Health & Harmony With Homeopathy

Call Directions Website Contact the business

Health & Harmony With Homeopathy Of India
Saltlake Homeopathy Hospital (NIH)
+8801987367955 Homoeopathic Medical College in Hyderabad.
(1)

Dr. Sumon kr Biswas
M.D.(Hom)(Gold Medalist)
Govt.Homeopathic Medical College Hyderabad
B.H.M.S-National Instiute of Homeopathy;Kolkata
MPH-Epidemiology;TATA,Mumbai
ICCR(AYUSH) scholar, Govt. Dr. Sumon K Biswas is a highly educated and experienced practitioner in the field of Homoeopathic medicine. Holding a Bachelor of Homoeopathic Medicine and Surgery (BHMS) degree from the esteemed National Institute of Homoeopathy (NIH) in Kolkata, Dr. Biswas has a robust understanding of the principles and practices of Homoeopathy. His outstanding academic achievements are further augmented by a Master of Public Health (MPH) in Epidemiology from the Tata Institute of Social Sciences in Mumbai, and a Doctor of Medicine (MD) from the JSPS Govt. Dr. Biswas was honored with the AYUSH scholarship awarded by the Government of India through the High Commission of India in Bangladesh. This scholarship allowed him to fulfill his academic aspirations and further develop his expertise in the field. In addition to his academic credentials, Dr. Biswas brings a vast wealth of practical experience to his practice. He served as a District Health Officer for Maternal and Newborn Health with Save the Children International in Bangladesh, giving him a comprehensive understanding of community health needs and the impact of Homoeopathic medicine on public health. With seven years of experience in practicing Homoeopathic medicine, Dr. Biswas is well-equipped to assist patients with a wide range of acute and chronic health conditions, particularly in rural communities. Dr. Biswas's interest in personalized medicine reflects his dedication to providing patient-centered care. He recognizes that each patient is unique and their health needs and goals differ. He strives to create tailored treatment plans that take into account each patient's individual life history. His objective is to ensure that each patient receives the best possible care, tailored to their specific needs. This approach aligns with the principles of Homoeopathic Medicine, which emphasizes individualized treatment and focuses on the whole person, not just their physical symptoms. This allows him to achieve the best possible outcomes for his patients and effectively manage their health conditions. Dr. Sumon K Biswas is making a significant contribution to the advancement of Homoeopathic research and ensuring that this system of medicine continues to play a crucial role in promoting good health and well-being. With his exceptional skills and commitment to the practice of Homoeopathic medicine, he brings a wealth of academic and practical experience to his practice. His dedication to patient-centered care, combined with his expertise in the field, make him an excellent choice for anyone seeking high-quality Homoeopathic care.

28/10/2026
28/10/2026

🌿 সায়াটিকা বা কোমর থেকে পায়ে তীব্র ব্যথা ও রগে টান লাগার সমস্যায় ভুগছেন?
অসহ্য ব্যথার কারণে কি স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা ও দৈনন্দিন কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে? কোনো অপারেশন ছাড়াই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় সায়াটিকা ও স্নায়ুর ব্যথা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পান।
আমাদের বিশেষ কম্বিনেশন চিকিৎসা (যেখানে COLOYNTHIS, RUTA GRAVEL, ARNICA MON ও GNAPHALIUM এর মতো কার্যকরী ওষুধ সঠিক নিয়মে ব্যবহার করা হয়) ব্যথা নিরাময়ে অত্যন্ত সফল।

💧 সেবনবিধি: সমপরিমাণে ওষুধ মিশিয়ে নিন। দিনে ৩ বার, ১/২ কাপ জলের সাথে ২০ ফোঁটা সেব্য।
📞 আজই বিশেষজ্ঞ পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন এবং সুস্থ জীবন ফিরে পান!

📲 WhatsApp: @01987367955
#সায়াটিকা #হোমিওপ্যাথিক #কোমরব্যথা #স্বাস্থ্যসেবা

❄️🦶 @01987367955 শীতকালেও হাতের তালু ও পায়ের তলা ঘামছে? মোজা থেকে বেরোচ্ছে দুর্গন্ধ? 😟শীতের ঠান্ডা আবহাওয়াতেও হাতের তা...
27/10/2026

❄️🦶 @01987367955 শীতকালেও হাতের তালু ও পায়ের তলা ঘামছে? মোজা থেকে বেরোচ্ছে দুর্গন্ধ? 😟

