03/08/2026
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ধংসের মূলে কারা?
আক্রোশ ও খারাপ প্রতিযোগিতা হলো স্বাস্থ্যসেবা ধংসের মূলে। কে কত বছর পড়াশোনা, বা ডিগ্রি এ নিয়ে দন্দ। প্রতিযোগিতার মার্কেট নয় স্বাস্থ্য সেবা।যে যার অবস্থান থেকে সঠিকভাবে সেবা দেওয়াই হলো স্বাস্থ্যসেবা। কেউ যদি পল্লী চিকিৎসক হিসেবে কাজ করে,তার সীমাবদ্ধ সীমিত পরিসরে, প্রাথমিক চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত। আর যদি কেহ mbbs ডিগ্রি অর্জন করে তার স্বাস্থ্য সেবা আরো ব্যাপক ভাবে। আর কেহ যদি কোন বিষয়ের উপর উন্নত ডিগ্রি অর্জন করে সে সার্জারী হিসেবে কাজ করে,মানে অপারেশন করে। ফলাফল এটাই হয়,যে একজন পল্লী চিকিৎসক সে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত, তার নিয়ন্ত্রণ বা সার্মথ্য না থাকলে mbbs ডাক্তারের কাছে পাঠাতে হয়।এবং কোন বিষয়ে সার্জারী করতে হলে সার্জারী তে ডিগ্রি আছে যার সে সার্জারী করে।এই হলো মূল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।
আরেক টি কথা, প্রথমে রুগি পরীক্ষা -নিরীক্ষা কিন্তু ডিপ্লোমা দের কাছে যায়,এবং তারা রিপোর্ট তৈরি করে। আর সেই রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসা দিয়ে থাকেন একজন ডাক্তার। এখন ডিপ্লোমা দের সন্মান পাওয়ার যোগ্য কিনা তা তো ডাক্তার রা ভালো বুঝে।
এখানে কাউকে ছোট ভাবা ঠিক না, যার যে যোগ্যতা অনুযায়ী সন্মান পাওয়া দরকার।অবশ্যই একজন সার্জারী তে অভিজ্ঞতা বা সার্জারী করেন বা বিভাগীয় প্রধান তার সর্বোচ্চ সন্মান। তাই বলে সে কাউকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে পারবে না, বা করা উচিত না।
আমাদের দেশে এই তুচ্ছতাচ্ছিল্য সংখ্যা বেশি বলে স্বাস্থ্য কাঠামোর ধংসের পথে। সর্বশেষ কথা হলো, পল্লী চিকিৎসক, ডিপ্লোমা চিকিৎসক, ও mbbs চিকিৎসক দের আলাদা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ও আলাদা আলাদা সন্মান। প্রতিযোগিতা না করে, কাউকে ছোট না ভেবে যার যার জায়গা থেকে সঠিকভাবে সেবা দেওয়াই হলো স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের চাবিকাঠি।
তাই হিংসা পরিহার করে যার যে কাজ তাই নিয়ে থাকি।সন্মান দেওয়ার মালিক উপরওয়ালা.
❤️❤️❤️❤️❤️❤️স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের চাবিকাঠি❤️❤️❤️❤️❤️❤️
১. যার যার স্থান থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে সেবা দেওয়া: প্রত্যেককে নিজ নিজ যোগ্যতা ও সীমার মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতায় সেবা দিতে হবে।
২. সঠিক সমন্বয় ও রেফারের সংস্কৃতি: পল্লী চিকিৎসক থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞ সার্জন পর্যন্ত সবার মধ্যে একটি সুশৃঙ্খল রেফারেল চেইন বা আস্থার সম্পর্ক থাকতে হবে।
৩. সম্মান ও মর্যাদার মূল্যায়ন: কাউকে ছোট না করে ডিপ্লোমা, পল্লী চিকিৎসক ও এমবিবিএস—সব স্তরের চিকিৎসকদের জন্য আলাদা ও নির্দিষ্ট কর্মপরিধি এবং যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করতে হবে।
৪. হিংসা ও অহংকার পরিহার: প্রতিযোগিতা নয়, বরং সহযোগিতাই পারে স্বাস্থ্যসেবাকে একটি জনবান্ধব ও শক্তিশালী কাঠামোর ওপর দাঁড় করাতে।
মূল কথা: স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ছোট বা বড় পেশা নেই; যার যার জায়গায় সঠিক দায়িত্ব পালনই হলো আসল কথা। হিংসা ও অহংকার পরিহার করে সম্মিলিতভাবে কাজ করলেই কেবল দেশের স্বাস্থ্য খাতের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব।