Mufti Abu Rawad

Call Directions Website Contact the business

Mufti Abu Rawad Ruqyah • Hijama • Consultancy
Mental Health ealth Support
যেকোনো সেবা পেতে ৭ দিন আগে অ্যাপয়েটমেন্ট বুক করুন। হোয়াটসঅ্যাপে +8801600069677

04/10/2026

জ্বীন জাদুর রোগ যে কতটা ভয়ংকর তা কেবল সেই ভুক্তভোগীরাই বুঝে! মেডিকেল চিকিৎসায় ১০/১৫ লাখ খরচ করতে দ্বিধা না করলেও জ্বীন-জাদুর রুকইয়াহ চিকিৎসায় ৫-১০ হাজার হাজার টাকা খরচ করতেও যেন আত্মা কেঁপে উঠে। খুবই আফসোস লাগে। মানুষ কবে বুঝবে। আমি বলছি না আপনারা আক্রান্ত হয়ে আমাদের বা রাক্বীদের কাছে আসেন। আমরা সবসময় বলি আপনি নিজে নিজেই কিছু সহজ আমলের মাধ্যমে এসব থেকে বেঁচে থাকুন। আক্রান্ত হওয়ার আগে বেঁচে থাকা খুবই সহজ। অল্পকিছু সহজ আমলের মাধ্যমেই বেঁচে থাকা যায়। কিন্তু আক্রান্ত হয়ে গেলে এবং আক্রান্ত থাকতে থাকতে সমস্যা যখন জটিল হয়ে যায় তখন সুস্থ হতে কখনো কখনো অনেক সময় লেগে যায়। তবে আক্রান্ত হয়ে যত দ্রুত সম্ভব সঠিকভাবে রুকইয়াহ শুরু করতে পারলে দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়।

অনেক মানুষ আজ অসুস্থ। বছরের পর বছর চিকিৎসা করেও সুস্থ হচ্ছে না। ওষুধের উপরেই অনেকেই ঠিকে আছে। অনেক বাচ্চা জন্মের পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে, অনেকেই জন্ম থেকেই ত্রুটি নিয়ে জন্মায়। অনেক বাচ্চার অটিজম, এডিএইচডি, ব্রেইন ডেভলপম হয়না, অনেক বাচ্চা অতিরিক্ত কান্না করে ইত্যাদি। এইগুলো কি জ্বীন জাদুর প্রভাবে হয়না? হতে পারে না? হ্যা এইগুলো মেডিকেল সংক্রান্ত কারণেও হয়। কিন্তু জ্বীন, জাদু এবং বদনজরের প্রভাবেও হতে পারে।

আপনি তো টাকা ইনকাম করার জন্য ৩০/৩৫ বছর পড়াশোনা করেছেন কিন্তু সংসার জীবন, বাচ্চা লালন-পালন নিয়ে কি একটু পড়ালেখা করেছেন? ইসলামে জীবনের কি নির্দেশনা দেওয়া আছে, কার কি এবং কতটুকু হক আছে সে সম্পর্কে কি একটু জানাশোনা করেছেন? জ্বীন জাদু থেকে বেঁচে থাকার আমল সম্পর্কে জেনেছেন? আপনাকে তো দুনিয়ার সবকিছু একেবারে পুরোপুরি জানতে হবে না। অন্তত বেসিক টা তো জানা থাকা দরকার। অন্তত সুস্থতা অসুস্থতা, রোগব্যাধি, সংসার জীবন এবং বাচ্চা লালন-পালন এর বেসিক জ্ঞানটুকু তো অর্জন করা দরকার ছিল।

আজ অনেক উচ্চশিক্ষিত মুসলমানরাও বিয়ে কি, কিভাবে হয়, তালাক কি, কিভাবে দিতে হয় সে সম্পর্কে কিছুই জানে না। ফলে একটু ঝামেলা হলেই রাগের মাথায় তিন তালাক দিয়ে দেয়। পরবর্তীতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই আফসোস করে। অনেকেই তো এরপর আবার একত্রে হারাম ও যিনার সংসার চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ এক তালাক দিলেই তালাক হয়ে যেতো। পরবর্তীতে চিন্তা করার সুযোগ থাকতো। সংসার নাও করতে পারতো অথবা চাইলে আবার বৈধভাবে সংসার করতে পারতো। অথচ অনেকেই মনে করে তিন তালাক দিলেই কেবল তখন তালাক হয় আর না হয় তালাক হয়না। তিন তালাক দিলেই কেবল সম্পর্ক ছিন্ন হয় অন্যান্য বিবাহ থেকে যায়। হায় আফসোস।

