WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front

Directions Website Contact the business

WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front This is the official page of West Bengal Junior Doctors' Front (WBJDF). All the official updates and announcements will be notified here.
(2)

জরুরি। ছড়িয়ে দিন।
18/10/2026

জরুরি। ছড়িয়ে দিন।

চোরবাগান সার্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণহানি: উদ্যোক্তাদের চরম গাফিলতি ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার জবাবদিহি চাই!ভয়াবহ, মর্মান্ত...
17/10/2026

চোরবাগান সার্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণহানি: উদ্যোক্তাদের চরম গাফিলতি ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার জবাবদিহি চাই!

ভয়াবহ, মর্মান্তিক! চোরবাগান সার্বজনীনে দুর্গাপুজোর ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে ২০ জনের মৃত্যু এবং ৪৫ জন আহত হওয়ার খবর গভীরভাবে মর্মাহত করেছে আমাদের। প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী, চরম অব্যবস্থার মধ্যে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুল্যান্স ও পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। বাংলার দুর্গাপুজোর ইতিহাসে এমন মর্মান্তিক ঘটনা কখনও ঘটেনি, আমরা মর্মাহত ও স্তম্ভিত। নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।

উৎসবের মরসুমে মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা প্রশাসনের মৌলিক দায়িত্ব। ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা এবং বিপর্যয় মোকাবিলার ন্যূনতম প্রস্তুতি ছাড়া এত বড় জনসমাগম কীভাবে চলতে পারে? এই ঘটনার পেছনে যদি প্রশাসনিক অদূরদর্শিতা, চূড়ান্ত অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বে গাফিলতি থেকে থাকে, তবে তার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি।

West Bengal Junior Doctors' Front এই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করছে। একই সঙ্গে আমাদের দাবি, অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, উদ্ধার ও চিকিৎসা পরিষেবার ব্যর্থতার কারণ নির্ধারণ এবং দায়িত্বপ্রাপ্তদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় ঠেকাতে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

এই অন্ধকার সময়ে দাঁড়িয়ে এর চেয়ে দীর্ঘায়িত ফেসবুক পোস্ট লেখার সময় আমাদের নেই। আমরা এবং আমাদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সকল চিকিৎসক সহযোদ্ধারা ইমারজেন্সিতে লড়ে যাচ্ছেন তাদের কুর্নিশ, যেমন আমরা যেকোনো আপৎকালীন পরিস্থিতিতে লড়ে যাই। যেকোনো দরকারে আমাদের সঙ্গে আজ সরাসরি যোগাযোগ করুন।

উৎসব মানুষের প্রাণের চেয়ে বড় হতে পারে না। শোকের পাশাপাশি চাই সত্য উদ্ঘাটন, দায়বদ্ধতা এবং মানুষের জীবনের সুরক্ষা।

হেল্পলাইন নাম্বার:

ডাঃ সৌম্যদীপ দে: 62894 39891
ডাঃ সায়ন্তন মুখার্জি: 90025 86157
ডাঃ সাবিত হুসেন: 6295 048 291

জনগণকে ন্যায়বিচারের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতা দখলের রাজনীতি, এক তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যুকে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার...
16/10/2026

জনগণকে ন্যায়বিচারের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতা দখলের রাজনীতি, এক তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যুকে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার করে তোলা এবং সাধারণ মানুষের আবেগ ও ন্যায়বিচারের দাবিকে ক্ষমতার লড়াইয়ে ব্যবহার করা—সব মিলিয়ে ডবল ইঞ্জিনের রাজনৈতিক অভিসন্ধি ক্রমশ নগ্ন হচ্ছে। একদিকে সাধারণ মানুষের রুটিরুজির ওপর বুলডোজার, অন্যদিকে অভয়ার বিচার নিয়ে "কমিটেড" হওয়ার প্রতিশ্রুতির আড়ালে তদন্তের দীর্ঘসূত্রতা ও জবাবদিহির অভাব। এরই মধ্যে আর্থিক দুর্নীতির মামলায় সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেল সন্দীপ ঘোষ!

শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ ও বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চ কলকাতা হাইকোর্টের জামিন বাতিলের নির্দেশ খারিজ করে দেয়। ২০২৪ সালের ২৪ অগস্ট সিবিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখার নথিভুক্ত মামলার ভিত্তিতে ‘স্পেশাল কেস নং ১/২০২৫’-এ ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০বি, ৪০৯, ৪২০, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা ও জালিয়াতির মতো গুরুতর অভিযোগে চার্জশিট দাখিল হয়েছিল।

স্মরণ করা যাক, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ ছিল, সরকারি অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত। অভিযুক্তের প্রভাবশালী অবস্থানের কারণে সাক্ষীদের প্রভাবিত করার আশঙ্কা প্রকাশ করেই হাইকোর্ট জামিন খারিজ করেছিল। আজ সেই মামলাতেই সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেলেন সন্দীপ ঘোষ। অন্যতম কারণ হিসাবে সামনে আসছে সিবিআই এর দীর্ঘসূত্রিতা এবং সিবিআই ১৪৭ জন সাক্ষীর মধ্যে মাত্র ৭ জনকে কোর্টের সামনে হাজির করাতে পেরেছে এতদিনে।

কিন্তু আরও বড় প্রশ্ন অপেক্ষা করছে অভয়ার খুন ও ধর্ষণ মামলায়। সেই মামলায় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিতে পারেনি সিবিআই। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের মামলায় হেফাজতে থাকা সন্দীপ ঘোষ সেই মামলাতেই আগেই জামিন পেয়েছেন। আমরা প্রথম থেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করে এসেছি, সিবিআইয়ের তদন্তের দীর্ঘসূত্রতা ও ব্যর্থতার সুযোগে আর্থিক দুর্নীতির মামলাতেও একদিন জামিন পেয়ে যাবেন সন্দীপ ঘোষ। আজ সেই আশঙ্কাই সত্যি হল।

