Ambulancerent.com

Call Directions Website

Ambulancerent.com ambulance service 01715388040

05/09/2026
ambulance service in DhakaBest Emergency service.. 01715388040
17/02/2021

ambulance service in Dhaka
Best Emergency service..
01715388040

For sale.. Contact 01873388040
17/02/2021

For sale..
Contact 01873388040

30/08/2017

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ঈদের
দাওয়াত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আওয়ামী
লীগের সাবেক সহ দফতর সম্পাদক
সেকান্দার আলী প্রধানমন্ত্রীর দাওয়াত কার্ড
নিয়ে আসেন।
যুগান্তরকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন বিএনপির
দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু।
তিনি জানান, খালেদা জিয়াকে পাঠানো বিএনপির
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর
পাঠানো এ দাওয়াত কার্ড গ্রহণ করেন দলের
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

30/08/2017

তার ছেলে বাবু জব্বার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর
ডটকমকে জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল
বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার
সকাল ৯টা ১০ মিনিটে মারা যান তার বাবা। তার বয়স
হয়েছিল ৭৯ বছর।
পাঁচ দশকের বেশি সময় বাংলাদেশের গানের
ভূবনে আলো ছড়ানো দরাজ কণ্ঠের এই
শিল্পীর দুটো কিডনিই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।
পাশাপাশি তিনি হৃদযন্ত্র ও প্রোস্টেটের সমস্যায়
ভুগছিলেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
চলতি বছর মে মাসে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব
মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হলে
প্রথমে আইসিইউ ও পরে কেবিন ব্লকে
স্থানান্তর করা হয়।
অবস্থার অবনতির খবর পেয়ে গত কয়েক দিন
ধরেই শিল্পীর আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মীরা
হাসপাতালে ভিড় করছিলেন।বুধবার তার মৃত্যুর খবর
এলে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে
আসে শোকের ছায়া। আরও অনেকের সঙ্গে

30/08/2017

Ambulance vara deya hoy

13/05/2016

এটা একটি চিহ্নে কিন্তু রেড ক্রস, যা চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এর লক্ষণ নয়. এটা হেনরি ডুনান্ট দ্বারা প্রায় 150 বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল. সাইন সবসময় হাসপাতাল, নার্সিং হোম, ক্লিনিক, ডাক্তারখানা, অ্যাম্বুলেন্স, ইত্যাদি ব্লু ক্রস মার্কিন চালু করা হয় পাওয়া যায় কিন্তু এটা রেড ক্রস, বিশ্বব্যাপী পাওয়া যায় যা যত জনপ্রিয় নয়. ডাক্তার, এই চিহ্ন যাতে তারা সহজে চিহ্নিত করা যায় ব্যবহার বিশেষত একটি জরুরী সময়.

