MediPost

Call Directions Contact the business

MediPost “চিকিৎসার প্রতিদিনের খবর আপনাদের জন্য”
"MediPost - বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্য তথ্য, চিকিৎসা গাইড এবং জরুরি হাসপাতাল যাতায়াত গাইড সংক্রান্ত প্ল্যাটফর্ম।"

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রক্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষার সরকারি মূল্যতালিকা — রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসরকারি হাস...
11/10/2026

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রক্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষার সরকারি মূল্যতালিকা — রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে রক্ত পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা কিংবা অন্যান্য প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার খরচ কত হবে, তা আগে থেকে জানা রোগী ও স্বজনদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম)-এ চিকিৎসা নিতে যাবেন? তাহলে এই হাসপাতালের ব্লাড টেস্ট ও অন্যান্য পরীক্ষার মূল্যতালিকা আপনার কাজে লাগতে পারে।

এই পোস্টে জেনে নিন:
রক্ত পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পরীক্ষার সরকারি মূল্যতালিকা
পরীক্ষা করানোর আগে যে তথ্যগুলো জানা প্রয়োজন
চিকিৎসার খরচ সম্পর্কে আগে থেকে ধারণা নেওয়ার গুরুত্ব

রোগীর উপকারে পোস্টটি সেভ করে রাখুন। পরিবারের সদস্য, পরিচিতজন ও বরিশালে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের সঙ্গে শেয়ার করুন—আপনার একটি শেয়ার কারও প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষার মূল্য ও প্রাপ্যতা পরিবর্তিত হতে পারে। তাই পরীক্ষা করানোর আগে হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা নির্ধারিত কাউন্টার থেকে বর্তমান মূল্য নিশ্চিত করে নিন। পোস্টের তালিকাটি সরকারি ও হালনাগাদ কি না, সেটিও যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

MediPost — চিকিৎসার প্রতিটি খবর আপনাদের জন্য।

#শেরইবাংলামেডিকেলকলেজহাসপাতাল #শেবাচিম #বরিশাল #সরকারিহাসপাতাল #রক্তপরীক্ষা #ব্লাডটেস্ট #প্যাথলজি_টেস্ট #পরীক্ষারমূল্যতালিকা #সরকারিমূল্য

09/10/2026

স্তন ক্যানসার কি শুধু নারীদেরই হয়? পুরুষদেরও হতে পারে!

বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাচ্ছেন ডা. তুষার দাস, ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ও সহকারী অধ্যাপক, অনকোলজি বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

#স্তন_ক্যানসার #ক্যানসার_সচেতনতা #ক্যানসার_বিশেষজ্ঞ #স্বাস্থ্যসচেতনতা

MediPost — চিকিৎসার প্রতিদিনের খবর, আপনাদের জন্য।

দুই–তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হচ্ছে বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালসিঙ্গাপুর–থাইল্যান্ডের আদলে ওয়ান-স্টপ ইমার...
07/10/2026

দুই–তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হচ্ছে বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল
সিঙ্গাপুর–থাইল্যান্ডের আদলে ওয়ান-স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস; প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালনার পরিকল্পনা

ঢাকা, ৭ অক্টোবর ২০২৬: দেশের মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য ও কার্যকর করতে বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ এবং থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের আদলে ওয়ান-স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস মডেল চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে হাসপাতালটি পরিচালিত হবে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে। এ জন্য দ্রুত আলাদা পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হবে। নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীরা প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারবেন না।

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বাসসকে বলেন, ‘আশা করছি আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করতে পারব। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হবে এ হাসপাতালটি।’

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকবেন বিএমইউর উপাচার্য। ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে একজন উপ-উপাচার্যকে দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি করপোরেট হাসপাতাল পরিচালনায় অভিজ্ঞ একজনকে বাইরে থেকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।

এ ছাড়া হাসপাতালের নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য সহায়ক সেবা প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে দক্ষ প্রতিষ্ঠানের কাছে আউটসোর্স করা হবে। বিএমইউর বর্তমান চিকিৎসক ও নার্সরা এখানে কাজ করবেন না। চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য জনবল বাইরে থেকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কেউ সরকারি চাকরি ছেড়ে এখানে যোগ দিতে চাইলে সে সুযোগ পাবেন। সব জনবলই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাবেন।

নতুন কাঠামোয় চিকিৎসকদের বাইরে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। এর বিনিময়ে হাসপাতাল থেকেই তাঁদের ভালো বেতন ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

দ্রুত সিইও নিয়োগের পরিকল্পনা

এ বিষয়ে বিএমইউর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বাসসকে বলেন, ‘আগামী ৮ অক্টোবর সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হবে। এর পরই যত দ্রুত সম্ভব প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি চালু করব। তবে এটি ধাপে ধাপে চালু করতে হবে, কারণ হাসপাতালের অনেক কিছুই সংস্কার করতে হবে। আমরা সবকিছু নিয়ম মেনে করতে চাই।’

৯০ শতাংশ শেয়ার বিএমইউর, সরকারের ১০ শতাংশ

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালনা সহজ করা এবং চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গত ১৩ জুলাই বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল, ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯৮ অনুযায়ী বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিএমইউর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০ শতাংশ এবং সরকারের ১০ শতাংশ শেয়ার থাকবে।

হাসপাতালের প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতেই এই করপোরেট মডেল প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এর ফলে ভালো বেতন দিয়ে যোগ্য ও দক্ষ চিকিৎসকদের নিয়োগ দেওয়া সহজ হবে। হাসপাতালটি চালু হলে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের জন্য দেশের মানুষের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সাত সদস্যের কমিটি গঠন

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি পুরোদমে চালু করা এবং সব ধরনের জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে গত ১১ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয় বিএমইউর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদকে এবং হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সীকে করা হয় সদস্যসচিব।