দুঃখ পেয়ে লাভ নেই, বিস্মিত হয়েও লাভ নেই। সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। যে মামলায় একটি তরুণীর ধর্ষণ ও খুনের বিচার হওয়ার কথা, যে মামলায় তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে অভিযুক্তকে হেফাজতে রাখা হয়েছিল, সেই মামলাতেই তদন্তকারী সংস্থা সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিতে পারল না কেন? তদন্তের এই হাল কার স্বার্থ রক্ষা করছে? কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এই ব্যর্থতার দায় কে নেবে?

জামিন মানেই নির্দোষ প্রমাণিত হওয়া নয়। কিন্তু তদন্তের দীর্ঘসূত্রতা যখন অভিযুক্তের মুক্তির পথ প্রশস্ত করে, তখন বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। ধর্ষণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্তরা জামিন পেয়ে যায়, অথচ প্রতিবাদী কণ্ঠকে দমনের অভিযোগ ওঠে, জাতীয় পতাকা ওড়ানোর ঘটনায় মানুষকে তিহার জেলে পাঠানো হয়। এ কেমন বিচার, এ কেমন ব্যবস্থা?

আর মহামহিম রাজ্য সরকার! অভয়ার বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসার পর পাঁচ মাস পেরিয়ে কার্যত অশ্বডিম্ব প্রসব করেছে যে সরকার, তাদের কাছেও আজ কোনও জবাব নেই। এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সিবিআইকে বাধা দিচ্ছিল তাই তদন্তের কাজ এগোচ্ছিল না এটা না হয় বোঝা গেল, কিন্তু আজ কেন্দ্রে ও রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার। তাহলে এখন সিবিআইয়ের এই ব্যর্থতার দায় কার? ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে সিবিআই কী করছে, তার জবাব কে দেবে?

‘অভয়া ভুলিনি’ বলে চিৎকার আর কুনাট্য মঞ্চস্থ করা ছাড়া বিচার নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান অগ্রগতি কোথায়? ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুর্নীতি, প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাটের প্রশ্ন প্রথম দিন থেকেই তুলে এসেছে West Bengal Junior Doctors’ Front। অথচ এত আন্দোলন, এত প্রতিবাদ, এত মানুষের আত্মত্যাগের পরেও বিচারপ্রক্রিয়ার এই পরিণতি! অভয়ার বিচারকে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির সিঁড়ি বানিয়ে মানুষের সঙ্গে এই নিষ্ঠুর প্রতারণা আর কতদিন?

বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে তথাকথিত ‘ওয়াশিং মেশিন মডেল’ নিয়েও ক্ষোভ ও সংশয় ক্রমশ বাড়ছে। সবুজ থেকে গেরুয়া, অভিযোগ থেকে ক্ষমতার অলিন্দে পুনর্বাসন, এই রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যেই সন্দীপ ঘোষের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন আরও তীক্ষ্ণ হচ্ছে। দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত প্রভাবশালীরা যদি ব্যবস্থার ফাঁক গলে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতার বলয়ে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পান, তবে সাধারণ মানুষ বিচার চাইবেন কার কাছে?

আজকের এই পরিণতি দেখে সত্যিই মনে হচ্ছে, অভয়ার খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় যেন কেউ দায়ীই নয়! আজ যেন গোটা ব্যবস্থা বার্তা দিতে চাইছে, No one killed Abhaya!

এবার শুধু এটুকু দেখা বাকি, সন্দীপ ঘোষকে স্বাস্থ্য ভবনে প্রিন্সিপাল কিংবা ডিএমই পদে আসীন হতে দেখি কি না! যে ব্যবস্থায় তদন্তের ব্যর্থতা, বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা আর ক্ষমতার দাপটের কাছে মানুষের ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা বারবার পরাজিত হয়, সেখানে এমন পরিণতি আর কতটা অবিশ্বাস্য?

এ কোন সকাল, রাতের চেয়েও অন্ধকার! অভয়ার বিচার চেয়ে পথে নামা মানুষের প্রশ্নের উত্তর আজও নেই। আছে শুধু প্রতিশ্রুতি, প্রহসন আর অপেক্ষা।

কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মী শামীম আহমেদের উপর বিজেপি-আরএসএস গুন্ডাদের আক্রমণের তীব্র...
04/10/2026

কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মী শামীম আহমেদের উপর বিজেপি-আরএসএস গুন্ডাদের আক্রমণের তীব্র ধিক্কার জানাই। রাজ্যজুড়ে শাসকদলের গুন্ডারাজ ও ফ্যাসিবাদী কায়দায় হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।

তৃণমূল সরকার বিদায় হলেও তৃণমূলী গুণ্ডারাজ যে নবকলেবরে গেরুয়া অবয়বে এখনও বহাল, বলা ভালো আরও ভয়ানক রূপে আত্মপ্রকাশ করছে, তারই জ্বলন্ত উদাহরণ গতকাল রাতের ঘটনা।

