Helping Hands_RPSSJS

Call Directions Website Contact the business

Helping Hands_RPSSJS Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Helping Hands_RPSSJS, KOLKATA.

"মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য"

স্বাগতম Helping Hands Page। আমাদের এই পথচলা কোনো ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং সমাজের সেই সব অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক আন্তরিক প্রচেষ্টা, যাদের একটু ভালোবাসা আর সহমর্মিতা খুব প্রয়োজন। "মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য"

স্বাগতম Helping Hands Page . আমাদের এই পথচলা কোনো ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং সমাজের সেই সব অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক আন্তরিক প্রচেষ্টা, যাদের একটু ভালোবাসা আর সহমর্মিতা খুব প্রয়োজন।

🌟 আমাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:----

অনুপ্রেরণার উৎস:---- ভালো কাজের গল্পগুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া, যাতে অন্যরাও মানবিক কাজে উৎসাহিত হয়।

সচেতন সমাজ:--- সঠিক তথ্য ও শিক্ষামূলক বার্তার মাধ্যমে সমাজের মানুষকে সচেতন ও জ্ঞানসমৃদ্ধ করে তোলা।

বিপদের বন্ধু: -- অসহায় ও বিপন্ন মানুষের সেবায় সশরীরে বা মানসিকভাবে পাশে থাকাই আমাদের মূল লক্ষ্য। মানুষের পাশে থাকার একটি বাস্তব উদাহরণ:- যেমন ধরুন— মুহূর্তের প্রয়োজনে রক্তদান। যখন কোনো মুমূর্ষু রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজন হয়, আমরা সেই অসহায় পরিবার এবং রক্তদাতার মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করি। তবে এই মহৎ কাজটিকে স্বচ্ছ ও দালালমুক্ত রাখতে আমরা কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলি: ---
1) স্বচ্ছতা:---- আমরা নিজেরা কোনো রক্ত সংগ্রহ করে রাখি না বা কোনো ব্লাড ব্যাংক নই। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত রক্তদাতার সাথে রোগীর পরিবারের সরাসরি যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া।
2) নিঃস্বার্থ সেবা:--- রক্তদানের বিনিময়ে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন আমরা সমর্থন করি না এবং এটি আমাদের গ্রুপে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
3) সতর্কতা:---- রক্তের নামে জালিয়াতি বা দুর্নীতি রুখতে আমরা হাসপাতালের রিকুইজিশন স্লিপ (Blood Requisition Form) এবং রোগীর বিস্তারিত তথ্য ছাড়া কোনো পোস্ট অনুমোদন করি না।

এভাবেই ছোট ছোট সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা প্রকৃত মানুষের কাছে সাহায্য পৌঁছে দিই।

🛡️ নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিশেষ নির্দেশিকা (সতর্কবার্তা)
আমাদের গ্রুপের মাধ্যমে আপনি যদি কাউকে রক্ত দিতে যান কিংবা অন্য কোনো মানবিক কাজে অংশ নিতে চান, তবে নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে নিচের বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল রাখবেন:

✅ নিশ্চিতকরণ যাচাই (Verification): যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের গ্রুপ থেকে সাহায্য নিতে বা দিতে যাওয়ার আগে অবশ্যই যাচাই করে নিন যে আপনি আমাদের অফিসিয়াল নম্বর থেকে কোনো কনফার্মেশন কল বা মেসেজ পেয়েছেন কি না।

📞 আমাদের অফিসিয়াল নম্বর: 8910437569

⚠️ সতর্কতা: উল্লিখিত এই অফিসিয়াল নম্বরটি ছাড়া অন্য কোনো অপরিচিত নম্বর বা ব্যক্তির ডাকে রক্ত দিতে গিয়ে কিংবা অন্য কোনো কাজে গিয়ে যদি কোনো প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা সমস্যায় পড়েন, তবে তার দায়ভার সম্পূর্ণ আপনার নিজের। গ্রুপ কর্তৃপক্ষ বা অ্যাডমিন প্যানেল এর জন্য দায়ী থাকবে না।