তেমনি যদি ছোট থেকেই বা আক্রান্ত হওয়ার আগেই জ্বীন জাদু ও বদনজর থেকে বেঁচে থাকার সকাল-সন্ধ্যা, ঘুমের পূর্বে এবং অন্যান্য সময়ের সহজ কিছু মাসনুন আমল করতো তাহলে আল্লাহ চাহে তু কখনো আক্রান্ত হতো না। আর আক্রান্ত হয়ে গেলেও এসব সম্পর্কে জানা থাকাই দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হতো এবং সহজেই সুস্থও হওয়া যেতো। অনেকেই আজ জ্বীন, জাদু বা বদনজরে আক্রান্ত হয়ে নিজের জীবনের বা সন্তানের অসুস্থতায় কষ্ট পাচ্ছেন। ভিটে বাড়ি বিক্রি করেও সুস্থ হতে পারছেন না। বিশেষ করে বাচ্চাদের এসব যন্ত্রণা আর কষ্টের কথা শুনলে আমার দুমরে মুচড়ে যায়। আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকেই বুঝতে পারেন না বা এসবে পাত্তা দেয় না।

অন্তত আপনি শিক্ষিত মানুষ হিসেবে কুরআন-হাদীস একটু ঘেঁটে দেখলেই তো পারেন। কারো কথা বিশ্বাস করার দরকার নেই। কিন্তু আপনি জ্বীন-জাদু ও বদনজর সংক্রান্ত আয়াত হাদীস গুলো একটু পড়লেই তো বুঝতে পারেন। কুরআন ও হাদীসের অসংখ্য জায়গায় এসবের আলোচনা এসেছে। এসব নিয়ে পড়াশোনা করলে পিএইচডি করা যাবে। আপনার তো পিএইচডি করার দরকার নেই। অন্ততপক্ষে নিজের ও নিজের ও পরিবারের সুরক্ষা ও সুস্থতার জন্য বেসিক টা তো জানা দরকার! যদি একটু মানুষ একটু সতর্ক, সচেতন জীবনযাপন করতো এবং জ্বীন-জাদু ও নজর-হাসাদ থেকে বেঁচে থাকতো অনেকেই অসুস্থই হতো না। কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ মানুষই অসুস্থ। সারাজীবন চিকিৎসা যেতে হচ্ছে। এরপরও কষ্ট থেকে মুক্তি পাচ্ছে না।

মনে রাখবেন মেডিকেল বা প্রাকৃতিক চিকিৎসা ভিন্ন কিছু নয়। এইগুলোও আল্লাহরই সৃষ্টি। আপনি যদি ফার্মিসির সব ওষুধ খেয়ে ফেলেন এবং যতবড় ডাক্তারই দেখান না কেন আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে সুস্থতা না আসলে আপনি কখনই সুস্থ হতে পারবেন না। প্রায় সব হাসপাতাল, ক্লিনিকে কুরআনের শিফা সম্পর্কিত আয়াত এবং বিভিন্ন হাদীস লেখা থাকতে দেখি, কিন্তু বাস্তব বিশ্বাসে সেটা খুবই কম এবং দুর্বল। প্রাকৃতিক চিকিৎসা এবং রুকইয়াহ দুটোই আল্লাহর সৃষ্টি। যিনি প্রকৃতির মধ্যে আরোগ্য রেখেছেন তিনিই কোরআনের মধ্যে শিফা রেখেছেন।

আপনার মেডিকেল সংক্রান্ত সমস্যা হলে আপনি কোরআন দিয়ে চিকিৎসা করতে পারবেন না এবং প্যারানরমাল সমস্যা হলে মেডিকেল চিকিৎসা করার দরকার নেই বিষয়টা এরকম নয়। বরং যে কোন সমস্যায় আপনি দুটো চিকিৎসাই গ্রহণ করতে পারেন। তবে প্রাকৃতিক সমস্যা বা মেডিকেল সংক্রান্ত সমস্যা জন্য আপনি মৌলিকভাবে মেডিকেল চিকিৎসা গ্রহণ করবেন, সেই সাথে পাশাপাশি আপনি কোরআন দিয়েও চিকিৎসা করতে পারেন। আবার প্যারানরমাল বা জিন জাদু বদনজরের সমস্যা হলে মেইনলি আপনাকে কোরআন দিয়ে চিকিৎসা করতে হবে, রুকইয়াহ করতে হবে। জ্বীন, জাদু বা বদনজরের সমস্যায় আপনি মেডিকেল চিকিৎসা করে কখনোই কোনো উপকার পাবেন না, স্থায়ী সমাধান হবেনা। তবে প্রয়োজনে মেডিকেল চিকিৎসা গ্রহণ করা যেতে পারে। এমনকি অনেক সময় জ্বীন-জাদুর সমস্যা হলেও মেডিকেল চিকিৎসা গ্রহণ করা আবশ্যক হয়ে পড়ে।