29/02/2016

চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা?
ডা. তাহমিনা আক্তার | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
প্রাকৃতিক নিয়মে প্রতিদিন ১০০ থেকে ২০০ চুল
পড়ে আমাদের। কিন্তু কখনো এই চুল পড়ার হার
বেড়ে গেলে দুশ্চিন্তা হতেই পারে।
নানা কারণে চুল পড়া বাড়তে পারে। যেমন: রাত জাগা,
অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা, সন্তান প্রসবের পর
বা আকস্মিক মানসিক আঘাত, শরীরে কিছু খাদ্য
উপাদানের ঘাটতি, খুশকি বা মাথার ত্বকের কোনো
রোগ (যেমন একজিমা) ইত্যাদি। হরমোনজনিত
সমস্যা, জ্বর বা সংক্রমণ, মাথায় উকুনের আক্রমণ,
ক্যানসার ও কেমোথেরাপির পর কিংবা চুলে অতিরিক্ত
রাসায়নিক ব্যবহার (যেমন রিবন্ডিং বা হেয়ার কালার)
করলেও চুল বেশি বেশি পড়া শুরু হতে পারে।
চুল পড়া কমাতে প্রথমত যথেষ্ট পুষ্টিমান ও
প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান। ভিটামিন ‘বি ফাইভ’ বা বায়োটিন
চুলের জন্য ভালো। ডিম, কলা, চর্বিহীন লাল মাংস,
ওটমিল, গাঢ় সবুজ সবজি, মিষ্টি আলু, শিমের বিচি
ইত্যাদিতে আছে এই বায়োটিন। ‘ওমেগা থ্রি’ ফ্যাটি
অ্যাসিডও মাথার ত্বককে সুস্থ রাখে। এর উৎস হলো
সামুদ্রিক মাছ, বাদাম, ডিম ইত্যাদি। নিয়মিত ঘুম ও
শরীরচর্চা জরুরি।
খুশকির চিকিৎসা করুন। হরমোনজনিত কোনো রোগ
থাকলে চিকিৎসা নিন। যেকোনো শ্যাম্পু বা প্রসাধন
ব্যবহারে সতর্ক থাকুন, বিশেষ করে অ্যামোনিয়াম
সালফেট, সোডিয়াম লরেথ সালফেট ইত্যাদি রাসায়নিক
উপাদানযুক্ত শ্যাম্পু না ব্যবহার করাই
ভালো। তারপরও চুল বেশি বেশি পড়লে বা ত্বকে
সমস্যা হলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
চর্ম বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল

29/02/2016

ব্যায়ামের নাম দড়িলাফ
শরীরের চাহিদা অনুযায়ী রক্তে অক্সিজেনের
প্রবাহ ঠিক রাখতে কয়েকটি ব্যায়াম খুব উপকারী।
এসব ব্যায়ামের তালিকার শীর্ষে রয়েছে সাঁতার।
আর তারপরেই আছে দড়িলাফ বা স্কিপিং। এই ব্যায়ামের
সুবিধা হলো, ঘরেই চর্চা করা যায় এবং যেকোনো
সময়। তেমন কোনো প্রস্তুতি লাগে না, দরকার
কেবল একটি দড়ি।
১০০ বার দড়িলাফ দিলে ২০০ ক্যালরি শক্তি পোড়ে।
যত দ্রুত এই লাফ দিতে পারবেন, ক্যালরি ক্ষয়ের
পরিমাণও তত বেশি হবে। এভাবে নিয়মিত দড়িলাফের
অভ্যাস গড়ে তুললে ওজন তো কমবেই, পাশাপাশি
নিয়ন্ত্রণে থাকবে রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করার
পরিমাণও। রক্তের ক্ষতিকর চর্বি কমাতেও সাহায্য
করে দড়িলাফ। দড়িলাফ দিলে রক্তের উপকারী চর্বি
বাড়ে প্রচুর পরিমাণে। এই চর্বি হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ
রাখতে সাহায্য করে।
রোজই দড়িলাফ দিতে পারেন, চাইলে দুবেলাও।
জোড় পায়ে দড়িলাফ দেওয়া ভালো, আবার এক পা
এক পা করেও দিতে পারেন। যেভাবে সুবিধা মনে
হয়, সেটিই চর্চা করুন। সব বয়সী ব্যক্তিই দড়িলাফ
দিতে পারেন, যদি কোনো অসুবিধার সম্মুখীন না
হন। দড়িলাফ দেওয়ার আগে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা
প্রয়োজন:
যাঁরা হাঁটুব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা দড়িলাফ দেবেন না
মেয়েদের ক্ষেত্রে মাসিকের প্রথম তিন দিন
দড়িলাফ না দেওয়াই ভালো।
গর্ভবতী নারীরা দড়ি লাফ দেবেন না। কারণ,
এতে তাঁদের গর্ভপাতের আশঙ্কা রয়েছে।
সন্তান প্রসবের তিন মাস পর্যন্ত অবশ্যই দড়িলাফ
থেকে বিরত থাকতে হবে।
যাঁরা খালি পায়ে মেঝেতে হেঁটে অভ্যস্ত নন,
কেডস পরে দড়িলাফ দেওয়াই তাঁদের জন্য
ভালো।
চেয়ারম্যান, ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন
বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

