Nature Version 3.0

Call Directions Contact the business

Nature Version 3.0 দেহ ও মনের সুস্থতা'র জন্য উৎসর্গীকৃত 🍃

আমার আত্ন উপলব্ধি হচ্ছে - "যে রোগকে ভয় না পেয়ে ভালবাসতে জানে তার রোগ দ্রুত আরোগ্য হয়"ব্যাখা: এখন অধিকাংশ মানুষ রোগকে ভয় ...
18/10/2026

আমার আত্ন উপলব্ধি হচ্ছে - "যে রোগকে ভয় না পেয়ে ভালবাসতে জানে তার রোগ দ্রুত আরোগ্য হয়"

ব্যাখা: এখন অধিকাংশ মানুষ রোগকে ভয় পায়, এব্ং সামান্য রোগ হলেই খারাপ থেকে খারাপতর চিন্তা করতে থাকে। এতে রোগের উন্নতির গতি ধীর হয়ে যায়।

বিপরীতে কেউ যদি রোগকে ভালবাসে - এমনটা ভাবে যে "রোগ আমাকে বার্তা দিচ্ছে আমার জীবন যাপন ও খাবার দাবারের পরিবর্তণ ও উন্নতি প্রয়োজন, কিছু ভুল হচ্ছে তা দ্রুত সংশোধন প্রয়োজন।" তাহলেই কিন্তু তার আরোগ্য হওয়ার গতি বেড়ে যায়।

শরীর যখন Fear Mood এ থাকে তখন স্ট্রেস হরমোন বেশি নি:সৃত হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। আবার যখন Happy Mood এ থাকে তখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।

পৃথিবীর প্রতিটা জিনিসই শক্তি, ইমোশন ও শক্তি। এখন শুধু আমাদের জানা দরকার কিভাবে এই অফুরন্ত শক্তিকে রূপান্তর করতে হবে এইটা শিখা।

দেবজ্যোতি দত্ত
Bachelor of Ayurvedic Medicine and Surgery (NIA,India)
B.Sc In Biotechnology and Genetic Engineering.

২০-এর কোঠায় যাঁরা এই কাজ করতেন, ৮০ বছর বয়সে তাঁরাই ছিলেন সবচেয়ে সুখী২০২৪ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, প্রায় ৮০ শতাংশ তরুণ-...
09/10/2026

২০-এর কোঠায় যাঁরা এই কাজ করতেন, ৮০ বছর বয়সে তাঁরাই ছিলেন সবচেয়ে সুখী
২০২৪ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, প্রায় ৮০ শতাংশ তরুণ-তরুণী একাকিত্ব অনুভব করেন। এই হার বয়স্ক প্রজন্মের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

জেন–জির মধ্যেই একাকিত্বের অনুভূতি বেশি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপ, ডেটিং অ্যাপ, ভিডিও কল—সব মিলিয়ে জেন–জির যোগাযোগ এখন হাতের মুঠোয়। অথচ আশ্চর্যের বিষয়, এ প্রজন্মের মধ্যেই একাকিত্বের অনুভূতি বেশি। ছুটির দিনে কারও সঙ্গে বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে কি না, তার সঙ্গে একাকিত্বের অনুভূতির সরাসরি সম্পর্ক নেই।

কীভাবে একাকিত্ব থেকে নিজেকে দূরে রাখা যায়?
হার্ভার্ডের দীর্ঘমেয়াদি সুখবিষয়ক গবেষণার অন্যতম পরিচালক মনোরোগবিশেষজ্ঞ রবার্ট ওয়ালডিঙ্গারের মতে, এর একটি উত্তর হতে পারে, নিজের চেয়ে বড় কোনো কিছুর সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখা। অর্থাৎ শুধু নিজের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ব্যস্ত না থেকে অন্য মানুষের সুখ-দুঃখ, প্রয়োজন ও কল্যাণের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করা।

সুখী মানুষদের মধ্যে যে মিল
হার্ভার্ডের ‘স্টাডি অব অ্যাডাল্ট ডেভেলপমেন্ট’ আট দশকের বেশি সময় মানুষের জীবন, সম্পর্ক ও সুখ নিয়ে গবেষণা করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, পরবর্তী জীবনে যাঁরা ভালো ছিলেন, তাঁদের অনেকেই তরুণ বয়স থেকেই অন্যদের জন্য কিছু করা বা অর্থপূর্ণ কোনো কাজে অবদান রাখার চেষ্টা করেছেন।

ড. ওয়ালডিঙ্গার একে বলেন ‘পারপাস’ বা জীবনের উদ্দেশ্য। এটি শুধু নিজের পছন্দ বা আনন্দের পেছনে ছোটা নয়; বরং নিজের সময়, দক্ষতা বা সামর্থ্য দিয়ে অন্য মানুষ, সমাজ, পরিবেশ কিংবা নিজের চেয়ে বড় কোনো কিছুর জন্য অবদান রাখা। সন্তানকে বড় করা, কাউকে শেখানো, স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করা কিংবা নিজের সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো—সবই এর অংশ হতে পারে।

মনোবিশ্লেষক এরিক এরিকসনের ভাষায়, এটি ‘জেনারেটিভিটি’, অর্থাৎ নিজের জীবনকে এমন কিছুর সঙ্গে যুক্ত করা, যার অর্থ নিজের অস্তিত্বের বাইরেও ছড়িয়ে যায়।

অসংখ্য বিকল্পের ভিড়ে সত্যিকারের বন্ধু খুঁজে পাওয়া কিংবা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলা ক্রমেই কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছে।

উদ্দেশ্যই একাকিত্বের ওষুধ
জীবনের কোনো অর্থপূর্ণ উদ্দেশ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকলে মানুষের সঙ্গে সম্পর্কও গভীর হতে পারে। আর অর্থপূর্ণ সম্পর্ক একাকিত্ব থেকে সুরক্ষার অন্যতম ভিত্তি।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সব সময় সেই অর্থপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করছে না। অসংখ্য বিকল্পের ভিড়ে সত্যিকারের বন্ধু খুঁজে পাওয়া কিংবা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলা ক্রমেই কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছে।

রোমান্টিক সম্পর্কও অনেকটাই ‘সোয়াইপ’নির্ভর। ফলে মানুষকে সময় নিয়ে জানার আগ্রহ, প্রেমে পড়ার বদলে তাকে যেন একটি পণ্য হিসেবেই বেছে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হচ্ছে।

একাকিত্ব কেন এত গুরুতর সমস্যা?
দীর্ঘস্থায়ী একাকিত্ব শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন সার্জন জেনারেল বিবেক মূর্তি একাকিত্ব ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতাকে জনস্বাস্থ্যের বড় উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

মানুষ মূলত সামাজিক প্রাণী। কিন্তু দীর্ঘদিন সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকলে উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হতে পারে, যা আবার মানুষকে আরও গুটিয়ে নিতে পারে। ফলে একাকিত্বের চক্র আরও গভীর হয়।

হার্ভার্ডের গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল হলো, ভালো সম্পর্ক মানুষের স্বাস্থ্য ও সুখের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। গবেষণায় দেখা গেছে, ৫০ বছর বয়সে যাঁরা নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন, ৮০ বছর বয়সে তাঁদের শারীরিক স্বাস্থ্যও তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল।

জীবনে উদ্দেশ্য খুঁজবেন যেভাবে
প্রতিদিন অন্তত একজন মানুষের খোঁজ নিন। একটি ছোট মেসেজ, ফোনকল কিংবা প্রশংসাও হতে পারে শুরু।

নিজেকে প্রশ্ন করুন, কোন সমস্যা আপনাকে ভাবায়? কোন কাজ করলে অন্যের উপকার হয়, আবার আপনি আনন্দও পান? কোন মানুষ বা গোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে চান?