আপনি কবে বুঝবেন!?

আল্লাহ তাআলা সবাইকে বোঝার জন্য জ্ঞান দান করুন।
Mufti Abu Rawad

কিছুদিন আগে অনলাইন থেকে ২টা পুতুল আমি নিই। পুতুলগুলো দেখতে অনেক সুন্দর তাই ভাবলাম ২মেয়ের জন্য ২টা নেই। যাইহোক। এবার বলি ...
12/09/2026

কিছুদিন আগে অনলাইন থেকে ২টা পুতুল আমি নিই। পুতুলগুলো দেখতে অনেক সুন্দর তাই ভাবলাম ২মেয়ের জন্য ২টা নেই।

যাইহোক। এবার বলি আসল কথা। যেহেতু বাচ্চারা নতুন খেলনা পাওয়ার পর অইটা কিছুদিন অনেক যত্নে রাখে, আমার ফাইজাও এইটা নিয়ে প্রতিদিন ঘুমাই, কিন্তু যেদিন সে পুতুলটা নিয়ে ঘুমাই সেদিন রাতেই ও ঘুমের মধ্যে কান্না শুরু করে আর পুতুল টাকে ফেলে দেয়।
আর প্রচুর কান্না করে, আমাকে বলে, আম্মু পুতুল্টা ফেলে দাও পুতুল আমাকে মারে😪

আমিতো ভাবছি ছোট মানুষ হইতো মনের ভুল বা সপ্নে কিছু দেখে।।
কিন্তু কাল রাতের ঘটনা আর আজকে যা দেখেছি তাতে আমি রীতিমতো অবাক😭
কাল রাতেও ও ঘুম ভেঙে কান্না করতেছিল আর বলতেছিল মা তুমি আর পুতুল আনিও না, আমি আর পুতুল নিবো না, পুতুল টা আমাকে খামছি দেই 🥲

আজ গোসল করানোর সময় আমি ফাইজার পিঠে দেখি এই রকম খামছির দাগ!
ওরে জিজ্ঞেস করলে ও বলে, মা আমি তোমাকে বলছিনা পুতুল আমাকে খামছি দেয়?
তাহলে কি আমার মেয়ে সত্যি বলেছিলো এতদিন?

কোন এক মায়ের,,,,,,

কপি পোস্ট

04/09/2026

কিছুদিন আগে একজন পেশেন্ট এসেছিলেন, তার সাথে যিনি এসেছিলেন তার এক আত্মীয়কে মা-ও জাদু করতো বশ করার, বউ-ও জাদু করতো বশ করার! দুইজনের বশ করার জাদুর প্রভাব আর ঝগড়াঝাঁটির কারণে একদিন হঠাৎ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।🥲

30/08/2026
29/08/2026

আমাদের একটি "রুকইয়াহ অ্যাপ" আছে জানেন কি?

দ্বিচারিতা বিভিন্ন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে দেখবেন সূরা বনী ইসরাইল এর 82 নাম্বার আয়াত সহ অনেক আয়াত এবং বিভিন্ন হাদীসের উদ্...
28/08/2026

দ্বিচারিতা
বিভিন্ন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে দেখবেন সূরা বনী ইসরাইল এর 82 নাম্বার আয়াত সহ অনেক আয়াত এবং বিভিন্ন হাদীসের উদ্ধৃতি দেখতে পাওয়া যায়। ডাক্তার রা চিকিৎসা দেওয়ার পরেও বলে যে আল্লাহর উপর ভরসা করেন। আমরা তো কেবল উসিলা। সাকসেস হলে বলে আল্লাহই সাকসেসফুল ভাবে সুস্থতা দান করেছেন ইত্যাদি।