🩸 একটা নিঃশব্দ সংকট চলছে—আমরা কি সেটা অনুভব করছি?প্রায় প্রতিটি পাড়ায় বছরে অন্তত একটি রক্তদান শিবির হয়। ব্যানার লাগে, ছবি...
30/09/2026

🩸 একটা নিঃশব্দ সংকট চলছে—আমরা কি সেটা অনুভব করছি?
প্রায় প্রতিটি পাড়ায় বছরে অন্তত একটি রক্তদান শিবির হয়। ব্যানার লাগে, ছবি ওঠে, বহু মানুষ রক্তও দেন।
কিন্তু তারপর?
আজ কোনও অসুস্থ মানুষের পরিবারের ফোন এলে অনেক সময় প্রথম প্রশ্নটা হয়—
“দাদা, A+ রক্তের একজন donor পাওয়া যাবে?”
শুনতে অবাক লাগতে পারে।
কারণ A+ কোনও নেগেটিভ বা অত্যন্ত বিরল blood group নয়।
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, মোটামুটি প্রতি চার-পাঁচজনের মধ্যে একজনের A group পাওয়া যায়; অন্যদিকে AB তুলনামূলকভাবে আরও কম। তবুও বাস্তবে প্রয়োজনের মুহূর্তে A+ donor জোগাড় করতেও অনেক পরিবারকে অসহায়ভাবে ফোনের পর ফোন করতে হচ্ছে।
আমি এটা শুধু পরিসংখ্যান থেকে বলছি না।
গত কয়েক মাসে আমার নিজের কাছে অসংখ্য ফোন এসেছে—“A+ লাগবে, একটু ব্যবস্থা করতে পারবেন?”
একটার ব্যবস্থা করতে না করতেই আরেকটা ফোন।
কখনও রোগীর অপারেশন আটকে আছে।
কখনও পরিবারের মানুষ হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁদছেন।
কখনও একজন বাবা তাঁর সন্তানের জন্য donor খুঁজছেন।
কখনও কোনও সন্তান তার মা-বাবার জন্য।
ফোনের ওপাশে তখন blood group থাকে না—
থাকে শুধু একটা অসহায় মানুষের কণ্ঠ।
আমাদের সঙ্গে যুক্ত Blood Bank-গুলিও সাধ্যমতো লড়াই করছে। আমরাও যতটা পারছি পাশে থাকার চেষ্টা করছি।
কিন্তু রক্ত তৈরি করার কোনও কারখানা নেই।
একজন সুস্থ মানুষের স্বেচ্ছায় দেওয়া রক্তই আরেকজন মানুষের কাছে জীবনের সুযোগ হয়ে পৌঁছায়।
🙏 তাই আপনার Blood Group A+, B+, O+, AB+ কিংবা Negative—যাই হোক, আপনি যদি medically eligible হন, আমাদের পাশে দাঁড়ান। নিয়ম মেনে স্বেচ্ছায় রক্তদান করুন।
আজ আপনি একজন অচেনা মানুষের জন্য এগিয়ে আসুন।
কাল হয়তো আপনার পরিবারের কারও প্রয়োজনে আরও দশজন মানুষ এগিয়ে আসবেন।
আমরা কাউকে প্রতিশ্রুতি দিতে পারি না যে সবসময় রক্ত জোগাড় করতে পারব।
কিন্তু একটা প্রতিশ্রুতি দিতে পারি—
❤️ আপনারা যদি আমাদের পাশে দাঁড়ান, আমরাও শেষ চেষ্টা পর্যন্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে থাকব।
🩸 রক্ত দিন—কারণ আপনার কয়েক মিনিটের সিদ্ধান্ত কারও পরিবারের কাছে আরও একটি সকাল ফিরিয়ে দিতে পারে।
📞 রক্তদানে আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন:
--+91 9007691181 / Helping Hands-এর যোগাযোগ নম্বর