গড়বেতায় আইনজীবী শামীম আহমেদ এবং তাঁর সহকর্মীরা সাম্প্রদায়িক গুন্ডাদের ভয়ানক আক্রমণের মুখে পড়েন। সামনে আসা ভিডিওগুলিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, অত্যন্ত উগ্র ভঙ্গিতে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে দিতে লাঠি ও অস্ত্র হাতে একদল দুষ্কৃতী তাঁদের গাড়িতে হামলা চালাচ্ছে। গাড়ির কাঁচ ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হচ্ছে। চলছে গালিগালাজ, প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি, ধাক্কাধাক্কি ও শারীরিক নিগ্রহ। বারবার শান্তভাবে কথোপকথনের চেষ্টা করা হলেও উন্মাদের মতো সেই দুষ্কৃতী দল লাঠি-বাঁশ দিয়ে গাড়ির কাঁচ ভাঙতে থাকে। এবং পুলিশ উপস্থিত থাকলেও আক্রমণ আটকানোর কোনো প্রচেষ্টা পুলিশের তরফে দেখা যায়নি।

শামীম আহমেদ প্রথম দিন থেকেই তাঁর সহকর্মীদের সঙ্গে আমাদের, ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট তথা অভয়া আন্দোলনের পাশে সর্বশক্তি দিয়ে থেকেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ যখন বারবার প্রতিহিংসামূলক আক্রমণ নামিয়ে এনেছে আন্দোলনকারীদের উপর, তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রেই আইনজীবী এবং সহযোদ্ধা হিসেবে আমাদের পাশে থেকেছেন।

২০২৪-এর অনশন আন্দোলনের সময় পুজো পরিক্রমায় স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে ৯ জন ছাত্রকে গ্রেফতারের মামলা হোক, বেআইনিভাবে মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং উপেক্ষা করে আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের পোস্টিং পরিবর্তনের মামলা হোক, অথবা প্রায় ত্রিশ জন আন্দোলনকারী চিকিৎসক ও মেডিকেল পড়ুয়ার নামে সারি সারি মিথ্যে FIR-এর বিরুদ্ধে লড়াই, সব ক্ষেত্রেই আমরা তাঁকে পাশে পেয়েছি। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের নামে আন্দোলনকারীদের হয়রানির সময়ও আইনি সহায়তা নিয়ে তিনি এবং তাঁর টিম পাশে থেকেছেন।

নিজের রাজনৈতিক ও পেশাগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে অভয়া আন্দোলনের শুরু থেকেই আমাদের সঙ্গে মতবিনিময়, আইনি পরামর্শ ও আইনি সহায়তা দিয়ে এসেছেন আইনজীবী শামীম আহমেদ।

তাঁর উপর এই ন্যক্কারজনক আক্রমণকে আমরা তাই আমাদের উপর আক্রমণ হিসেবেই দেখছি। সাথে এটাও উল্লেখ করা প্রয়োজন এই হামলার সময় হামলাকারীরা যে ধর্মীয় স্লোগান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবহার করছে তা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করা মানুষের মৌলিক অধিকার, কিন্তু ধর্মীয় শব্দ ব্যবহার করে মানুষের ওপর আক্রমণ, বা হিংসা ও বিভেদ ছড়ানো অত্যন্ত ভয়ানক এবং সামাজিক অবক্ষয়ের পরিচয়বাহী। এর বিরুদ্ধেও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির যে ছবি প্রতিদিন সামনে আসছে, তা দেখে মনে হয় প্রশাসন কার্যত ভেঙে পড়েছে। আজ কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে, কাল কোনও সংবাদমাধ্যমের অফিসে হামলা। কখনও কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী, কখনও শিক্ষক-শিক্ষিকা, কখনও ভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী, কখনও সাংবাদিক অথবা আইনজীবী। প্রতিদিন কোনও না কোনও প্রতিবাদী কণ্ঠ আক্রান্ত হচ্ছেন শাসকদলের গুন্ডাবাহিনীর হাতে।

পুলিশ প্রশাসনের নেতিবাচক ভূমিকা আগের সরকারের আমলের মতোই বিদ্যমান। অন্যদিকে শাসকদলের মুখপাত্ররা রোজ বুদ্ধাবতার সেজে জলদগম্ভীর গলায় প্রেস বার্তা দিচ্ছেন যে যারা এই গুন্ডামি করছে, তাদের সঙ্গে দলের নাকি কোনও সম্পর্কই নেই!

তাহলে প্রশ্ন একটাই। এই শাসক দলের সঙ্গে সম্পর্কহীন ‘হনুমানের দল’ গোটা রাজ্যজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে, আর সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছে না কেন? বারবার একই অজুহাত, একই অস্বীকার এবং একই নিষ্ক্রিয়তা আসলে এই হিংসাকে প্রশ্রয় দেওয়া, মদত দেওয়া এবং কার্যত এনডোর্স করারই নামান্তর।

গণতান্ত্রিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং প্রতিবাদী কণ্ঠের উপর এই আক্রমণ কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদী, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সমস্ত শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

শামীম আহমেদের উপর হামলার অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতার চাই।
গুন্ডারাজের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।
গণতন্ত্রের উপর আক্রমণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।

- ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট

‘লাল জামা, Shining টাক, Threat Culture নিপাত যাক’অভয়া আন্দোলনের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত স্লোগান হয়ে উঠেছিল এইটা, এর কেন্দ্র...
02/10/2026

‘লাল জামা, Shining টাক, Threat Culture নিপাত যাক’