এ প্রশ্নগুলোর উত্তরই হয়তো আপনাকে আপনার জীবনের উদ্দেশ্যের কাছাকাছি নিয়ে যাবে। কারণ, দীর্ঘ জীবনে সুখের জন্য শুধু নিজের জন্য বাঁচা নয়, অন্যের জীবনে অর্থপূর্ণভাবে যুক্ত থাকাও গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: দ্য হেলদি

সম্পূর্ণভাবে পেট পরিষ্কার করুন ৩০ সেকেন্ডে ,  স্বর যোগের মাধ্যমে। কোনো ওষুধ ছাড়াই ☺️  বন্ধুরা সর্ব প্রথম মনে রাখবেন পেট...
11/09/2026

সম্পূর্ণভাবে পেট পরিষ্কার করুন ৩০ সেকেন্ডে , স্বর যোগের মাধ্যমে। কোনো ওষুধ ছাড়াই ☺️


বন্ধুরা সর্ব প্রথম মনে রাখবেন পেট ই হলো আমাদের সমস্ত রোগের উৎস স্থল। তাই বলবো, এমন একটি যৌগিক ক্রিয়া আছে যা করতে আপনার মাত্র ৩০ সেকেন্ড লাগবে। আর কোন ওষুধ ছাড়াই আপনার পেট নিজে থেকেই পরিষ্কার হতে শুরু করবে। শুনতে অদ্ভুত লাগতে পারে কিন্তু এটা সত্যি। আজ আমি আপনাদের এমন এক বিদ্যার কথা বলতে চলেছি যাকে যোগে স্বরবিজ্ঞান বলা হয়। আর এটি কোন সাধারণ বিষয় নয়। এটি অত্যন্ত বিশাল, গভীর এবং রহস্যময় এক বিদ্যা।

এখন মন দিয়ে বিষয়টি বুঝুন। আমাদের নাকের দুটি ছিদ্র রয়েছে। যদি কখনো খেয়াল করে থাকেন তাহলে দেখবেন দুটো নাক একসাথে সমানভাবে সবসময় কাজ করে না। কখনো আপনার ডান নাক অর্থাৎ রাইট নস্ট্রেল বেশি সক্রিয় থাকে। আবার কখনো বাম নাক অর্থাৎ লেফট নস্ট্রিল। আর এখান থেকেই শুরু হয় আসল খেলা। আপনি যদি এই ছোট্ট রহস্যটি বুঝে ফেলতে পারেন তাহলে শুধুমাত্র শ্বাসের মাধ্যমে নিজের পাচনতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। না ডাক্তার দেখানোর দরকার হবে , না ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন পড়বে। যাদের হাই ব্লাড প্রেসার আছে যারা পেট পরিষ্কার করার সময় বেশি চাপ দিতে পারেন না অথবা যাদের সবসময় কোষ্ঠকাঠিণ্যের সমস্যা থাকে , তাদের জন্য এই ক্রিয়া আশীর্বাদের চেয়ে কম নয়। কিন্তু থামুন এখন আমি যা বলতে চলেছি সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রথমে আপনাকে পরীক্ষা করতে হবে আপনার কোন নাক সক্রিয় রয়েছে। যদি আপনার ডান নাক অর্থাৎ সূর্যস্বর সক্রিয় থাকে তাহলে বুঝে নিন আপনার শরীর এখন পাচনের জন্য প্রস্তুত। আর ঠিক এই সময়ে যদি আপনি একটি ছোট্ট ক্রিয়া করেন তাহলে যতই ভারী খাবার হোক না কেন তা খুব দ্রুত হজম হতে শুরু করবে। কিন্তু সেই ক্রিয়াটি কি? কিভাবে করতে হবে এবং কখন করতে হবে সেটাই আমি এখন বলব। তবে যদি সত্যিই আপনি আপনার পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চান তবে এই কাজটি করুন।

চলুন এবার সেই আসল যৌগিক ক্রিয়ার কথা বলা যাক যার জন্য আপনারা অপেক্ষা করছিলেন। মন দিয়ে বুঝুন। এই ক্রিয়াটি যতটা সহজ ততটাই শক্তিশালী। প্রথমে সোজা হয়ে বসে পড়ুন। মেরুদন্ড একেবারে সোজা রাখুন। এবার দেখুন আপনার কোন নাক সক্রিয় রয়েছে। যদি আপনার ডান নাক অর্থাৎ সূর্যস্বর সক্রিয় থাকে তাহলে আপনি একদম সঠিক সময় রয়েছেন। এবার ক্রিয়া শুরু করুন। প্রথম ধাপ হালকাভাবে বাম নাক বন্ধ করুন। শুধু ডান নাক দিয়ে গভীর শ্বাস নিন এবং একই নাক দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। এই প্রক্রিয়াটি 30 সেকেন্ড থেকে এক মিনিট পর্যন্ত করুন। ব্যাস এতটুকুই ক্রিয়া।

কিন্তু এখনের আসল চমৎকার শুনুন। যদি আপনি এটি খাবার আগে করেন তাহলে আপনার পাচনতন্ত্র সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয় হয়ে যাবে। সবচেয়ে ভারী খাবারও দ্রুত হজম হতে শুরু করবে। আর যদি সকালে ঘুম থেকে উঠে এটি করেন তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যেই স্বাভাবিকভাবে পেট পরিষ্কারের চাপ তৈরি হবে। কোন চূর্ণ নয়, কোন ওষুধ নয়। যাদের কোষ্ঠ কাঠিন্ন রয়েছে বা যাদের প্রতিদিন পেট পরিষ্কার হয় না তাদের জন্য এই ক্রিয়া সত্যিই গেম চেঞ্জার হতে পারে। তবে একটি ছোট্ট বিষয় খেয়াল রাখবেন। যদি আপনার বাম নাক সক্রিয় থাকে তাহলে প্রথমে ডান নাককে সক্রিয় করতে হবে। তার জন্য এক থেকে দু মিনিট বাম কাঁধ হয়ে শুয়ে পড়ুন অথবা হালকাভাবে বাম নাক বন্ধ করে কয়েকবার ডান নাক দিয়ে শ্বাস নিন। ডান নাক সক্রিয় হলেই সঙ্গে সঙ্গে এই ক্রিয়া শুরু করুন। মনে রাখবেন এটি কোন জাদু নয়। এটি আপনার শরীরের বিজ্ঞান , যা হাজার হাজার বছর আগে যোগ শাস্ত্রে বলা হয়েছে।