কিন্তু জ্বীন জাদু এবং বদনজর তারা একদমই বিশ্বাস করতে চায়না। যখন বলা হয় জ্বীন জাদু বা বদনজর সম্পর্কে, বা কেউ যদি বলে তার জ্বীন জাদুর সমস্যা আছে তখন অধিকাংশই সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে বসেন। বিশেষ করে মানসিক ডাক্তারদের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

অবস্থা যেন এমন আল্লাহ কে অর্ধেক বিশ্বাস করলাম আর অর্ধেক অস্বীকার করলাম। নিজেদের প্রয়োজনে মানুষের আকৃষ্ট করার জন্য যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই গ্রহণ করলাম, আর বাকিটা ছুড়ে ফেলে দিলাম।

অথচ চিকিৎসা ও সুস্থতায় কুরআনের যে আয়াত টি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় সেখানে আল্লাহ তাআলা সরাসরি বলেছেন আমি কুরআনে শিফা অবতীর্ণ করেছি, কুরআনে শিফা রেখেছি। (সূরা বনী ইসরাইল ৮২)

এটাকে কি বলে? ডাবল স্ট্যান্ডার্ড? ধর্ম ব্যবসায়? নাকী দুইটাই নাকি সুবিধাবাদী? কোনটা?

26/08/2026

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

25/08/2026

অনেকের মধ্যে একটি বিষয় আছে, সেটা হলো কোনো কিছু যাচাই-বাছাই করা না করার মানসিকতা। বদনজর, জ্বীনের সমস্যা বা জাদুতে আক্রান্ত হলে কোনো কিছু যাচাই-বাছাই না করেই যারতার কাছে চিকিৎসা নিতে চলে যায়। একবারও ঈমানের দিকটা চিন্তা করে না। অনেকেই তো হিন্দু, বৌদ্ধ ও চাকমা তান্ত্রিকদের কাছেও চলে যায়। এমনকি অনেকেই জেনেবুঝেই অমুসলিমদের কাছে ঝাড়ফুঁক চিকিৎসার জন্য যায়। কারণ তাদের চিন্তা হলো যেকোনো উপায়ে সুস্থ হতে হবে। এতে ঈমান গেলে যাক সুস্থতাই দরকার। অথচ সঠিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা রয়েছে, কুরআনে আল্লাহ তাআলা আরোগ্য ও নিরাময় নাযিল করেছেন।

কিন্তু অনেক হুজুর কবিরাজের কাছে গিয়েও সুস্থ হয়না কেন? কারণ হচ্ছে প্রচলিত কবিরাজি চিকিৎসার প্রায় সকল পদ্ধতিই নাজায়েজ এবং কুফর শিরক। অনেক হুজুর কবিরাজরা বৈধভাবে চিকিৎসা করার চেষ্টা করলেও তাদের চিকিৎসা মূলত ফার্মাসিস্টের মতই তথা প্রাথমিক ধরনের চিকিৎসা। উনাদের না আছে কবিরাজির গভীর জ্ঞান, আর না আছে কুরআনের সঠিক চিকিৎসা রুকইয়াহ সম্পর্কে জ্ঞান।

হাদীসে এসেছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন কোনো ও খবিস জিনিসের মধ্যে আল্লাহ তাআলা নিরাময় রাখেন নি।

সুতরাং আপনি যদি রুকইয়াহ করার চিন্তা করেন তাহলে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন কোথায় বা কার কাছে রুকইয়াহ করবেন। অনেকেই আছে কুরআন তিলাওয়াত করতে তো রাকি হয়ে গেছে, আবার অনেকেই আছে মূলত কবিরাজ কিন্তু রাকী ও রুকইয়াহ দিয়ে গোপনে কবিরাজি করছে। আপনি এভাবে ভুল পদ্ধতির শিকার হন বা অভিজ্ঞ রাকীর কাছে রুকইয়াহ করেন তাহলে দিনশেষে আপনার ভোগান্তি ছাড়া কিছুই হবেনা। প্রকৃত শিফা যদিও আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে তথাপি সঠিক উপায় অবলম্বন করা এবং সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা প্রত্যেকের দায়িত্ব।

আল্লাহ তাআলা সবাইকে সুস্থতার নেয়ামত দান করুন আমীন।

কোরবানি ঈদ ও জাদু নবায়ন সতর্কতা:সামনে কোরবানি ঈদ। মুসলমানদের জন্য তা যেমন মহা আনন্দের ঠিক তেমনি অনেকের জন্য মারাত্মক কষ...
19/05/2026