অভয়া আন্দোলনের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত স্লোগান হয়ে উঠেছিল এইটা, এর কেন্দ্রে ছিল কুখ্যাত থ্রেট সিন্ডিকেট এর অন্যতম কিংপিন অভীক দে। লাল জামা পরে ৯ অগস্ট সকাল থেকে আরজি করে উপস্থিত ছিল এই অভীক দে, সেমিনার রুমের ভিতরে তাঁর উপস্থিতির বহু ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছিল। এমনকি পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে তৎকালীন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখার্জি (অধুনা সাসপেন্ডেড) সাংবাদিক সম্মেলন করে তাঁকে Fingerprint Expert বলে দাবি করেন,যা আরও প্রশ্নের জন্ম দেয় জনমানসে। দিনের পর দিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ সহ পশ্চিমবঙ্গের নানা প্রান্তে তাঁর বিরুদ্ধে Threat Culture চালানো, প্রভাব খাটানো এবং ছাত্রছাত্রী ও চিকিৎসকদের উপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগ সামনে আসে।

এরপর সামনে আসে আরও ভয়াবহ অভিযোগ। করোনা আবহে প্রয়োজনীয় Rural Service না করেই মিথ্যে বা প্রশ্নবিদ্ধ নথির মাধ্যমে সেই Service Quota ব্যবহার করে সার্জারি বিভাগের Postgraduate Seat হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। অভয়া আন্দোলনের অভিঘাতে এই বিষয়েও তদন্ত হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা সামনে এলেও তা কার্যকর হয়নি। দ্বিতীয় দফার তদন্তে বর্ধমানের অনাময় হাসপাতালে তাঁর কাজ করার দাবির সমর্থনে প্রয়োজনীয় নথি ও বাস্তব কাজের প্রমাণ নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন ওঠে। হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও কর্মীদের বক্তব্যও তদন্তে বিবেচিত হয়।

আমরা বর্তমান সরকারের কাছে ২৪ সেপ্টেম্বর দাবি সনদ পেশ করার সময়ও স্পষ্টভাবে দাবি জানিয়েছিলাম, আরজি কর কাণ্ডের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত সমস্ত ফাইল খুলে দেখতে হবে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়ীদের যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তার দু’দিন পরেই এল স্বাস্থ্য দফতরের নোটিশ, অভীক দে-র Trainee Reserve (TR) Post বাতিল করা হল।

কিন্তু এখানেই প্রশ্ন শেষ নয়, বরং এখান থেকেই আরও বড় প্রশ্নের শুরু। যে Rural Service-এর নথি ও যোগ্যতার ভিত্তিতে একজন চিকিৎসক Service Quota-য় স্নাতকোত্তরে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন, সেই ভিত্তিই যদি তদন্তে অগ্রহণযোগ্য বা অসত্য বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে সেই Service Quota Admission-এর বৈধতা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে না কেন? TR Post বাতিল হওয়া সেই প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কিন্তু সেই TR-এর ভিত্তিতে পাওয়া PG Seat-এর বৈধতা নিয়েও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। আর যে সমস্ত আধিকারিক, প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের নথি, অনুমোদন ও ছাড়পত্রের ভিত্তিতে এই সুবিধা তৈরি হয়েছিল, তাঁদের সকলকে তদন্তের আওতায় আনতে হবে।

এর পাশাপাশি রয়েছে West Bengal Medical Council-এর প্রশ্ন। ব্যাপক ছাপ্পা, ভোট রিগিং ও অনিয়মের অভিযোগে যে কাউন্সিল গঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ এবং যার বৈধতা নিয়ে আদালতে আইনি লড়াইও চলছে, সেই কাউন্সিলের প্যানেলেও জ্বলজ্বল করেছে অভীক দে-র নাম। একটি চিকিৎসা নিয়ন্ত্রক সংস্থাই যদি প্রভাব, অনিয়ম ও পক্ষপাতের অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ন্যায়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে কীভাবে?

WBJDF-এর দাবি

১. অভীক দে-র Service Quota-য় PG Admission-এর বৈধতা নিয়ে অবিলম্বে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত প্রকাশ করতে হবে।

২. TR বাতিলের সঙ্গে Service Quota Admission-এর সম্পর্ক স্পষ্ট করে লিখিত নির্দেশিকা প্রকাশ করতে হবে।

৩. সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির রিপোর্ট, সুপারিশ এবং তার ভিত্তিতে গৃহীত পদক্ষেপ জনসমক্ষে আনতে হবে।

৪. যে সমস্ত আধিকারিক, প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের নথি, অনুমোদন ও ছাড়পত্রের ভিত্তিতে এই Service Quota সুবিধা তৈরি হয়েছিল, তাঁদের ভূমিকা তদন্তের আওতায় আনতে হবে।

৫. West Bengal Medical Council-কে ঘিরে ওঠা দুর্নীতি, অনিয়ম ও নির্বাচন সংক্রান্ত অভিযোগের স্বাধীন, স্বচ্ছ ও সময়বদ্ধ তদন্ত করতে হবে।

৬. কোনও রাজনৈতিক পরিচয়, প্রশাসনিক প্রভাব বা ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা যেন চিকিৎসা শিক্ষার সুযোগ কিংবা নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

Threat Culture-এর বিরুদ্ধে লড়াই মানে শুধু একজন বা কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া নয়। স্বাস্থ্যব্যবস্থায় প্রভাব, পক্ষপাত এবং প্রশাসনিক প্রশ্রয়ের যে কাঠামো এই সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখে, তারও অবসান প্রয়োজন।

আমাদের অবস্থান স্পষ্ট।

আমরা কারও বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা চাই না। আমরা চাই একই নিয়ম সবার জন্য প্রযোজ্য হোক। যদি নিয়ম ভাঙা হয়ে থাকে, ব্যক্তি যতই প্রভাবশালী হোন, ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি প্রশাসনিক অনিয়ম হয়ে থাকে, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। আর যদি কোনও অভিযোগ ভিত্তিহীন হয়, স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে সেটিও স্পষ্ট করে দিতে হবে। কারও রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পরিচয় নয়, প্রমাণ, নিয়ম ও আইনের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত হোক।