রয়েছে পাঁচ বিশেষায়িত কেন্দ্র

বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালে রয়েছে পাঁচটি বিশেষায়িত কেন্দ্র। এগুলো হলো—

কার্ডিও অ্যান্ড সেরিব্রোভাসকুলার সেন্টার
হেপাটোবিলিয়ারি অ্যান্ড লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার
মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা সেন্টার
কিডনি রোগ ও ইউরোলজি সেন্টার
জরুরি ও ট্রমা সেন্টার

এ ছাড়া হাসপাতালে রয়েছে ১৪টি অপারেশন থিয়েটার, ১০০ শয্যার আইসিইউ এবং ১০০ শয্যার জরুরি ইউনিট। রয়েছে ছয়টি ভিভিআইপি কেবিন, ২২টি ভিআইপি কেবিন এবং ২৫টি ডিলাক্স কেবিন।

১ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকার হাসপাতাল

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি দক্ষ জনবল নিয়োগের জন্য হাসপাতালটিতে স্থায়ী নিয়োগের পরিবর্তে সব নিয়োগই চুক্তিভিত্তিক হবে।

১ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৭৫০ শয্যার এই হাসপাতালটি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত এর জন্য নির্দিষ্ট জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বিএমইউর বর্তমান কর্মী ও বাজেট দিয়েই এখানে সীমিত পরিসরে সেবা দেওয়া হচ্ছে।

পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি দেশের উন্নত ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ জনবল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: বাসস

ডেঙ্গুতে চিকিৎসক ডা. আঁচল রায়ের মৃত্যু, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শোক৪২তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ও মুগদা মেডিকেল...
27/09/2026

ডেঙ্গুতে চিকিৎসক ডা. আঁচল রায়ের মৃত্যু, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শোক

৪২তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ও মুগদা মেডিকেল কলেজের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. আঁচল রায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে এক শোকবার্তায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আঁচল রায়ের অকাল মৃত্যুতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি প্রয়াত চিকিৎসকের আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ডা. আঁচল রায়ের অকাল মৃত্যুতে স্বাস্থ্য পরিবার একজন নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসককে হারাল। তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত।”

এর আগে আজ সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডা. আঁচল রায়ের মৃত্যু হয়।

জানা যায়, অসুস্থ হওয়ার আগের দিনও তিনি রোগীদের সেবা দিয়েছেন। এমনকি পরের দিন ডেঙ্গু ইউনিটে তাঁর দায়িত্ব পালনের কথা ছিল। তবে তার আগেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান এই চিকিৎসক।

ডা. আঁচল রায় | ডেঙ্গু | ডেঙ্গুতে চিকিৎসকের মৃত্যু | মুগদা মেডিকেল কলেজ | ৪২তম বিসিএস স্বাস্থ্য | স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় | ডেঙ্গু পরিস্থিতি

#ডেঙ্গু #ডা_আঁচল_রায় #মুগদা_মেডিকেল_কলেজ #চিকিৎসক িসিএস #স্বাস্থ্য

22/09/2026

আর নয় বিদেশে—লিভার ট্রান্সপ্লান্ট এখন দেশেই, বিএমইউতে সম্ভব। 🇧🇩

NIKDU হাসপাতালে কীভাবে যাবেন?ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটে যাওয়ার সহজ রুটঢাকার শেরেবাংল...
22/09/2026

NIKDU হাসপাতালে কীভাবে যাবেন?
ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটে যাওয়ার সহজ রুট

ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট (NIKDU)-এ চিকিৎসা নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগী ও স্বজনরা আসেন।

আপনি ঢাকার কোন এলাকা থেকে আসছেন, তার ওপর নির্ভর করে বাস, মেট্রোরেল, রিকশা, সিএনজি কিংবা রাইড শেয়ারিং ব্যবহার করে সহজেই হাসপাতালে যেতে পারেন।

নিচে এলাকার ভিত্তিতে সহজ রুটগুলো দেওয়া হলো।

১. উত্তরা, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত ও টঙ্গী থেকে
মেট্রোরেলে

উত্তরা উত্তর/উত্তরা সেন্টার/উত্তরা দক্ষিণ এলাকার যাত্রীরা মেট্রোরেলে উঠে আগারগাঁও স্টেশনে নামতে পারেন।

আগারগাঁও স্টেশন থেকে রিকশা বা অন্যান্য স্থানীয় পরিবহনে NIKDU-তে যাওয়া যায়।

বাসে

টঙ্গী, উত্তরা, বিমানবন্দর বা খিলক্ষেত থেকে মিরপুর রোড হয়ে আসা বাসে শ্যামলী অথবা শিশু মেলা এলাকায় নামতে পারেন।

সেখান থেকে রিকশায় হাসপাতালে যাওয়া যায়।

বিকল্প রুট

আব্দুল্লাহপুর বা বিমানবন্দর থেকে কালশী-মিরপুর হয়ে আগারগাঁওগামী বাসে উঠে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের মোড় এলাকায় নামা যায়। এরপর রিকশায় হাসপাতালে যাওয়া সম্ভব।

২. শাহবাগ, সচিবালয় ও আজিমপুর থেকে
মেট্রোরেলে

শাহবাগ বা সচিবালয় মেট্রোরেল স্টেশন থেকে মেট্রোরেলে উঠে আগারগাঁও স্টেশনে নামুন।

এরপর রিকশা বা স্থানীয় পরিবহনে NIKDU-তে যেতে পারবেন।

বাসে

শাহবাগ, আজিমপুর বা সচিবালয় এলাকা থেকে মিরপুর/গাবতলী/সাভারগামী বাসে উঠে শ্যামলী স্কয়ার অথবা শিশু মেলা এলাকায় নামতে পারেন।

