্ট ছিল। কয়েকজনের অবস্থা বেশ complicated হয়ে পড়েছিল।
বেশিরভাগ রোগীই EPI অনুসারে সবগুলো ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নেওয়ার পরেও আক্রান্ত হয়েছিলেন। আমরা RT-PCR এবং IgM/IgG টেস্ট করে measles নিশ্চিত করেছি।
অধিকাংশই গ্রামের দোকান থেকে সাধারণ ওষুধ খেয়ে এসেছিলেন। measles-এর কথা কেউ ভাবেননি। অনেকের সাথে ছিল ভয়ানক ডায়রিয়া — মাত্র ৫ দিনে ১০ কেজির বেশি ওজন কমে গিয়েছিল।
তবে সঠিক চিকিৎসা ও সাপোর্টিভ কেয়ারে বেশিরভাগ রোগীই প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

আমার অভিজ্ঞতা থেকে কয়েকটা কথা পরিষ্কারভাবে বলি—

বড়দেরও হাম হয়—এটা এখন আর বিরল কিছু না
টিকা নেওয়া থাকলেও উপসর্গ হলে অবহেলা করবেন না
জ্বরের সাথে র‍্যাশ, চোখ লাল বা ফুলে যাওয়া—এই কম্বিনেশনকে গুরুত্ব দিন।নিজে নিজে ফার্মেসি থেকে ওষুধ খেয়ে সময় নষ্ট করবেন না

অনেক সময় রোগ শুরুতে খুব সাধারণ মনে হয়, কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যে পরিস্থিতি জটিল হয়ে যেতে পারে—আমি নিজের চোখে দেখেছি।

আপনার বা আপনার পরিবারের কারও এমন উপসর্গ থাকলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে আসুন।

~Dr. Nabilul Hoque Nabil

হাম সম্পর্কে সচেতন হোন
11/05/2026

হাম সম্পর্কে সচেতন হোন

22/04/2026
প্রথমে শুধু হালকা জ্বর…সাথে সর্দি, কাশিবাচ্চা একটু খিটখিটে, খেতে চাইছে না…এভাবেই শুরু হয়। এই সময়ই শরীরে ঢুকে পড়ে Measles...
29/03/2026

প্রথমে শুধু হালকা জ্বর…
সাথে সর্দি, কাশি
বাচ্চা একটু খিটখিটে, খেতে চাইছে না…
এভাবেই শুরু হয়।
এই সময়ই শরীরে ঢুকে পড়ে Measles (হাম) ভাইরাস
কোনো আক্রান্ত মানুষ হাঁচি দিলো, কাশি দিলো…
সেই বাতাস থেকেই ভাইরাসটা ছড়িয়ে গেলো।
আপনি বুঝতেও পারলেন না
শিশুর শরীর ইতোমধ্যে আক্রান্ত।

ধ
প্রথম ২–৩ দিন:
শুধু জ্বর, সর্দি, কাশি…
চোখ লাল হয়ে যায়, পানি পড়ে।
অনেকে
ধরেই নেন এটা সাধারণ ভাইরাল জ্বর।
তারপর
জ্বর বাড়ে,
মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (Koplik spot) দেখা যেতে পারে…
আর ৩–৪ দিনের মাথায়
গায়ে লালচে র‍্যাশ উঠা শুরু।
মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
এই পুরো সময়টাতেই বাচ্চা অন্যদের জন্য খুব সংক্রামক।
মানে, আপনি বুঝার আগেই
আরো কয়েকজন শিশুর মধ্যে এটা ছড়িয়ে যেতে পারে।

হাম হলে শিশুর যত্ন:-

১. বিশ্রাম ও আলাদা রাখা
ভিড় এড়িয়ে শান্ত ঘরে রাখুন। জ্বর বেশি হলে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছান, প্রয়োজন হলে ডাক্তারের পরামর্শে প্যারাসিটামল দিন।
২. পর্যাপ্ত তরল দিন
পানি, দুধ, স্যুপ, ওরস্যালাইন—অল্প অল্প করে বারবার দিন। না খেতে চাইলেও চেষ্টা চালিয়ে যান।
৩. ভিটামিন A দিন
চোখ ও রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ—ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী দিন।
৪. আলো কম রাখুন
চোখে সমস্যা হলে হালকা অন্ধকার ঘরে রাখুন, পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ মুছান।
৫. ত্বকের যত্ন নিন
নখ ছোট রাখুন, চুলকাতে না দিন, শরীর পরিষ্কার রাখুন।

কেন ভয় পাবেন?
কারণ এটা শুধু “দানা উঠা” না
এই ভাইরাস ফুসফুস, চোখ, এমনকি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।

শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, এমনকি খিঁচুনি পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।

একটু সচেতন হন, সেভ করুন
আর পোস্টটা শেয়ার করে অন্যকেও জানিয়ে দিন

ডা.আব্দুর রহমান

28/03/2026

দুনিয়ার বুকে যত ধরনের ছোঁয়াচে রোগ আছে, তার মধ্যে সবচে ভয়াবহ হলো হাম!