শীতের ঠান্ডা আবহাওয়াতেও হাতের তালু ও পায়ের তলা ঘামা এবং মোজায় দুর্গন্ধ হওয়ার সমস্যাটি বেশ অস্বস্তিকর। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই অবস্থাকে 'প্যালমার অ্যান্ড প্লান্টার হাইপারহাইড্রোসিস' (Palmar and Plantar Hyperhidrosis) বলা হয়।

🔍 নিচে এর কারণ এবং ঘরোয়া প্রতিকারের পাশাপাশি কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক ওষুধের লক্ষণভিত্তিক বিবরণ দেওয়া হলো: 👇

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🩺 ১. এই সমস্যা কেন হয়? (কারণসমূহ)

শীতকালে সাধারণত আমাদের শরীর ঠান্ডা থাকে, কিন্তু যাদের এই সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু শারীরিক ও পরিবেশগত কারণ কাজ করে:

🔹 ওভার-অ্যাক্টিভ সোয়েট গ্ল্যান্ড (Hyperactive Sweat Glands): হাতের তালু এবং পায়ের তলায় ঘর্মগ্রন্থির (Sweat Glands) সংখ্যা শরীরের অন্য যেকোনো অংশের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। এই গ্রন্থিগুলো অতিরিক্ত সংবেদনশীল হওয়ার কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ঘাম তৈরি করে।

🔹 বংশগত কারণ (Genetics): পরিবারে বাবা-মা বা নিকটাত্মীয়দের এই সমস্যা থাকলে সন্তানদের মধ্যেও এটি হওয়ার ঝুঁকি খুব বেশি থাকে।

🔹 জুতোর উপাদান ও বাতাস চলাচল না করা: শীতকালে আমরা সাধারণত ঢাকা জুতো, স্নিকার্স এবং উলের বা গরম মোজা পরি। এর ফলে পায়ে বাতাস চলাচল করতে পারে না এবং ঘাম জমে যায়।

🔹 ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসের উপদ্রব: পা বা হাতের ঘাম যখন দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকে, তখন ত্বকে থাকা স্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়াগুলো সেই ঘাম ভেঙে দুর্গন্ধযুক্ত উপাদান তৈরি করে। শীতের গরম মোজায় এই ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে।

🔹 মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা: উদ্বেগ বা মানসিক উত্তেজনা সোয়েট গ্ল্যান্ডগুলোকে উদ্দীপ্ত করে, যা হাত ও পায়ের ঘাম বাড়িয়ে দেয়।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🏡 ২. ঘরোয়া প্রতিকার (Home Remedies)

নিয়মিত কিছু ঘরোয়া যত্ন নিলে এই সমস্যা অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব:

🛁 পায়ের নিয়মিত যত্ন ও সোডা বাথ: কুসুম গরম জলে সামান্য বেকিং সোডা বা অ্যাপল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে তাতে ১০-১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এটি পায়ের pH লেভেল ঠিক রাখে এবং দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করে।

🧂 এপসম সল্ট (Epsom Salt): ঈষদুষ্ণ জলে এক বা দুই চামচ এপসম সল্ট মিশিয়ে হাত ও পা ডুবিয়ে রাখলে ঘাম উৎপাদন কিছুটা কমে এবং সতেজ ভাব আসে।

🧦 সঠিক জুতো ও মোজা নির্বাচন: সিন্থেটিক বা পলেস্টারের মোজা এড়িয়ে সবসময় ১০০% সুতির (Cotton) বা উলের মোজা পরুন। মোজা প্রতিদিন অন্তত একবার পরিবর্তন করুন এবং জুতো ভালোভাবে শুকিয়ে ব্যবহার করুন। জুতোর ভেতরে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল পাউডার ব্যবহার করতে পারেন।

🍵 চা পাতার জল (Tea Soak): ব্ল্যাক টি বা লিকার চায়ের মধ্যে ট্যানিক অ্যাসিড থাকে, যা ঘর্মগ্রন্থির মুখ সংকুচিত করতে সাহায্য করে। চা ঠান্ডা করে তাতে পা ডুবিয়ে রাখতে পারেন।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

�💧 ৩. লক্ষণভিত্তিক বিশেষ হোমিওপ্যাথি ওষুধ

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় বাহ্যিক লক্ষণের পাশাপাশি রোগীর মানসিক ও শারীরিক গঠন বিবেচনা করে ওষুধ নির্বাচন করা হয়। নিচে লক্ষণ অনুযায়ী প্রধান কয়েকটি ওষুধের নাম দেওয়া হলো:

🔸 Silicea (সাইলিসিয়া):