26/09/2026
20/09/2026

আমাদের প্রতিটি ভালো কাজের অংশীদার হয়েছেন—আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।�

আপনাদের বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আমাদের এগিয়ে চলার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আগামীতেও এভাবেই মানুষের পাশে থাকার পথচলায় আপনাদের সঙ্গে চাই। �

20/09/2026

আমাদের প্রতিটি ভালো কাজের অংশীদার হয়েছেন—আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।❤️

আপনাদের বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আমাদের এগিয়ে চলার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আগামীতেও এভাবেই মানুষের পাশে থাকার পথচলায় আপনাদের সঙ্গে চাই। 🙏

17/09/2026

ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করবেন।

এক প্রত্যন্ত গ্রামে বাস করত ছোট এক শিশু, নাম তার আকাশ। আকাশের চোখে ছিল অনেক স্বপ্ন, আর তার সবচেয়ে বড় আনন্দ ছিল নতুন কিছু...
13/09/2026

এক প্রত্যন্ত গ্রামে বাস করত ছোট এক শিশু, নাম তার আকাশ। আকাশের চোখে ছিল অনেক স্বপ্ন, আর তার সবচেয়ে বড় আনন্দ ছিল নতুন কিছু শেখা। কিন্তু তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। বাবার সামান্য আয়ে কোনোমতে সংসার চলত, তাই পড়াশোনার খরচ চালানো আকাশের পরিবারের জন্য এক বড় সংগ্রাম হয়ে দাঁড়িয়েছিল।একদিন আকাশের বাবা তাকে ডেকে বললেন, "বাবা আকাশ, আমাদের যা অবস্থা, তাতে তোমার স্কুলের খরচ চালানো আর সম্ভব হচ্ছে না। এবার তোমাকে কাজে নামতে হবে।"বাবার কথা শুনে আকাশের মন ভেঙে গেল। কিন্তু সে দমে যাওয়ার পাত্র ছিল না। সে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করল, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, সে তার শেখার যাত্রা থামাবে না।পরদিন থেকে আকাশ এক দর্জির দোকানে কাজে যোগ দিল। সারাদিন কাপড়ের টুকরো গোছানো আর ফরমাশ খাটার ফাঁকে সে এক মুহূর্তও নষ্ট করত না। দোকানের মালিক যখন কোনো মাপ নিতেন বা কাপড় কাটতেন, আকাশ খুব মন দিয়ে তা দেখত। সে বুঝতে পারল, শুধু বই খাতা থাকলেই শেখা যায় না, চারপাশের পরিবেশ থেকেও অনেক কিছু শেখার আছে।কাজের শেষে রাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ত, আকাশ তখন রাস্তার ল্যাম্পপোস্টের নিচে গিয়ে বসত। পুরনো ফেলে দেওয়া খবরের কাগজ আর চেয়ে আনা ছেঁড়া বইয়ের পাতা উল্টে সে পড়ার চেষ্টা করত। পড়া না বুঝলে পরদিন সকালে স্কুলের শিক্ষকের বাড়ির সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত, শুধু একটা প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য। আকাশের এই অদম্য ইচ্ছে দেখে শিক্ষক মহাশয় তাকে অবৈতনিক রাত্রিকালীন ক্লাসে ভর্তি করিয়ে দিলেন এবং নিজের থেকে কিছু বই কিনে দিলেন।কয়েক বছর পর, নিজের কাজের দক্ষতা এবং পড়াশোনার প্রতি ভালোবাসার কারণে আকাশ শুধু একজন ভালো দর্জিই হয়ে উঠল না, বরং সে বৃত্তির পরীক্ষায় পাস করে শহরের একটি বড় স্কুলে পড়ার সুযোগ পেল।আকাশের এই গল্প আমাদের শেখায় যে, ইচ্ছেশক্তি এবং একাগ্রতা থাকলে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে রাখা সম্ভব। প্রতিকূলতা আমাদের পথ আটকাতে পারে, কিন্তু আমাদের শেখার মানসিকতাকে দমাতে পারে না।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের কর্মক্ষম করে তোলার বাস্তব ও অনুপ্রেরণামূলক গল্প আমাদের সমাজে মানবিকতার এক ...
10/09/2026

