Reiki Grand Master Sattasundar Sadhukhan

Call Directions Contact the business

Reiki Grand Master Sattasundar Sadhukhan Alternative and Holistic healing service

🌟 Heartiest Congratulations to Mrs. Chandrani Rana & Mrs. Rupsa Rana on Successfully Completing Reiki 1st Degree! 🌟It gi...
31/10/2026

🌟 Heartiest Congratulations to Mrs. Chandrani Rana & Mrs. Rupsa Rana on Successfully Completing Reiki 1st Degree! 🌟

It gives me immense joy and pleasure to congratulate Mrs. Chandrani Rana and Mrs. Rupsa Rana, who successfully completed their Reiki 1st Degree Course on 12th October 2026 at B.M.S Healing Temple Main Center, Ramrajatala, Howrah.

Both of them travelled all the way from Odisha to learn Reiki and take their first steps into the beautiful world of energy healing. Their enthusiasm, dedication and interest in learning this wonderful practice made the occasion truly special.

It is always a joy to witness individuals beginning their journey of self-healing, self-awareness and spiritual growth through Reiki.

May Reiki continue to guide, protect and uplift both of them on every level — physically, emotionally, mentally and spiritually. May they continue to practise with sincerity, spread positivity and experience the beauty of Reiki in their daily lives.

For more details about Reiki, just click this link 👇
https://www.facebook.com/share/p/1C1uhEzdNo/

If you’re also interested in learning Reiki from the comfort of your home with proper attunement and guidance, feel free to connect with me.

With Divine Blessings,
Reiki Grand Master Sattasundar Sadhukhan

📞 096749 17047

🔗 Visit: https://www.facebook.com/share/1JvgRoWAHR/



🔱❤️সন্ধিপুজা ❤️🔱সন্ধি পূজা হল অষ্টমী তিথির শেষ ও নবমী তিথির প্রথম দণ্ড ( ২৪+২৪= ৪৮ মিনিট ) সময় কে বলা হয়। এই সময়ের মধ্যে...
19/10/2026

🔱❤️সন্ধিপুজা ❤️🔱
সন্ধি পূজা হল অষ্টমী তিথির শেষ ও নবমী তিথির প্রথম দণ্ড ( ২৪+২৪= ৪৮ মিনিট ) সময় কে বলা হয়। এই সময়ের মধ্যে সন্ধিপূজা সমাপন করতে হয়। “স্মৃতিসাগরে” বলা আছে-
“অষ্টম্যাঃ শেষো দণ্ডশ্চ নবম্যাঃ পূর্ব এব চ।
অত্র য ক্রিয়তে পূজা বিজ্ঞেয়া সা মহাফলা। ”

অর্থাৎ- অষ্টমীর শেষ দণ্ড ও নবমী তিথির প্রথম দণ্ডে যে পূজা করা হয় ( সন্ধিপূজা) তাতে মহাফল প্রাপ্তি হয়।

এই সময়ে ধ্যান ও জপ করলে দেবী প্রীতা হন। এই সময় দেবী চামুণ্ডার পূজা হয়। বলা হয় মা মহামায়া এই সন্ধি সময়েই, ভগবান শ্রীরামকে রাবণ বধের বরপ্রদান করেছিলেন। চামুণ্ডা দেবী , দেবীর অসুর সংহারিনী ভীষণ রূপ। এই দেবীর যুদ্ধকৌশল এতটাই উগ্র যে অসুরেরা এমনকি দেবতাগণও শিউড়ে উঠেছিলেন। মহাকালীর বিশ্বগ্রাসী উগ্রা স্বরূপ দেবী চামুণ্ডা। ইঁনি বিকট ও ভয়ানক দর্শিনী। যুদ্ধকৌশল বিকরাল। চামুণ্ডা দেবীর আবির্ভাব কোনো দেবতার শরীর থেকে হয় নি। ইঁনি কৌশিকী দেবীর ভ্রকুটি কুটিল ললাট দেশ থেকে উৎপন্ন হয়ে এসেছেন।ধূম্রলোচন নামক অসুর , দেবীর হুঙ্কারে ভস্ম হওয়ার পর শুম্ভ ও নিশুম্ভ তখন চণ্ড ও মুণ্ড নামক দুই অসুরকে যুদ্ধে প্রেরণ করে। শুম্ভের আদেশে চণ্ড ও মুণ্ড প্রমুখ দৈত্যগন হস্তী অশ্ব রথ পদাতিক নিয়ে যুদ্ধের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলো। দেবীকে দেখা মাত্রই অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে অসুরেরা ধাবমান হল। শ্রীশ্রীচণ্ডীতে লেখা আছে-

ততঃ কোপঞ্চকারোচ্চৈরম্‌বিকা তানরীন্‌ প্রতি ।
কোপেন চাস্যা বদনং মসীবর্নমভূৎ তদা ।।
ভ্রকুটিকুটিলাৎ তস্যা ললাটফলকাদ্‌দ্রুতম্‌ ।
কালী করালবদনা বিনিস্ক্রান্তসিপাশিনী ।।
বিচিত্রখট্বাঙ্গধরা নরমালাবিভূষণা ।
দ্বীপিচর্মপরীধানা শুস্কমাংসাতিভৈরবা ।।
অতিবিস্তারবদনা জিহ্বাললনভীষণা ।
নিমগ্নারক্তনয়না নাদাপূরিতদিঙ্‌মুখা ।।
( শ্রীশ্রীচণ্ডী... সপ্তম অধ্যায়... শ্লোক- ৫- ৮ )

অর্থাৎ- তখন অম্বিকা সেই শত্রুগণের প্রতি অত্যন্ত ক্রুদ্ধা হইলেন এবং ভীষণ ক্রোধে তাঁহার মুখমণ্ডল কৃষ্ণবর্ণ হইল। তখন দেবীর ভ্রূকুটি কুটিল ললাটদেশ হতে শীঘ্র খড়্গধরা ও পাশহস্তা ভীষনবদনা কালী বিনিঃসৃতা হইলেন। অম্বিকার ললাটোদ্ভুতা সেই চামুণ্ডা দেবী বিচিত্র নরকঙ্কালধারিণী, নৃমুণ্ডমালিনী, ব্যাঘ্র- চর্ম পরিহিতা , অস্থিচর্মমাত্রদেহা , অতিভীষণা, বিশাল- বদনা, লোলজিহ্বায় ভয়প্রদা,কোটরগত আরক্ত চক্ষুবিশিষ্টা এবং বিকট শব্দে চারপাশ পূর্ণকারিণী।