লক্ষণ: পা এবং হাতের তালু অতিরিক্ত ঘামে এবং সেই ঘাম অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত ও ঝাঁঝালো হয়। পা ঘামে মোজা ভিজে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়। রোগীরা সাধারণত খুব ঠান্ডা লাগ-কাতুরে (Chilly) প্রকৃতির হন।

🔸 Calcarea Carbonica (ক্যালকারিয়া কার্ব):

লক্ষণ: বিশেষ করে হাত ও পায়ের তালু সবসময় ঠান্ডা এবং ভেজা বা আঠালো থাকে। মাথা, মুখমণ্ডল এবং হাত-পায়ে প্রচুর ঘাম হয়, বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর সময়। যারা একটু মোটা সোটা এবং ঠান্ডায় দ্রুত সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হন, তাদের জন্য এটি দারুণ উপযোগী।

🔸 Graphites (গ্রাফাইটিস):

লক্ষণ: পায়ের তলা ঘামার পাশাপাশি ত্বক ফাটার প্রবণতা থাকে (বিশেষ করে আঙুলের ফাঁকে বা পায়ের গোড়ালিতে)। ঘাম থেকে তীব্র গন্ধ বের হয় এবং ত্বক শুষ্ক বা চুলকানিযুক্ত হতে পারে।

🔸 Sepia (সিপিয়া):

লক্ষণ: হাত এবং পায়ের তালু অতিরিক্ত ঘামে, কিন্তু ঘাম অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত হয় (অনেক সময় টক বা পচা গন্ধ)। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে হরমোনজনিত পরিবর্তনের সাথে এই সমস্যা জড়িয়ে থাকলে এটি খুব ভালো কাজ করে।

🔸 Pulsatilla (পালসেটিলা):

লক্ষণ: যাদের হাত ও পা প্রায়শই ঘামে এবং ঘামের গন্ধ স্থানভেদে পরিবর্তিত হয় (কখনো দুর্গন্ধহীন, কখনো তীব্র)। এই প্রকৃতির রোগীরা সাধারণত বাতাসযুক্ত ঠান্ডা পরিবেশ পছন্দ করেন এবং অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হন।

⚠️ পরামর্শ: হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সেবনের ক্ষেত্রে একজন রেজিস্টার্ড অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, কারণ রোগীর শারীরিক গঠন ও পূর্ণাঙ্গ লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে সঠিক পটেন্সি (Potency) নির্ধারণ করা হয়।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📢 আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন!

❓ শীতকালেও কি আপনার হাতের তালু ও পায়ের তলা অতিরিক্ত ঘামে?

❓ মোজা পরার পর কি পায়ে দুর্গন্ধের সমস্যা হয়?

💬 কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতা জানান।

👍 পোস্টটি উপকারী মনে হলে লাইক দিন।

📲 যাঁদের এই সমস্যা রয়েছে, তাঁদের সাহায্য করতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

🔔 স্বাস্থ্য সচেতনতা সম্পর্কিত আরও তথ্য পেতে পেজটি ফলো করুন।

❤️ সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন।

26/10/2026

ফ্যাটি লিভার গ্রেড- 1, 2, এবং 3 সম্পর্কে ফুল ডিটেলস এবং ফ্যাটি লিভারের অবস্থা, উপসর্গ এবং কিভাবে প্রতিকার পাবেন। ১ম ক"মেন্ট দেখুন.

🚨 কিছু খেলেই গ্যাস? যা খাই তাতেই গ্যাস! সঙ্গে হাত-পা ব্যথা? কী কারণে হয় ও এর ঘরোয়া সমাধান! 🚨​অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন যে ...
13/10/2026