Threat Culture নিপাত যাক।
প্রভাবের রাজনীতি নিপাত যাক।
স্বাস্থ্যব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হোক।

West Bengal Junior Doctors’ Front (WBJDF)

SRFTI-এর ছাত্রছাত্রীদের উপর বহিরাগত গুন্ডাদের নারকীয় হামলার তীব্র ধিক্কার জানাই।ট্র্যাডিশনটা যেন সমানে অব্যাহত।যাদবপুর ...
28/09/2026

SRFTI-এর ছাত্রছাত্রীদের উপর বহিরাগত গুন্ডাদের নারকীয় হামলার তীব্র ধিক্কার জানাই।

ট্র্যাডিশনটা যেন সমানে অব্যাহত।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ সহ বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসের পর এবার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, SRFTI-এর একটি হল ভাড়া নিয়ে RSS-এর শাখা সংগঠন অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের (ABGP) একটি অনুষ্ঠান চলছিল। সেই অনুষ্ঠানে তীব্র বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও প্রচার চলতে থাকায় কয়েকজন ছাত্রছাত্রী সেখানে গিয়ে তার প্রতিবাদ জানান। এরপরই তাঁদের উপর চরম শারীরিক আক্রমণ চালানো হয়। শুরু হয় বচসা, আর সেই বচসা ক্রমশ ভয়াবহ সংঘর্ষের রূপ নেয়।

ঘটনার খবর পেয়ে আরও ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। মূল আক্রমণকারীদের কয়েকজনকে আটকে রেখে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

কিন্তু এরপরই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।বহিরাগতদের একটি বড় দল ক্যাম্পাসে ঢুকে আক্রমণকারীদের ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। প্রায় ২০০ জন বহিরাগত গেট ঘিরে দাঁড়িয়ে পড়ে। গেট আটকে দেওয়া হয়। বাইরে থেকে। ছাত্রছাত্রীদের লক্ষ্য করে ইট, পাথর, জলের বোতল ছোড়া হয়। আর সেই সময় পুলিশ দীর্ঘক্ষণ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। কলেজের প্রশাসনিক প্রধানদের বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও পাওয়া যায়নি এই আক্রমণের সময়।

এর মধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের ছুরির আঘাত করা হয়। মাথা, নাক, মুখ ফাটিয়ে রক্তাক্ত করা হয় বহু ছাত্রছাত্রীকে। মহিলা ছাত্রীরাও শারীরিক ও মৌখিক আক্রমণের শিকার হন। ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, তাঁদের ‘দেশবিরোধী’, ‘জিহাদি’ ইত্যাদি বলে হেনস্থা করা হয়।

শুধু যারা প্রতিবাদ করছিলেন তাঁরাই নন, ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদেরও তাড়া করা হয়। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে লাইব্রেরিতে আশ্রয় নেন। অভিযোগ, সেখানেও হামলাকারীরা পৌঁছে যায় এবং লাইব্রেরিয়ানকেও হেনস্থা করা হয়। শিক্ষকরা ছাত্রছাত্রীদের রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাঁরাও আক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাননি। প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৩০ জন ছাত্রছাত্রী এবং ২ জন শিক্ষক আহত হয়েছেন।

সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয়গুলির একটি হল, আহত ছাত্রছাত্রীদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় অ্যাম্বুল্যান্স পর্যন্ত আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘক্ষণ ক্যাম্পাসের ভিতরে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকরা কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন।

এমনকি প্রেস বিবৃতি দেওয়ার সময়ও সাংবাদিকদের সামনেই ছাত্রদের উপর হামলা, মারধর এবং জামাকাপড় ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ কোন পরিস্থিতি? একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাইরে থেকে রাজনৈতিক সংগঠনের লোকজন এসে সেই প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের রক্তাক্ত করে যাবে, শিক্ষকরা আক্রান্ত হবেন, আহতদের নিয়ে যাওয়া অ্যাম্বুল্যান্স আটকে দেওয়া হবে, আর প্রশাসন ও পুলিশ কার্যত নীরব থাকবে? পুলিশ ও কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই দায় এড়িয়ে যেতে পারেনা! ক্ষমতার পদলেহন করতে গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষা ও ক্যাম্পাসের গণতন্ত্রকে পরোক্ষে খুন করা হচ্ছে, এ জিনিস সভ্য সমাজে চলতে পারে না!

এটা শুধু একটি ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের ঘটনা নয়। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশের উপর সরাসরি আক্রমণ। প্রশাসনের এই নীরবতা যদি আক্রান্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে, তাহলে সেই নীরবতাকে প্রশ্রয় হিসেবেই দেখতে বাধ্য হতে হয়।

পুলিশ FIR করেছে। কিন্তু অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এখনও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ কেন উঠছে, তার জবাব প্রশাসনকে দিতে হবে।

পূর্বতন সরকারের আমলে আমরা ‘থ্রেট কালচার’-এর ভয়াবহ রূপ দেখেছি। অভয়া আন্দোলন সেই ভয়, দমন এবং অন্যায়ের পরিবেশের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে রাস্তায় দাঁড়াতে শিখিয়েছে। সেই আন্দোলনের অভিঘাত আজও সমাজের সর্বত্র প্রবাহমান। নতুন সরকারের মাথায় রাখা উচিত, বাংলার মানুষ গুণ্ডামির রাজনীতি চায় না। চায় না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহিরাগতদের দাপট, ভয় দেখানোর রাজনীতি, ভেদাভেদ এবং হানাহানি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকবে ছাত্রছাত্রীদের। ক্যাম্পাসে থাকবে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের অধিকার।বহিরাগত গুণ্ডামির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ হোক সর্বত্র।

আমরা সর্বতোভাবে আক্রান্ত ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের পাশে আছি। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। প্রত্যেক অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

We strongly condemn the heinous attack perpetrated by external miscreants on the students of SRFTI.