এই দেবীর যুদ্ধকৌশলও শ্রীশ্রীচণ্ডীতে লেখা আছে। এই রকম যুদ্ধ বা দেবীর এমন উগ্র প্রকাশ এর আগে দেখা যায় নি। এমনকি মহিষাসুর বধের সময়ও দেবী এমন উগ্রমূর্তি ধারণ করেন নি। এই দেবী অসুরসেনাদের মধ্যে প্রবেশ করে অসুরদের বধ ও ভক্ষণ করতে লাগলেন। এমনকি অশ্ব- সারথি- সহিত অসুরদের রথ শুদ্ধ মুখে নিয়ে চিবিয়ে খেয়ে ফেললেন। অসুরেরাও এমন যুদ্ধ আগে দেখেনি। ত্রিলোক এমনকি দেবতারাও দেবীর এই স্বরূপে আশ্চর্যচকিত হয়েছিলেন। শুধু এইটুকুই নয়, অসুরদের কাওকে কেশ এবং গ্রীবা ধরে বধ করলেন। কতেক অসুর দেবীর চরণে দলিত হল। এমনকি অসুরেরা যে সকল অস্ত্র নিক্ষেপ করলো- দেবী সেই অস্ত্রগুলিও চিবিয়ে ভক্ষণ করলেন। এ যেনো সর্বগ্রাসী মূর্তি। কোনো অসুরকে দেবী খড়্গ দিয়ে বধ, কাহাকে খট্বাঙ্গের প্রহারে হত কাওকে চর্বণ করে বধ করলেন। দেবীর ভীম বিক্রমে দানবিক আঘাত ক্রমশ শক্তিহীন হলে চণ্ডমুণ্ডের সাথে দেবী কালীর যুদ্ধ আরম্ভ হল। দেবী কালী ‘হুং’ শব্দ করে চণ্ডের কেশ ধরে খড়্গ দিয়ে শিরোচ্ছেদ করলেন। মুণ্ড এরপর যুদ্ধে প্রবৃত্ত হলে দেবী খড়্গ দিয়ে তারও শিরোচ্ছেদ করলেন। রক্তারক্তি মাখা দেবীর সমগ্র শরীর, খড়্গও রক্তে রাঙা। সেই অবস্থায় দেবী চামুণ্ডা হাতে চণ্ড- মুণ্ডের শির নিয়ে দেবী কৌশিকীকে উপহার দিলেন। দেবী কৌশিকী প্রীতা হয়ে বললেন-

যস্মাচ্চণ্ডচ্চ মুণ্ডচ্চ গৃহীত্বা ত্বমুপাগতা।
চামুণ্ডেতি ততো লোকে খ্যাতা দেবি ভবিষ্যসি ।
( শ্রীশ্রীচণ্ডী... সপ্তম অধ্যায়... শ্লোক- ২৭ )

অর্থাৎ- দেবি, তুমি চণ্ড ও মুণ্ডের মস্তকদ্বয় আমার নিকট আনিয়াছ বলিয়া ধরিত্রীতে তুমি চামুণ্ডা নামে বিখ্যাত হইবে।

অগ্নিপুরাণে আট প্রকার চামুণ্ডার উল্লেখ আছে। যথা- রুদ্রচর্চিকা, রুদ্রচামুণ্ডা, মহালক্ষ্মী, সিদ্ধচামুণ্ডা, সিদ্ধযোগেশ্বরী, রূপবিদ্যা, ক্ষমা ও দন্তুরা । দুর্গা পূজার সময় সন্ধিপূজায় এই দেবী চামুণ্ডার পূজা হয়। কালিকাপুরাণে এই দেবী চামুণ্ডার একটি অন্যরূপ দেখা যায়। নীল পদ্মের মতো শ্যামা , চতুর্ভুজা, ডানদিকের দুই হাতে খটাঙ্গ, চন্দ্রহাস খড়্গ- বামদিকের দুই হাতে পাশ ও ঢাল ধারণ করে আছেন। গলায় মুণ্ডমালা, পরনে বাঘছাল,শীর্ণ ও দীর্ঘকায়া, বড় বড় দাঁত বাইরে , জিহ্বা লকলক করছে । তাঁর ত্রিনয়ন লাল, মুখ ও কর্ণ বড়। দেবী একটি কবন্ধের উপর বিরাজ করছেন। বামন পুরাণ, দেবীভাগবতপুরাণেও চামুণ্ডা দেবীর কথা আছে।

ব্রহ্মর্ষি সত্যদেব “সাধন সমর” গ্রন্থে লেখেছেন- “কালী- কালশক্তি । যে চৈতন্যময়ী মহাশক্তি কালবোধে প্রবুদ্ধা হন, তাঁহাকেই কালীশক্তি বলে। কালাতীত সত্তায় প্রবেশ করিতে হইলে , সকল সাধককেই এই কালীমূর্তির ভিতর দিয়া প্রবেশ করিতে হয় । কালী মা আমার ভীষণা সংহারিণী মহতী শক্তি । ”

স্বামী বেদানন্দজী লিএখেছেন- “ এই ‘চণ্ড’ ও ‘মুণ্ড’ হল নরনারীদের মনের ‘প্রবৃত্তি’ ও ‘নিবৃত্তি’ রূপ মনের বৃত্তির প্রতীকস্বরূপ। আমাদের যেকোনো মনের বৃত্তি হয় প্রবৃত্তি বা ভোগমুখী , নয়তো নিবৃত্তি বা ত্যাগমুখী হয়ে থাকে। কিনতি পরমাত্মার মধ্যে অবস্থান করতে হলে বা আনন্দময়ী মায়ের কোলে উঠে বসতে গেলে এই ‘প্রবৃত্তি’ ও ‘নিবৃত্তি’ উভয়কেই বিনাশ করতে হবে। নচেৎ ‘মাতৃময়’ হওয়া কোনোভাবেই সম্ভব হয় না।”

দংষ্ট্রাকরালবদনে শিরোমালাবিভূষণে ।
চামুণ্ডে মুণ্ডমথনে নারায়ণি নমোহস্তু তে ।।

🔱✨ কোয়ার্টজ ক্রিস্টাল শ্রীযন্ত্র ও সেলেনাইট প্লেট ✨🔱🌸 দেবী মহালক্ষ্মীর কৃপা, সমৃদ্ধির প্রার্থনা ও আধ্যাত্মিক সাধনার এক ...
14/10/2026

🔱✨ কোয়ার্টজ ক্রিস্টাল শ্রীযন্ত্র ও সেলেনাইট প্লেট ✨🔱

🌸 দেবী মহালক্ষ্মীর কৃপা, সমৃদ্ধির প্রার্থনা ও আধ্যাত্মিক সাধনার এক পবিত্র প্রতীক 🌸

আপনার বাড়ি, পূজার স্থান, অফিস কিংবা মেডিটেশন কর্নারকে আরও সুন্দর ও আধ্যাত্মিকভাবে অর্থবহ করে তুলতে নিয়ে আসুন Quartz Crystal Shree Yantra with Selenite Plate।

শ্রীযন্ত্র শুধু একটি সুন্দর জ্যামিতিক নকশা নয়। হিন্দু আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যে এটি দেবী ত্রিপুরাসুন্দরী, শিব-শক্তির ঐক্য, সৃষ্টি এবং মহাজাগতিক চেতনার এক বিশেষ প্রতীক। শ্রীবিদ্যা সাধনায় শ্রীযন্ত্রের গুরুত্ব অত্যন্ত গভীর। 🙏

💎 QUARTZ CRYSTAL SHREE YANTRA — কেন এত বিশেষ?

🔱 শ্রীযন্ত্র কী?