🚨 কিছু খেলেই গ্যাস? যা খাই তাতেই গ্যাস! সঙ্গে হাত-পা ব্যথা? কী কারণে হয় ও এর ঘরোয়া সমাধান! 🚨
​অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন যে সামান্য কিছু খেলেই পেট ফুলে যায়, প্রচণ্ড গ্যাস হয় এবং তার সাথে সারা শরীরে বা হাত-পায় ব্যথা শুরু হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক কেন এমন হয় এবং এর থেকে মুক্তির উপায় কী 👇
​🔍 কেন এই সমস্যা হয়?
​অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস: সময়মতো খাবার না খাওয়া বা খুব দ্রুত খাবার খাওয়া।
​খাবারের ধরন: অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার, ফাস্টফুড বা বেশি গ্যাস তৈরি করে এমন খাবার খাওয়া।
​কোষ্ঠকাঠিন্য: পেটে মল জমে থাকলেও অতিরিক্ত গ্যাস এবং শরীর ব্যথা হতে পারে।
​অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রাইটিস: পাকস্থলীর দেওয়ালে প্রদাহের কারণে অস্বস্তি ও ব্যথা তৈরি হয়।
​হাঁটাহাঁটির অভাব: খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়ার বাজে অভ্যাস।
​🌿 নিরাময়ে কার্যকরী কিছু ঘরোয়া উপায়:
​🫚 আদা ও লেবুর রস: সামান্য আদার রস এবং পাতিলেবুর রস কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে খান। হজমশক্তি বাড়াতে দারুণ কাজ করে।
​🌿 জিরা ও আজওয়ানের পানি: ১ চামচ জিরা এবং সামান্য আজওয়ান এক গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে উষ্ণ অবস্থায় পান করলে পেটের গ্যাস দ্রুত কমে যায়।
​🚶‍♂️ হাঁটাহাঁটি করা: ভারী খাবার খাওয়ার পরপরই না শুয়ে অন্তত ১০-১৫ মিনিট হালকা পায়ে হেঁটে নিন।
​🍵 মৌরি চা: খাবার খাওয়ার পর এক চামচ মৌরি চিবিয়ে খান বা মৌরি ফুটিয়ে চা বানিয়ে খান, অ্যাসিডিটি কমবে।
​💧 লক্ষণ অনুযায়ী কিছু গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথি ওষুধ:
​(অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেবন করুন)
👉​১. Lycopodium (লাইকোপোডিয়াম):
পেটে প্রচণ্ড গ্যাস ও বায়ু জমে পেট ফেঁপে থাকে, বিশেষ করে বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে সমস্যা বেড়ে যায়। একটু খেলেই পেট ভরে গেছে বলে মনে হয়।
👉 ​২. Nux Vomica (নাক্স ভমিকা):
অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া বা কাজের চাপে যাঁদের বদহজম ও গ্যাসের সমস্যা হয়। খাওয়ার পর পেট ভারী হয়ে যায়, পায়খানা পরিষ্কার হয় না এবং কোমর বা গায়ে ব্যথা থাকে।
👉 ​৩. Chelidonium (হেলিডোনিয়াম):
লিভার বা পিত্তথলির গোলযোগজনিত বদহজম। ডান কাঁধের পেছনে বা স্ক্যাপুলার নিচে তীব্র খিল ধরার মতো ব্যথা থাকে, মুখে তেতো স্বাদ।
👉 ​৪. Iris Versicolor (আইরিস ভার্সিকলার):
তীব্র অম্বল, টক বা তিতা বমি এবং মুখ দিয়ে জল গড়ানো। পেট ও বুকে মারাত্মক জ্বালাপোড়া করে।
👉 ​৫. Petroleum (পেট্রোলিয়াম):
ভারী বা চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পরপরই পেটে গ্যাস তৈরি হয়, পেট ফাঁপে এবং পেটে একধরণের শূন্যতাবোধ বা দুর্বলতা লাগে।
👉 ​৬. Graphites (গ্রাফাইটিস):
দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য ও ক্রনিক বদহজম। পেট সবসময় ভারী থাকে, গরম খাবার বা মিষ্টি জাতীয় খাবারে গ্যাস ও বুকজ্বালা বেড়ে যায়।
👉 ​৭. Carduus Marianus (কার্ডুস মারিয়ানাস):
লিভারে চর্বি জমা (Fatty Liver) ও পিত্তথলির সমস্যায় বদহজম। ডান পাশের পাঁজরের নিচে ভারী ভাব এবং তিতা ঢেকুর ওঠার প্রবণতা।
​⚠️ বিশেষ সতর্কতা: হোমিওপ্যাথি ওষুধ লক্ষণ ও শারীরিক গঠন ভেদে নির্বাচন করতে হয়। তাই নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে একজন রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
​

🔴 সোর থ্রোট (Sore Throat) বা গলার ব্যথা কী? 01987-367955 কারণ, ঘরোয়া উপায় ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা! 🩺🌿​গলার ভেতরটা শুকিয়ে ...
11/10/2026