সেখান থেকে রিকশায় হাসপাতালে যাওয়া যায়।

৩. ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার থেকে
মেট্রোরেলে

ফার্মগেট বা কারওয়ান বাজার মেট্রোরেল স্টেশন থেকে মেট্রোরেলে উঠে আগারগাঁও স্টেশনে নামুন।

এরপর রিকশা বা স্থানীয় পরিবহনে NIKDU-তে যেতে পারবেন।

রিকশা/সিএনজি

ফার্মগেট থেকে খামারবাড়ি হয়ে খেজুর বাগান মোড় দিয়ে শেরেবাংলা নগরের দিকে সরাসরি রিকশা বা সিএনজিতে যাওয়া যায়।

৪. মিরপুর থেকে

মিরপুর ১০, ১১, ১২সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মেট্রোরেলে উঠে আগারগাঁও স্টেশনে নামতে পারেন।

বাসে আসতে চাইলে আগারগাঁও বা শ্যামলীগামী বাস ব্যবহার করা যায়।

সহজ রুট:
মিরপুর → আগারগাঁও → NIKDU

৫. গাবতলী থেকে

গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে মিরপুর রোড হয়ে আসা বাসে উঠে শ্যামলী অথবা শিশু মেলা এলাকায় নামুন।

এরপর রিকশায় NIKDU-তে যেতে পারবেন।

সহজ রুট:
গাবতলী → শ্যামলী/শিশু মেলা → রিকশা → NIKDU

৬. মহাখালী ও গুলশান থেকে
বাসে

মহাখালী বাস টার্মিনাল বা গুলশান-১ থেকে মিরপুর/গাবতলীগামী বাসে উঠে আগারগাঁও মোড় অথবা শিশু মেলা এলাকায় নামতে পারেন।

সিএনজি/রাইড শেয়ারিং

মহাখালী বা গুলশান থেকে সিএনজি, রাইড শেয়ারিং বা ব্যক্তিগত গাড়িতে বিজয় সরণি হয়ে চন্দ্রিমা উদ্যানের পাশ দিয়ে শেরেবাংলা নগরে যাওয়া যায়।

৭. সায়েন্সল্যাব থেকে

সায়েন্সল্যাব মোড় থেকে মিরপুর বা গাবতলীগামী বাসে উঠে শ্যামলী অথবা শিশু মেলা এলাকায় নামুন।

এরপর রিকশায় হাসপাতালে যেতে পারবেন।

সহজ রুট:
সায়েন্সল্যাব → শ্যামলী/শিশু মেলা → NIKDU

৮. কমলাপুর থেকে

কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে প্রথমে মেট্রোরেল ব্যবহার করে মেট্রো নেটওয়ার্কের উপযুক্ত স্টেশনে গিয়ে আগারগাঁও অভিমুখে যাওয়া যায়।

বাসে আসতে চাইলে মিরপুরগামী রুটের বাসে উঠে শ্যামলী এলাকায় নামতে পারেন।

৯. সায়েদাবাদ থেকে

সায়েদাবাদ থেকে গাবতলী বা মিরপুরগামী বাসে উঠে শ্যামলী অথবা শিশু মেলা এলাকায় নামুন।

এরপর রিকশায় NIKDU-তে যেতে পারবেন।

সহজ রুট:
সায়েদাবাদ → শাহবাগ/সায়েন্সল্যাব → শ্যামলী/শিশু মেলা → NIKDU

NIKDU যাওয়ার সবচেয়ে সহজ ল্যান্ডমার্ক

বাসে গেলে হেলপারকে বলতে পারেন—

“শিশু মেলা নামাবেন”
অথবা
“শ্যামলী নামাবেন”

এই এলাকার কাছ থেকে রিকশা নিয়ে জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট (NIKDU)-এ যাওয়া যায়।

মেট্রোরেলে এলে আগারগাঁও স্টেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ নামার পয়েন্ট।

এক নজরে রুট
আপনি যেখান থেকে আসছেন সহজ নামার/রুট পয়েন্ট
উত্তরা আগারগাঁও
বিমানবন্দর আগারগাঁও/শ্যামলী
খিলক্ষেত আগারগাঁও
টঙ্গী শ্যামলী/শিশু মেলা
শাহবাগ আগারগাঁও/শ্যামলী
সচিবালয় আগারগাঁও
আজিমপুর শ্যামলী/শিশু মেলা
ফার্মগেট আগারগাঁও
কারওয়ান বাজার আগারগাঁও
মিরপুর আগারগাঁও
গাবতলী শ্যামলী/শিশু মেলা
মহাখালী আগারগাঁও/শিশু মেলা
গুলশান আগারগাঁও/শিশু মেলা
সায়েন্সল্যাব শ্যামলী/শিশু মেলা
কমলাপুর আগারগাঁও/শ্যামলী
সায়েদাবাদ শ্যামলী/শিশু মেলা

পরামর্শ: হাসপাতাল যাওয়ার আগে আপনার এলাকার যানজট ও চলমান পরিবহন পরিস্থিতি বিবেচনা করুন। বাসের রুট ও স্টপেজ পরিবর্তন হতে পারে।

❤️ MediPost — চিকিৎসার প্রতিদিনের খবর, আপনাদের জন্য।

#জাতীয়কিডনিইনস্টিটিউট #কিডনিহাসপাতাল #কিডনিচিকিৎসা #ডায়ালাইসিস #ঢাকারহাসপাতাল #হাসপাতালযাওয়াররুট #ঢাকাযাতায়াত

কিডনি রোগের চিকিৎসা কোথায় পাবেন? — NIKDU সম্পর্কে জরুরি তথ্যজাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট (NIKDU)কিডনি ও মূত্রতন্...
22/09/2026

কিডনি রোগের চিকিৎসা কোথায় পাবেন? — NIKDU সম্পর্কে জরুরি তথ্য

জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট (NIKDU)
কিডনি ও মূত্রতন্ত্রের চিকিৎসায় সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতাল

কিডনি রোগ, ডায়ালাইসিস, কিডনি প্রতিস্থাপন, মূত্রনালীর পাথর, প্রোস্টেটসহ বিভিন্ন কিডনি ও ইউরোলজি সমস্যার চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রয়েছে জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট (NIKDU)।

জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট (NIKDU) বাংলাদেশে কিডনি ও মূত্রতন্ত্রের রোগের চিকিৎসায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত।

এখানে কিডনি রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে শুরু করে ডায়ালাইসিস, অস্ত্রোপচার এবং কিডনি প্রতিস্থাপনের মতো জটিল চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

প্রধান চিকিৎসা বিভাগ

NIKDU-তে কিডনি ও মূত্রতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের জন্য বিশেষায়িত বিভাগ রয়েছে।

নেফ্রোলজি (Nephrology)

প্রাপ্তবয়স্কদের বিভিন্ন কিডনি রোগের চিকিৎসা ও ডায়ালাইসিস ব্যবস্থাপনা।

ইউরোলজি (Urology)

মূত্রনালীর পাথর, প্রোস্টেটসহ বিভিন্ন ইউরোলজিক্যাল রোগ ও অস্ত্রোপচার।

পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি

শিশুদের জন্মগত ও অন্যান্য জটিল কিডনি রোগের চিকিৎসা।

পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি

শিশুদের মূত্রতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার।

রেডিওলজি ও ইমেজিং

আল্ট্রাসনোগ্রাম, এক্স-রে এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ইমেজিং পরীক্ষা।

বহির্বিভাগ (OPD) ও জরুরি সেবা
OPD সেবা

সরকারি ছুটির দিন ছাড়া বহির্বিভাগে কিডনি ও ইউরোলজি বিশেষজ্ঞদের চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

OPD টিকিট: ১০ টাকা।

বহির্বিভাগে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। তাই চিকিৎসা নিতে যাওয়ার সময় সকাল সকাল হাসপাতালে পৌঁছানো সুবিধাজনক।

জরুরি বিভাগ

আকস্মিক বা গুরুতর কিডনি ও মূত্রতন্ত্রের জটিলতায় ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসাসেবা পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

ডায়ালাইসিস ও কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট
হেমোডায়ালাইসিস

হাসপাতালে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP)-এর অধীনে আধুনিক হেমোডায়ালাইসিস সেন্টার রয়েছে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিবন্ধিত ও অসচ্ছল রোগীদের জন্য প্রতি সেশন ডায়ালাইসিসের খরচ প্রায় ৳৪০০ টাকা।

সাধারণ রোগীদের ক্ষেত্রে প্রতি সেশনের খরচ সর্বোচ্চ প্রায় ৳২,৯০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট

NIKDU-তে কিডনি প্রতিস্থাপন বা Renal Transplant সেবাও রয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও সার্জনদের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপনের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ইনডোর, ওয়ার্ড ও অস্ত্রোপচার

হাসপাতালে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের জন্য পৃথক কিডনি ও ইউরোলজি চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।

নেফ্রোলজি ওয়ার্ড
ইউরোলজি ওয়ার্ড
পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি ওয়ার্ড
পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি ওয়ার্ড
আধুনিক অপারেশন থিয়েটার
জটিল ইউরোলজিক্যাল অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা

শিশুদের জন্য ৮ বেডের পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি এবং ৮ বেডের পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি ওয়ার্ড রয়েছে।

ল্যাবরেটরি ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা

কিডনি রোগীদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।

প্যাথলজি ও ল্যাব
রক্ত পরীক্ষা
ইউরিন পরীক্ষা
বায়োপসি
অন্যান্য প্রয়োজনীয় ল্যাবরেটরি পরীক্ষা
রেডিওলজি ও ইমেজিং
ডিজিটাল এক্স-রে
আল্ট্রাসনোগ্রাম (USG)
ECG
অন্যান্য প্রয়োজনীয় ইমেজিং পরীক্ষা
বিভিন্ন পরীক্ষার আনুমানিক খরচ

সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন পরীক্ষা তুলনামূলক কম খরচে করার সুযোগ রয়েছে।

পরীক্ষা আনুমানিক খরচ
Serum Creatinine ৳৮০–৳১২০
Urine R/E ৳৪০–৳৬০
CBC ৳১৫০–৳২৫০
Serum Electrolytes ৳২৫০–৳৩৫০
USG of KUB ৳২০০–৳৪০০
X-ray KUB ৳২০০–৳৩০০
Kidney Biopsy (USG Guided) ৳১,০০০–৳২,০০০
হাসপাতালে রোগী ভর্তির নিয়ম

রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রধানত দুটি পথ রয়েছে।

১️ OPD-এর মাধ্যমে

সকালে বহির্বিভাগের ১০ টাকার টিকিট কেটে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

চিকিৎসক রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন মনে করলে টিকিটে “Admission” লিখে দেবেন।

২️ জরুরি বিভাগের মাধ্যমে

রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে ২৪ ঘণ্টার যেকোনো সময় সরাসরি জরুরি বিভাগে নেওয়া যায়।

অন-ডিউটি চিকিৎসক রোগী পরীক্ষা করে ভর্তির প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করবেন।

ভর্তির সময় কী লাগবে?