শ্রীযন্ত্রকে শ্রীচক্র নামেও পরিচিত। এটি একটি পবিত্র জ্যামিতিক নকশা, যা প্রাচীন হিন্দু তান্ত্রিক ও আধ্যাত্মিক সাধনায় ব্যবহৃত হয়। বহু ভক্ত ও সাধক একে দেবীশক্তির প্রতীক হিসেবে পূজা, ধ্যান ও প্রার্থনার কাজে ব্যবহার করেন।

শ্রীযন্ত্রের প্রতিটি অংশের রয়েছে বিশেষ প্রতীকী তাৎপর্য। এর কেন্দ্রীয় বিন্দু থেকে বাইরের স্তর পর্যন্ত পুরো নকশাটি সৃষ্টি, চেতনা এবং আধ্যাত্মিক উপলব্ধির একটি প্রতীকী যাত্রাকে তুলে ধরে।

🔺 শ্রীযন্ত্রের জ্যামিতিক নকশার রহস্য

একটি ঐতিহ্যবাহী শ্রীযন্ত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল—

✨ ৯টি পরস্পর সংযুক্ত ত্রিভুজ: ৪টি ঊর্ধ্বমুখী ও ৫টি নিম্নমুখী ত্রিভুজের সমন্বয়।

✨ ৪৩টি ছোট ত্রিভুজাকার ক্ষেত্র: মূল ত্রিভুজগুলির পারস্পরিক ছেদ থেকে তৈরি হয়।

✨ কেন্দ্রীয় বিন্দু বা Bindu: একত্ব, সৃষ্টির উৎস ও পরম চেতনার প্রতীক।

✨ ৮ পাপড়ির পদ্ম: চেতনার বিকাশ ও আধ্যাত্মিক প্রস্ফুটনের প্রতীক।

✨ ১৬ পাপড়ির পদ্ম: ঐতিহ্যগতভাবে পূর্ণতা, আকাঙ্ক্ষা ও শক্তির বিভিন্ন দিকের সঙ্গে যুক্ত।

✨ বাইরের চার-দ্বারযুক্ত বর্গাকার সীমানা: পবিত্র ক্ষেত্র বা মন্দিরের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

চারটি ঊর্ধ্বমুখী ত্রিভুজকে ঐতিহ্যগতভাবে শিবতত্ত্ব এবং পাঁচটি নিম্নমুখী ত্রিভুজকে শক্তিতত্ত্বের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। তাদের মিলন চেতনা ও সৃষ্টিশীল শক্তির ঐক্যকে প্রকাশ করে।

🌌 শ্রীযন্ত্র, মহাবিশ্ব ও প্রকৃতির দিব্যশক্তি

আধ্যাত্মিক বিশ্বাস অনুসারে, শ্রীযন্ত্রের জ্যামিতিক বিন্যাস সমগ্র সৃষ্টি ও মহাবিশ্বের অন্তর্নিহিত ঐক্যের প্রতীক। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে প্রকৃতি, চেতনা ও জীবনের বিভিন্ন দিক একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।

পূজা, মন্ত্রজপ, ধ্যান ও একাগ্রতার মাধ্যমে শ্রীযন্ত্রকে কেন্দ্র করে একটি অর্থবহ আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি করা যায়।

অনেক সাধক বিশ্বাস করেন, পরিষ্কার ও শান্ত স্থানে শ্রদ্ধার সঙ্গে শ্রীযন্ত্র স্থাপন করে নিয়মিত প্রার্থনা করলে সেই স্থানটি তাঁদের কাছে ভক্তি, ইতিবাচক মনোভাব, কৃতজ্ঞতা ও আধ্যাত্মিক সংযোগের কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

🌈 শ্রীযন্ত্র ও সাতটি চক্রের সম্পর্ক

শ্রীযন্ত্রকে কেন্দ্র করে ধ্যান করার সময় সাতটি চক্রের গুণাবলি নিয়ে মনন ও আত্মসচেতনতার চর্চা করা যেতে পারে।

❤️ ১. মূলাধার চক্র — স্থিতি ও নিরাপত্তা
জীবনের ভিত্তি, স্থিরতা, নিরাপত্তাবোধ এবং মাটির সঙ্গে সংযোগের প্রতীক।

🧡 ২. স্বাধিষ্ঠান চক্র — সৃজনশীলতা ও আবেগ
সৃজনশীলতা, আবেগের প্রবাহ এবং পরিবর্তনকে গ্রহণ করার মানসিকতার সঙ্গে যুক্ত।

💛 ৩. মণিপুর চক্র — আত্মবিশ্বাস ও ইচ্ছাশক্তি
আত্মবিশ্বাস, সংকল্প, ব্যক্তিগত ক্ষমতা ও লক্ষ্যপূরণের প্রেরণার প্রতীক।

💚 ৪. অনাহত চক্র — প্রেম ও সম্প্রীতি
ভালোবাসা, সহমর্মিতা, কৃতজ্ঞতা ও সম্পর্কের ভারসাম্যের সঙ্গে যুক্ত।

💙 ৫. বিশুদ্ধ চক্র — যোগাযোগ ও সত্য প্রকাশ
স্পষ্টভাবে কথা বলা, নিজের ভাবনা প্রকাশ এবং সচেতন যোগাযোগের প্রতীক।

💜 ৬. আজ্ঞা চক্র — অন্তর্দৃষ্টি ও উপলব্ধি
আত্মপর্যালোচনা, অন্তর্দৃষ্টি ও মানসিক স্বচ্ছতার সঙ্গে যুক্ত।

🤍 ৭. সহস্রার চক্র — আধ্যাত্মিক চেতনা
দিব্যচেতনা, আধ্যাত্মিক উপলব্ধি ও পরমের সঙ্গে সংযোগের প্রতীক।

শ্রীযন্ত্রকে ধ্যানের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে এই গুণগুলি নিয়ে মনন করা যেতে পারে। এটি একটি আধ্যাত্মিক অনুশীলন, চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত চক্র-নির্ভর ফলাফলের দাবি নয়।

💰 শ্রীযন্ত্র, অর্থ, সমৃদ্ধি ও দেবী মহালক্ষ্মীর কৃপা

দেবী মহালক্ষ্মীকে ঐশ্বর্য, সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের দেবী হিসেবে পূজা করা হয়। সেই ঐতিহ্যে শ্রীযন্ত্রকে প্রাচুর্য ও শুভতার একটি বিশেষ প্রতীক হিসেবে মানা হয়।

🌺 ভক্তি ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস অনুসারে, শ্রীযন্ত্র স্থাপন করে প্রার্থনা করা যেতে পারে—

✨ দেবী মহালক্ষ্মীর আশীর্বাদ ও কৃপা প্রার্থনার জন্য।

✨ অর্থ ও সমৃদ্ধির প্রতি ইতিবাচক ও সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে।

✨ ব্যবসা, কর্মজীবন ও আর্থিক লক্ষ্যের জন্য শুভকামনা জানাতে।

✨ অর্থের সঠিক ব্যবহার, সঞ্চয় ও দায়িত্বশীল আর্থিক সিদ্ধান্তের কথা স্মরণ রাখতে।

✨ কৃতজ্ঞতা, সততা, উদারতা ও প্রাচুর্যের মানসিকতা চর্চা করতে।

✨ পূজা, ধ্যান ও মন্ত্রজপের জন্য একটি নির্দিষ্ট পবিত্র স্থান তৈরি করতে।

মনে রাখবেন: শ্রীযন্ত্রকে আর্থিক সমৃদ্ধির আধ্যাত্মিক প্রতীক হিসেবে মানা হয়, কিন্তু এটি অর্থলাভ, ব্যবসায়িক সাফল্য বা আর্থিক সমস্যার সমাধানের নিশ্চয়তা দেয় না। বাস্তব পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🏡 বাস্তু ও শ্রীযন্ত্রের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব

অনেক বাস্তু ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যে শ্রীযন্ত্রকে বাড়ি বা কর্মস্থলে শুভতা, সম্প্রীতি এবং সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে স্থাপন করা হয়।

🌿 পূজার ঘর বা মেডিটেশন স্পেসে একটি পবিত্র কেন্দ্র তৈরি করতে পারে।

🌿 বাড়ির পরিবেশে ভক্তি ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে পারে।

🌿 প্রতিদিনের প্রার্থনা, ধ্যান ও ইতিবাচক সংকল্পের স্মারক হিসেবে কাজ করতে পারে।

🌿 কর্মস্থলে লক্ষ্য, শৃঙ্খলা ও সচেতনতার কথা মনে করিয়ে দিতে পারে।

বাস্তু-সংক্রান্ত আশীর্বাদ ও ফলাফল বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের বিষয়; নির্দিষ্ট দিক বা স্থানে রাখলেই নিশ্চিতভাবে অর্থ বা সৌভাগ্য আসবে—এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