এখন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা মন দিয়ে শুনুন। যাদের অত্যন্ত বেশি হাই ব্লাড প্রেসার রয়েছে তারা এই ক্রিয়াটি এখনই চেষ্টা করবেন না। আগে অবশ্যই ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। বাকিরা অবশ্যই এটি একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

এখন অডভান্সড পদ্ধতিটা বুঝুন। আপনাকে কি করতে হবে? ডান নাক অর্থাৎ রাইট নস্ট্রেল। সূর্য স্বর দিয়ে টানা ১১১বার শ্বাস নিতে এবং ছাড়তে হবে অর্থাৎ শুধু ডান নাক দিয়েই ইনহেল এবং ডান নাক দিয়েই এক্সহেল করবেন। এরপরে আপনি যা খুশি খেতে পারেন। আপনি নিজেই অনুভব করবেন যে খাবার অনেক দ্রুত হজম হচ্ছে। এবার লিকুইড জাতীয় জিনিসের কথা বলি। যদি আপনি জুস, আঁখের রস, ডাবের জল, থোর রস যারা খান, সেই মত পানিও খাবারের থেকে আলাদা সময় গ্রহণ করেন তাহলে সেই সময় আপনাকে বাঁক অর্থাৎ লেফট নস্ট্রিল চন্দ্রস্বর চালু রাখতে হবে। অর্থাৎ বাঁক দিয়ে শ্বাস নিন এবং ছাড়ুন। এতে কি হবে? তরল জাতীয় জিনিস খুব সহজে এবং দ্রুত হজম হবে। তবে একটি বিশেষ বিষয় খেয়াল রাখবেন। যদি আপনি খাবারের পরে ছাঁচ পান করেন তাহলে নতুন করে অন্য নস্ট্রেল চালু করবেন না। যে ডান নাক আগে থেকেই সক্রিয় আছে সেটাকেই চলতে দিন।

এখন একটি খুব সাধারণ প্রশ্ন। গরম দুধ খেলে কি করবেন? উত্তর হলো যদি কোন জিনিস গরম হয় বা সলিড হয় তাহলে সবসময় ডান নাক অর্থাৎ সূর্য স্বরই চালু রাখতে হবে। আর যদি জিনিস ঠান্ডা হয় যেমন লসসি, ঠান্ডা শরবত বা ঠান্ডা ড্রিংক তাহলে আপনাকে বাম নাক অর্থাৎ, চন্দ্রস্বর চালু রাখতে হবে। এতে শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং হজমে কোন সমস্যা হবে না।

এবার সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যবহারটি শুনুন। যদি সকালে আপনার পেট পরিষ্কার না হয় বা স্বাভাবিক চাপ তৈরি না হয় তাহলে এটি করে দেখুন। বাম নাক বন্ধ করে দিন এবং শুধু ডান নাক দিয়ে শ্বাস নিন ও ছাড়ুন। দুই থেকে চার মিনিট পর্যন্ত এভাবে করুন। অথবা আপনি সূর্য ভেদন প্রাণায়ামও করতে পারেন। এমনকি যদি আপনি শৌচাগারেও বসে থাকেন তবুও বা নাক বন্ধ রেখে ডান নাক চালু রাখুন। আপনি নিজেই দেখবেন খুব দ্রুত স্বাভাবিক চাপ তৈরি হবে এবং পেট পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে যাবে। যদি কখনো মাথা ব্যথা হয় তাহলে যে নাক সক্রিয় আছে সেটি বন্ধ করুন এবং যে নাক বন্ধ আছে সেটিকে সক্রিয় করুন। এই ছোট ছোট কৌশলগুলো আপনার শরীরকে ভারসাম্যে আনতে সাহায্য করে। এটি কোন জাদু নয়। এগুলো আমাদের প্রাচীন স্বরবিজ্ঞানের লুকিয়ে থাকা গোপন রহস্য যা আজও সমান কার্যকর। শুধু এগুলোকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে জানতে হবে। সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।

✍️-মৌঝুরী 🌿





দেখতে পরিষ্কার হলেও অন্তর্বাস কি আবার পরা যায়? জানুন সঠিক নিয়মএকটি পোশাক আপনি না ধুয়েই একাধিক দিন পরতে পারেন, যদি তা পরি...
13/08/2026

দেখতে পরিষ্কার হলেও অন্তর্বাস কি আবার পরা যায়? জানুন সঠিক নিয়ম
একটি পোশাক আপনি না ধুয়েই একাধিক দিন পরতে পারেন, যদি তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে। অন্তর্বাসও কি পরিষ্কার দেখালে এভাবে পরা উচিত? নাকি এসব আরেকবার পরার আগে ধোয়া প্রয়োজন? অন্তর্বাস ধোয়া বা শুকানোর নিয়ম সম্পর্কেই–বা কতটা জানেন?

অন্তর্বাস বা আন্ডারওয়্যার মানবদেহের ত্বকের খুব সংবেদনশীল অংশের সংস্পর্শে থাকে লম্বা সময়ের জন্য। এসব অংশে ঘামও হয় বেশি। বাংলাদেশের আবহাওয়ার ধরনটাই এমন যে এখানে আপনি বছরের অধিকাংশ সময় বেশ ঘামবেন। ত্বকের কোনো অংশ ভেজা থাকলে সেখানে ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। চুলকানি আর অস্বস্তিকর অনুভূতি তো হতেই পারে।

অন্তর্বাস যেমন ঘামে ভেজে, তেমনি ত্বকের অন্যান্য স্বাভাবিক নিঃসরণ এবং ত্বকের মৃতকোষও জমতে পারে অন্তর্বাসে। বুঝতেই পারছেন অন্তর্বাসের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা কেন জরুরি।

প্যান্টি বা আন্ডারওয়্যার কখন ধোবেন?
রোজ পরিষ্কার প্যান্টি বা আন্ডারওয়্যার পরা ভালো। এমনকি তা কোনোভাবে ভিজে গেলে বা ময়লা হয়ে গেলে বদলে ফেলাই ভালো। ব্যবহৃত অন্তর্বাস ধুয়ে ফেলুন। না ধুয়ে কেবল রোদে-বাতাসে শুকিয়ে বা ঝেড়ে পুনরায় ব্যবহার না করাই ভালো।