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের কর্মক্ষম করে তোলার বাস্তব ও অনুপ্রেরণামূলক গল্প আমাদের সমাজে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

স্বপনের সংগ্রাম ও উদ্যোগ কুড়িগ্রামের চরের এক মানবপ্রেমিক স্বপন। তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষদের করুণার পাত্র না ভেবে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মক্ষম করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচার জন্য প্রতিবন্ধীদের সেলাইসহ নানা কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সামাজিক সংগঠন গড়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর এই দূরদর্শী সহায়তা অনেক প্রতিবন্ধী মানুষের জীবন বদলে দিচ্ছে।

সহায়তার গুরুত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গি বদলসহমর্মিতা: সামাদের মতো শারীরিক বা বাক্প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা করুণা চান না, চান আত্মমর্যাদা ও উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ।সামাজিক দায়িত্ব: অবহেলা বা লুকিয়ে না রেখে প্রতিবন্ধী শিশুদের পুনর্বাসন ও বিশেষ যত্নের মাধ্যমে সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনা উচিত।আরও জানতে এবং দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে পড়তে পারেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের সহায়তা করুন |

ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রমের জয় দরিদ্রতা বা প্রতিকূল পরিস্থিতি যে মেধার পথে বাধা হতে পারে না, তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন ক...
05/09/2026

ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রমের জয় দরিদ্রতা বা প্রতিকূল পরিস্থিতি যে মেধার পথে বাধা হতে পারে না, তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে প্রত্যন্ত গ্রামের এক সাধারণ পরিবারের সন্তান সৌমেন । ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় দারুণ মেধাবী সৌমির দিনমজুর বাবার পক্ষে তার পড়াশোনার খরচ চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। কিন্তু সৌমির স্বপ্ন ছিল আকাশছোঁয়া।মাধ্যমিক পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল করার পর অর্থাভাবে যখন তার উচ্চশিক্ষা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়, তখনই তার জীবনে আশার আলো হয়ে আসে একটি জাতীয় মেধাবৃত্তি।

🌟 যেভাবে এলো সাফল্যকঠোর পরিশ্রম ও লক্ষ্য: সৌমি প্রতিদিন নিয়ম করে ১০-১২ ঘণ্টা পড়াশোনা করত। গৃহশিক্ষক বা দামি বই কেনার সামর্থ্য না থাকলেও সে স্কুলের শিক্ষকদের সহায়তায় নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যায়।

বৃত্তির আবেদন: শিক্ষকদের পরামর্শে সে সঠিক সময়ে সরকারি ও বেসরকারি বৃত্তির জন্য আবেদন করে। তার মেধা এবং পারিবারিক আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে তাকে সম্পূর্ণ স্কলারশিপ দেওয়া হয়।সুযোগের সঠিক ব্যবহার: বৃত্তির টাকা দিয়ে সে প্রয়োজনীয় বই কেনে এবং শহরের একটি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়। হোস্টেলের খরচ এবং পড়াশোনার যাবতীয় ব্যয় সেই বৃত্তি থেকেই মিটে যায়।🏆 বর্তমান অবস্থান আজ সৌমি দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে সফলভাবে পাস করে একটি বহুজাতিক সংস্থায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। সে কেবল নিজের পরিবারকেই দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্ত করেনি, বরং তার গ্রামের আরও অনেক সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীর পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছে।

Address

Kolkata
700156

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Helping Hands_RPSSJS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Helping Hands_RPSSJS:

Shortcuts

Share