💎 কোয়ার্টজ ক্রিস্টালের বিশেষত্ব

স্বচ্ছ কোয়ার্টজ ক্রিস্টাল তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও স্বচ্ছতার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়। ক্রিস্টাল-ভিত্তিক আধ্যাত্মিক চর্চায় একে সাধারণত স্বচ্ছতা, একাগ্রতা ও সংকল্পের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

✨ শ্রীযন্ত্রের সূক্ষ্ম জ্যামিতিক নকশাকে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরে।

✨ পূজা ও মেডিটেশন স্পেসে সুন্দর আধ্যাত্মিক সাজসজ্জা তৈরি করে।

✨ ধ্যানের সময় একাগ্রতার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

✨ নিজের উদ্দেশ্য, প্রার্থনা ও আধ্যাত্মিক লক্ষ্য স্মরণ করিয়ে দেয়।

🤍 সেলেনাইট প্লেট — শ্রীযন্ত্রের জন্য একটি সুন্দর ভিত্তি

সেলেনাইট একটি নরম, জল-সংবেদনশীল খনিজ। ক্রিস্টাল চর্চায় একে প্রায়ই আধ্যাত্মিক শুদ্ধতা ও স্বচ্ছতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

কোয়ার্টজ ক্রিস্টাল শ্রীযন্ত্রকে সেলেনাইট প্লেটের উপর রাখলে তৈরি হয় একটি সুন্দর ও অর্থবহ আধ্যাত্মিক বিন্যাস।

✨ শ্রীযন্ত্রের জন্য একটি আকর্ষণীয় ভিত্তি তৈরি হয়।

✨ পূজার স্থান বা মেডিটেশন কর্নারের সৌন্দর্য বাড়ে।

✨ কোয়ার্টজ, শ্রীযন্ত্র ও সেলেনাইটের প্রতীকী অর্থকে একসঙ্গে নিয়ে প্রার্থনা ও ধ্যান করা যায়।

✨ নিয়মিত আধ্যাত্মিক অনুশীলন ও কৃতজ্ঞতার অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।

✨ ক্রিস্টাল-ভিত্তিক আধ্যাত্মিক চর্চায় সেলেনাইটকে cleansing-এর প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

যত্নের পরামর্শ: সেলেনাইট প্লেট জলে ভেজাবেন না। শুকনো, নরম কাপড় দিয়ে আলতোভাবে পরিষ্কার করুন।

🧘 REIKI + QUARTZ CRYSTAL SHREE YANTRA

Reiki practitioner-দের কাছে শ্রীযন্ত্র একটি অর্থবহ ধ্যানের কেন্দ্র হতে পারে। Reiki practice-এর সঙ্গে শ্রীযন্ত্র ব্যবহার করে প্রার্থনা, কৃতজ্ঞতা, একাগ্রতা ও ইতিবাচক সংকল্পের চর্চা করা যায়।

🌟 এই সমন্বয়ের সম্ভাব্য আধ্যাত্মিক ও মননমূলক উপযোগিতা—

✨ Reiki meditation-এর জন্য একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্র তৈরি করা।

✨ নিজের আধ্যাত্মিক অনুশীলনে নিয়মিততা বজায় রাখা।

✨ প্রাচুর্য, কৃতজ্ঞতা ও জীবনের লক্ষ্য নিয়ে মনন করা।

✨ শান্ত ও মনোযোগী পরিবেশ তৈরি করা।

✨ Reiki practice-এর সঙ্গে ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিক বিশ্বাসকে যুক্ত করা।

✨ নিজের সংকল্প ও ইতিবাচক অভ্যাসের প্রতি সচেতন থাকা।

Reiki এবং শ্রীযন্ত্রের ঐতিহ্যগত ভূমিকা আলাদা। এদের একসঙ্গে ব্যবহার ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার অংশ হতে পারে, তবে বিশেষ আর্থিক লাভ বা নির্দিষ্ট healing result-এর নিশ্চয়তা নয়।

🌸 কীভাবে ব্যবহার করবেন?

১. শ্রীযন্ত্রটিকে পরিষ্কার ও সম্মানজনক স্থানে, যেমন পূজার ঘর বা মেডিটেশন কর্নারে রাখুন।

২. কয়েক মুহূর্ত শান্ত হয়ে বসুন এবং নিজের শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে মনোযোগ দিন।

৩. নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রথা অনুসারে দেবী মহালক্ষ্মী বা আরাধ্য দেবতার কাছে প্রার্থনা করুন।

৪. শ্রীযন্ত্রের কেন্দ্রীয় বিন্দুতে মনোযোগ দিয়ে ধ্যান করুন।

৫. Reiki practitioner হলে নিজের প্রশিক্ষণ অনুযায়ী Reiki practice করুন।

৬. কৃতজ্ঞতা, সততা, সঠিক আর্থিক সিদ্ধান্ত এবং নিজের লক্ষ্যপূরণের জন্য ইতিবাচক সংকল্প করুন।

🔱 আপনার আধ্যাত্মিক স্থানের জন্য এক বিশেষ সংযোজন

আপনি Reiki practitioner হন, ক্রিস্টাল ভালোবাসেন, দেবী মহালক্ষ্মীর ভক্ত হন কিংবা পবিত্র জ্যামিতির প্রতি আগ্রহী হন—Quartz Crystal Shree Yantra with Selenite Plate আপনার পূজার স্থান বা মেডিটেশন কর্নারের জন্য একটি সুন্দর ও অর্থবহ সংযোজন হতে পারে।

🌿 ভক্তি • কৃতজ্ঞতা • একাগ্রতা • সচেতনতা • আধ্যাত্মিক বিকাশ

📿 ক্রয় ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন

Reiki Grand Master Sattasundar Sadhukhan
Founder of B.M.S Healing Temple

📱 WhatsApp: 096749 17047

🙏 আপনার ঘরে শান্তি, মনে কৃতজ্ঞতা, কাজে প্রজ্ঞা এবং জীবনের পথে আধ্যাত্মিক বিকাশের আলো ছড়িয়ে পড়ুক। 🌸✨

B.M.S Healing Temple
Learn Reiki • Practice Reiki • Experience Reiki • Share Healing • Grow Together

#শ্রীযন্ত্র #দেবীমহালক্ষ্মী #মহালক্ষ্মীরকৃপা #আধ্যাত্মিকতা #বাস্তু

🙏✨ SUBHO MAHALAYA | A DIVINE AWAKENING OF THE SOUL ✨🙏Mahalaya is not just the arrival of Goddess Durga; it is a sacred r...
10/10/2026

🙏✨ SUBHO MAHALAYA | A DIVINE AWAKENING OF THE SOUL ✨🙏
Mahalaya is not just the arrival of Goddess Durga; it is a sacred reminder that divine power resides within each of us. 🌺🔱

As we welcome Maa Durga, may we awaken the light within our souls, release negative energies, overcome our inner darkness, and reconnect with the Divine.

🌸 May Maa Durga bless us with:
✨ The wisdom to choose the path of truth.
🙏 The strength to overcome fear and negativity.
🪷 The peace to accept life with faith and gratitude.
🔱 The courage to stand against injustice and protect what is right.
💫 The spiritual awareness to recognise the Divine within ourselves and all living beings.

True spirituality begins when we conquer the darkness within. May the Divine Mother guide our thoughts, purify our intentions, strengthen our faith, and fill our hearts with compassion, courage, and unconditional love.