চিকিৎসকের ভর্তি-পরামর্শ পাওয়ার পর জরুরি বিভাগের কাউন্টার থেকে ৳১৫ টাকা দিয়ে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করে পূরণ করতে হয়।

এরপর সিট খালি থাকা সাপেক্ষে রোগীকে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড বা বিভাগে পাঠানো হয়।

সঙ্গে রাখুন—

আগের সব প্রেসক্রিপশন
পুরোনো ও নতুন টেস্ট রিপোর্ট
প্রয়োজনীয় মেডিকেল কাগজপত্র
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্মনিবন্ধনের কপি

বেড ও কেবিন সুবিধা
সাধারণ ওয়ার্ড

সাধারণ রোগীদের জন্য ওয়ার্ডে সিট ভাড়া দিতে হয় না।

কেবিন

হাসপাতালে সাধারণ ও VIP—দুই ধরনের কেবিনের ব্যবস্থা রয়েছে।

কেবিনের ভাড়া সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রায় ৳৪০০–৳১,০০০ টাকা প্রতিদিন হতে পারে।

কেবিন পাওয়া নির্ভর করে খালি থাকা এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর।

দরিদ্র রোগীদের জন্য সহায়তা

হাসপাতালে ভর্তি থাকা দরিদ্র রোগীদের জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে।

সরকারি বরাদ্দ ও স্টক থাকা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

কিছু ক্ষেত্রে দরিদ্র রোগীদের জন্য থাকা ও খাবারের ব্যবস্থাতেও সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।

অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা

হাসপাতালের নিজস্ব ৩টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে।

ঢাকা মহানগরের মধ্যে রোগী পরিবহনের জন্য সরকারি নির্ধারিত ভাড়া ৳৩৫০ টাকা।

অ্যাম্বুলেন্স: ০১৭২৭-২০৮৯৪৩

হুইলচেয়ার সুবিধা

হাসপাতালটি হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী রোগীদের চলাচলের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে।

NIKDU কোথায়?

জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট (NIKDU)

শেরেবাংলা নগর, ঢাকা–১২০৭, বাংলাদেশ

হাসপাতালটি পঙ্গু হাসপাতাল ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থিত।

ল্যান্ডফোন: +৮৮০২২২৩৩৭৪৪১১
মোবাইল: ০১৭০১-২৪৮০৪৩
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: nikdu.org.bd

হাসপাতালে যাওয়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

NIKDU-তে সারা দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে বহির্বিভাগে রোগীর চাপ ও অপেক্ষার সময় বেশি হতে পারে।

হাসপাতালে যাওয়ার সময়—

সকাল সকাল পৌঁছানোর চেষ্টা করুন
আগের সব প্রেসক্রিপশন সঙ্গে নিন
পুরোনো টেস্ট রিপোর্ট সঙ্গে রাখুন
নিয়মিত যেসব ওষুধ খান সেগুলোর তালিকা রাখুন
প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্রের কপি সঙ্গে রাখুন
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ বা পরিবর্তন করবেন না

এক নজরে NIKDU

হাসপাতাল: জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট
সংক্ষেপে: NIKDU
এলাকা: শেরেবাংলা নগর, ঢাকা–১২০৭
বিশেষায়িত চিকিৎসা: কিডনি ও ইউরোলজি
ডায়ালাইসিস: রয়েছে
কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট: রয়েছে
শিশু কিডনি ও ইউরোলজি: রয়েছে
ল্যাব ও ডায়াগনস্টিক: রয়েছে
জরুরি সেবা: ২৪ ঘণ্টা
ওয়েবসাইট: nikdu.org.bd

মনে রাখুন

কিডনি রোগকে অবহেলা করবেন না।
বারবার পা বা মুখ ফুলে যাওয়া, প্রস্রাবে পরিবর্তন, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, প্রস্রাবে রক্ত, উচ্চ রক্তচাপ বা দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এই পোস্টটি সংরক্ষণ করে রাখুন এবং কিডনি রোগীর পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করুন।

জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট | NIKDU | National Institute of Kidney Diseases & Urology | NIKDU Dhaka | কিডনি হাসপাতাল ঢাকা | সরকারি কিডনি হাসপাতাল | কিডনি চিকিৎসা | ডায়ালাইসিস | কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট | NIKDU ঠিকানা | NIKDU ফোন নম্বর

MediPost — চিকিৎসার প্রতিদিনের খবর, আপনাদের জন্য।

#জাতীয়কিডনিইনস্টিটিউট #কিডনিরোগ #কিডনিচিকিৎসা #ডায়ালাইসিস #কিডনিট্রান্সপ্লান্ট #ইউরোলজি #সরকারিহাসপাতাল #ঢাকারহাসপাতাল

ওষুধ খাওয়ার সময় ভুল কমানোর ৫টি সহজ উপায়নিয়মিত ওষুধ খান? ছোট এই অভ্যাসগুলো বড় ভুল এড়াতে সাহায্য করতে পারেএকসঙ্গে একাধিক ও...
21/09/2026

ওষুধ খাওয়ার সময় ভুল কমানোর ৫টি সহজ উপায়
নিয়মিত ওষুধ খান? ছোট এই অভ্যাসগুলো বড় ভুল এড়াতে সাহায্য করতে পারে

একসঙ্গে একাধিক ওষুধ খেলে কোনটা কখন খাবেন, খেয়েছেন কি না, ভুল করে দুইবার খেয়ে ফেলেছেন কি না—এসব নিয়ে বিভ্রান্তি হওয়া স্বাভাবিক। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি বা নিয়মিত একাধিক ওষুধ সেবনকারীদের ক্ষেত্রে একটি সহজ রুটিন ওষুধ ব্যবহারের ভুল কমাতে সাহায্য করতে পারে।

তাই আজ থেকেই কাজে লাগাতে পারেন এই ৫টি সহজ উপায়।

১️ পিল অর্গানাইজার ব্যবহার করুন

সাত দিনের বা সকাল–দুপুর–রাত অনুযায়ী ভাগ করা Pill Organizer ব্যবহার করতে পারেন।

সপ্তাহের শুরুতে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ওষুধগুলো সাজিয়ে রাখলে সহজেই বোঝা যায়—

কোন সময়ের ওষুধ খাওয়া হয়েছে
কোন সময়ের ওষুধ বাকি
ভুল করে একই ডোজ আবার নেওয়া হয়েছে কি না