ব্রেসিয়ার কখন ধোবেন
ব্রেসিয়ার অবশ্য একবার ব্যবহারের পর ধোয়ার প্রয়োজন না-ও হতে পারে। তবে যদি এটিও ভিজে যায় বা ময়লা হয়ে যায়, তাহলে দ্রুত বদলে নিয়ে ধুয়ে ফেলা ভালো। যেমন গণপরিবহনের প্রচণ্ড ভিড়ে কিংবা রোদেলা দিনে পথে হাঁটার সময় ব্রেসিয়ার ঘামে ভিজে গেলে বাড়ি ফিরে তা ধুয়ে ফেলুন। শরীরচর্চার সময় ঘামে ভিজে গেলেও ব্রেসিয়ার বদলে ফেলা এবং তা ধোয়ার ব্যবস্থা করাও ভালো।

পরিষ্কার অন্তর্বাস আর ব্যবহৃত বা ময়লা কাপড় একসঙ্গে না রাখাই ভালো।
ধোয়ার সময় সুগন্ধিবিহীন, মৃদু বা হাইপোঅ্যালার্জেনিক ধরনের পরিষ্কারক ব্যবহার করা ভালো। বিশেষভাবে খেয়াল রাখা উচিত, নারীর যোনিপথের আশপাশের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। প্যান্টি বা আন্ডারওয়্যার কড়া সাবান বা সুগন্ধিযুক্ত রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে ধোয়া হলে সেটির অবশিষ্টাংশের কারণে ত্বকে জ্বালাপোড়া বা চুলকানি হতে পারে।

অন্য কোনো পোশাকে রক্ত, বমি, প্রস্রাব বা মল লেগে থাকলে সেটির সঙ্গে অন্তর্বাস না ধোয়াই ভালো।

অসুস্থ ব্যক্তির পোশাকের সঙ্গে সুস্থ ব্যক্তির অন্তর্বাস ধোবেন না।

শুকানোও পরিচ্ছন্নতার অংশ
ধোয়ার পর অন্তর্বাস খুব ভালোভাবে শুকিয়ে নেওয়া জরুরি। ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে অন্তর্বাস পরে থাকা অস্বস্তিকর। এর কারণে ত্বকের কিছু সমস্যার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তাই কিছু বিষয় খেয়াল রাখুন।

পর্যাপ্ত বাতাস প্রবাহিত হয়, এমন একটি খোলামেলা জায়গায় এসব টান টান করে মেলে দেওয়া উচিত।

অন্য আরেকটি ভেজা কাপড়ের নিচে না মেলে রাখাই ভালো।

যে দড়ি বা রডে অন্তর্বাস মেলে দেবেন, তা পরিষ্কার থাকা ভালো।

শুকানোর পরও খেয়াল করুন খোলা জায়গায় মেলে দেওয়ার কারণে এতে কোনো ময়লা পড়েছে কি না।

শুকানোর জন্য ড্রায়ার ব্যবহার করতে চাইলে পোশাকের লেবেলে উল্লেখ করা নিয়ম অনুসরণ করুন।

সূত্র: হেলথলাইন

 #ডায়াবেটিস_৫ডায়াবেটিস বলতে আমরা মূলত টাইপ-১ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসকে বুঝি। এ ছাড়া গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বা বিশেষ কিছু জিনগ...
09/08/2026

#ডায়াবেটিস_৫

ডায়াবেটিস বলতে আমরা মূলত টাইপ-১ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসকে বুঝি। এ ছাড়া গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বা বিশেষ কিছু জিনগত কারণে হওয়া ডায়াবেটিস এ রোগের নানা ধরন। তবে সম্প্রতি চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন করে আলোচনায় এসেছে টাইপ-৫ ডায়াবেটিস। এটি মূলত দীর্ঘদিনের অপুষ্টির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি স্বতন্ত্র ধরনের ডায়াবেটিস।

আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞরা সম্প্রতি এ রোগকে নতুন গুরুত্ব দিয়ে চিহ্নিত করেছেন। যদিও এটি বহু বছর আগে অপুষ্টি–সংশ্লিষ্ট ‘ডায়াবেটিস মেলাইটাস’ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি তেমন গুরুত্ব পায়নি। নতুন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, অপুষ্টিজনিত ডায়াবেটিসের বৈশিষ্ট্য টাইপ-১ বা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের থেকে ভিন্ন। তাই একে আলাদা করে চিহ্নিত করা চিকিৎসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

কেন হয় টাইপ-৫ ডায়াবেটিস

শৈশব বা কৈশোরে দীর্ঘমেয়াদি অপুষ্টি, বিশেষ করে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ক্যালরির অভাব, অগ্ন্যাশয়ের (প্যানক্রিয়াস) স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও কার্যকারিতাকে ব্যাহত করতে পারে। ফলে ইনসুলিন উৎপাদনের ক্ষমতা কমে যায়। এ ধরনের রোগীরা সাধারণত খুব রোগা হন এবং শরীরে চর্বির পরিমাণও কম থাকে। তবে এটি টাইপ-১ ডায়াবেটিসের মতো অটোইমিউন রোগ নয় এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো স্থূলতা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সও এর প্রধান কারণ নয়।

কারা বেশি ঝুঁকিতে

টাইপ-৫ ডায়াবেটিস প্রধানত নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বেশি দেখা যেতে পারে। যেখানে শৈশবের অপুষ্টি এখনো একটি বড় জনস্বাস্থ্য–সমস্যা। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল এবং আফ্রিকার অনেক দেশে এ ধরনের রোগী থাকতে পারে। আমাদের দেশে অনেক রোগা ও তরুণ ডায়াবেটিস রোগীকে ভুল করে টাইপ-১ বা টাইপ-২ ডায়াবেটিস হিসেবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ফলে চিকিৎসার ফল আশানুরূপ হয় না।

লক্ষণ কী

এর লক্ষণ অন্যান্য ডায়াবেটিসের মতোই—অতিরিক্ত পিপাসা, বারবার প্রস্রাব, ওজন কমে যাওয়া, দুর্বলতা ও ঝাপসা দেখা।

তবে রোগীর শারীরিক গঠন, অপুষ্টির ইতিহাস এবং কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসক টাইপ-৫ ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বিবেচনা করতে পারেন।

চিকিৎসার বিশেষত্ব

টাইপ-৫ ডায়াবেটিসের চিকিৎসা শুধু রক্তে শর্করা কমানো নয়; পুষ্টির ঘাটতি পূরণ এবং সুষম খাদ্য নিশ্চিত করা চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অনেক ক্ষেত্রে মুখে খাওয়ার ওষুধ কার্যকর হতে পারে, আবার কারও ইনসুলিনেরও প্রয়োজন হতে পারে। তাই রোগভেদে ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি।

ডা. শাহজাদা সেলিম, সহযোগী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

পেঁপের বিচি খেলে কি উপকার আছে 🤔কাঁচা হোক বা পাকা, পেঁপে খাওয়ার পর আমরা এর বিচিগুলো ফেলে দিই। কিন্তু ছোট ছোট এই কালো বিচি...
04/08/2026