May this sacred Mahalaya mark a new beginning — a journey from darkness to light, from fear to faith, and from ignorance to spiritual awakening. 🕉️✨

🌺May Maa Durga's divine presence bring peace, positivity, and spiritual growth into every life.

🙏 Subho Mahalaya. May the Divine Mother's arrival be auspicious for all.

🔱 Jai Maa Durga! 🔱

।। অক্ষরা রাত্রি ।। (১)বিশ্বজননীর শ্রী শ্রী চণ্ডীর প্রথম চরিত্র হোলেন, মহাকালী— ইনিই রাত্রি নামে পরিচিতা। ভগবতী কালিকা স...
08/10/2026

।। অক্ষরা রাত্রি ।। (১)

বিশ্বজননীর শ্রী শ্রী চণ্ডীর প্রথম চরিত্র হোলেন, মহাকালী— ইনিই রাত্রি নামে পরিচিতা। ভগবতী কালিকা সংসার বিনাশ করেন ও জীবের মুক্তি দান করেন।

🪷 বেদে রাত্রি দেবী হলেন শিবা, শুভগা, সকলের আশ্রয় স্থল, শত্রুনাশিনী-

🔴 আ রাত্রি পার্থিবং রজঃ পিতুরাপ্ৰায়ি ধামভিঃ।।
দিবঃ সদাংসি বৃহতী বি তিষ্ঠস আ ত্বেষং বর্ততে তমঃ... (১)

🟡 হে রাত্রি! তুমি তোমার অন্ধকারের দ্বারা পৃথিবী লোক এবং পিতৃগণের লোক স্বর্গকে পূর্ণ করেছ। মহান রাত্রি দ্যুলোকের স্থানসমূহকে বিশেষভাবে ব্যাপ্ত করে। নীল বর্ণের অন্ধকার সকলকে আবৃত করে।

🔴 ন যস্যাঃ পারং দদৃশে ন যোযুবদ্ বিশ্বমস্যাং নি বিশতে যদেজতি।
অরিষ্টা সস্ত উর্বি তমস্বতি রাত্রি পারমশীমহি ভদ্র পারমশীমহি।। (২)

🟡 রাত্রির কোনো শেষ দেখা যায় না। লোকব্যাাপিনী রাত্রিতে চরাচর বিশ্ব একাকার হয়ে যায়। হে কল্যাণী, বিশাল ও তমোময়ী রাত্রি! আমরা যেন কোনো ক্ষতি না হয়ে তোমার অপর পারে (প্রভাতে) পৌঁছাতে পারি। ~ অথর্ববেদ, সূক্ত- ৪৭, অধ্যায়- ১৯

🔴 অতি বিশ্বান্যরুহদ্ গম্ভীড়ো বর্ষিষ্ঠমরুহন্ত শ্রবিষ্ঠাঃ।
উশতী রাত্র্যনু সা ভদ্রাভি তিষ্ঠতে মিত্র ইব স্বধাভিঃ...(২)

🟡 যাতে প্রবেশ করা কঠিন, সেই রাত্রি সমস্ত চরাচর বস্তুকে আবৃত করে বিরাজমান। অন্নপূর্ণা এই রাত্রির সকলে স্তুতি করে। সূর্য যেমন স্বীয় তেজে বিশ্বকে ব্যাপ্ত করেন, তেমনই এই রাত্রি বন, পর্বত, সাগর ইত্যাদিকে আবৃত করে জগৎ জুড়ে ছেয়ে যায়।

🔴 বর্যং বন্দে সুভগ সন্ধানং রাত্রি সুমনা ইহ স্যাম।
অস্মাংস্ত্রায়স্ব নর্যাণি জাতা অথো যানি গব্যাণি পুষ্ট্যা... (৩)

🟡 হে অনিরুদ্ধ প্রভাবশালিনী, প্রশংসিতা ও সৌভাগ্যবতী রাত্রি! তুমি আগমন করেছ। তোমার আগমনে আমি যেন প্রসন্নচিত্ত হই। আমাদের পালন করো এবং উৎপন্ন বস্তুকে, মানুষের কল্যাণকারী বিষয়কে ও পুষ্টিদাত্রী গাভীসমূহকে রক্ষা করো।

🔴 শিবাং রাত্রিমনুসূর্যং চ হিমস্য মাতা সুহবা নো অস্তু।
অস্য স্তোমস্য সুভগে নি বোধ যেন ত্বা বন্দে বিশ্বাসু দিক্ষু... (৫)

🟡 হে রাত্রি! আমি কল্যাণময়ী তোমার বন্দনা করি, সূর্যের পরবর্তীকালে তুমি প্রকট হও। তুষারের মাতা রাত্রি আমাদের জন্য সুসংবাদ আনুক। হে ভাগ্যবতী রাত্রি! আমাদের কৃত স্তোত্র গ্রহণ করো, যার মাধ্যমে আমরা সর্বদিকে তোমার বন্দনা করি।

🔴 যো অদ্য স্তেন আয়ত্যাগায়ুর্মর্ত্যো রিপুঃ।
রাত্রী তস্য প্রতীত্য প্র গ্রীবাঃ প্র শিরো হনৎ... (৯)

🟡 এই সময়ে যে চোর, হিংসুক ও মরণধর্মী শত্রু আগমন করছে, হে সুন্দর রূপবর্তী রাত্রি! আমার সমীপবর্তী সেই শত্রুর কাছে গিয়ে তার জিভ ও মাথা কেটে ফেলো।

🔴 প্রপাদৌ ন যথায়তি প্র হস্তৌ ন যথাশিষৎ।
যো মলিম্লুরুপায়তি স সংপিষ্টো অপায়তু।
অপায়তু স্বপ্নায়তু শুষ্কে স্থাণাবপায়তু... (১০)

🟡 হে রাত্রি! তুমি আমার শত্রুর পা এমনভাবে কেটে দাও যাতে সে পুনরায় আসতে না পারে। তার হাত এমনভাবে কেটে দাও যাতে সে আমাকে আলিঙ্গন করতে না পারে। যে চোর আমার কাছে আসে, তাকে চূর্ণ করে দূরে পাঠিয়ে দাও। সে যেন শুকনো কাঠের খুঁটিকে আশ্রয় করে দূরে চলে যায়।
~ওই, সূক্ত- ৪৯

🪷 এরপর বিভিন্ন গৃহ্য সূত্রে দেবীর নাম পাওয়া যায় যেমন- কালরাত্রি, মহাকালী, ভদ্রকালী, কালী, মহাকালরাত্রী, ইত্যাদী। আবার সামবেদীয় ব্রাহ্মণে রাত্রি পাশ হস্তা ময়ূর পুচ্ছের দ্বারা কেশ বন্ধনকারিণী এক যুবতী কুমারী— যিনি সকলের মোক্ষ দান করেন।

🪷 রাত্রির ভাবনা বৈদিক যুগের নয়, বরং তিনি অনার্য সমাজের সেই চিরন্তনী মৃত্যুরূপা এক করালচরিত্রা দেবী, যাকে বেদ ভিত ও সন্ত্রস্ত হয়েই ঊষা, সুর্য, জ্যোতির্ময়ী শিবার সাথে জড়িয়ে স্তুতি করেছেন। দেবীমাহাত্ম্য এই দুই সূত্রকেই এক কোরে দিয়েছে, এই অনার্য তথা অবৈদিক রাত্রি আমাদেরই চিরপরিচিতা কালী।