তবে: ওষুধ সাজানোর আগে প্রতিটি ওষুধের নাম, ডোজ ও ব্যবহারের নিয়ম নিশ্চিত করে নিন।

২️ মোবাইলে অ্যালার্ম বা রিমাইন্ডার দিন

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধ খেতে হলে ফোনে অ্যালার্ম সেট করে রাখুন।

যেমন—

সকাল ৮টা → সকালের ওষুধ
দুপুর ২টা → দুপুরের ওষুধ
রাত ১০টা → রাতের ওষুধ

চাইলে Medication Reminder App ব্যবহার করেও ডোজের সময় মনে রাখতে পারেন।

বিশেষ করে নিয়মিত একাধিক ওষুধ সেবন করলে রিমাইন্ডার কাজে লাগতে পারে।

৩️ ওষুধের প্যাকেটে স্পষ্ট নির্দেশনা রাখুন

ওষুধের প্যাকেট দেখে যেন সহজেই বোঝা যায় কখন এবং কীভাবে খেতে হবে।

চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের কাছ থেকে নিয়ম নিশ্চিত করার পর প্রয়োজন হলে প্যাকেটে লিখে রাখতে পারেন—

১+০+১ — সকাল ও রাত
০+০+১ — শুধু রাতে

একাধিক ওষুধ থাকলে সকাল, দুপুর ও রাত আলাদা করে চিহ্নিত করেও রাখতে পারেন।

তবে নিজের অনুমানে কোনো নির্দেশনা লিখবেন না। অস্পষ্ট হলে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।

৪️⃣ ওষুধ খাওয়ার দৈনিক চার্ট তৈরি করুন

একটি সহজ চার্ট বানিয়ে সেখানে লিখে রাখুন—

ওষুধ সকাল দুপুর রাত
ওষুধ–১ ✓ — ✓
ওষুধ–২ ✓ ✓ —
ওষুধ–৩ — — ✓

ওষুধ খাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ঘরে ✓ চিহ্ন দিন।

এতে শুধু রোগী নয়, প্রয়োজনে পরিবারের অন্য সদস্যও বুঝতে পারবেন কোন ওষুধ খাওয়া হয়েছে এবং কোনটি বাকি।

৫️⃣ ওষুধের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা রাখুন

প্রতিদিনের ওষুধ একটি নির্দিষ্ট ও নিরাপদ জায়গায় রাখার অভ্যাস করুন।

এক জায়গায় রাখলে—

ওষুধ খুঁজতে সময় লাগে না
ভুল ওষুধ নেওয়ার সম্ভাবনা কমে
নিয়মিত ওষুধের হিসাব রাখা সহজ হয়

তবে সব ওষুধ একসঙ্গে এলোমেলো করে রাখবেন না

শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন এবং লেবেলসহ মূল প্যাকেট/বোতলে সংরক্ষণ করুন। তাপ, আর্দ্রতা বা আলোতে নষ্ট হতে পারে এমন ওষুধের ক্ষেত্রে প্যাকেটের সংরক্ষণ নির্দেশনা মেনে চলুন।

মেয়াদোত্তীর্ণ বা আর প্রয়োজন নেই এমন ওষুধ যেভাবে নিরাপদে ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, সেভাবেই নিষ্পত্তি করুন।

নতুন ওষুধ শুরু করার আগে ৫টি বিষয় জেনে নিন

নতুন কোনো ওষুধ শুরু করার আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জিজ্ঞেস করুন—

১. ওষুধটির নাম কী?
২. দিনে কতবার এবং কত ডোজ?
৩. খাবারের আগে নাকি পরে?
৪. কতদিন ব্যবহার করতে হবে?
৫. অন্য ওষুধের সঙ্গে কোনো Interaction বা সমস্যা হতে পারে কি না?

ভুল করে ওষুধের একটি ডোজ বেশি বা কম খেয়ে ফেললে?

নিজে থেকে পরের ডোজ দ্বিগুণ করে খাবেন না।

কোন ওষুধ, কত ডোজ এবং কখন ভুল হয়েছে—এসব তথ্য নিয়ে দ্রুত চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে ইনসুলিন, রক্ত পাতলা করার ওষুধ, খিঁচুনির ওষুধ, হৃদরোগের ওষুধসহ কিছু নির্দিষ্ট ওষুধে অতিরিক্ত বা ভুল ডোজ গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারে।

সহজে মনে রাখুন

“ওষুধ শুধু সময়মতো খেলেই হবে না—সঠিক ওষুধ, সঠিক ডোজ, সঠিক সময়ে খাওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ।”

আপনার পরিবারে যারা নিয়মিত একাধিক ওষুধ খান, তাদের সঙ্গে পোস্টটি শেয়ার করে রাখুন।

MediPost

চিকিৎসার প্রতিদিনের খবর, আপনাদের জন্য।

স্বাস্থ্য, ওষুধ, রোগের লক্ষণ, হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে সহজ ভাষায় প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে MediPost-এর সঙ্গে থাকুন।

#ওষুধ #ওষুধখাওয়ারনিয়ম #স্বাস্থ্যসচেতনতা #সঠিকচিকিৎসা #স্বাস্থ্যতথ্য

প্রেসক্রিপশন বুঝতে না পারলে কী করবেন?ওষুধ খাওয়ার আগে প্রেসক্রিপশন বুঝে নেওয়া কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ...
21/09/2026

প্রেসক্রিপশন বুঝতে না পারলে কী করবেন?
ওষুধ খাওয়ার আগে প্রেসক্রিপশন বুঝে নেওয়া কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন হাতে পাওয়ার পর অনেকেরই ওষুধের নাম, ডোজ, কখন খেতে হবে বা কতদিন খেতে হবে—এসব বুঝতে সমস্যা হয়। হাতের লেখা অস্পষ্ট হওয়া কিংবা OD, BD, TDS, AC, PC-এর মতো সংক্ষিপ্ত শব্দ ব্যবহারের কারণে এমনটা হতে পারে।

কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখুন—

প্রেসক্রিপশন বুঝতে না পারলে নিজের অনুমান অনুযায়ী কখনোই ওষুধ খাবেন না।

একটি ভুল ওষুধ, ভুল ডোজ বা ভুল সময়ে ওষুধ খাওয়া স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

১. প্রথমে চিকিৎসক বা তাঁর চেম্বারের সঙ্গে নিশ্চিত হন

প্রেসক্রিপশনের কোনো অংশ অস্পষ্ট হলে চিকিৎসকের কাছ থেকেই নিশ্চিত হওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

চিকিৎসকের কাছে থাকতেই প্রতিটি ওষুধ সম্পর্কে জেনে নিন—
ওষুধের নাম কী?
কত মিলিগ্রাম/কত ডোজ?
দিনে কতবার?
খাবারের আগে নাকি পরে?
কতদিন খেতে হবে?

বাড়িতে ফেরার পর কোনো নির্দেশনা বুঝতে না পারলে চিকিৎসকের চেম্বার, হাসপাতাল বা নির্ধারিত যোগাযোগ নম্বরে ফোন করে জেনে নিন।

বিশেষ করে কোনো ওষুধের ডোজ অস্বাভাবিক মনে হলে নিজে থেকে কমাবেন বা বাড়াবেন না।

২. ফার্মাসিস্টের সাহায্য নিতে পারেন

ওষুধ কেনার সময় যোগ্য ও নিবন্ধিত ফার্মাসিস্টের কাছে প্রেসক্রিপশনটি দেখাতে পারেন।

তাঁকে বলুন ওষুধের প্যাকেট বা লেবেলে স্পষ্ট করে লিখে দিতে—

কখন খাবেন
কত ডোজ খাবেন
দিনে কতবার খাবেন
খাবারের আগে নাকি পরে খাবেন
কতদিন ব্যবহার করবেন

তবে ফার্মাসিস্টের কাজ প্রেসক্রিপশনের অস্পষ্টতা পরিষ্কার করতে সাহায্য করা; চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ বা ডোজ নিজের মতো পরিবর্তন করা নয়।

৩. প্রেসক্রিপশনের কিছু সাধারণ সংক্ষিপ্ত শব্দ

চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে ব্যবহৃত কিছু সংক্ষিপ্ত শব্দের অর্থ জানা থাকলে বুঝতে সুবিধা হতে পারে।

সংক্ষিপ্ত শব্দ সাধারণ অর্থ
Rx চিকিৎসাপত্র/প্রেসক্রিপশন
OD দিনে ১ বার
BD দিনে ২ বার
TDS / TID দিনে ৩ বার
QID দিনে ৪ বার
AC খাবারের আগে
PC খাবারের পরে
PRN প্রয়োজন অনুযায়ী

তবে গুরুত্বপূর্ণ কথা

শুধু এই সংক্ষিপ্ত শব্দ দেখে নিজে থেকে ওষুধের ডোজ বা সময় নির্ধারণ করবেন না।

বিশেষ করে OD শব্দটির অর্থ প্রসঙ্গভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই প্রেসক্রিপশন অস্পষ্ট হলে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের কাছে নিশ্চিত হওয়াই নিরাপদ।

৪. অ্যাপ বা ইন্টারনেটে ওষুধের তথ্য মিলিয়ে দেখবেন কীভাবে?

কোনো ওষুধের নাম স্পষ্টভাবে জানা থাকলে নির্ভরযোগ্য মেডিকেল তথ্যসূত্রে সেটির ব্যবহার, সতর্কতা ও সাধারণ তথ্য দেখে নিতে পারেন।

কিন্তু—

অনলাইনে দেখে নিজে থেকে ওষুধ শুরু করবেন না।
নিজের মতো ডোজ পরিবর্তন করবেন না।
অন্য কারও প্রেসক্রিপশনের সঙ্গে মিলিয়ে ওষুধ খাবেন না।
পুরোনো প্রেসক্রিপশন দেখে একই ওষুধ আবার শুরু করবেন না।

অনলাইনের তথ্য চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনের বিকল্প নয়।

প্রেসক্রিপশন অস্পষ্ট হলে এই ৫টি কাজ করুন

১️ বুঝতে না পারলে ওষুধ খাবেন না।
২️ চিকিৎসক/চেম্বারে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হন।
৩️ প্রয়োজনে যোগ্য ফার্মাসিস্টের সাহায্য নিন।
৪️ ওষুধের নাম, ডোজ ও খাওয়ার সময় লিখে নিন।
৫️ সন্দেহ থাকলে অনুমান না করে আবার জিজ্ঞেস করুন।

একটি ছোট সতর্কতা, বড় বিপদ এড়াতে পারে

“হাতের লেখা বুঝিনি—তাই আন্দাজ করে খেয়ে নিয়েছি”—ওষুধের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কখনোই নিরাপদ নয়।

প্রেসক্রিপশন বুঝতে সমস্যা হলে লজ্জা না করে আবার জিজ্ঞেস করুন। কারণ একটি ভুল ডোজ বা ভুল ওষুধ এড়িয়ে যাওয়াই অনেক সময় বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে বাঁচাতে পারে।

পরিবারের বয়স্ক মানুষ, শিশু ও নিয়মিত ওষুধ সেবনকারী ব্যক্তিদের এই তথ্যটি জানিয়ে দিন।

MediPost

চিকিৎসার প্রতিদিনের খবর, আপনাদের জন্য।

স্বাস্থ্য, রোগের লক্ষণ, ওষুধ, হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে সহজ ভাষায় প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে MediPost-এর সঙ্গে থাকুন।