It feels like a never-ending nightmare. First Jadavpur University, then North Bengal Medical College, and now, tragically, the Satyajit Ray Film and Television Institute.

From what we hear, an RSS-affiliated group, Akhil Bharatiya Grahak Panchayat, was holding an event in a rented hall on campus. When they started spewing hateful rhetoric and propaganda, a few students stepped up to protest. What followed was a brutal physical assault. A heated argument quickly spiraled into a terrifying, violent clash.
Other students and teachers rushed to the scene to defend them. They managed to corner a few of the main attackers and were ready to hand them over to the cops.

But then all hell broke loose.
A massive mob of outsiders stormed the campus to rescue the attackers. Around 200 thugs barricaded the gates. They started pelting the students with bricks, stones, and water bottles from the outside. Meanwhile, law enforcement inexplicably remained passive bystanders for an extended period.
The violence was sickening. Students were stabbed. Many were left bleeding from busted heads, noses, and faces. Female students were physically and verbally assaulted, branded as 'anti-nationals' and 'jihadis' by the mob.
The terror wasn’t just limited to the protesters; they hunted down anyone on campus. Terrified students barricaded themselves in the library, but the mob broke in there too, even harassing the librarian. Teachers who tried to shield their students were beaten. Reports say at least 30 students and two teachers were injured.
In perhaps the most heartbreaking twist, they even blocked the ambulances trying to take the bleeding students to the hospital. For hours, the campus was turned into a hostage situation for the students and teachers.
They even had the audacity to beat up students and tear their clothes right in front of journalists while they were giving a press statement.

What have we come to? Outsiders walk into an educational space, leave students bleeding, attack teachers, block ambulances, and the administration and police practically remain silent? The police and the campus authorities absolutely cannot wash their hands of this responsibility! By pandering to those in power, they are indirectly murdering student safety and campus democracy. This cannot be tolerated in a civilized society! We are left asking: how long will this law of the jungle be allowed to persist?
This isn't just a campus brawl. It’s a direct assault on student safety, free speech, and our democratic rights. Silence in the face of this violence isn't neutrality; it's permission.

Yes, the police filed an FIR. But the administration owes us an answer: why is there still no real action against the culprits despite the complaints? Why are the campus authorities and the legal system acting as nothing more than mere spectators, and how long will this anarchy be allowed to persist?
We survived the nightmare of 'threat culture' under the previous regime. The Abhaya movement taught ordinary people to take to the streets and fight back against fear, suppression, and injustice. The impact of that movement is still alive today. The new government needs a reality check: Bengal is sick and tired of thuggery. We don't want goons ruling our campuses through fear, division, and bloodshed.
Campuses belong to the students. They must remain safe havens for free thought and democracy. We must stand up and resist this outside thuggery everywhere.

We stand shoulder-to-shoulder with the attacked students and teachers.
We demand a full, prompt, and impartial investigation into this incident. Every single person involved must be identified, and strict legal action must be taken against them as soon as possible.

24/09/2026

অভয়া আন্দোলনের দাবিগুলি কোনও নির্দিষ্ট সময়ের দাবি নয়। সরকার বদলালেও সেই প্রশ্নগুলি থেকে যায়, যতক্ষণ না সেগুলির বাস্তব সমাধান হয়।

সেই দাবিগুলিকেই আজ নতুন সরকারের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরলাম। আজ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে WBJDF-এর প্রতিনিধি দল হিসেবে আমাদের দাবি সনদ পেশ করেছি।

অভয়া আন্দোলনের প্রেক্ষিতে পূর্ববর্তী সরকারের কাছে যে দাবিগুলি আমরা তুলে ধরেছিলাম, তার পাশাপাশি রাজ্যের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, ছাত্রছাত্রী এবং রোগীদের প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও এই দাবি সনদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সরকার পরিবর্তন শুধুমাত্র প্রশাসনিক মুখ পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। স্বাস্থ্যব্যবস্থার নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, পরিকাঠামো এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান ও কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন।

১. অভয়ার বিচার ও প্রশাসনিক জবাবদিহি

অভয়া-কাণ্ড নিয়ে স্বাস্থ্য দফতরের নিজস্ব তদন্তের বর্তমান অবস্থা কী, তদন্তের সুনির্দিষ্ট পরিধি কী এবং এখনও পর্যন্ত কী কী তথ্য ও ফলাফল উঠে এসেছে, তা স্পষ্ট করতে হবে।

তদন্ত নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শেষ করতে হবে। আইনত যেখানে সম্ভব, তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করতে হবে এবং সম্পূর্ণ রিপোর্ট ও প্রাসঙ্গিক নথি উপযুক্ত আদালত ও CBI-এর কাছে পেশ করতে হবে।

দফতরের নিজস্ব তদন্ত যেন দফতরকে রক্ষা করার প্রক্রিয়ায় পরিণত না হয়। এই তদন্তের মাধ্যমে প্রশাসনিক দায় নির্ধারণ এবং ঘটনার সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা চিহ্নিত করতে হবে।

২. প্রশাসনিক জবাবদিহি

স্বাস্থ্য দফতরের কার্যকলাপ সম্পর্কেই যখন তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে, তখন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়েও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা জরুরি।