🪷 কৌল সম্রাট অভিনব গুপ্ত বলছেন-

ইত্যুক্তম্, তত্র কিমন্যত তিষ্ঠতীত্যাশঙ্ক্য আগমম্ পঠতি 'পরাৎ' ইতি। 'পরমেষ্ঠিনঃ' ইতি ব্যাখ্যায় 'সারতয়া' ইতি সূত্রে যদনুবাদনম্ হেতু তয়া হৃদয়ত্বে সাধ্যে, তত্ ব্যাচষ্টে 'যথা' ইতি। 'চেতনম্ প্রতিষ্ঠা' ইতি সম্বন্ধঃ, 'চেতনাবতামপি' ইতি 'যথা' ইতি সম্বন্ধঃ। তথোক্তম্—
সাক্ষাত্ কিত্স্নমিসম্ দেহম্ যদ্যাপি ব্যাপ্য তিষ্ঠতি।
তথাপ্যস্য পরম্ স্থানম্ হৃদ্পঙ্কজসমুদগকম্॥
ইত্যাদি। প্রকৃতে যোজয়তি 'তথৈব' ইতি। 'বিশ্বচেতনস্য' ইতি ভগবতঃ পরমশিবস্য ইত্যর্থঃ। সা পরা বিমর্শশক্তিঃ পরমেশ্বরস্য প্রতিষ্ঠা ইত্যনেন শব্দেন পরমেশ্বরস্য হৃদয়ম্ ইত্যনেন চ শব্দেন বাচ্যা।

এইরূপ বর্ণনার পর, "এখানে আর কী অবশিষ্ট থাকে?"—এই আশঙ্কা প্রকাশ করিয়া আগম শাস্ত্রকে উদ্ধৃত করা হইয়াছে: "পরাৎ..."। 'পারমেষ্ঠিনঃ'-এর ব্যাখ্যা প্রদানপূর্বক এবং 'সারতয়া' সূত্রে যাহা বলা হইয়াছে, তাহাকে সংবিৎ বা চেতনার 'হৃদয়ত্ব' প্রমাণের হেতু হিসাবে ব্যাখ্যাকালীন 'যথা' পদের প্রয়োগ করা হইয়াছে। ইহার সম্বন্ধ হইল: "চেতনা-ই প্রতিষ্ঠা (ভিত্তি)"। চৈতন্যময় সত্তাসমূহের ক্ষেত্রেও ইহার সম্বন্ধ 'যথা' পদের ন্যায়। যেমন বলা হইয়াছে—
"যদিও তিনি এই সমগ্র দেহে প্রত্যক্ষভাবে ব্যাপ্ত হইয়া অবস্থান করেন, তথাপি তাঁহার পরম বা শ্রেষ্ঠ স্থান হইল হৃদয়ে অবস্থিত পদ্মকোরক (হৃদ্পঙ্কজ-সমুদ্গক)।"
মূল প্রসঙ্গে ইহা যুক্ত করিয়া বলা হইতেছে: "ঠিক তেমনই" (তথৈব)। "বিশ্বচেতনস্য" বলিতে ভগবান পরমশিবের কথা বুঝানো হইয়াছে। সেই পরা বিমর্শশক্তি-কেই শিবের 'প্রতিষ্ঠা' এবং পরমেশ্বরের 'হৃদয়' শব্দ দ্বারা ব্যক্ত করা হয়।

'তস্যাশ্চ' ইতি পরমশিবরূপায়াঃ। 'অস্যাঃ' ইতি সর্বত্র বিজৃম্ভমাণায়াঃ। 'সৈব' ইতি যা এব স্বাতন্ত্র্যপ্রসরাদিশা বাহ্যপর্যন্তবিমর্শরূপা। 'এষা' ইতি অখিলপ্রকাশঅনুগ্রাহিণী। 'পূর্বিকা' ইতি ইচ্ছা দিশক্ত্যন্তরকক্ষ্যাম্—
তাবদ্গৃহ্ণাতি। 'কর্তৃতা এব' ইতি অ স্বাতন্ত্র্যলেশঃ যস্যাঃ ন কশ্চিত্। 'চিতিমাত্ররূপা' ইতি এতদেব চেতনত্বম্ যতঃ।
'পরস্বাতন্ত্র্যরূপম্' অস্যা ব্যাচষ্টে 'শোধিতা' ইতি। অপরদশায়াম্ ভিন্নম্, পরাপরদশায়ামভিন্নম্ ইতি উভয়থাপি যত্ বেদ্যকার্যরূপম্ বস্তু, তত্ অস্যাম্ স্বাতন্ত্র্যশক্তৌ প্রত্যস্তমিতম্ চ প্রত্যুজ্জীবনযোগ্যম্ চ, প্রত্যুজ্জীবিতম্ চ অক্রমমেব আস্তে ইতি। সেয়ম্ সপ্তত্রিংশী তত্ত্বকলা শুদ্ধষট্ ত্রিংশ্যাঃ পরম্ তত্ত্বম্ ইতি সম্বন্ধঃ।
ইয়ত্ সা রত্নম্ নির্ণীতম্ যত্ বিতত্য শ্রীবিষমদর্শনসারশাস্ত্রে নিরূপিতম্ শক্তিলক্ষণেন। ইয়তা সৌত্রম্ সারপদম্ অনুবাদমুখেন বিধিরপি ইতি ব্যাখ্যাতম্। 'পরমেষ্ঠিনঃ' ইতি ব্যাচষ্টে—
'পরমে পদে' ইতি সপ্তত্রিংশদ্রূপে। তথোক্তম্—
যোগপীঠসংস্থিতায়াঃ...
ইতি মন্ত্রতত্ত্বম্ ব্যাখ্যাতুম্ ভগবতা—
যোগোঽস্য শক্তয়ঃ স্বাক্যা... (মা০ বি০ ৪।৫)
ইতি, অন্যত্রাপি—
সা পরা পরমা দেবী যোগে ভৈরবযামলে॥

'তস্যাশ্চ' (এবং তাঁহার)— যিনি পরমশিবরূপা। 'অস্যাঃ' (ইঁহার)— যিনি সর্বত্র বিজৃম্ভিত বা প্রস্ফুটিত হইয়া আছেন। 'সৈব' (তিনিই)— যিনি স্বাতন্ত্র্যের প্রসার ইত্যাদির মাধ্যমে বাহ্য রূপ পর্যন্ত বিमर्श স্বরূপা। 'এষা' (ইনি)— যিনি নিখিল প্রকাশকে অনুগ্রহ দান করেন। 'পূর্বিকা' (পূর্ববর্তিনী)— যিনি ইচ্ছা ইত্যাদি অপরা শক্তির অভ্যন্তরীণ কক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেন।
'কর্তৃতাই'— যাহার মধ্যে পরাধীনতার লেশমাত্রও নাই। 'চিতিমাত্ররূপা'— কারণ ইহাই মূল সচেতনতা (চেতনত্ব)।
তাঁহার 'পর-স্বাতন্ত্র্য রূপের' ব্যাখ্যা দিয়া বলা হইয়াছে— 'শোাধিতা'। অপরা দশায় ভিন্ন এবং পরাপরা দশায় অভিন্ন— উভয় রূপেই যাহা জ্ঞাতব্য বা কার্যরূপ বস্তু, তাহা এই স্বাতন্ত্র্যশক্তিতে বিলীন হয়, পুনরুজ্জীবিত হওয়ার যোগ্য হয় এবং ক্রমহীনভাবেই (একই সাথে) পুনরুজ্জীবিত হইয়া অবস্থান করে। অতএব, এই ৩৭তম তত্ত্বকলা (সপ্তত্রিংশী তত্ত্ব) হইল শুদ্ধ ৩৬টি তত্ত্বের অতীত পরম তত্ত্ব।
ইহা সেই পরম রত্ন রূপে নির্ণীত হইয়াছে, যাহা 'শ্রীবিষমদর্শনসারশাস্ত্র'-এ বিস্তৃতভাবে শক্তির লক্ষণ দ্বারা নিরূপণ করা হইয়াছে। সূত্রীয় মূল পদ অনুবাদ ও বিধির মাধ্যমে এইরূপে ব্যাখ্যাত হইয়াছে। 'পারমেষ্ঠিনঃ' পদের ব্যাখ্যায় বলা হইয়াছে—
'পরম পদে'— অর্থাৎ ৩৭তম তত্ত্বরূপে। যেমন বলা হইয়াছে— "যোগপীঠসংস্থিতা..."।
মন্ত্ৰতত্ত্ব ব্যাখ্যা করিবার উদ্দেশ্যে ভগবান বলিয়াছেন: "যোগোঽস্য শক্তয়ঃ স্বাক্যা..." (মালিনীবিজয়োত্তর তন্ত্র ৪.৫)। অন্যত্রও বলা হইয়াছে— "তিনিই পরম যোগে পরমেশ্বরী পরা দেবী ভৈরবযামল..."। ~[ঈশ্বরপ্রত্যাভিজ্ঞা টীকা অভিনব গুপ্ত]