#প্রেসক্রিপশন #ওষুধ #স্বাস্থ্যসচেতনতা #ওষুধখাওয়ারনিয়ম #সঠিকচিকিৎসা #স্বাস্থ্যতথ্য

অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে ৫টি প্রচলিত ভুল ধারণাকোনটা সত্য, আর কোনটা ভুল? জানুন—নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুনঅ্যান্টিবায়ো...
20/09/2026

অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে ৫টি প্রচলিত ভুল ধারণা
কোনটা সত্য, আর কোনটা ভুল? জানুন—নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন

অ্যান্টিবায়োটিক জীবন রক্ষাকারী গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ। কিন্তু প্রয়োজন ছাড়া বা ভুলভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR) তৈরি হতে পারে। এর ফলে ভবিষ্যতে কিছু ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের চিকিৎসা কঠিন হয়ে যেতে পারে।

তাই অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা দূর করা জরুরি।

১. ভুল ধারণা: জ্বর, সর্দি, কাশি বা গলা ব্যথা হলেই অ্যান্টিবায়োটিক দরকার
আসল সত্য

সব জ্বর, সর্দি-কাশি বা গলা ব্যথা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় না। ভাইরাসজনিত সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না।

সাধারণ সর্দি-কাশি, ফ্লু এবং বেশিরভাগ ভাইরাল গলা ব্যথায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না। তবে কিছু নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ—যেমন স্ট্রেপ থ্রোট—হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হতে পারে।

তাই জ্বর হলেই অ্যান্টিবায়োটিক নয়।

২. ভুল ধারণা: একটু ভালো লাগলেই অ্যান্টিবায়োটিক বন্ধ করা যায়
আসল সত্য

অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হলে চিকিৎসক যে ডোজ ও ব্যবহারের সময়কাল নির্ধারণ করে দেন, তা নিজের ইচ্ছায় পরিবর্তন করা উচিত নয়।

২–৩ দিন পর ভালো লাগলেও নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ, ডোজ কমানো বা বাড়ানো ঠিক নয়।

চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করুন।

৩. ভুল ধারণা: অ্যান্টিবায়োটিক শক্তিশালী ওষুধ—তাই দ্রুত যেকোনো রোগ সারিয়ে দেয়
আসল সত্য

অ্যান্টিবায়োটিক কোনো সাধারণ টনিক বা দ্রুত সুস্থ হওয়ার ওষুধ নয়।

এগুলো নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। রোগটি যদি ভাইরাসজনিত হয়, তাহলে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে সেই ভাইরাসের বিরুদ্ধে কোনো উপকার হবে না।

অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে ডায়রিয়া, বমিভাব, র‍্যাশ, অ্যালার্জি ও অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

সঠিক রোগে সঠিক ওষুধ—এটাই গুরুত্বপূর্ণ।

৪. ভুল ধারণা: আগে যে অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ভালো হয়েছিল, এবারও একই লক্ষণে সেটিই খাওয়া যাবে
আসল সত্য

একই ধরনের লক্ষণ হলেও প্রতিবার অসুস্থতার কারণ একই নাও হতে পারে।

আগের প্রেসক্রিপশন দেখে বা ফার্মেসি থেকে পরামর্শ নিয়ে নিজে থেকে পুরোনো অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করা ঠিক নয়।

ভুল অ্যান্টিবায়োটিক নিলে—

রোগের সঠিক চিকিৎসা নাও হতে পারে
অপ্রয়োজনীয় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে
অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি বাড়তে পারে

নতুন অসুস্থতায় নতুন করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৫. ভুল ধারণা: অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স শুধু বেশি ওষুধ খাওয়া মানুষের সমস্যা
আসল সত্য

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মূলত ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত। রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া একজন মানুষের কাছ থেকে অন্য মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

তাই আপনি নিজে কখনো বা খুব কম অ্যান্টিবায়োটিক খেলেও রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি একেবারে শূন্য নয়।

ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে পারে মানুষে-মানুষে সংস্পর্শ, খাবার, পানি ও পরিবেশের মাধ্যমে।

অ্যান্টিবায়োটিক সঠিকভাবে ব্যবহার করা শুধু নিজের জন্য নয়—পরিবার ও সমাজের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

তাহলে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের সঠিক নিয়ম কী?

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করবেন না।
অন্যের প্রেসক্রিপশন দেখে অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না।
আগের অসুস্থতার অব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক নিজে থেকে আবার ব্যবহার করবেন না।
চিকিৎসক যে ডোজ ও সময়ের নির্দেশনা দিয়েছেন, তা মেনে চলুন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা অস্বাভাবিক সমস্যা হলে চিকিৎসককে জানান।
অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

এক লাইনে মনে রাখুন

“জ্বর মানেই অ্যান্টিবায়োটিক নয়, কাশি মানেই অ্যান্টিবায়োটিক নয়—প্রয়োজন বুঝে, চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক।”

অ্যান্টিবায়োটিকের ভুল ব্যবহার আজকের একটি ছোট সিদ্ধান্ত হলেও, এর প্রভাব ভবিষ্যতের চিকিৎসায় পড়তে পারে।

পোস্টটি শেয়ার করে পরিবারের সদস্য ও পরিচিতদের সচেতন করুন।

MediPost

চিকিৎসার প্রতিদিনের খবর, আপনাদের জন্য।

স্বাস্থ্যসচেতনতা, রোগের লক্ষণ, হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য সহজ ভাষায় পেতে MediPost-এর সঙ্গে থাকুন।

#অ্যান্টিবায়োটিক #অ্যান্টিবায়োটিকরেজিস্ট্যান্স #স্বাস্থ্যসচেতনতা #ব্যাকটেরিয়া #ভাইরাস #সঠিকচিকিৎসা

Address

Dhaka
1000

Telephone

+8801404455620

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MediPost posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MediPost:

Shortcuts

Share