পেঁপের বিচি খেলে কি উপকার আছে 🤔

কাঁচা হোক বা পাকা, পেঁপে খাওয়ার পর আমরা এর বিচিগুলো ফেলে দিই। কিন্তু ছোট ছোট এই কালো বিচিগুলোও খাওয়া যায়। শুধু তা-ই নয়, এসব পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। এতে আছে খাদ্যআঁশ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড এবং পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো নানা উপকারী উদ্ভিজ্জ যৌগ, যা স্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্নভাবে উপকারী। তবে উপকারিতা থাকলেও পেঁপের বিচি অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়। তাই এটি খাদ্যতালিকায় যোগ করার আগে এর পুষ্টিগুণ, সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং কিছু সতর্কতার বিষয় জেনে নেওয়া জরুরি।

পেঁপের বিচি কয়েক ধরনের ছত্রাক ও পরজীবী ধ্বংস করতে সক্ষম:

পেঁপের বিচির পুষ্টিগুণ:
পেঁপের বিচিতে আছে নানা ধরনের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট। যেমন পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড। এসব শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরের কোষকে ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘমেয়াদি নানা রোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

স্বাস্থ্যকর চর্বি
পেঁপের বিচিতে ওলিক অ্যাসিডসহ মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড আছে। যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে’ প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা ১৯ শতাংশ এবং খুব কম ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন (ভিএলডিএল) কোলেস্টেরলের মাত্রা ২২ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে সহায়তা করতে পারে।

খাদ্যআঁশের ভালো উৎস
পর্যাপ্ত আঁশ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

উপকারিতা
সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে:

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে’ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁপের বিচি কয়েক ধরনের ছত্রাক ও পরজীবী ধ্বংস করতে সক্ষম। আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, শুকনা পেঁপের বিচি ও মধু দিয়ে তৈরি একটি পানীয় অন্ত্রের পরজীবী ধ্বংস করতে প্লাসিবোর তুলনায় বেশি কার্যকর ছিল। প্লাসিবো এমন এক নিষ্ক্রিয় বস্তু বা ভুয়া চিকিৎসা, যেমন চিনির বড়ি বা স্যালাইন ইনজেকশন, যার আদতে নিরাময় ক্ষমতা নেই। এটি প্রধানত চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা করার জন্য এবং রোগীকে মানসিকভাবে শান্ত রাখতে ব্যবহার করা হয়। যা হোক, পেঁপের বিচির এই গুণ কতটা কার্যকর, তা নিশ্চিত করতে আরও বড় গবেষণা প্রয়োজন।

কিডনির সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে:

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে’ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁপের বিচিতে থাকা কিছু ফাইটোকেমিক্যাল কিডনি সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে এবং প্যারাসিটামলজনিত কিডনির ক্ষতি প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

এ ছাড়া পেঁপের বিচিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণও বেশি। এসব অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কোষের অক্সিডেটিভ ক্ষতি প্রতিরোধ করতে পারে। তবে এটি প্রাণীর ওপর করা গবেষণা, মানুষের ক্ষেত্রে কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ধীর করতে সহায়ক:

পরীক্ষাগারের কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁপের বিচির নির্যাস প্রদাহ কমাতে এবং ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ধীর করতে সাহায্য করতে পারে। একইভাবে, আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁপের বিচি প্রোস্টেট ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি কমিয়ে দিয়েছে। যদিও এসব ফলাফল আশাব্যঞ্জক, তবু মানুষের শরীরে ক্যানসারের বৃদ্ধি ও বিস্তারে পেঁপের বিচির প্রভাব মূল্যায়নের জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন।

হজমে সহায়ক:

পেঁপের বিচি খাদ্যআঁশের ভালো উৎস হওয়ায় এটি মল নরম রাখতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করতে পারে। এ ছাড়া পর্যাপ্ত খাদ্যআঁশ গ্রহণ অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, প্রদাহজনিত অন্ত্রের রোগের ঝুঁকি কমাতে, অর্শের উপসর্গ উপশম করতে এবং অন্ত্রে আলসার হওয়ার আশঙ্কা হ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রাণীর ওপর করা কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত মাত্রায় পেঁপের বিচির নির্যাস গ্রহণ করলে শুক্রাণুর সংখ্যা ও গতিশীলতা কমতে পারে। তবে মানুষের ক্ষেত্রে এ বিষয়ে এখনো পর্যাপ্ত গবেষণা নেই।

অতিরিক্ত খেলে ক্ষতিকর হতে পারে:

পেঁপের বিচির নির্যাস প্রদাহ কমাতে এবং ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ধীর করতে সাহায্য করতে পারে।
পেঁপের বিচিতে বেনজিল আইসোথায়োসায়ানেট নামের একটি যৌগ আছে। প্রাণীর ওপর করা কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এটি অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে কোষ ও ডিএনএর ক্ষতি হতে পারে। তবে স্বাভাবিক পরিমাণে পেঁপের বিচি খাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের জন্য এমন ঝুঁকির প্রমাণ এখনো মেলেনি।

গর্ভাবস্থায় এড়িয়ে চলুন:
গর্ভাবস্থায় পেঁপে বিচি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ, অতিরিক্ত পেঁপের বীজ গর্ভনিরোধক হিসেবে কাজ করে।

সবশেষে
পেঁপের বিচি পুষ্টিকর এবং এতে থাকা বিভিন্ন উপাদান সংক্রমণ প্রতিরোধ, কিডনির স্বাস্থ্য রক্ষা, হজমের উন্নতি এবং ক্যানসার প্রতিরোধে সম্ভাব্য ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব উপকারিতার অনেকটাই এখনো পরীক্ষাগারের গবেষণার ওপর ভিত্তি করে।

অন্যদিকে অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে কিছু ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

সূত্র: হেলথ লাইন

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না রাখলে যেসব জটিলতা হয়ে থাকে 😥উচ্চ রক্তচাপকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ‘নীরব ঘাতক’ (Silent Killer) বলা হ...
02/08/2026

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না রাখলে যেসব জটিলতা হয়ে থাকে 😥

উচ্চ রক্তচাপকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ‘নীরব ঘাতক’ (Silent Killer) বলা হয়। কারণ, দীর্ঘদিন রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত থাকলেও অনেক সময় কোনো স্পষ্ট লক্ষণ বা উপসর্গ বোঝা যায় না।
​ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ নিয়মিত না খেলে শরীরে বেশ কিছু বড় ধরনের এবং জীবনঘাতী জটিলতা তৈরি হতে পারে।

​১. স্ট্রোক (Brain Stroke)
​রক্তচাপ বেশি থাকলে মস্তিষ্কের সূক্ষ্ম রক্তনালিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা অতিরিক্ত চাপে ফেটে যেতে পারে। এর ফলে ব্রেন স্ট্রোক হতে পারে, যা থেকে শরীরের কোনো এক পাশ অবশ হওয়া (পক্ষাঘাত/প্যারালাইসিস), কথা জড়িয়ে যাওয়া কিংবা স্থায়ী মেধা ও বুদ্ধিমত্তা ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।

​২. হার্ট অ্যাটাক ও হার্ট ফেইলিউর
​অতিরিক্ত প্রেসারের কারণে হৃৎপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিতে রক্ত পাম্প করতে হয়। দীর্ঘদিন এমন চললে:
​হৃৎপিণ্ডের পেশি মোটা ও দুর্বল হয়ে পড়ে, যাকে হার্ট ফেইলিউর বলে।
​হার্টের রক্তনালি ব্লক হয়ে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

​৩. কিডনি বিকল (Kidney Failure)
​আমাদের কিডনিতে অসংখ্য ছোট ছোট রক্তনালি রয়েছে যা রক্ত পরিশ্রুত করে। উচ্চ রক্তচাপ এসব নালি নষ্ট করে দেয়। ফলে কিডনি ধীরে ধীরে তার কার্যক্ষমতা হারায় এবং শেষ পর্যন্ত ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।

​৪. চোখের দৃষ্টিশক্তি হ্রাস
​চোখের পেছনের রেটিনার রক্তনালিগুলো প্রেসারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যেতে পারে, এমনকি স্থায়ীভাবে অন্ধত্বও দেখা দিতে পারে।

​৫. অ্যানিউরিজম (Aneurysm)
​অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের কারণে শরীরের মূল ধমনীর দেয়াল দুর্বল হয়ে বেলুনের মতো ফুলে উঠতে পারে। যেকোনো সময় এটি ফেটে গিয়ে মারাত্মক অভ্যন্তরীণ রক্তপাত ও তাৎক্ষণিক মৃত্যু ঘটাতে পারে।

অনেকেই প্রেশার একটু স্বাভাবিক মনে হলেই নিজ থেকে ওষুধ বন্ধ করে দেন বা অনিয়মিতভাবে খান, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী, ওষুধ শুরু করলে চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া তা বন্ধ করা উচিত নয়।

-Yashoda Hospitals

কর্মস্থলে সাফল্য ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার ১৫টি গোল্ডেন রুল ✒️কর্মক্ষেত্রে শুধু কাজের দক্ষতা যথেষ্ট নয়; দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য ...
01/08/2026

কর্মস্থলে সাফল্য ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার ১৫টি গোল্ডেন রুল ✒️

কর্মক্ষেত্রে শুধু কাজের দক্ষতা যথেষ্ট নয়; দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য এবং একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরির জন্য চমৎকার আন্তঃব্যক্তিগত যোগাযোগ ও পেশাদার আচরণ অত্যন্ত জরুরি। নিচে কর্মস্থলে মেনে চলার মতো ১৫টি মূল নিয়ম আলোচনা করা হলো:

ক. যোগাযোগের মূল ভিত্তিঃ

১. সঠিক নামে সম্বোধন ও সম্মান প্রদর্শন: মানুষ অন্যের মুখে নিজের নাম শুনতে ও সম্মান পেতে ভালোবাসে। কাউকে সম্বোধন করার সময় সবসময় পদবির সাথে নাম উল্লেখ করে বলুন। যেমন: “রফিক স্যার” বা “শিউলি ম্যাম”। এতে যোগাযোগের শুরুতেই একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়।

২. মনোযোগ দিয়ে শোনা ও কার্যকর রেসপন্স: একজন ভালো শ্রোতা হওয়া সফল যোগাযোগের প্রথম ধাপ। কেউ কথা বলার সময় অন্য কাজে ব্যস্ত না থেকে তার দিকে তাকিয়ে মনোযোগ দিন। কথার মাঝে ছোট ছোট রেসপন্স করুন (যেমন: “হ্যাঁ/না”, “ও আচ্ছা”, “তাই নাকি?”,"ভালতো","তারপর"ইত্যাদি) এবং সামনের জন কথা শেষ করার পর নিজের বক্তব্য শুরু করুন।

৩. ভাবার সময় নেওয়া (৫ সেকেন্ড রুল): যেকোনো কথা বা প্রশ্নের তাৎক্ষণিক উত্তর না দিয়ে অন্তত ৫ সেকেন্ড সময় নিন। একটু ভেবে ও মাথা ঠান্ডা করে উত্তর দিলে আপনার কথা অনেক বেশি সুচিন্তিত, পরিপক্ব ও কার্যকর মনে হবে।

খ. সুসম্পর্ক ও ইতিবাচক পরিবেশ গঠনঃ

৪. আন্তরিক প্রশংসা করার অভ্যাস: মানুষ প্রশংসায় অনুপ্রাণিত হয়। সহকর্মী, বস বা অধস্তন কর্মী—যার মাঝেই ভালো কিছু দেখবেন, সুযোগ বুঝে তার প্রশংসা করুন। তবে প্রশংসা যেন একদম আন্তরিক হয়, চাটুকারিতা না মনে হয়।

৫. হাসিমুখ ও শান্ত মেজাজ: একটি হাসিমুখ সম্পর্কের জটিলতা দূর করে। কঠিন পরিস্থিতিতেও শান্ত মেজাজ ও মৃদু হাসি অনেক বড় সমস্যা সহজে সমাধান করে দিতে পারে।

৬. পরচর্চা ও গসিপ এড়িয়ে চলা: কর্মস্থলে গসিপ বা পরচর্চায় অংশ নেওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কেউ কারো নামে নেতিবাচক কথা বললে কেবল শুনে যান, নিজে কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।

৭. কৌশলগত বিনয়: সব জায়গায় নিজেকে 'সবজান্তা' বা অতিরিক্ত 'স্মার্ট' প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। নিজের মেধা কাজের মাধ্যমে প্রকাশ করুন এবং আচরণে বিনয়ী থাকুন।

গ. পেশাদার আচরণ ও সময় সচেতনতাঃ

৮. সময়ানুবর্তিতা : সঠিক সময়ে অফিসে পৌঁছানো, মিটিংয়ে অংশ নেওয়া এবং কাজের ডেডলাইন মেনে চলা দায়িত্বশীলতার লক্ষণ। সময়নিষ্ঠতা সহকর্মীদের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়।

৯. আবেগ নিয়ন্ত্রণ : কাজের জায়গায় রাগ, হতাশা বা ক্ষোভ প্রকাশ করা অনুচিত। মতবিরোধ হলেও শান্ত থেকে যুক্তি দিয়ে কথা বলুন; আবেগের বশে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না।

১০. কাজের সমালোচনা ও সমবেদনা: কাউকে ভুল সংশোধন করতে হলে সবার সামনে না করে একান্তে বুঝিয়ে বলুন। সহকর্মীদের কোনো সমস্যা থাকলে সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখুন।

ঘ. কর্মস্থলের সীমানা ও শিষ্টাচারঃ

১১. ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের দূরত্ব: অফিসে নিজের অতিরিক্ত ব্যক্তিগত সমস্যা আলোচনা না করাই ভালো। একইভাবে, সহকর্মীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও অতিরিক্ত কৌতূহল দেখানো থেকে বিরত থাকুন।