🔴 সোর থ্রোট (Sore Throat) বা গলার ব্যথা কী? 01987-367955 কারণ, ঘরোয়া উপায় ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা! 🩺🌿
​গলার ভেতরটা শুকিয়ে যাওয়া, চুলকানি, খোঁচা লাগার মতো অনুভূতি বা গিলতে গেলে তীব্র ব্যথা হওয়াকে সাধারণত সোর থ্রোট বা গলার ব্যথা বলা হয়। টনসিল বা ফ্যারিংক্স অংশে প্রদাহ বা ইনফেকশনের কারণে এই সমস্যা মূলত দেখা দেয়।
​আজকে আমরা জানবো এর কারণ, ঘরোয়া প্রতিকার এবং লক্ষণভিত্তিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ওষুধের কথা! 👇✨
​🛑 সোর থ্রোট বা গলার ব্যথার প্রধান কারণসমূহ:
​১. ভাইরাল ইনফেকশন: সাধারণ সর্দি-কাশি, ফ্লু (Influenza) বা ঠান্ডা লাগার ভাইরাসের কারণে এটি সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। 🦠
২. ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন: যেমন—'স্ট্রেপ থ্রোট' (Strep throat), যা স্ট্রেপ্লোকক্কাস ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়। ⚠️
৩. অ্যালার্জি: ধুলোবালি, ধোঁয়া, পোষা প্রাণীর পশম বা পরাগরেণুর অ্যালার্জি। 🤧
৪. শুষ্ক আবহাওয়া বা মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া: বিশেষ করে শীতকালে বা এসি রুমে শুষ্ক বাতাসে ঘুমালে গলা শুকিয়ে ব্যথা হতে পারে। ❄️
৫. অতিরিক্ত চিৎকার বা কথা বলা: বেশি চাপ দিয়ে কথা বলা বা গান গাওয়ার ফলে ভোকাল কর্ডে টান পড়ে। 🗣️
৬. এসিড রিফ্লাক্স (GERD): পাকস্থলীর এসিড ওপরে উঠে আসলে গলার নালীতে জ্বালাপোড়া ও ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে। 🔥
​🍵 এটি কমানোর কার্যকরী ঘরোয়া উপায়:
👉 ​লবণ-জল দিয়ে গার্গল: এক গ্লাস কুসুম গরম জলে আধা চামচ লবণ মিশিয়ে দিনে ৩-৪ বার গার্গল করলে গলার ফোলাভাব ও ব্যাকটেরিয়া কমে। 🧂💧
👉 ​মধু ও আদা চা: গরম জলে আদা কুচি ফুটিয়ে তার সাথে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করলে গলা দারুণ আরাম পায়। 🫚🍯
👉 ​হলুদ দুধ: এক কাপ গরম দুধে সামান্য হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টিসেপটিক গুণ গলা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। 🥛✨
👉 ​হাইড্রেটেড থাকা: প্রচুর পরিমাণে কুসুম গরম জল, স্যুপ বা ভেষজ চা পান করুন। গলা শুকাতে দেবেন না। ☕
👉 ​ভাপ বা স্টিম নেওয়া: গরম জলের ভাপ নিলে গলার শুষ্কভাব ও অস্বস্তি দূর হয়। ♨️
​💧 লক্ষণভিত্তিক হোমিওপ্যাথিক ওষুধসমূহ:
​হোমিওপ্যাথিতে লক্ষণ মিলিয়ে সঠিক ওষুধ নির্বাচন করলে গলা ব্যথা খুব দ্রুত সেরে যায়। নিচে প্রধান ওষুধগুলোর বিবরণ দেওয়া হলো:
🔴 ​Belladonna (বেলাডোনা):
​লক্ষণ: গলা হঠাৎ করে খুব লাল হয়ে যায় এবং টনসিল ফুলে যায়। গিলতে গেলে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয় (বিশেষ করে তরল কিছু গিলতে গেলে সমস্যা বেশি হয়)। গলা ও মুখ খুব শুষ্ক থাকে, তবে সাধারণত রোগীর প্রবল তৃষ্ণা থাকে না। অনেক সময় সাথে জ্বর ও মাথা ব্যথা থাকে। 🌡️
🛑 ​Aconitum Napellus (একোনাইট ন্যাপেলাস):