আমরা দাবি করেছি, নারায়ণস্বরূপ নিগম, IAS-কে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের Principal Secretary-এর পদ থেকে অবিলম্বে সরিয়ে তাঁর ভূমিকা ও দায়িত্ব সম্পর্কে স্বাধীন তদন্ত করা হোক।

এটি কোনও ব্যক্তিকে আগেভাগে দোষী সাব্যস্ত করার দাবি নয়। বরং যাঁর প্রশাসনিক ভূমিকা তদন্তের আওতায় আসতে পারে, তাঁর অধীনে একই দফতরের নথি, আধিকারিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার তদন্ত চলতে পারে না।

৩. হাসপাতালগুলিতে শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা

রাজ্যের বহু গ্রামীণ ও প্রান্তিক হাসপাতালে এখনও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেই। অভয়া আন্দোলনের পর বহু জায়গায় civic volunteer সরিয়ে দেওয়া হলেও তার পরিবর্তে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত নিরাপত্তাকর্মী বা পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি।

কোনও হাসপাতালই কার্যত শূন্য নিরাপত্তায় চলতে পারে না।

প্রতিটি Rural Hospital, Block Hospital, Sub-divisional Hospital এবং District Hospital-এ পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করতে হবে। প্রতিটি স্তরে security audit করতে হবে। CCTV কার্যকর ও রক্ষণাবেক্ষণযোগ্য করতে হবে। Panic button ও emergency communication system চালু করতে হবে।

Emergency Department, ICU, CCU, OT complex এবং হাসপাতালের residential area-র জন্য পৃথক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

কলকাতার হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকের নিরাপত্তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, প্রত্যন্ত গ্রামীণ হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকের নিরাপত্তাও তেমনই গুরুত্বপূর্ণ।

৪. Digital Referral System

রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থায় একটি বৈজ্ঞানিক, কেন্দ্রীভূত এবং নিরন্তর monitored digital referral system চালু করতে হবে।

বর্তমানে অনেক সময় রোগীকে একটি হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে পাঠানো হলেও আগে থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেখানে প্রয়োজনীয় bed, specialist, diagnostic facility, equipment বা treatment infrastructure আদৌ রয়েছে কি না। ফলে রোগী সেখানে পৌঁছে আবার অন্য হাসপাতালে refer হন।

এতে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয়, রোগী ও পরিবারের আর্থিক ও শারীরিক দুর্ভোগ বাড়ে এবং হাসপাতালগুলির উপরও অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি হয়।

তাই referral-এর আগে digital system-এর মাধ্যমে receiving hospital-এর real-time bed availability, ICU/CCU/HDU, specialist, emergency service, diagnostic facility, functional equipment, OT, blood ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা যাচাই করার ব্যবস্থা করতে হবে।

Referral হতে হবে রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী, যাচাইকৃত এবং নির্দিষ্ট গন্তব্যভিত্তিক।

৫. ওষুধ, consumables ও প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো

সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও consumables না থাকলে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়।

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে essential supplies-এর ঘাটতি নিয়ে গুরুতর সমস্যা দেখা দিয়েছে। Basic antibiotics, IV fluids, essential chemotherapy drugs, surgical instruments এবং quality sutures-এর পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

রোগীকে বাইরে থেকে basic medicine বা essential consumable কিনতে বাধ্য করা কোনওভাবেই সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রম হতে পারে না। এতে রোগীর পরিবারের উপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা পড়ে এবং চিকিৎসকরাও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন।

প্রয়োজনীয় diagnostic ও critical-care infrastructure কার্যকর রাখতে হবে। কোথাও প্রয়োজন অনুযায়ী ABG machine সহ essential equipment-এর ঘাটতি থাকা চলবে না।

একটি কার্যকর stock-monitoring system তৈরি করতে হবে, যাতে রোগী পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আগেই ঘাটতি শনাক্ত করে পূরণ করা যায়।

৬. স্থায়ী নিয়োগ ও স্বচ্ছ Senior Resident Counselling

সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রায় প্রতিটি স্তরেই জনবলের ঘাটতি রয়েছে।

SMO, Assistant Professor ও অন্যান্য teaching faculty, Staff Nurse, Dentist, Medical Technologist, Group D এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কর্মী নিয়মিত, স্বচ্ছ ও স্থায়ীভাবে নিয়োগ করতে হবে।

GDMO recruitment হলেও এখনও বহু শূন্যপদ পূরণ হয়নি। সেই পদগুলি দ্রুত পূরণ করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত Dentist recruitment না হওয়া এবং Medical Technologist-এর তীব্র ঘাটতিরও সমাধান করতে হবে।

হাসপাতালের cleanliness ও infection control-এর জন্যও পর্যাপ্ত trained sanitation worker প্রয়োজন। Emergency, ICU, CCU ও OT-এর মতো critical area-তে পর্যাপ্ত এবং যথাযথ remuneration-সহ কর্মী নিয়োগ করতে হবে। অনির্দিষ্টকালের জন্য অল্প বেতনের contractual workforce-এর উপর নির্ভরতা বন্ধ করতে হবে।

Senior Resident counselling সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করতে হবে। Eligibility, merit criteria, vacancy publication, preference submission, seat allocation, posting, transfer এবং grievance redressal নিয়ে স্পষ্ট ও publicly available protocol থাকতে হবে।

Counselling-এর আগে vacancy প্রকাশ করতে হবে। Merit list ও counselling methodology স্বচ্ছ হতে হবে এবং counselling-এর পরে posting কোনওভাবেই arbitrarily পরিবর্তন করা চলবে না।