🪷 অর্থাৎ এই দেবীই পরা অবস্থায় ৩৭ তত্ত্বে স্থিতা, ইচ্ছাদী পঞ্চশক্তির ঊর্ধ্বে ও সম্পূর্ন স্বাতন্ত্র্যবলে ৩৬ তত্ত্বে রূপান্তরিত হন। এখন দেবীকেই শিবের উদ্দেশ্যে গমণকারিণী মুখ বা প্রবেশ বলা হয়েছে, এবং অদ্বিতীয়া দেবীই সাধককে নিজেরই শিব দশার সহিত মিলন ঘটান, যেমন তন্ত্রালোকে বলা হয়েছে-

ইত্যাশঙ্ক্যাহ— ইত্থম্ দ্বাদশধা সংবিচ্ছন্তী বিশ্বমাতৃষু॥ ১৯৮॥
একৈবেতি ন কাস্যাঃ ক্রমস্য নিয়মঃ ক্বচিত্।
ক্রমাভাবান্ন যুগপত্তদভাবাত্ ক্রমোঽপি ন॥ ১৯৯॥
ক্রমাক্রমকথাতীতং সং ভিত্তত্ত্বং সুনির্মলম্।
চ নীলাদ্যর্থবিশেষং স্বাপেক্ষয়া যুগপত্ দ্বাবেন
অভিমন্যতে, ইতি তস্যৈব ক্রমযৌগপদ্যা অবভাসঃ,
যদুক্তম্—
'সর্বত্রাভাসভেদো হি ভ্বেত্ কালক্রমা করঃ।
বিচ্ছিন্নাভাবাসঃ শুন্যাদের্মাতৃভাত্স্য নো সকল্॥' ইতি॥ ১৯৮-১৯৯॥
ননু যদি এবম্ তদস্যাঃ পরস্যাঃ সংবিদঃ কথম্
নামাবাহনবিকার্জনাদ্যাত্মকত্বাত্ ক্রমানুপ্রাণিতা পূজা
ভ্বেত্? ইত্যাশঙ্ক্যাহ—
তদস্যাঃ সংবিদো দেব্যা যত্র ক্বাপি প্রবর্তনম্॥ ১৮০॥
তাদাত্ম্যযোগেন পূজা পূর্ণৈব বর্ততে। তত্র—
যত্র ক্বচন সংবিদবষ্টম্ভেনবস্থানং নাম মুখ্যা পূজা, ন
পুনরাবাহনাদিরূপইতি তাৎপৰ্য্যার্থঃ, যদুক্তম্—
'যস্মিন্ যস্মিংশ্চক্রবরে তত্স্পর্শাহ্লাদনিবৃ তিঃ।
তদবষ্টম্ভযোগো যঃ স হি পূজা বিধিঃ স্মৃতঃ॥' ইতি॥ ১৮০॥

"যদিও এই সংবিৎ (পরম চেতনা) বিশ্বমাতৃকাগণের মধ্যে ১২টি রূপে বিরাজিত, তথাপি প্রকৃতপক্ষে তিনি 'একই'। এখানে ক্রমের (পর্যায়ের) কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নাই। যেহেতু প্রকৃত অর্থে কোনো ক্রম নাই, তাই ইহা 'যুগপৎ' (একই সাথে ঘটে এমন) নয়; আবার যুগপৎ না হওয়ায় ইহাকে পৃথক 'ক্রম' বলাও চলে না। বস্তুত, এই সুনির্মল পরম সংবিৎ-তত্ত্ব ক্রম ও অক্রমের সমস্ত আলোচনার অতীত।"
"নীল ইত্যাদি বাহ্য বিষয়সমূহ নিজের অপেক্ষায় যুগপৎ ভাসমান বলিয়া মনে হয়, ইহা কেবল সেই পরম চেতনার ক্রম ও যুগপৎ অবভাস (প্রকাশ) মাত্র। যেমন বলা হইয়াছে—
'সর্বত্র ভাসমান অবভাস বা রূপের ভেদই কালক্রমের মূল কারণ। শূন্য প্রভৃতির বিচ্ছিন্ন অবভাস প্রমাথার প্রকাশের দ্বারা একবারে ঘটে না।'"

"প্রশ্ন উঠে: যদি এমনই হয়, তবে এই পরা সংবিৎ-দেবীর আবাহন, বিসর্জন ইত্যাদি কায়িক বা ক্রমানুসারী পূজা কীভাবে সম্ভব?

এই শঙ্কার উত্তরে বলা হইয়াছে:
এই সংবিৎ দেবীর পূজা যেখানেই তাড়াত্ম্য বা অভেদ যোগের দ্বারা অনুষ্ঠিত হয়, সেখানেই তাহা 'পূর্ণ পূজা' রূপে বিরাজ করে। সেখানে সংবিদের অবষ্টম্ভে (পরম চেতনায় স্থির হইয়া) অবস্থান করাই প্রধান পূজা, বাহ্যিক আবাহন বা বিসর্জন নয়। যেমনতন্ত্রালোকে (আহ্নিক ৪) বলা হইয়াছে—
'যে যে শ্রেষ্ঠ চক্রে তাঁহার স্পর্শজনিত আহ্লাদ ও শান্তি প্রাপ্ত হওয়া যায়, তাহাতেই সংবিদের স্থিতিলাভ করার যোগই প্রকৃত পূজাবিধি বলিয়া স্মৃত।' "

🪷 আবার তাঁরই শিষ্য, ক্ষেমরাজ বিজ্ঞান ভৈরবের টীকায় বলেন এই পরাশক্তি স্বয়ং নির্বিকল্পা অদ্বৈতপদে স্থিতা, এবং স্বয়ং প্রশ্ন ও উত্তর রূপে স্পন্দিতা হন। ভৈরবের পরম নিস্কল রূপ এই পরাদেবীই আবার শিবের উদ্দেশ্যে গমন করার পথ, উক্ত তন্ত্রে বলা হচ্ছে-

বর্ণস্য সবিসর্গস্য
বিসর্গান্তং চিতিং কুরু ।
নিরাধারেণ চিত্তেন
স্পৃশেদ্ব্রহ্ম সনাতনম্ ॥ ৯১ ॥

দিগ্দিগন্তের সীমারহিত আকাশতুল্য সর্বব্যাপী রূপে নিজ আত্মাকে ধ্যান করবে। তখন আশ্রয়হীন পরম চিতি শক্তি নিজের প্রকৃত স্বরূপ উন্মোচিত করবেন। ॥ ৯২ ॥