কোরবানি ঈদ ও জাদু নবায়ন সতর্কতা:
সামনে কোরবানি ঈদ। মুসলমানদের জন্য তা যেমন মহা আনন্দের ঠিক তেমনি অনেকের জন্য মারাত্মক কষ্টেরও বটে। কারণ এ সময় অনেক বেশি জাদু চর্চা হয়। এই সময়টাতে নতুন জাদুর পাশাপাশি পুরোনো জাদুও নবায়ন করা হয়। কবিরাজ ও তান্ত্রিকদের নিকট নতুন জাদু করা এবং জাদু নবায়নের বিশেষ কিছু সময় ও দিন আছে। ইসলামে যেমন দোয়া কবুল ও ইবাদতের বিশেষ কিছু মূহূর্ত এবং সময় আছে; যেমন তাহাজ্জুদের সময়, মাগরিবের আগে পরে, দুই খুতবার মধ্যবর্তী সময় ইত্যাদি। তেমনি যাদুকর ও তান্ত্রিকদের নিকটেও বিশেষ কিছু সময় ও দিনের বিশেষ গুরুত্ব আছে। তারা বিশ্বাস করে যে এসব সময় ও দিনে জাদু করলে জাদু অনেক বেশি কার্যকরী এবং শক্তিশালী হয়। এরকম একটা সময় হচ্ছে কোরবানি ঈদ।

কোরবানি ঈদ মুসলমানদের বিশেষ আনন্দের সময়। আর মুসলমানদের যেকোনো আনন্দ সময়, উৎসব এবং যেকোনো ভালো বিষয় শয়তানের কাছে সেটা কষ্টের। এজন্যই ঈদের দিন অনেক পরিবারেই দেখা যায় সবসময় কোনো না কোনো বিষয় নিয়ে সামান্যতেই ঝগড়া বেধে যায় এবং বড়ধরনের ঝগড়া হয়। কারণ শয়তান মুসলমানদের ভালো কাজ ও আনন্দ সহ্য করতে পারে না। আর সেই আনন্দ মাটি/নষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লাগে। দুনিয়াতে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হচ্ছে সুন্দর ও মূল্যবান সম্পর্ক। আর শয়তানরাও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঘটাতে পারলে ইবলিসের কাছে বিশেষ মর্যাদা এবং প্রমোশন পায়।

এজন্য কোরবানি ঈদে শয়তানরা মানুষ কে অনেক বেশি ডিস্টার্ব করে। জাদুকরেরাও কুরবানী পশুর রক্ত, হাড়, চামড়া, মাথার খুলি এবং শিং ইত্যাদি ব্যবহার করে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও শক্তিশালী জাদু গুলো প্রয়োগ করে এবং পূর্বের জাদু নবায়ন করে। তাই এসময় সকলের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বিশেষ করে জ্বীন-জাদু আক্রান্ত জন্য বাড়তি সতর্কতা গ্রহণ করা আবশ্যক।

জা’দু নবায়নের বিশেষ সময়সমূহ
—আরবি মাসের মাঝামাঝি (১৩-১৭ তারিখ): এসময় অনেকের সমস্যা বেড়ে যায়।
—নির্দিষ্ট পূজা-পার্বণ: যেমন কা’লি পূজা, বৈশাখী উৎসব ইত্যাদি।
—মাসের শেষ ও শুরুর কিছু সময়: যেমন অমাবস্যায় অনেক বেশি জাদু চর্চা হয়।
—সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিন: বিশেষত শনিবার ও মঙ্গলবার।
—নদীর জোয়ার ভাটার সময়। তাবিজ ও জাদুর বিভিন্ন বস্তু পানিতে নিক্ষেপ করে।
—বিশেষ প্রয়োজনের সময়: যেমন স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ ঘটানোর আগে, কিংবা পরীক্ষা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে।

তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে, জা’দু নবায়ন শুধু নির্দিষ্ট দিনে সীমাবদ্ধ নয়— যেকোনো সময়ই হতে পারে। তাই অপেক্ষা না করে সর্বদা সতর্ক থাকা এবং মাসনুন আমল ও হেফাজতের দোয়ায় গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