​লক্ষণ: ঠান্ডা বাতাস লাগার পরপরই যদি হঠাৎ করে গলা ব্যথা শুরু হয় এবং গলা শুষ্ক, খসখসে মনে হয়। গলার ভেতরটা লাল হয়ে যায় এবং রোগী খুব ছটফট করে ও তার মধ্যে এক ধরণের ভয় কাজ করে। রোগের একদম প্রাথমিক পর্যায়ে এটি খুব ভালো কাজ করে। 🌬️
🛑 ​Hepar Sulphuris (হেপার সালফ):
​লক্ষণ: গলার ভেতরটা এমন মনে হয় যেন কাঁটা ফুটে আছে বা পিন বিঁধছে। ঠান্ডা বাতাসে গলা উন্মুক্ত করলেই ব্যথা বেড়ে যায়। অনেক সময় টনসিলে পুঁজ জমার উপক্রম হলে বা সামান্য ঠান্ডাতেই গলা ব্যথা শুরু হলে এই ওষুধটি উপযোগী। 📌
🛑 ​Mercurius Solubilis (মার্কারিপ্রাইম/মার্ক সল):
​লক্ষণ: থুতু বা লালা প্রচুর পরিমাণে তৈরি হয় এবং মুখে দুর্গন্ধ থাকে। গিলে খাওয়ার সময় ব্যথা কানের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। গলা ফুলে যায় এবং রোগী অতিরিক্ত ঘামে, বিশেষ করে রাতের বেলা ঘাম বেশি হয়। গলার ভেতরের অংশ বেশ লাল ও ক্ষতবিক্ষত মনে হয়। 💧😷
🛑 ​Phytolacca Decandra (ফাইটোলাকা ডেকান্দ্রা):
​লক্ষণ: গলা ও টনসিল গাঢ় লাল বা বেগুনি রঙের হয়ে যায়। যেকোনো কিছু গিলতে গেলে কানে তীব্র ব্যথা সুচের মতো বিঁধে যায়। গরম খাবার বা পানীয় গিলতে গেলে ব্যথা আরও বেড়ে যায়। টনসিলাইটিসের সমস্যায় এটি অত্যন্ত কার্যকরী। ⚡
🛑 ​Lachesis (ল্যাকেসিস):
​লক্ষণ: বাম দিক থেকে গলা ব্যথার সূত্রপাত হয়ে ধীরে ধীরে ডান দিকে ছড়িয়ে পড়ে। গলার যেকোনো ধরনের টাইট পোশাক বা গলার কাছে কিছু লেগে থাকা সহ্য হয় না (রোগী কলার বা মাফলার ঢিলে রাখতে চায়)। গরম পানীয়ের তুলনায় ঠান্ডা পানীয় গিললে কিছুটা আরাম পাওয়া যায়।
👉Aesculus hip: গলার ভেতরটা কেমন যেন শুষ্ক, খসখসে মনে হয় এবং গিলতে গেলে বা লালা গিললেও মনে হয় যেন গলায় ছোট কোনো কাঁটা বা কাঠি (Splinters) বিঁধে আছে।গলার ভেতরের অংশে তীব্র জ্বালাপোড়া এবং গরম ভাব অনুভূত হয়।মুখ ও গলা প্রচণ্ড পরিমাণে শুকিয়ে যায়, বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর গলা একেবারে কাঠ হয়ে থাকে।গলার মধ্যে ঘন বা আঠালো শ্লেষ্মা আটকে থাকে, যা তোলার জন্য ঘন ঘন গলা পরিষ্কার করতে হয় (ক্লিয়ার করতে হয়), কিন্তু গলায় এক ধরণের অস্বস্তি লেগেই থাকে।
রোগীর যদি সাধারণ গলা ব্যথার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস বা পিঠের নিচের দিকে (কোমর ও স্যাক্রামের কাছে) তীব্র ব্যথার সমস্যা থাকে, এবং গলার ভেতর কাঁটা ফোটার মতো অনুভূতি হয়—তবেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা গলা ব্যথার জন্য এসকুলাস হিপোকাসটানাম ওষুধটি বিবেচনা করে থাকেন।🔗
​⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য: যেকোনো হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সেবনের পূর্বে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, কারণ ওষুধের শক্তি (Potency) এবং মাত্রা রোগীর শারীরিক লক্ষণ ও বয়সের ওপর নির্ভর করে।
​💬 আপনার কি সর্দি-কাশি বা অন্য কোনো বিশেষ উপসর্গ রয়েছে, নাকি গলা ব্যথাটি নতুন শুরু হয়েছে? কমেন্টে জানাতে পারেন! 👇