29/02/2016

ত্বক পুড়ে গেলে কী করবেন
২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
আগুন লাগার মতো দুর্ঘটনা ঘটলে শরীরের
বিভিন্ন অংশ পুড়ে গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে
পারে। এ রকম জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয়
সম্পর্কে সবারই জেনে রাখা উচিত। পোড়া
ক্ষতের চিকিৎসা নিয়ে কয়েকটি পরামর্শ:
* শরীরে যদি আগুন ধরে যায়, যেকোনো
কাপড় দিয়ে চাপা দিন। ভেজা কাপড় দিয়ে
চেপে ধরতে পারলে ভালো। আগুন বেশি হলে
মাটিতে গড়াগড়ি দিতে হবে।
* আগুন নিভে যাওয়ার পর শরীরের পুড়ে
যাওয়া অংশে পানি ঢালতে হবে অন্তত আধা
ঘণ্টা। ঠান্ডা পানি বা বরফ লাগানো জরুরি
নয়। গরম হাঁড়ির স্পর্শে ত্বক পুড়ে গেলে
অথবা শরীরে গরম তেল বা পানি লাগলেও
আক্রান্ত স্থান একইভাবে পানিপ্রবাহের
নিচে ধরে রাখতে হবে অন্তত আধা ঘণ্টা।
* ক্ষত সামান্য হলে অ্যান্টিসেপটিক মলম
লাগিয়ে রাখতে পারেন। দিনে দু-তিনবার
মলমের আবরণে ক্ষতস্থানটি ঢেকে রাখুন। সব
ধরনের পোড়া ক্ষতে ব্যান্ডেজ লাগানোর
প্রয়োজন হয় না। গোসলের সময় সাবান-পানি
দিয়ে ক্ষতস্থান ভালোভাবে পরিষ্কার
করতে হবে।
* পোড়া ক্ষত বেশি হলে চিকিৎসকের
পরামর্শ নিন। কারণ, ক্ষতস্থানের গভীরতার
ওপর এসব রোগীর চিকিৎসা নির্ভর করে।
অনেক সময় পোড়া স্থানে অস্ত্রোপচারেরও
প্রয়োজন হয়।
* পোড়া রোগীর শ্বাসকষ্ট হলে বা রোগী
অজ্ঞান হয়ে গেলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে
যেতে হবে।
* যেকোনো পোড়া ক্ষত পাঁচ থেকে সাত
দিনের মধ্যে না শুকালে অবশ্যই চিকিৎসকের
পরামর্শ নিতে হবে।
* পোড়া ক্ষতে টুথপেস্ট, ডিম বা কোনো
ভেষজ ওষুধ লাগানো যাবে না।
মো. নওয়াজেস খান
প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ ও বার্ন ইউনিট,
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: রক্তশূন্যতা হলেই কি সব সময় রোগীকে
রক্ত দেওয়া উচিত?
উত্তর: রক্তশূন্যতা হলেই রোগীর শরীরে রক্ত
দেওয়ার প্রয়োজন না-ও হতে পারে।
প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বোঝা
যাবে রক্তশূন্যতার ধরন ও কারণ। কোনো
কোনো ক্ষেত্রে শুধু খাদ্যাভ্যাসের
পরিবর্তন, আবার কখনো কখনো ওষুধ সেবন
করলেই রক্তশূন্যতা দূর হয়। শুধু কিছু নির্দিষ্ট
ধরনের রক্তশূন্যতায় রোগীর শরীরে রক্ত
দিতে হয়।
অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান
মেডিসিন বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী
মেডিকেল কলেজ

Address

Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ambulancerent.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share