জাদু নবায়নের লক্ষণসমূহ
◉ হঠাৎ পোড়া, ধোঁয়া বা অস্বাভাবিক গন্ধ অনুভব করা
◉ আতর, ফুল বা অচেনা কিছুর সুঘ্রাণ পাওয়া।
◉ অস্থিরতা বা আতঙ্ক বেড়ে যাওয়া, মানসিক চাপ অনুভব করা।
◉ হঠাৎ অস্বাভাবিক ক্লান্তি ও দুর্বলতা বেড়ে যাওয়া।
◉ হঠাৎ শরীর অবশ হয়ে যাওয়া বা হাত-পা অবশ লাগা।
◉ আবার কখনো দুর্গন্ধ, পচা বা নোংরা গন্ধ অনুভব করা।
◉ দুঃস্বপ্ন বৃদ্ধি পাওয়া, ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা।
◉ স্বপ্নে খেতে দেখা; নিজেই খাওয়া বা জোর করে কেউ খাইয়ে দিতে দেখা।
◉ স্বপ্নে সাপ, কুকুর, বা ভয়ংকর প্রাণী দেখা।
◉ স্বপ্নে কবরস্থান, মৃত মানুষ, আগুন জ্বলতে দেখা।
◉ স্বপ্নে সাগর, নদী, পানি, সাঁতরানো বা ডুবে যেতে দেখা।
◉ স্বপ্নে সাগর বা নদীতে পড়ে গিয়ে খুব কষ্টে পার হতে দেখা।
◉ স্বপ্নে প্রাণীর ধাওয়া করা (বিশেষত কুকুর, সাপ ইত্যাদি)
◉ আকাশে উড়ে যাওয়া বা উপর থেকে পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা
◉ সংসারে অকারণ ঝগড়া বৃদ্ধি পাওয়া।
◉ শরীরে হঠাৎ অস্বাভাবিক ব্যথা বেড়ে যাওয়া।
◉ রুকইয়াহতে উপকারের পর পুনরায় সমস্যা বাড়া।
◉ হঠাৎ পুরোনো লক্ষণগুলো পুনরায় তীব্র হয়ে ওঠা।

জাদু নবায়ন থেকে বাঁচতে করণীয়:
–প্রতিরোধ সব সময় চিকিৎসার চেয়ে উত্তম। অনেকেই আক্রান্ত হলে তবেই রুকইয়াহ করার জন্য আসেন। কিন্তু তখন উপকার পাওয়া গেলেও সময় লাগে বেশি এবং কষ্টও বাড়ে। এরচেয়ে উত্তম হচ্ছে— আগেভাগেই সুরক্ষা গ্রহণ করা। প্রতিরোধমূলকভাবে রুকইয়াহ করা।
–সকালে-সন্ধ্যা, ঘুমের পূর্বের এবং দৈনন্দিন হেফাজতের এবং প্রটেকশনের (শরীর বন্ধের) মাসনুন দোয়া ও যিকির গুলো গুরুত্বের নিয়মিত পালন করুন।
–জিলহজ মাসের চাঁদ উঠার পর থেকে ঈদের আগে সাতদিনের ডিটক্স রুকইয়াহ অবশ্যই করুন। এতে সমস্যাও যেমন দূর হবে অতিরিক্ত সুরক্ষাও হবে। ইনশাআল্লাহ।
– রুকইয়াহ করা সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করুন
– রুকইয়াহ তেল, পানি ইত্যাদি ব্যবহার করুন। নিয়মিত পড়া তেল মসাজ করুন, বেশি বেশি পড়া পানি করুন।
– পারিবারিক ঝামেলা, ঝগড়াঝাঁটি যেন না হয় সে ব্যপারে খুব বেশি সতর্ক থাকবেন। ঝগড়ার বিষয়গুলো সর্বোচ্চ এড়িয়ে যাবেন।
– ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে গিয়ে যেখানে সেখানে ঘুরতে যাবেন না। মন্দির, পরিত্যক্ত পুরাতন ভবন দেখতে যাবেন না।
– ঈদের পর থেকে ঈদের আনন্দে মেতে নিরাপত্তার ভুলে যাবেন না। পরিপূর্ণভাবে রুকইয়াহ করা সম্ভব না হলে যতটুকু সম্ভব রুকইয়াহ করবেন। নিরাপত্তার আমলের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে সূরা ফালাক, নাস, আয়াতুল কুরসি ইত্যাদি তিলাওয়াত করবেন।
– সম্ভব হলে ঈদের আগে এবং পরে অভিজ্ঞ রাকির কাছে সরাসরি রুকইয়াহ করুন। সেলফ রুকইয়াহ থেকে সরাসরি রুকইয়াহ অনেক বেশি কার্যকরী। ঈদের পরে তো যত দ্রুত সম্ভব সরাসরি রুকইয়াহ করবেন।
– রুকইয়াহ'র পাশাপাশি হিজামা করতে এক্সট্রা সুরক্ষা হবে ইনশাআল্লাহ। কারণ সমস্যা কমে গেলে জ্বীন সহজে ক্ষতি বৃদ্ধি করতে পারেনা, জাদুও তেমন প্রভাব বিস্তার করতে পারেনা।
– আপনি কুরবানী দিলে অবশ্যই পশুর হাড় ইত্যাদি যেখানে সেখানে ফেলবেন না, বরং ভেঙে বা কেটেকুটে ছোট ছোট করে দূরে কোথাও ফেলে দিবেন। অন্যথায় হয়তো দেখা যাবে যে আপনার কোরবানির পশুর হাড় ইত্যাদি দিয়ে আপনাকেই যাদু করবে।

