29/08/2026
🧑⚕️🧑⚕️ইনি ডাক্তার সায়মা আক্তার। নেত্রকোনার সেই ১১ বছরের শিশুটিকে ধ*** পর প্রেগন্যান্ট হওয়ার ঘটনাটি তিনি সবার আগে ফেসবুকে সবাইকে জানান৷
🙍♀️বাচ্চাটা উনাকে সব বলার পর চুপ থাকতে পারেন নাই৷ এমনকি তিনি সাহস করে শিশুটির আল্ট্রাসাউন্ডের ছবিও প্রকাশ করেছিলেন। এর পরেই যেন শুরু হয় তার উপরে মানসিক টর্চার৷
তিনি কেন একজন ভন্ডকে নিয়ে সত্য বললেন এজন্যে উনাকে কত অকথ্য গালিগালাজ সহ্য করতে হয়েছে৷ এমনকি উনার নাম্বারে কল দিত৷ উনার পেজে আইডিতে মেসেজ দিয়ে গালি দিত৷ পরে উপায় না পেয়ে তিনি নিজের আইডি লক করেন আর পেজ অফ করে রাখেন৷
তার একটাই অপরাধ একজন ভন্ড লোকের মুখোশ খুলে দিছিল৷ 🧑⚕️🧑⚕️কিন্তু ডাক্তার সায়মা আক্তার থেমে যাননি। নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরে যাননি।
আজ ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে, শিশুটির সাথে সেই হুজুরই এমন কাজ করেছে৷✅
আর এই সত্য প্রতিষ্ঠার পেছনে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি, তাদের একজন নিঃসন্দেহে ডাক্তার সায়মা আক্তার।
স্যালুট আপনাকে! এতো এতো অসত্য আর ভীতুর মাঝে আপনি একজন সাহসী মানুষ। 🙋♀️🙋♀️