১২. ধন্যবাদ ও দুঃখিত বলার মানসিকতা: কেউ সাহায্য করলে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান এবং ভুল হলে স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করুন। এই ছোট সৌজন্যগুলো কর্ম পরিবেশ সুন্দর রাখে।

১৩. পেশাদার ইমেইল ও মেসেজিং: অফিসিয়াল মেইল বা মেসেজের ভাষা পরিচ্ছন্ন, স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত রাখুন। ভুল এড়িয়ে চলুন এবং প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের লিখিত রেকর্ড রাখার চেষ্টা করুন।

১৪. গঠনমূলক 'না' বলতে শেখা: সামর্থ্যের বাইরে অতিরিক্ত কাজের চাপ আসলে, যা করতে গেলে কাজের মান খারাপ হবে—তা বিনীত কিন্তু দৃঢ়ভাবে 'না' বলতে শিখুন।

১৫. মার্জিত বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ও পোশাক: পোশাকের পরিচ্ছন্নতা, সোজা হয়ে বসা এবং চোখে চোখ রেখে কথা বলা আপনার আত্মবিশ্বাস ও পেশাদারিত্ব প্রকাশ করে।

সুন্দর কথা, চমৎকার শ্রোতা হওয়ার গুণ, সময় সচেতনতা এবং বিনয়ী আচরণ—এই বিষয়গুলো নিয়মিত চর্চা করলে কর্মক্ষেত্রে আপনার গ্রহণযোগ্যতা ও ক্যারিয়ারের উন্নতি বহুগুণ বেড়ে যাবে।

মা–বাবা কি সারাক্ষণ ফেসবুকে? কখন চিন্তার কারণ, কী করবেন 🤔বাসায় আত্মীয়স্বজন এসেছেন, অথচ মা বা বাবা ব্যস্ত ফেসবুকে। নাতি–ন...
31/07/2026

মা–বাবা কি সারাক্ষণ ফেসবুকে? কখন চিন্তার কারণ, কী করবেন 🤔

বাসায় আত্মীয়স্বজন এসেছেন, অথচ মা বা বাবা ব্যস্ত ফেসবুকে। নাতি–নাতনি খেলতে ডাকছে, কিন্তু তাঁদের চোখ মুঠোফোনের পর্দায়। বাইরে ঘুরতে গিয়েও একের পর এক ভিডিও দেখছেন। আবার কখনো কোনো চমকপ্রদ স্বাস্থ্য পরামর্শ, আবেগঘন পোস্ট বা বিনিয়োগের লোভনীয় প্রস্তাব দেখে সত্যতা যাচাই না করেই বিশ্বাস করছেন, শেয়ারও করছেন। এমনকি অপরিচিত মানুষের সঙ্গে পরিচিত হয়ে প্রতারণার শিকার হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

এখন অনেক মিলেনিয়াল ও জেন–জি সন্তানের অভিযোগ উল্টো—‘আমার মা–বাবা তো সারাক্ষণই ফেসবুকে!’
কিছুদিন আগেও সন্তানদের অতিরিক্ত মুঠোফোন ব্যবহারের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন থাকতেন মা–বাবারাই। কিন্তু এখন অনেক মিলেনিয়াল ও জেন–জি সন্তানের অভিযোগ উল্টো—‘আমার মা–বাবা তো সারাক্ষণই ফেসবুকে!’

অবশ্য ফেসবুক ব্যবহার করলেই যে সমস্যা, তা নয়। বন্ধু–স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, তথ্য জানা কিংবা বিনোদনের জন্য উপকারী হতে পারে। কিন্তু যখন ফেসবুক বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, দৈনন্দিন দায়িত্ব বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

কখন বুঝবেন বিষয়টি চিন্তার
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু বেশি সময় ফেসবুক ব্যবহার করাই সমস্যার লক্ষণ নয়; বরং কয়েকটি বিষয় একসঙ্গে দেখা দিলে সতর্ক হওয়া দরকার। যেমন—

বারবার ব্যবহার কমানোর চেষ্টা করেও না পারা

ফেসবুক ব্যবহার করতে না পারলে অস্থির বা বিরক্ত হয়ে পড়া

পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর বদলে ফোনে ব্যস্ত থাকা

খাওয়া, আড্ডা বা বিশ্রামের মাঝেও বারবার ফেসবুক দেখা

বাস্তব জীবনের চেয়ে অনলাইন যোগাযোগে বেশি আগ্রহী হয়ে পড়া

সময়ের হিসাব হারিয়ে ফেলা

পরিবারে দূরত্ব তৈরি হতে পারে
একই ঘরে থেকেও অনেক সময় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কথাবার্তা কমে যাচ্ছে। বিশেষ করে দাদা–দাদি বা নানা–নানির সঙ্গে নাতি–নাতনির যে সময় কাটানোর কথা, সেটিও কমে যেতে পারে।

আবার পরিবার নিয়ে বাইরে ঘুরতে গেলেও যদি বেশির ভাগ সময় ফোনেই কাটে, তাহলে বাস্তব মুহূর্তগুলো উপভোগ করার সুযোগ কমে যায়।

ভুয়া খবর ও গুজব সহজে বিশ্বাস করা
বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অন্যতম বড় সমস্যা ভুয়া তথ্য। অনেক সময় আবেগঘন বা চাঞ্চল্যকর পোস্ট, পুরোনো ছবি, বিকৃত ভিডিও কিংবা বানানো তথ্য সত্যতা যাচাই না করেই শেয়ার করা হয়। এতে ভুল তথ্য আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো তথ্য বিশ্বাস বা শেয়ার করার আগে অন্তত একটি নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সূত্র থেকে যাচাই করা উচিত।

বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অন্যতম বড় সমস্যা ভুয়া তথ্য, এই ফাঁদের বয়স্করাও পড়েন।

অনলাইন প্রতারণার ঝুঁকি
ফেসবুক ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে প্রতারকদের নানা কৌশল এখন নিয়মিত দেখা যায়।

যেমন—

ভুয়া বিনিয়োগের প্রস্তাব

লটারিতে জেতার দাবি

মেসেঞ্জারে পরিচিত সেজে টাকা চাওয়া

ভুয়া অনলাইন শপ

তাই অপরিচিত কাউকে ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া, মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংকিং তথ্য শেয়ার করা কিংবা যাচাই না করে টাকা পাঠানো থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

টোটকা, ভুয়া ওষুধ বা অপচিকিৎসার ঝুঁকি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই দেখা যায়—

সাত দিনে ডায়াবেটিস ভালো হবে

হাঁটুর ব্যথা একেবারে সারবে

ক্যানসারের ঘরোয়া চিকিৎসা

হার্টের ব্লক দূর করার দাবি

এসব পোস্ট দেখে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বা ভেষজ পণ্য ব্যবহার শুরু করা বিপজ্জনক হতে পারে। কোনো স্বাস্থ্য–পরামর্শ গ্রহণের আগে অবশ্যই নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কেন এত আকর্ষণীয় লাগে
মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, নতুন নোটিফিকেশন, লাইক, মন্তব্য কিংবা ভিডিও দেখার সময় মস্তিষ্কে ডোপামিন নামের একটি রাসায়নিক নিঃসৃত হয়। এটি ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি করে। সেই অনুভূতি আবার পেতে অনেকেই অজান্তেই বারবার ফোন হাতে নেন।

এ ছাড়া ফেসবুকের অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীর পছন্দ বুঝে একই ধরনের আরও কনটেন্ট দেখায়। ফলে পাঁচ মিনিটের জন্য ফোন হাতে নিলেও কখন যে আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা কেটে যায়, অনেকেই টের পান না।

মা–বাবাকে কীভাবে বোঝাবেন
মা–বাবাকে তাঁদের নাতি–নাতনির সঙ্গে খেলতে উৎসাহ দিন
এ ধরনের বিষয়ে রাগারাগি বা অভিযোগ সাধারণত উল্টো ফল দেয়। ‘তুমি সারাক্ষণ ফেসবুকে থাকো’—এভাবে বলার বদলে ইতিবাচকভাবে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করুন। যেমন—

একসঙ্গে হাঁটতে যাওয়ার প্রস্তাব দিন।

নাতি–নাতনির সঙ্গে খেলতে উৎসাহ দিন।

পরিবারের সবাই মিলে গল্প বা বোর্ড গেম খেলতে পারেন।

পুরোনো ছবি দেখে স্মৃতিচারণা করতে পারেন।

অনেক সময় বিকল্প আনন্দের সুযোগ তৈরি হলে ফোনের ব্যবহারও কমে আসে।

পরিবারে কিছু নিয়ম করা যেতে পারে:

খাওয়ার টেবিলে ফোন নয়।

পরিবারের আড্ডার সময় ফোন ব্যবহার নয়।

ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ রাখা।

সপ্তাহে অন্তত এক দিন কয়েক ঘণ্টার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে বিরতি নেওয়া।

ফোনের স্ক্রিন টাইম নিয়মিত দেখা এবং প্রয়োজনে সীমা নির্ধারণ করা।
মা–বাবার ফোনের স্ক্রিন টাইম নিয়মিত দেখাখুন এবং প্রয়োজনে সীমা নির্ধারণ করে দিন

কখন বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন:
যদি অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহারের কারণে পারিবারিক সম্পর্ক, ঘুম, কাজ বা মানসিক স্বাস্থ্যে স্পষ্ট প্রভাব পড়ে এবং নিজে থেকে ব্যবহার কমানো সম্ভব না হয়, তাহলে একজন মনোরোগবিশেষজ্ঞ বা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টের পরামর্শ নিতে পারেন।

মনে রাখুন
ফেসবুক নিজে সমস্যা নয়। সমস্যা তখনই, যখন এটি বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, দায়িত্ব এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করার জন্য, জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নয়।

সূত্র: স্ট্যাটিসটা ও হেলথলাইন

দাঁত ব্রাশের সঠিক নিয়ম শুধু দাঁত ব্রাশ করলেই হবে না, মানতে হবে সঠিক নিয়মশুধু দাঁত ব্রাশ করলেই হবে না, মানতে হবে সঠিক ন...
17/07/2026

দাঁত ব্রাশের সঠিক নিয়ম

শুধু দাঁত ব্রাশ করলেই হবে না, মানতে হবে সঠিক নিয়ম

শুধু দাঁত ব্রাশ করলেই হবে না, মানতে হবে সঠিক নিয়ম। আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ ভুলভাবে দাঁত ব্রাশ করে থাকেন। তাই দিনে দুই থেকে তিনবার ব্রাশ করার পরও খুব সহজে দাঁতের ফাঁকে ক্যালকুলাস জমে। প্রদাহ হয় মাড়িতে।

অনেকে মনে করেন, শক্ত ব্রিসলযুক্ত ব্রাশ দিয়ে সাইড টু সাইড মুভমেন্টে খুব জোরে দাঁত পরিষ্কার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এটি ভুল ধারণা। এতে মাড়ি আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রক্তপাত হয় এবং দাঁতের শিকড় বের হয়ে যায়।

অনেকেই আবার ঘন ঘন ব্রাশ করে দাঁতের উপরিভাগের আবরণ ক্ষয় করে ফেলেন, এতে শিরশির অনুভূতির সৃষ্টি হয়। একই ব্রাশ দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে ব্রিসলগুলো পুরোনো ও বাঁকা হয়ে যায়। এতে ঠিকমতো দাঁত পরিষ্কার হয় না।

ব্রাশ করার সঠিক সময় না জানার কারণে বেশির ভাগ মানুষই সকালে নাশতার পর দাঁত পরিষ্কার করেন, কিন্তু রাতের খাবারের পরে ব্রাশ করেন না। এ কারণে দীর্ঘক্ষণ দাঁতের ফাঁকে খাদ্যকণা আটকে থেকে প্লাক তৈরি হয়। এতে মুখে দুর্গন্ধ হয়। এটা থেকে পরে দাঁতে ক্যাভিটি হয়ে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। এমনকি দাঁত নড়ে গিয়ে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

দাঁত ব্রাশ করার সঠিক পদ্ধতি
নরম ব্রিসলযুক্ত ব্রাশ ব্যবহার করুন। খেয়াল করবেন, ব্রাশের মাথা যেন ছোট হয়।

ব্রাশটি দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থলে ৪৫ ডিগ্রি কোণে ধরে বৃত্তাকার মোশনে ঘুরিয়ে আলতো হাতে পরিষ্কার করুন।

জোরে ব্রাশ করা এড়িয়ে চলুন।

কমপক্ষে দুই মিনিট সময় নিয়ে সকালে নাশতার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে ব্রাশ করা উচিত।

দীর্ঘদিন একই ব্রাশ ব্যবহার না করে তিন মাস পরপর ব্রাশ বদলান।

দাঁতের পাশাপাশি আপনার জিবও নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন।

বাথরুমে ব্রাশ রাখবেন না। এতে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

কোনো অসুস্থতা, বিশেষ করে ভাইরাল রোগ থেকে সেরে ওঠার পর অবশ্যই ব্রাশ বদলে ফেলা জরুরি। কারণ, রোগ সেরে গেলেও জীবাণু লেগে থাকতে পারে ব্রাশে।

ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস, ওরাল অ্যান্ড ডেন্টাল সার্জন; চেম্বার: আলোক ডেন্টাল কেয়ার ইউনিট (আলোক হেলথকেয়ার), মিরপুর ১০, ঢাকা

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801717983697

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nature Version 3.0 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nature Version 3.0:

Shortcuts

Share