Senior Residents-এর remuneration-এ নিয়মিত annual increment-এর ব্যবস্থাও করতে হবে এবং তা একটি প্রতিষ্ঠিত সরকারি resident-doctor বা employee pay structure-এর সঙ্গে যথাযথভাবে যুক্ত করতে হবে।

৭. মেডিক্যাল কলেজে গণতান্ত্রিক পরিবেশ

প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজে ছাত্রছাত্রীদের জন্য প্রকৃত গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

Student Union election এই বছরের মধ্যেই, বিশ্ববিদ্যালয়ের academic ও examination schedule বিবেচনায় রেখে যত দ্রুত সম্ভব করতে হবে।

ICC, Anti-Ragging Committee এবং ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা, অধিকার ও welfare সংক্রান্ত অন্যান্য কমিটিতে, যেখানে আইনত সম্ভব, নির্বাচিত ছাত্রছাত্রী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিনিধিদের ছাত্রছাত্রীদের দ্বারাই নির্বাচিত হতে হবে।

একটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে আরেকটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নয়। মেডিক্যাল কলেজকে এমন জায়গা হতে হবে যেখানে ছাত্রছাত্রীরা ভয় ছাড়াই নিজেদের সমস্যা ও দাবি তুলে ধরতে এবং institutional decision-making-এ অংশ নিতে পারেন।

৮. স্বচ্ছ ও পরিষ্কার প্রশাসন

West Bengal Medical Council (WBMC) এবং West Bengal Health Recruitment Board (WBHRB) সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি ও অনিয়মের যে অভিযোগ রয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে।

যে তদন্তগুলি অসম্পূর্ণ বা shelved হয়ে রয়েছে এবং যেখানে অভিযোগ এখনও অমীমাংসিত, সেগুলি পুনরায় খতিয়ে দেখতে হবে।

Recruitment, registration, counselling ও appointment প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। Manipulation, corruption বা political interference-এর অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে accountability-র মানদণ্ড বদলে যেতে পারে না।

৯. স্বাস্থ্যকর্মীদের ভয়মুক্ত কর্মপরিবেশ

চিকিৎসক, নার্স, technologist, pharmacist, Group D কর্মী, sanitation worker সহ প্রত্যেক স্বাস্থ্যকর্মীর নিরাপদ ও ভয়মুক্ত পরিবেশে কাজ করার অধিকার রয়েছে।

কোনও রাজনৈতিক নেতা, বিধায়ক, মন্ত্রী বা জনপ্রতিনিধি যেন হাসপাতালের ভিতরে প্রকাশ্যে স্বাস্থ্যকর্মীদের হেনস্থা বা ভয় দেখাতে না পারেন।

কোনও অভিযোগ থাকলে তা নির্দিষ্ট প্রশাসনিক পদ্ধতিতে করতে হবে। স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য কার্যকর grievance mechanism এবং threat বা violence-এর ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক institutional support নিশ্চিত করতে হবে।

সরকার বদলের অর্থ হওয়া উচিত intimidation-এর সংস্কৃতির পরিবর্তন, শুধুমাত্র intimidation-এর মুখ বদল নয়।

১০. Threat Culture ও Syndicate সংস্কারের অবসান

RG Kar, Burdwan, Malda সহ বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে sexual harassment, physical abuse, cheating, hooliganism, intimidation ও threat culture-এর যে অভিযোগগুলি রয়েছে, সেগুলির pending বা shelved inquiry পুনরায় খতিয়ে দেখতে হবে।

পূর্ববর্তী প্রশাসনের সময় রাজ্যের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের বহু ছাত্রছাত্রীর বিরুদ্ধে বা পক্ষ থেকে অভিযোগ তদন্তের জন্য inquiry committee-তে পাঠানো হয়েছিল। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সেই ফাইলগুলি হারিয়ে যেতে পারে না।

প্রতিটি pending inquiry-এর বর্তমান status প্রকাশ করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে due process মেনে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং complainant ও witness-দের সুরক্ষা দিতে হবে।

একই সঙ্গে কোনও ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করলেই পূর্ববর্তী অভিযোগ অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে না। আবার কোনও রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে একই ধরনের intimidation বা control-এর সংস্কৃতিও ফিরতে দেওয়া যাবে না।

রাজনৈতিক রং যাই হোক, মানদণ্ড একই থাকতে হবে। মেডিক্যাল কলেজে গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিই হতে হবে ভিত্তি।

আমাদের দাবি

এই দাবিগুলি কোনও বিমূর্ত রাজনৈতিক বক্তব্য নয়।

এগুলি সেই গ্রামীণ হাসপাতালের চিকিৎসকের দাবি, যিনি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছাড়াই কাজ করেন। সেই understaffed ward-এর নার্সের দাবি। সেই technologist-এর দাবি, যিনি critical diagnostic equipment চালান। সেই রোগীর দাবি, যাঁকে basic medicine বাইরে থেকে কিনতে বলা হয়। সেই Senior Resident-এর দাবি, যিনি স্বচ্ছ counselling চান। এবং সেই ছাত্রছাত্রীর দাবি, যিনি নিজের কলেজে নির্বাচিতভাবে কথা বলার অধিকার চান।

অভয়ার পর যে পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল, তা যেন শুধু প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ না থাকে। বাংলার স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সেই পরিবর্তনকে বাস্তব, দৃশ্যমান এবং কাঠামোগত রূপ দিতে হবে।

West Bengal Junior Doctors' Front (WBJDF)
24 September 2026

Address

Satara

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front:

Shortcuts

Share