🪷 দেবীকে অভিনব গুপ্ত তাঁর পরাত্রিশিকায় বলেছেন যে অনুত্তরা স্বয়ংপ্রকাশ্যা মাতৃকা শক্তিরূপে অ থেকে ক্ষ পর্যন্ত সর্ব তত্ত্বের জননী— বিশ্বতীর্ণা হয়েও দেবী বিশ্বময়ী। দেবী মাহাত্ম্যে তাই ব্রহ্মা বলেছেন-

ত্বং স্বাহা ত্বং স্বধা ত্বং হি বষট্কারঃ স্বরাত্মিকা ।
সুধা ত্বমক্ষরে নিত্যৈ ত্রিধা মাত্রাত্মিকা স্থিতা ॥ ১ ॥
অর্ধমাত্রা স্থিতা নিত্যা যা অনুচ্চার্যা বিশেষতঃ ।
ত্বমেব সন্ধ্যা সাবিত্রী ত্বং দেবী জননী পরা ॥ ২ ॥

হে দেবি! তুমিই স্বাহা, তুমিই স্বধা, তুমিই বষট্কার এবং তুমিই স্বরাত্মিকা (স্বরের আত্মাস্বরূপা)। তুমিই নিত্য অক্ষয় অমৃত (সুধা)। তুমি ওংকার-রূপী অ, উ, ম—এই তিন মাত্রায় স্থিতা। ॥ ১ ॥
তুমি নিত্য অর্ধমাত্রা, যা বিশেষ করে প্রপঞ্চের অগতি ও অনির্বচনীয়। তুমিই সন্ধ্যা, তুমিই গায়ত্রী/সাবিত্রী এবং তুমিই পরম বিশ্বজননী। ॥ ২ ॥

🌿✨ Reiki শেখার মাধ্যমে নিজের জীবনকে নতুনভাবে আবিষ্কার করুন ✨🌿আজ Reiki শুধু একটি healing practice-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ...
08/10/2026

🌿✨ Reiki শেখার মাধ্যমে নিজের জীবনকে নতুনভাবে আবিষ্কার করুন ✨🌿
আজ Reiki শুধু একটি healing practice-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ধীরে ধীরে Reiki-এর আলো, ইতিবাচক শক্তি এবং কল্যাণের বার্তা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। একজন মানুষ যখন নিজের জীবনে Reiki-কে গ্রহণ করেন, তখন সেই positive energy তাঁর নিজের জীবন থেকে পরিবার, প্রিয়জন এবং আশেপাশের মানুষের জন্যও একটি আশীর্বাদের মতো হয়ে উঠতে পারে। 🙏✨

এই সুন্দর Reiki journey-কে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে B.M.S Healing Temple Main Branch – Ramrajatala-এ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে—

🌸 Reiki 1st Degree Class

📅 12th October 2026

🌸 Reiki 2nd Degree Class

📅 14th October 2026

🌿 Reiki 1st Degree — Reiki-এর সঙ্গে প্রথম পরিচয়

Reiki 1st Degree হল Reiki শেখার প্রথম ধাপ। এই level-এ একজন শিক্ষার্থী Reiki-এর basic principles, energy system এবং নিজের মধ্যে Reiki practice করার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন।

Class-এ আলোচনা করা হয়—
✨ Reiki কী এবং Reiki-এর মূল ধারণা
✨ Reiki energy ও healing-এর basic understanding
✨ Aura ও Chakra সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা
✨ বিভিন্ন Chakra-এর কাজ ও গুরুত্ব
✨ শরীরে স্পর্শের মাধ্যমে Reiki Healing করার পদ্ধতি
✨ নিজের জন্য Reiki practice করার নিয়ম
✨ দৈনন্দিন জীবনে Reiki-এর ব্যবহার
✨ নিজের মধ্যে positive awareness ও healing consciousness তৈরি করা

Reiki 1st Degree শেখার পর একজন practitioner নিজের জন্য নিয়মিত Reiki practice করতে পারেন এবং Reiki-এর মাধ্যমে নিজের inner balance, relaxation ও positive wellbeing-এর দিকে কাজ করতে পারেন।

🌟 Reiki 2nd Degree — Reiki-এর আরও গভীর ও বিস্তৃত ব্যবহার

Reiki 2nd Degree হল Reiki learning-এর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই level-এ Reiki-এর ব্যবহার আরও বিস্তৃত হয় এবং বিভিন্ন intention-based ও distance healing practice শেখানো হয়।

এই level-এ শেখানো হতে পারে—
✨ Distance Reiki Healing — একই জায়গায় উপস্থিত না থেকেও দূরে থাকা ব্যক্তির জন্য Reiki practice করা
✨ Wish Healing — নির্দিষ্ট positive intention বা wish-এর জন্য Reiki ব্যবহার
✨ Programming Healing — নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে Reiki practice করা
✨ ভবিষ্যতের কোনো গুরুত্বপূর্ণ event বা situation-এর জন্য আগাম Reiki practice করে রাখা
✨ House / Vastu Healing — বাড়ির পরিবেশে positive energy ও harmony-এর জন্য Reiki practice
✨ Chakra Clearing & Balancing
✨ Reiki Wish Box ব্যবহার
✨ Reiki symbols ও তাদের বিভিন্ন spiritual/healing application সম্পর্কে শিক্ষা
✨ দূরবর্তী ব্যক্তি, স্থান বা পরিস্থিতির জন্য Reiki practice-এর পদ্ধতি

এই level-এর মাধ্যমে একজন practitioner নিজের Reiki practice-কে আরও গভীরভাবে বুঝতে এবং আরও সচেতনভাবে ব্যবহার করতে শেখেন।

💚 Reiki কেন শিখবেন?
Reiki শুধু অন্যকে healing করার জন্য শেখা নয়। প্রথমে নিজের সঙ্গে নিজের connection তৈরি করাও Reiki journey-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

নিজের জন্য Reiki practice করতে করতে একজন মানুষ নিজের চিন্তা, অনুভূতি, energy এবং জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে আরও সচেতন হতে পারেন।

আর সেই পরিবর্তনের প্রভাব ধীরে ধীরে তাঁর জীবনযাপন, সম্পর্ক এবং চারপাশের মানুষের প্রতিও ইতিবাচকভাবে প্রকাশ পেতে পারে।

🌿 একটি ছোট্ট সিদ্ধান্ত—Reiki শেখা—হয়তো আপনার নিজের সঙ্গে আপনার সম্পর্কটাকেই নতুনভাবে আবিষ্কার করার পথ খুলে দিতে পারে।

Reiki শিখুন, নিজের ভিতরের আলোকে জাগিয়ে তুলুন, নিজেকে পরিবর্তন করুন—আর সেই আলোর মাধ্যমে অন্যের জীবনেও positivity ছড়িয়ে দিন। ✨

🌸 আপনার জীবনের পরিবর্তনের শুরু হতে পারে আজ থেকেই—

“নিজেকে পরিবর্তন করার জন্য বাইরের পৃথিবী বদলানোর অপেক্ষা করবেন না।
নিজের ভিতরের শক্তিকে জাগিয়ে তুলুন—পরিবর্তনের পথ সেখান থেকেই শুরু হয়।” 🙏🌿

📍 Venue:
B.M.S Healing Temple – Main Branch
Ramrajatala, Howrah

📱 Booking & Enquiry:
096749 17047 (WhatsApp)

🌿 Learn Reiki • Practice Reiki • Experience Reiki • Share Healing • Grow Together 🌿

Address

Howrah

Telephone

+919674917047

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Reiki Grand Master Sattasundar Sadhukhan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Reiki Grand Master Sattasundar Sadhukhan:

Shortcuts

Share

Nearby health & beauty businesses