05/10/2026

ছবিতে যে ক্ষতগুলো দেখা যাচ্ছে, এগুলো প্রধানত একটোমা (Ecthyma) বা গভীর ত্বকের আলসার, এতে ত্বকের উপরিভাগে পুঁজযুক্ত ফোসকা বা লালচে ভাব তৈরি হয়ে পরবর্তীতে সেখানে গভীর ক্ষত এবং শক্ত খোলস (Crust/Scab) পড়ে।
⚠️ কেন এটি ঘটে?
* ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ: সাধারণত স্ট্যাফিলোকক্কাস বা স্ট্রেপ্টোকক্কাস ব্যাকটেরিয়ার কারণে ত্বকের গভীরে এই সংক্রমণ ছড়ায়।
* কীটপতঙ্গের কামড় বা খোঁচা: মশা, পোকা-মাকড়ের কামড় বা ছোটখাটো আঁচড় থেকে জীবাণু ভেতরে প্রবেশ করতে পারে।
* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া: পুষ্টির অভাব বা অপুষ্টি।
* স্যাঁতসেঁতে বা অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ।

রোগীর সার্বিক শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ বিচার করে Hepar Sulph 1m দেওয়া হয়।

সাথে জরুরি পরিচর্যা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসাবে
১. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: আক্রান্ত স্থান হালকা কুসুম গরম পানি ও অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার
২. ক্ষত ঢেকে রাখা: জীবাণু ছড়ানো ও দ্বিতীয়বার সংক্রমণ রোধে পরিষ্কার ব্যান্ডেজ বা তুলা দিয়ে ঢেকে রাখা ভালো।
3. খোলস না তোলা

রেজাল্ট দেখুন কমেন্টস এর ফটোতে |
👨‍⚕️ পরামর্শ ও সেবার জন্য যোগাযোগ করুন:
ডাঃ সুমন কুমার বিশ্বাস
BHMS (NIH, Kolkata), MD (Homoeopathy - Gold Medalist)
MPH in Epidemiology (TISS, Mumbai)
📍 চেম্বারসমূহ:
* যশোর: সততা হোমিও ফার্মেসী, আশ্রম মোড় (সিঅ্যান্ডবি মসজিদের পাশে)।
🗓️ রোববার – বুধবার (সকাল ১০টা – রাত ৮টা)
* ঢাকা: হোলি হার্বস হোমিওপ্যাথি, ফ্ল্যাট ১-এ, ৩য় তলা, হাউস ৩, ব্লক-এইচ, বনশ্রী প্রধান সড়ক, রামপুরা।
🗓️ শুক্রবার ও শনিবার (অ্যাপয়েন্টমেন্ট সাপেক্ষে)
📞 যোগাযোগ / অনলাইন সিরিয়ালের জন্য: 01987367955

🌿  PCOS এবং PMOS কি? 🤔​PCOS (Polycystic O***y Syndrome) হলো নারীদের একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা, যা মূলত প্রজনন বয়সে দে...
04/10/2026