📌 গুরুত্বপূর্ণ কথা
মনে রাখতে হবে—
প্রতিরোধ সবসময় চিকিৎসার চেয়ে উত্তম।
তবে আতঙ্কিত হওয়া নয়, বরং সতর্কতা কাম্য, একজন মুমিনের কাজ হলো— আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করা, শরীয়তের উপর চলা, নিয়মিত আমল করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা। সঠিক সময়ে রুকইয়াহ করে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা।

❝ শিফা একমাত্র মহান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই আসে। ❞

সমস্যা যাচাই এবং রুকইয়াহ চিকিৎসার জন্য এপয়েন্টমেন্ট বুক করতে যোগাযোগ করুন।
মেসেঞ্জার/হোয়াটসঅ্যাপ
📞 01715-212298

04/11/2024

রুকইয়াহ কেইস হিস্ট্রি ও রিভিউ:
পেশেন্ট একজন মহিলা। সমস্যা শুরু হয় জুলাই মাসের প্রথম দিকে। পুরাতন এক পেশেন্টের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন তিনি। পেশেন্ট সমস্যা হলো- হঠাৎ একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখে বুকের ভেতর কেমন লাগছে, হতাশা লাগছে, কান্না করতে ইচ্ছে হতো, কান্না চেপে রাখতে না পেরে কান্নাও করেছে অনেক, ঠিকমতো ঘুম হয়না, বুকের মধ্যে যন্ত্রণা হয়, মনে হতো যেন কিছু বাসা বেঁধে আছে, বুক ভার ভার লাগতো, কেমন যেন জ্বলতো। বর্তমানে পেশেন্ট ৩ মাসের প্রেগন্যান্ট।

রুকইয়াহ'র সময় পেশেন্টের যে যে ইফেক্ট হয়:
প্রথমে ১৫-২০ মিনিটের মতো পুরো শরীর চুলকানি হয়। তারপর রোগীর প্রচন্ড অস্থির লাগছিল, অনেক গরম লাগছিল, গরমে পুরো শরীর ঘেমে যায়, বারবার এসি চালু করার কথা বলছিল, অথচ এসি চালু ছিল! শরীরে শিরশির করছিল, কেমন জানি হাসি পাচ্ছিল, কতক্ষন পর শরীর খুব ঠান্ডা লাগছিলো। সবশেষে মোটামুটি স্বাভাবিক হয়ে যায়।

রুকইয়াহ শেষে পেশেন্ট বলেন- উনার কাছে খুবই ভালো লাগছে, শরীর হালকা লাগছে, বুকের ভেতর ভারী বা জ্বালা ভাব নেই, খুবই প্রশান্তি লাগছে।

তারপর সেলফ রুকইয়াহ সাজেশন দিয়ে বিদায় দিই। সমস্যা না হলে বাচ্চা হওয়ার পর যোগাযোগ করতে বলি। সাথে এটাও বলেই দেই যে, সমস্যা হলে যোগাযোগ করবেন এবং সমস্যা না হলেও বাচ্চা হওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে একবার আপডেট জানাবেন।

Address

House# 8, Road# 7, Block# M, Banasree, Rampura
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mufti Abu Rawad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mufti Abu Rawad:

Shortcuts

Share