হাম (Measles) হলো একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শ্বাসতন্ত্রকে আক্রমণ করে। এটি প্যারামিক্সোভাইরাস পরিবারের একটি ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়। যদিও এটি যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পারে, তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।

হাম একটি বায়ুবাহিত রোগ। এটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে নির্গত ক্ষুদ্র কণা বাতাসে মিশে যায়। সুস্থ ব্যক্তি সেই বাতাস গ্রহণ করলে বা ভাইরাসে দূষিত কোনো বস্তু স্পর্শ করে নাক-মুখ স্পর্শ করলে আক্রান্ত হতে পারেন।

আক্রান্ত ব্যক্তির র‍্যাশ ওঠার ৪ দিন আগে থেকে ৪ দিন পর পর্যন্ত রোগটি ছড়ানোর ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি থাকে।

হাম থেকে মেইনলি নিউমোনিয়া হয় এবং এটাই অধিকাংশ মৃত্যুর কারণ।

হাম থেকে বাঁচার একমাত্র কার্যকরী উপায় হলো টিকা দেওয়া। শিশুদের ৯ মাস পূর্ণ হলে এবং ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ হাম-রুবেলা (MR) টিকা দেওয়া হয়। এটি প্রায় ১০০% সুরক্ষা প্রদান করে।

হাম পৃথিবীর অন্যতম সংক্রামক রোগ। টিকা না দেওয়া থাকলে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে সংক্রমণের সম্ভাবনা প্রায় ৯০%- ৯৫% থাকে। এমনকি আক্রান্ত ব্যক্তি কোন স্থান থেকে চলে যাওয়ার ২ ঘণ্টা পর পর্যন্ত বাতাসে এই ভাইরাস ভেসে থাকতে পারে এবং অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।

হাম মহামারি প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো হার্ড ইমিউনিটি। হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় এর জন্য প্রায় ৯৫% মানুষের টিকা নেওয়া জরুরি।

হামের টিকার বিশেষত্ব হলো এটি দীর্ঘস্থায়ী। সাধারণত দুই ডোজ হাম-রুবেলা (MR) টিকা নিলে তা সারাজীবনের জন্য সুরক্ষা দিতে পারে। এর ফলে সমাজে নতুন করে এই রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটার সুযোগ থাকে না।

টিকা কার্যক্রম সফল হলে পরিবেশে ভাইরাসের উপস্থিতি কমে যায়। ভাইরাস যত কম ছড়ানোর সুযোগ পায়, তার মহামারি তৈরির ক্ষমতা তত কমে আসে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, ২০০০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে সঠিক টিকাদানের ফলে পৃথিবীতে হামের কারণে মৃত্যু প্রায় ৭৩% কমেছে।

দুনিয়ার বুকে একটা জাতআছে। গান্ডুগিরি এবং মূর্খতায় তারা সেরা। এদের অবশ্য কোন জাতি বা রেইসে ফেলতে পারবেন না। এদেরকে আপনি যেমন পাবেন ফ্লোরিডায় , তেমনি পাবেন লাহোরে, কিংবা কিম্বাসাতে অথবা মোহাম্মাদপুরে। এদের কে চেনার একমাত্র উপায়- এরা রিলিজিয়াস ফ্যানাটিক এবং এদের একমাত্র জ্ঞান হলো আম্রিকা তাদের কে বিনামূল্যে টিকা দিয়া মাইরা ফেলাইতেছে। ফলে তারা তাদের বাচ্চাদের কে জীবন রক্ষাকারী ভ্যাক্সিন দেয়া থেকে বিরত রাখে।

এদেরকে আপনি ফ্লাট আর্থ কমিউনিটি, কন্সপারিসি গ্রুপ এবং ছাগচাষ বিষয়ক আলাপ করার বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া কমিউনিটিতেও পাবেন।

এরা নিজেরা হার্ড ইমিউনিটির বিরুদ্ধাচারন করবে, নিজের সন্তানের জীবন সংশয়ে ফেলবে এবং একই সাথে সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে অন্যদের গোয়া মারতেও দ্বিধা করবেনা।

-Dr. Mahmudul Hasan

Address

Nagethat To Shaympur Road In Nagerhat
Badarganj
5430

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Asik Drug House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Asik Drug House:

Shortcuts

Share