22/09/2026
⚠️ ব্যথার ওষুধ আর অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা
ব্যথা হলেই নিজের মতো করে ওষুধ খেয়ে নেওয়া, কিংবা আগের প্রেসক্রিপশন দেখে অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করে দেওয়া—এই অভ্যাস নিয়ে এবার সতর্ক করল কেন্দ্র।
গতকাল কেন্দ্রীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা CDSCO একটি নির্দেশিকা জারি করেছে।
কী বলা হয়েছে?
🔹 ১. কিছু ধরনের ব্যথার ওষুধ নিয়ে সতর্কতা
ব্যথা, ফোলা বা জ্বালাভাব কমানোর জন্য ব্যবহৃত কিছু ধরনের ব্যথার ওষুধ বারবার বা দীর্ঘদিন নিজের ইচ্ছায় খেলে কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বিশেষ করে যাঁদের আগে থেকেই কিডনির সমস্যা রয়েছে, শরীরে জলের ঘাটতি রয়েছে বা অন্য কোনও শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি হতে পারে।
তাই এই ধরনের ওষুধ প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়াই নিরাপদ।
🔹 ২. অ্যান্টিবায়োটিক নিয়েও সতর্কতা
জ্বর, সর্দি-কাশি বা অসুস্থ হলেই নিজের মতো করে অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করা ঠিক নয়।
অন্য কারও প্রেসক্রিপশন দেখে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া বা পুরনো প্রেসক্রিপশনের বেঁচে যাওয়া ওষুধ পরে খাওয়াও উচিত নয়।
কারণ প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে জীবাণু ওই ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে উঠতে পারে।
ফলে ভবিষ্যতে সত্যিই অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হলে সেটা কাজ নাও করতে পারে।
🔹 ৩. ওষুধের দোকান নিয়েও নির্দেশ
বেশিরভাগ অ্যান্টিবায়োটিক এবং কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ব্যথার ওষুধ প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী বিক্রি করার নিয়ম রয়েছে।
সেই নিয়ম যথাযথভাবে মানার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে CDSCO।
❗ তবে এর মানে ব্যথার ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে, এমন নয়।
প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এই ওষুধ ব্যবহার করা যায়।
মূল কথা, প্রয়োজন ছাড়া বা নিজের ইচ্ছায় দীর্ঘদিন ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা জরুরি।