🌿 PCOS এবং PMOS কি? 🤔
​PCOS (Polycystic O***y Syndrome) হলো নারীদের একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা, যা মূলত প্রজনন বয়সে দেখা যায়। সাম্প্রতিক সময়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানে PCOS-এর নাম পরিবর্তন করে PMOS (Polyendocrine Metabolic Ovarian Syndrome) রাখা হয়েছে, কারণ এটি শুধু ডিম্বাশয় বা ওভারির সমস্যা নয়, বরং এটি পুরো শরীরের হরমোন এবং বিপাকীয় প্রক্রিয়াকে (Metabolism) প্রভাবিত করে।
​এই সমস্যায় ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট বা থলি জমা হতে পারে এবং নিয়মিত ডিম্বাণু নির্গমন বা ওভুলেশন বাধাগ্রস্ত হয়। 🛑
​এটি কেন হয়? 🤷‍♀️
​PCOS বা PMOS-এর নির্দিষ্ট কোনো একটি কারণ এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি, তবে চিকিৎসকদের মতে এর পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ কাজ করে:
​বংশগত বা জেনেটিক কারণ: পরিবারে মা বা বোনের এই সমস্যা থাকলে ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। 🧬
​ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স: শরীরের কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি সঠিকভাবে সাড়া দেয় না, ফলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বেড়ে যায়। অতিরিক্ত ইনসুলিন ডিম্বাশয়কে অতিরিক্ত হরমোন তৈরিতে উদ্দীপ্ত করে।
​অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও ওজন বৃদ্ধি: অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা শরীরের হরমোনের ভারসাম্য আরও বেশি নষ্ট করে দেয়। ⚖️
​শরীরের বিভিন্ন হরমোনের সঙ্গে এর সম্পর্ক 📉📈
​এই সমস্যায় শরীরের হরমোনগুলোতে বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়:
​অ্যান্ড্রোজেন (Androgen): এটি সাধারণত পুরুষদের হরমোন হলেও নারীদের শরীরেও অল্প পরিমাণে থাকে। PCOS/PMOS-এ অ্যান্ড্রোজেনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় (যাকে হাইপারঅ্যান্ড্রোজেনিজম বলে), যার ফলে মুখে অতিরিক্ত লোম, ব্রণ এবং চুল পড়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়।
​ইনসুলিন (Insulin): রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় শরীরের মেটাবলিজম ব্যাহত হয় এবং ওজন দ্রুত বাড়তে থাকে।
​লু্টিনাইজিং হরমোন (LH) এবং ফলিমিকল স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH): পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এই হরমোনগুলোর অনুপাতে তারতম্য ঘটে, যার কারণে ডিম্বাশয় থেকে নিয়মিত ডিম্বাণু বের হতে পারে না।
​প্রাকৃতিক উপায়ে মোকাবিলার উপায় 🌱
​প্রাকৃতিক ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে এই সমস্যা অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব:
​সুষম ও লো-কার্ব ডায়েট: খাবারে রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট (চিনি, ময়দা, মিষ্টি, ফাস্টফুড) বাদ দিয়ে ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার, শাকসবজি, ফলমূল এবং প্রোটিন বেশি রাখতে হবে। এটি ইনসুলিন লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে। 🥗
​নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, ফ্রি-হ্যান্ড এক্সার사이জ বা যোগব্যায়াম ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়াতে সাহায্য করে। 🏃‍♀️
​ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরের অতিরিক্ত ওজন ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমাতে পারলে হরমোনের ভারসাম্য স্বাভাবিক হতে শুরু করে এবং মাসিক নিয়মিত হয়।
​মানসিক চাপ মুক্ত থাকা: অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কর্টিসল হরমোন বাড়িয়ে দেয়, যা হরমোনের ভারসাম্যকে আরও বিগড়ে দেয়। পর্যাপ্ত ঘুম ও রিলাক্সেশন অত্যন্ত জরুরি। 🧘‍♀️
💧 ​লক্ষণভিত্তিক কিছু হোমিওপ্যাথি ওষুধ
​হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় রোগীর শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে ওষুধ নির্বাচন করা হয়। নিচে বহুল ব্যবহৃত কিছু ওষুধের লক্ষণসহ নাম দেওয়া হলো:
​Pulsatilla (পালসটিলা):
​লক্ষণ: মাসিক অনিয়মিত হওয়া, অনেক দেরিতে হওয়া বা খুব অল্প পরিমাণে রক্তপাত হওয়া। সাধারণত এদের তৃষ্ণা কম থাকে, এরা একটু আবেগপ্রবণ হন এবং ঠান্ডা খোলা বাতাস পছন্দ করেন।
​Sepia (সিপিয়া):
​লক্ষণ: জরায়ু বা তলপেটে এক ধরনের ভারী ভাব বা নিচের দিকে টেনে ধরার অনুভূতি। মাসিক কখনো খুব কম, আবার কখনো বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। খিটখিটে মেজাজ এবং কাজের প্রতি অনীহা থাকলে এই ওষুধটি ভালো কাজ করে।
​Natrum Muriaticum (ন্যাট্রাম মিউর):
​লক্ষণ: মানসিক চাপ, শোক বা দীর্ঘদিনের বিষণ্ণতা থেকে হরমোনজনিত গোলযোগ ও মাসিক বন্ধ বা অনিয়মিত হলে। এদের লবণ খাওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে এবং গরমে কষ্ট বাড়ে।
​Calcarea Carbonica (ক্যালকেরিয়া কার্ব):
​লক্ষণ: বিশেষ করে অতিরিক্ত ওজন রয়েছে, শরীরে থলথলে চর্বি জমেছে এবং সামান্য পরিশ্রমে ঘাম হয় এমন নারীদের ক্ষেত্রে এটি উপযোগী। মাসিক প্রায়ই সময়ের আগে চলে আসে এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়।
​Thuja Occidentalis (থুজা):
​লক্ষণ: ডিম্বাশয়ে সিস্টের প্রবণতা থাকলে এবং মুখে বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত লোম বা ব্রণের সমস্যা থাকলে এই ওষুধটি লক্ষণ মিলিয়ে ব্যবহার করা হয়।

Gentle Healing, Remarkable Results 🌿
02/10/2026

Gentle Healing, Remarkable Results 🌿

কমেন্টে score লিখুন।
30/09/2026

কমেন্টে score লিখুন।

Address

সততা হোমিও ফার্মেসী, আশ্রম মোড়, যাশোর
Jessore

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801717006259

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health & Harmony With Homeopathy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Health & Harmony With Homeopathy:

Shortcuts

Share

Nearby health & beauty businesses